📘 ভালোবাসা কারে কয় 📄 চতুর্থ অধ্যায়

📄 চতুর্থ অধ্যায়


সামাজের প্রতি লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, সেখানে পেশী শক্তির প্রাবল্য বিদ্যমান। পূর্ববর্তী সম্প্রদায়গুলো একদিকে মানবাধিকারের প্রতি কোন ভ্রূক্ষেপ করেনি; ন্যায়-অন্যায়ের তো বালাই ছিল না। নিজেদের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাউকে যেতে দেখলে তাকে নিপীড়ন ও হত্যা করে তার সর্বস্ব লুটে নেয়াকেই বড় কৃতিত্ব মনে করা হ'ত। অপরদিকে এরূপ নির্বোধ দয়ার্দ্রতারও প্রচলন ছিল যে, পোকা-মাকড় হত্যা করাকেও অবৈধ জ্ঞান করা হতো।

কিন্তু মুসলিম উম্মাহ ও তাদের শরী'আতে এসব বাড়াবাড়ির অবসান ঘটানো হয়েছে। তারা মানুষের সামনে মানবাধিকারকে তুলে ধরেছে। কেবল শান্তি ও সন্ধির সময়ই নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রে, জিহাদের ময়দানেও প্রাণবিনাশী শত্রুর অধিকার সংরক্ষণে সচেতনতা শিক্ষা দিয়েছে। অপরদিকে প্রত্যেক কাজের জন্য নির্ধারিত সীমা লংঘন করাকে অপরাধ সাব্যস্ত করা হয়েছে।

সুতরাং মুমিনের সকল কাজ হবে মধ্যপন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে। এতে যেমন কোন বাড়াবাড়ি থাকবে না, তেমনি থাকবে না সীমালংঘনও। মুমিনের সকল কাজ নম্রতা, ভদ্রতা ও শালীনতা বজায় রাখার মাধ্যমে সম্পন্ন হ'তে হবে, যার উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ্র সন্তুষ্টি ও মানবকল্যাণ। যার মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ হবে সমুন্নত, যে আদর্শ দেখে অমুসলিমরা ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হবে। আর এটাই মুমিনের একমাত্র ব্রত হওয়া উচিত। আল্লাহ আমাদেরকে সকল কাজে মধ্যপন্থা অবলম্বনের তাওফীকু দিন- আমীন!

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية