📘 ভালোবাসা কারে কয় 📄 ‘সোনার খাঁচায়’- বিবাহের নিয়মকানুন

📄 ‘সোনার খাঁচায়’- বিবাহের নিয়মকানুন


ইসলাম একটি মধ্যপন্থী ধর্ম। যেমন মহান আল্লাহ বলেছেন, 'অনুরূপভাবে আমি তোমাদের মধ্যপন্থী জাতি করেছি, যাতে তোমরা মানুষের উপর সাক্ষী হও' (বাক্বারাহ ২/১৪৩)। সুতরাং ইসলাম এমন একটি মধ্যপন্থী ধর্ম যাতে বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘনের কোন স্থান নেই। ইহুদীরা তাদের নবীদেরকে হত্যা করেছিল। নাছারারা তাদের নবীকে উপাস্য বানিয়েছিল। মহান আল্লাহ বলেন, 'যখনই তাদের কাছে কোন পয়গম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসত যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যারোপ করত এবং অনেককে হত্যা করে ফেলত' (মায়েদাহ ৫/৭০)।

ইহুদীরা নবীগণের প্রতি এমন কর্ম ও গুণ-বৈশিষ্ট্য আরোপ করত যা তাঁদের অনুসারী সাধারণ মুমিনদের প্রতি আরোপ করাও সমীচীন নয়। তারা সুলায়মান (আঃ)-এর প্রতি জাদুবিদ্যা চর্চা এবং মূর্তি পূজার অপবাদ আরোপ করে। আল্লাহ তাদের একথা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, 'কত কঠিন কথা তাদের মুখ থেকে বের হয়। তারা যা বলে তা তাতো সবই মিথ্যা' (কাহফ ১৮/৫)।

নাছারাদের আক্বীদা-বিশ্বাসও ছিল ভ্রান্ত। তারা ধারণা করত যে, ঈসা (আঃ) আল্লাহ্ পুত্র। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যে, 'ইহুদীরা বলে যে, উযাইর আল্লাহ্ পুত্র এবং নাছারারা বলে মাসীহ (ঈসা) আল্লাহ্ পুত্র। এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা'। ইহুদীদের যুলুম ও সীমালংঘনের কারণে তারা আল্লাহ্ শাস্তিতে নিপতিত হয়েছিল। তাদের প্রতি কঠোর বিধান আরোপিত হয়েছিল তাদের নিজেদের উপর কঠোরতা করার কারণে। যেমন বানী ইসরাঈলের গাভী যবেহের ঘটনা। তারা যত কঠোরতা করেছিল, আল্লাহও তাদের প্রতি তত কঠিন বিধান আরোপ করেছিলেন।

পক্ষান্তরে মুসলমানরা তাদের নবী মুহম্মাদ (ছাঃ)-এর প্রতি ন্যায়সঙ্গত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মানুষ ছিলেন। তিনি মানবীয় ভুলের ঊর্ধ্বে ছিলেন না। যেমন অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু উম্মে মাকতুমের ঘটনা অথবা বদর যুদ্ধের বন্দীদের মুক্তিপণের বিষয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, 'আমি একজন মানুষ। যখন আমি তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীনের কোন বিষয়ে নির্দেশ দেব তখন তা গ্রহণ করবে। আর যখন আমি আমার নিজের পক্ষ থেকে কোন ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দেব, তাহলে অবশ্যই আমি একজন মানুষ'।

ছাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে নিজেদের জীবনের চেয়ে অধিক ভালবাসতেন। ওমর (রাঃ) তাঁকে বললেন, 'আল্লাহ্র কসম! এখন আপনি আমার জীবনের চেয়েও আমার নিকট অধিক প্রিয়'। হিজরত কালে আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে উদ্ধত হয়েছিলেন। ওহোদ যুদ্ধে আবু তালহা (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-এর সামনে মানববর্ম হয়ে তাকে রক্ষা করেছিলেন।

টিকাঃ
৭২. ওয়াসাতিয়াতুল ইসলাম, পৃঃ ১০৩।
৭৩. মুসলিম হা/২৩৬২।
৭৪. বুখারী, হা/৩৮৬; মুসলিম, হা/৮৯২।
৭৫. বুখারী হা/২২৭৮।
৭৬. মুসলিম হা/২৬০৩।
৭৭. বুখারী হা/৬১৪২।
৭৮. ছফিউর রহমান মুবারকপুরী, আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃঃ ১৬৪।
৭৯. বুখারী হা/৩৭৫৬।
৮০. মুসলিম হা/১৮১১।

ইসলাম একটি মধ্যপন্থী ধর্ম। যেমন মহান আল্লাহ বলেছেন, 'অনুরূপভাবে আমি তোমাদের মধ্যপন্থী জাতি করেছি, যাতে তোমরা মানুষের উপর সাক্ষী হও' (বাক্বারাহ ২/১৪৩)। সুতরাং ইসলাম এমন একটি মধ্যপন্থী ধর্ম যাতে বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘনের কোন স্থান নেই। ইহুদীরা তাদের নবীদেরকে হত্যা করেছিল। নাছারারা তাদের নবীকে উপাস্য বানিয়েছিল। মহান আল্লাহ বলেন, 'যখনই তাদের কাছে কোন পয়গম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসত যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যারোপ করত এবং অনেককে হত্যা করে ফেলত' (মায়েদাহ ৫/৭০)।

ইহুদীরা নবীগণের প্রতি এমন কর্ম ও গুণ-বৈশিষ্ট্য আরোপ করত যা তাঁদের অনুসারী সাধারণ মুমিনদের প্রতি আরোপ করাও সমীচীন নয়। তারা সুলায়মান (আঃ)-এর প্রতি জাদুবিদ্যা চর্চা এবং মূর্তি পূজার অপবাদ আরোপ করে। আল্লাহ তাদের একথা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, 'কত কঠিন কথা তাদের মুখ থেকে বের হয়। তারা যা বলে তা তাতো সবই মিথ্যা' (কাহফ ১৮/৫)।

নাছারাদের আক্বীদা-বিশ্বাসও ছিল ভ্রান্ত। তারা ধারণা করত যে, ঈসা (আঃ) আল্লাহ্ পুত্র। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যে, 'ইহুদীরা বলে যে, উযাইর আল্লাহ্ পুত্র এবং নাছারারা বলে মাসীহ (ঈসা) আল্লাহ্ পুত্র। এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা'। ইহুদীদের যুলুম ও সীমালংঘনের কারণে তারা আল্লাহ্ শাস্তিতে নিপতিত হয়েছিল। তাদের প্রতি কঠোর বিধান আরোপিত হয়েছিল তাদের নিজেদের উপর কঠোরতা করার কারণে। যেমন বানী ইসরাঈলের গাভী যবেহের ঘটনা। তারা যত কঠোরতা করেছিল, আল্লাহও তাদের প্রতি তত কঠিন বিধান আরোপ করেছিলেন।

পক্ষান্তরে মুসলমানরা তাদের নবী মুহম্মাদ (ছাঃ)-এর প্রতি ন্যায়সঙ্গত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মানুষ ছিলেন। তিনি মানবীয় ভুলের ঊর্ধ্বে ছিলেন না। যেমন অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু উম্মে মাকতুমের ঘটনা অথবা বদর যুদ্ধের বন্দীদের মুক্তিপণের বিষয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, 'আমি একজন মানুষ। যখন আমি তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীনের কোন বিষয়ে নির্দেশ দেব তখন তা গ্রহণ করবে। আর যখন আমি আমার নিজের পক্ষ থেকে কোন ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দেব, তাহলে অবশ্যই আমি একজন মানুষ'।

ছাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে নিজেদের জীবনের চেয়ে অধিক ভালবাসতেন। ওমর (রাঃ) তাঁকে বললেন, 'আল্লাহ্র কসম! এখন আপনি আমার জীবনের চেয়েও আমার নিকট অধিক প্রিয়'। হিজরত কালে আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে উদ্ধত হয়েছিলেন। ওহোদ যুদ্ধে আবু তালহা (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-এর সামনে মানববর্ম হয়ে তাকে রক্ষা করেছিলেন।

টিকাঃ
৭২. ওয়াসাতিয়াতুল ইসলাম, পৃঃ ১০৩।
৭৩. মুসলিম হা/২৩৬২।
৭৪. বুখারী, হা/৩৮৬; মুসলিম, হা/৮৯২।
৭৫. বুখারী হা/২২৭৮।
৭৬. মুসলিম হা/২৬০৩।
৭৭. বুখারী হা/৬১৪২।
৭৮. ছফিউর রহমান মুবারকপুরী, আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃঃ ১৬৪।
৭৯. বুখারী হা/৩৭৫৬।
৮০. মুসলিম হা/১৮১১।

ইসলাম একটি মধ্যপন্থী ধর্ম। যেমন মহান আল্লাহ বলেছেন, 'অনুরূপভাবে আমি তোমাদের মধ্যপন্থী জাতি করেছি, যাতে তোমরা মানুষের উপর সাক্ষী হও' (বাক্বারাহ ২/১৪৩)। সুতরাং ইসলাম এমন একটি মধ্যপন্থী ধর্ম যাতে বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘনের কোন স্থান নেই। ইহুদীরা তাদের নবীদেরকে হত্যা করেছিল। নাছারারা তাদের নবীকে উপাস্য বানিয়েছিল। মহান আল্লাহ বলেন, 'যখনই তাদের কাছে কোন পয়গম্বর এমন নির্দেশ নিয়ে আসত যা তাদের মনে চাইত না, তখন তাদের অনেকের প্রতি তারা মিথ্যারোপ করত এবং অনেককে হত্যা করে ফেলত' (মায়েদাহ ৫/৭০)।

ইহুদীরা নবীগণের প্রতি এমন কর্ম ও গুণ-বৈশিষ্ট্য আরোপ করত যা তাঁদের অনুসারী সাধারণ মুমিনদের প্রতি আরোপ করাও সমীচীন নয়। তারা সুলায়মান (আঃ)-এর প্রতি জাদুবিদ্যা চর্চা এবং মূর্তি পূজার অপবাদ আরোপ করে। আল্লাহ তাদের একথা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে বলেন, 'কত কঠিন কথা তাদের মুখ থেকে বের হয়। তারা যা বলে তা তাতো সবই মিথ্যা' (কাহফ ১৮/৫)।

নাছারাদের আক্বীদা-বিশ্বাসও ছিল ভ্রান্ত। তারা ধারণা করত যে, ঈসা (আঃ) আল্লাহ্ পুত্র। কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যে, 'ইহুদীরা বলে যে, উযাইর আল্লাহ্ পুত্র এবং নাছারারা বলে মাসীহ (ঈসা) আল্লাহ্ পুত্র। এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা'। ইহুদীদের যুলুম ও সীমালংঘনের কারণে তারা আল্লাহ্ শাস্তিতে নিপতিত হয়েছিল। তাদের প্রতি কঠোর বিধান আরোপিত হয়েছিল তাদের নিজেদের উপর কঠোরতা করার কারণে। যেমন বানী ইসরাঈলের গাভী যবেহের ঘটনা। তারা যত কঠোরতা করেছিল, আল্লাহও তাদের প্রতি তত কঠিন বিধান আরোপ করেছিলেন।

পক্ষান্তরে মুসলমানরা তাদের নবী মুহম্মাদ (ছাঃ)-এর প্রতি ন্যায়সঙ্গত দৃষ্টি নিক্ষেপ করে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মানুষ ছিলেন। তিনি মানবীয় ভুলের ঊর্ধ্বে ছিলেন না। যেমন অন্ধ ছাহাবী আব্দুল্লাহ ইবনু উম্মে মাকতুমের ঘটনা অথবা বদর যুদ্ধের বন্দীদের মুক্তিপণের বিষয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, 'আমি একজন মানুষ। যখন আমি তোমাদেরকে তোমাদের দ্বীনের কোন বিষয়ে নির্দেশ দেব তখন তা গ্রহণ করবে। আর যখন আমি আমার নিজের পক্ষ থেকে কোন ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দেব, তাহলে অবশ্যই আমি একজন মানুষ'।

ছাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে নিজেদের জীবনের চেয়ে অধিক ভালবাসতেন। ওমর (রাঃ) তাঁকে বললেন, 'আল্লাহ্র কসম! এখন আপনি আমার জীবনের চেয়েও আমার নিকট অধিক প্রিয়'। হিজরত কালে আবূ বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর জন্য নিজের জীবনকে উৎসর্গ করতে উদ্ধত হয়েছিলেন। ওহোদ যুদ্ধে আবু তালহা (রাঃ) নবী করীম (ছাঃ)-এর সামনে মানববর্ম হয়ে তাকে রক্ষা করেছিলেন।

টিকাঃ
৭২. ওয়াসাতিয়াতুল ইসলাম, পৃঃ ১০৩।
৭৩. মুসলিম হা/২৩৬২।
৭৪. বুখারী, হা/৩৮৬; মুসলিম, হা/৮৯২।
৭৫. বুখারী হা/২২৭৮।
৭৬. মুসলিম হা/২৬০৩।
৭৭. বুখারী হা/৬১৪২।
৭৮. ছফিউর রহমান মুবারকপুরী, আর-রাহীকুল মাখতুম, পৃঃ ১৬৪।
৭৯. বুখারী হা/৩৭৫৬।
৮০. মুসলিম হা/১৮১১।

সহজকরণ ও জটিলতা দূরীকরণের আরেকটি দিক হচ্ছে, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতার বিষয়। এটা ঐ ক্ষেত্রে ওয়াজিব নয় যাতে মানুষের কোন ক্ষমতা নেই। যেমন আন্তরিক টান-আকর্ষণ ও ভালবাসা, যাতে মানুষের কোন এখতিয়ার নেই। আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করতেন ও ন্যায় বিচার বা ইনছাফ করতেন। হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) তার পিতা হ’তে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেন, হে ভগ্নীপুত্র! রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদের নিকটে অবস্থানের ব্যাপারে একজনকে অপরজনের উপরে বেশী সুযোগ বা প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই যেত (অর্থাৎ প্রায় দিনই) তিনি আমাদের সকলের নিকট আসতেন, আমাদের নিকটবর্তী হ’তেন কিন্তু স্পর্শ করতেন না (সহবাস করতেন না)।

অবশেষে যাঁর নিকটে রাত্রি যাপনের পালা থাকতো, তিনি তাঁর নিকটে রাত্রি যাপন করতেন। আর সাওদা বিনতু যাম’আহ যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন এবং রাসূল (ছাঃ) তাকে পৃথক করে দেবেন বলে আশংকা করলেন, তখন বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার পালার দিন আয়েশার জন্য (দান করলাম)’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে এবং এ ধরনের অন্যান্য ব্যাপারকে উদ্দেশ্য করে মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন, ‘যদি কোন নারী তার স্বামীর তরফ থেকে নিষ্ঠুরতা কিংবা উপেক্ষিত হবার আশংকা করে ...’ (নিসা ৪/১২৮)।

টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।

সহজকরণ ও জটিলতা দূরীকরণের আরেকটি দিক হচ্ছে, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতার বিষয়। এটা ঐ ক্ষেত্রে ওয়াজিব নয় যাতে মানুষের কোন ক্ষমতা নেই। যেমন আন্তরিক টান-আকর্ষণ ও ভালবাসা, যাতে মানুষের কোন এখতিয়ার নেই। আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করতেন ও ন্যায় বিচার বা ইনছাফ করতেন। হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) তার পিতা হ’তে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেন, হে ভগ্নীপুত্র! রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদের নিকটে অবস্থানের ব্যাপারে একজনকে অপরজনের উপরে বেশী সুযোগ বা প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই যেত (অর্থাৎ প্রায় দিনই) তিনি আমাদের সকলের নিকট আসতেন, আমাদের নিকটবর্তী হ’তেন কিন্তু স্পর্শ করতেন না (সহবাস করতেন না)।

অবশেষে যাঁর নিকটে রাত্রি যাপনের পালা থাকতো, তিনি তাঁর নিকটে রাত্রি যাপন করতেন। আর সাওদা বিনতু যাম’আহ যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন এবং রাসূল (ছাঃ) তাকে পৃথক করে দেবেন বলে আশংকা করলেন, তখন বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার পালার দিন আয়েশার জন্য (দান করলাম)’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে এবং এ ধরনের অন্যান্য ব্যাপারকে উদ্দেশ্য করে মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন, ‘যদি কোন নারী তার স্বামীর তরফ থেকে নিষ্ঠুরতা কিংবা উপেক্ষিত হবার আশংকা করে ...’ (নিসা ৪/১২৮)।

টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।

সহজকরণ ও জটিলতা দূরীকরণের আরেকটি দিক হচ্ছে, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমতার বিষয়। এটা ঐ ক্ষেত্রে ওয়াজিব নয় যাতে মানুষের কোন ক্ষমতা নেই। যেমন আন্তরিক টান-আকর্ষণ ও ভালবাসা, যাতে মানুষের কোন এখতিয়ার নেই। আয়েশা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্ত্রীদের মধ্যে বণ্টন করতেন ও ন্যায় বিচার বা ইনছাফ করতেন। হিশাম ইবনু উরওয়া (রাঃ) তার পিতা হ’তে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আয়েশা (রাঃ) বলেন, হে ভগ্নীপুত্র! রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদের নিকটে অবস্থানের ব্যাপারে একজনকে অপরজনের উপরে বেশী সুযোগ বা প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই যেত (অর্থাৎ প্রায় দিনই) তিনি আমাদের সকলের নিকট আসতেন, আমাদের নিকটবর্তী হ’তেন কিন্তু স্পর্শ করতেন না (সহবাস করতেন না)।

অবশেষে যাঁর নিকটে রাত্রি যাপনের পালা থাকতো, তিনি তাঁর নিকটে রাত্রি যাপন করতেন। আর সাওদা বিনতু যাম’আহ যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলেন এবং রাসূল (ছাঃ) তাকে পৃথক করে দেবেন বলে আশংকা করলেন, তখন বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আমার পালার দিন আয়েশার জন্য (দান করলাম)’। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে এবং এ ধরনের অন্যান্য ব্যাপারকে উদ্দেশ্য করে মহান আল্লাহ নাযিল করেছেন, ‘যদি কোন নারী তার স্বামীর তরফ থেকে নিষ্ঠুরতা কিংবা উপেক্ষিত হবার আশংকা করে ...’ (নিসা ৪/১২৮)।

টিকাঃ
৯০. আবুদাউদ হা/২১৩৫, সনদ হাসান ছহীহ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px