📘 ভালোবাসা কারে কয় 📄 ‘কল্যাণে আবদ্ধ হওয়া’ - বিবাহ এবং অন্তরঙ্গতা

📄 ‘কল্যাণে আবদ্ধ হওয়া’ - বিবাহ এবং অন্তরঙ্গতা


ইসলামী শরী'আত সর্বব্যাপী, এতে সকল দিক ও বিভাগকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শরী'আতের সব বিধানই সহজ, এতে কোন জটিলতার লেশ মাত্র নেই। আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান' (মায়েদাহ ৫/৬)। তিনি আরো বলেন, 'আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তোমাদের জন্য জটিল কামনা করেন না' (বাক্বারাহ ২/১৮৫)।

হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, 'নিশ্চয়ই দ্বীন সহজ। যে ব্যক্তি তাকে কঠোর করতে যাবে, তা তার পক্ষে কঠোর হয়ে পড়বে। সুতরাং তোমরা সৎকর্ম কর ও মধ্যপন্থা অবলম্বন কর'। তিনি ইয়ামানে প্রেরিত ছাহাবীদের নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, 'মানুষের সাথে সহজ কর, কঠোরতা আরোপ কর না। তাদের সুসংবাদ শুনাও, তাড়িয়ে দিও না'।

ইসলামী শরী'আতের এই সহজকরণকে ৭টি ভাগে বিভক্ত করা যায়। ১. রহিতকরণের মাধ্যমে সহজকরণ। ২. হ্রাসকরণের মাধ্যমে সহজকরণ (যেমন ছালাত কছর করা)। ৩. বদলকরণের মাধ্যমে হালকাকরণ (যেমন তায়াম্মুম)। ৪. অগ্রিম পালনের সুযোগ দান। ৫. বিলম্বিতকরণের মাধ্যমে সহজকরণ (যেমন রোগী ও মুসাফিরের ছিয়াম)। ৬. অবকাশ দানের মাধ্যমে হালকাকরণ। ৭. পরিবর্তনের মাধ্যমে হালকাকরণ।

সহজকরণের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতার বিষয়। এটা ঐ ক্ষেত্রে ওয়াজিব নয় যাতে মানুষের কোন ক্ষমতা নেই, যেমন আন্তরিক টান ও ভালবাসা। সাওদা বিনতু যাম'আহ (রাঃ) যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন, তখন তিনি তাঁর পালার দিন আয়েশা (রাঃ)-কে দান করেছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তা গ্রহণ করেছিলেন।

এছাড়াও তওবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অপরাধ ও পাপ যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহ্র নিকট একনিষ্ঠভাবে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করলে আল্লাহ সে গোনাহ মাফ করে দেন। যেমন বানী ইসরাঈলের ১০০ জন হত্যাকারীর ঘটনা। আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য কিছু বিধান হালকা বা রহিত করেছেন, যা পূর্ববর্তী উম্মতের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর ছিল।

টিকাঃ
৮১. বুখারী, মিশকাত, হা/১২৪৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১১৭৭।
৮২. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২৪।
৮৩. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২২।
৮৪. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২৩।
৮৫. তিরমিযী, হা/১৩৭, হাদীছ ছহীহ।
৮৬. বুখারী হা/৬১৭১; মুসলিম 'ঈমান' অধ্যায়।
৮৭. মুসলিম, হা/১৩২; মিশকাত হা/৬৮।
৮৮. বুখারী হা/১৩৪।
৮৯. মুসলিম হা/৮৮৮।
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
৯১. বুখারী হা/১৪।
৯২. বুখারী হা/১৮২৯।
৯৩. বুখারী হা/৫০৬৩; মিশকাত, হা/১৪৫।
৯৪. বুখারী, হা/ ৪৪৩৬।
৯৫. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৩২৭।
৯৬. বুখারী, হা/৩৪৭০; মুসলিম, হা/২৭৬৬।
৯৭. তিরমিযী হা/১৭৩১, সনদ ছহীহ।
৯৮. মুসলিম হা/১৩৩৭।
৯৯. বুখারী হা/৬৭৪৫।
১০০. বুখারী, তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ হা/৩১৮৫।
১০১. ওয়াসাতিয়াতুল ইসলাম, পৃঃ ১৪৫-৪৬।

ইসলামী শরী'আত সর্বব্যাপী, এতে সকল দিক ও বিভাগকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শরী'আতের সব বিধানই সহজ, এতে কোন জটিলতার লেশ মাত্র নেই। আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান' (মায়েদাহ ৫/৬)। তিনি আরো বলেন, 'আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তোমাদের জন্য জটিল কামনা করেন না' (বাক্বারাহ ২/১৮৫)।

হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, 'নিশ্চয়ই দ্বীন সহজ। যে ব্যক্তি তাকে কঠোর করতে যাবে, তা তার পক্ষে কঠোর হয়ে পড়বে। সুতরাং তোমরা সৎকর্ম কর ও মধ্যপন্থা অবলম্বন কর'। তিনি ইয়ামানে প্রেরিত ছাহাবীদের নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, 'মানুষের সাথে সহজ কর, কঠোরতা আরোপ কর না। তাদের সুসংবাদ শুনাও, তাড়িয়ে দিও না'।

ইসলামী শরী'আতের এই সহজকরণকে ৭টি ভাগে বিভক্ত করা যায়। ১. রহিতকরণের মাধ্যমে সহজকরণ। ২. হ্রাসকরণের মাধ্যমে সহজকরণ (যেমন ছালাত কছর করা)। ৩. বদলকরণের মাধ্যমে হালকাকরণ (যেমন তায়াম্মুম)। ৪. অগ্রিম পালনের সুযোগ দান। ৫. বিলম্বিতকরণের মাধ্যমে সহজকরণ (যেমন রোগী ও মুসাফিরের ছিয়াম)। ৬. অবকাশ দানের মাধ্যমে হালকাকরণ। ৭. পরিবর্তনের মাধ্যমে হালকাকরণ।

সহজকরণের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতার বিষয়। এটা ঐ ক্ষেত্রে ওয়াজিব নয় যাতে মানুষের কোন ক্ষমতা নেই, যেমন আন্তরিক টান ও ভালবাসা। সাওদা বিনতু যাম'আহ (রাঃ) যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন, তখন তিনি তাঁর পালার দিন আয়েশা (রাঃ)-কে দান করেছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তা গ্রহণ করেছিলেন।

এছাড়াও তওবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অপরাধ ও পাপ যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহ্র নিকট একনিষ্ঠভাবে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করলে আল্লাহ সে গোনাহ মাফ করে দেন। যেমন বানী ইসরাঈলের ১০০ জন হত্যাকারীর ঘটনা। আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য কিছু বিধান হালকা বা রহিত করেছেন, যা পূর্ববর্তী উম্মতের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর ছিল।

টিকাঃ
৮১. বুখারী, মিশকাত, হা/১২৪৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১১৭৭।
৮২. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২৪।
৮৩. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২২।
৮৪. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২৩।
৮৫. তিরমিযী, হা/১৩৭, হাদীছ ছহীহ।
৮৬. বুখারী হা/৬১৭১; মুসলিম 'ঈমান' অধ্যায়।
৮৭. মুসলিম, হা/১৩২; মিশকাত হা/৬৮।
৮৮. বুখারী হা/১৩৪।
৮৯. মুসলিম হা/৮৮৮।
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
৯১. বুখারী হা/১৪।
৯২. বুখারী হা/১৮২৯।
৯৩. বুখারী হা/৫০৬৩; মিশকাত, হা/১৪৫।
৯৪. বুখারী, হা/ ৪৪৩৬।
৯৫. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৩২৭।
৯৬. বুখারী, হা/৩৪৭০; মুসলিম, হা/২৭৬৬।
৯৭. তিরমিযী হা/১৭৩১, সনদ ছহীহ।
৯৮. মুসলিম হা/১৩৩৭।
৯৯. বুখারী হা/৬৭৪৫।
১০০. বুখারী, তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ হা/৩১৮৫।
১০১. ওয়াসাতিয়াতুল ইসলাম, পৃঃ ১৪৫-৪৬।

ইসলামী শরী'আত সর্বব্যাপী, এতে সকল দিক ও বিভাগকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই শরী'আতের সব বিধানই সহজ, এতে কোন জটিলতার লেশ মাত্র নেই। আল্লাহ বলেন, 'আল্লাহ তোমাদেরকে অসুবিধায় ফেলতে চান না; কিন্তু তোমাদেরকে পবিত্র রাখতে চান' (মায়েদাহ ৫/৬)। তিনি আরো বলেন, 'আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তোমাদের জন্য জটিল কামনা করেন না' (বাক্বারাহ ২/১৮৫)।

হাদীছে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, 'নিশ্চয়ই দ্বীন সহজ। যে ব্যক্তি তাকে কঠোর করতে যাবে, তা তার পক্ষে কঠোর হয়ে পড়বে। সুতরাং তোমরা সৎকর্ম কর ও মধ্যপন্থা অবলম্বন কর'। তিনি ইয়ামানে প্রেরিত ছাহাবীদের নির্দেশ দিয়ে বলেছিলেন, 'মানুষের সাথে সহজ কর, কঠোরতা আরোপ কর না। তাদের সুসংবাদ শুনাও, তাড়িয়ে দিও না'।

ইসলামী শরী'আতের এই সহজকরণকে ৭টি ভাগে বিভক্ত করা যায়। ১. রহিতকরণের মাধ্যমে সহজকরণ। ২. হ্রাসকরণের মাধ্যমে সহজকরণ (যেমন ছালাত কছর করা)। ৩. বদলকরণের মাধ্যমে হালকাকরণ (যেমন তায়াম্মুম)। ৪. অগ্রিম পালনের সুযোগ দান। ৫. বিলম্বিতকরণের মাধ্যমে সহজকরণ (যেমন রোগী ও মুসাফিরের ছিয়াম)। ৬. অবকাশ দানের মাধ্যমে হালকাকরণ। ৭. পরিবর্তনের মাধ্যমে হালকাকরণ।

সহজকরণের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতার বিষয়। এটা ঐ ক্ষেত্রে ওয়াজিব নয় যাতে মানুষের কোন ক্ষমতা নেই, যেমন আন্তরিক টান ও ভালবাসা। সাওদা বিনতু যাম'আহ (রাঃ) যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন, তখন তিনি তাঁর পালার দিন আয়েশা (রাঃ)-কে দান করেছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তা গ্রহণ করেছিলেন।

এছাড়াও তওবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অপরাধ ও পাপ যত বড়ই হোক না কেন, আল্লাহ্র নিকট একনিষ্ঠভাবে অনুতপ্ত হয়ে তওবা করলে আল্লাহ সে গোনাহ মাফ করে দেন। যেমন বানী ইসরাঈলের ১০০ জন হত্যাকারীর ঘটনা। আল্লাহ তা'আলা উম্মতে মুহাম্মাদীর জন্য কিছু বিধান হালকা বা রহিত করেছেন, যা পূর্ববর্তী উম্মতের জন্য অত্যন্ত কষ্টকর ছিল।

টিকাঃ
৮১. বুখারী, মিশকাত, হা/১২৪৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/১১৭৭।
৮২. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২৪।
৮৩. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২২।
৮৪. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ, মিশকাত, হা/৩৭২৩।
৮৫. তিরমিযী, হা/১৩৭, হাদীছ ছহীহ।
৮৬. বুখারী হা/৬১৭১; মুসলিম 'ঈমান' অধ্যায়।
৮৭. মুসলিম, হা/১৩২; মিশকাত হা/৬৮।
৮৮. বুখারী হা/১৩৪।
৮৯. মুসলিম হা/৮৮৮।
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
৯১. বুখারী হা/১৪।
৯২. বুখারী হা/১৮২৯।
৯৩. বুখারী হা/৫০৬৩; মিশকাত, হা/১৪৫।
৯৪. বুখারী, হা/ ৪৪৩৬।
৯৫. মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/২৩২৭।
৯৬. বুখারী, হা/৩৪৭০; মুসলিম, হা/২৭৬৬।
৯৭. তিরমিযী হা/১৭৩১, সনদ ছহীহ।
৯৮. মুসলিম হা/১৩৩৭।
৯৯. বুখারী হা/৬৭৪৫।
১০০. বুখারী, তিরমিযী, নাসাঈ, আবু দাউদ হা/৩১৮৫।
১০১. ওয়াসাতিয়াতুল ইসলাম, পৃঃ ১৪৫-৪৬।

শরী’আতের কোন কর্মের সাথে কষ্টকর বিষয় ইচ্ছাকৃতভাবে সংযুক্ত করা কোন মানুষের জন্য বৈধ নয়। এজন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছাওমে বেছাল (লাগাতার সিয়াম) ও সন্ন্যাসব্রত নিষেধ করেছেন। ইবাদতে মধ্যপন্থা অবলম্বনের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘আল্লাহ্র কসম! আমি তোমাদের চেয়ে আল্লাহকে অধিক ভয় করি। তথাপি আমি ছিয়াম পালন করি আবার ছেড়েও দেই, আমি ছালাত আদায় করি এবং ঘুমাই। আমি বিবাহও করেছি। সুতরাং যে আমার সুন্নাতকে পরিত্যাগ করবে সে আমার দলভুক্ত নয়’।

বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর আদর্শ ছিল ইনসাফপূর্ণ। হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রায় প্রতিদিন তাঁর সকল স্ত্রীর নিকট আসতেন এবং তাঁদের নিকটবর্তী হ’তেন, যদিও সহবাস বা স্পর্শ করতেন না যতক্ষণ না নির্দিষ্ট স্ত্রীর দিন আসত। সাওদা বিনতু যাম’আহ যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন, তখন তিনি তাঁর পালার দিনটি আয়েশা (রাঃ)-কে দান করেন যাতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন।

টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
৯২. বুখারী হা/১৮২৯।
৯৩. বুখারী হা/৫০৬৩; মিশকাত, হা/১৪৫, 'ঈমান' অধ্যায়।

শরী’আতের কোন কর্মের সাথে কষ্টকর বিষয় ইচ্ছাকৃতভাবে সংযুক্ত করা কোন মানুষের জন্য বৈধ নয়। এজন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছাওমে বেছাল (লাগাতার সিয়াম) ও সন্ন্যাসব্রত নিষেধ করেছেন। ইবাদতে মধ্যপন্থা অবলম্বনের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘আল্লাহ্র কসম! আমি তোমাদের চেয়ে আল্লাহকে অধিক ভয় করি। তথাপি আমি ছিয়াম পালন করি আবার ছেড়েও দেই, আমি ছালাত আদায় করি এবং ঘুমাই। আমি বিবাহও করেছি। সুতরাং যে আমার সুন্নাতকে পরিত্যাগ করবে সে আমার দলভুক্ত নয়’।

বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর আদর্শ ছিল ইনসাফপূর্ণ। হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রায় প্রতিদিন তাঁর সকল স্ত্রীর নিকট আসতেন এবং তাঁদের নিকটবর্তী হ’তেন, যদিও সহবাস বা স্পর্শ করতেন না যতক্ষণ না নির্দিষ্ট স্ত্রীর দিন আসত। সাওদা বিনতু যাম’আহ যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন, তখন তিনি তাঁর পালার দিনটি আয়েশা (রাঃ)-কে দান করেন যাতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন।

টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
৯২. বুখারী হা/১৮২৯।
৯৩. বুখারী হা/৫০৬৩; মিশকাত, হা/১৪৫, 'ঈমান' অধ্যায়।

শরী’আতের কোন কর্মের সাথে কষ্টকর বিষয় ইচ্ছাকৃতভাবে সংযুক্ত করা কোন মানুষের জন্য বৈধ নয়। এজন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছাওমে বেছাল (লাগাতার সিয়াম) ও সন্ন্যাসব্রত নিষেধ করেছেন। ইবাদতে মধ্যপন্থা অবলম্বনের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তিন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন, ‘আল্লাহ্র কসম! আমি তোমাদের চেয়ে আল্লাহকে অধিক ভয় করি। তথাপি আমি ছিয়াম পালন করি আবার ছেড়েও দেই, আমি ছালাত আদায় করি এবং ঘুমাই। আমি বিবাহও করেছি। সুতরাং যে আমার সুন্নাতকে পরিত্যাগ করবে সে আমার দলভুক্ত নয়’।

বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর আদর্শ ছিল ইনসাফপূর্ণ। হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, আয়েশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রায় প্রতিদিন তাঁর সকল স্ত্রীর নিকট আসতেন এবং তাঁদের নিকটবর্তী হ’তেন, যদিও সহবাস বা স্পর্শ করতেন না যতক্ষণ না নির্দিষ্ট স্ত্রীর দিন আসত। সাওদা বিনতু যাম’আহ যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন, তখন তিনি তাঁর পালার দিনটি আয়েশা (রাঃ)-কে দান করেন যাতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট থাকেন।

টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।
৯২. বুখারী হা/১৮২৯।
৯৩. বুখারী হা/৫০৬৩; মিশকাত, হা/১৪৫, 'ঈমান' অধ্যায়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px