📘 ভালোবাসা কারে কয় 📄 প্রকৃত গুণের সন্ধানে

📄 প্রকৃত গুণের সন্ধানে


এক শ্রেণীর মানুষ রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক মতাদর্শ নিয়ে দেশ, জাতি ও ইসলামের মধ্যে চরম নৈরাজ্য সৃষ্টি করে থাকে। তাদের মতাদর্শ হচ্ছে-

১. হুকুমদাতা একমাত্র আল্লাহ, মানুষের হুকুম দানের অধিকার নেই। দলীল হচ্ছে আল্লাহর বাণী, 'আল্লাহ ছাড়া কারো হুকুম নেই' (ইউসুফ ১২/৪০, ৬৭)। এ আয়াতের অর্থ না বোঝার কারণে ছিফফীনের যুদ্ধে শালিস নিযুক্ত করার কারণে খারেজীরা আলী, মু'আবিয়া সহ সকল ছাহাবীকে কাফের আখ্যায়িত করে এবং আলী (রাঃ) তাদের হাতে নিহত হন। অথচ এ আয়াতের মৌলিক উদ্দেশ্য হলো, বিধানদাতা আল্লাহ তা'আলা এবং চূড়ান্ত ফায়ছালাকারীও তিনি।

২. আল্লাহর নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী যারা শাসনকার্য পরিচালনা করে না, তারা কাফের। প্রমাণ হচ্ছে আল্লাহর বাণী, 'আল্লাহ তা'আলার নাযিলকৃত বিধান অনুযায়ী যারা শাসনকার্য পরিচালনা করে না, তারা কাফের' (মায়েদাহ ৫/৪৪)। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে শাসক কোন অন্যায় করলে বা তা প্রতিরোধ না করলে এবং আল্লাহ্র বিধান প্রতিষ্ঠা না করলে উক্ত আয়াতের আলোকে তারা ঐ শাসকগোষ্ঠীকে কাফের বলে গণ্য করে এবং তাদের হত্যা করা বৈধ মনে করে। অথচ পরবর্তী দু'টি আয়াতে একই ব্যাপারে দু'ধরনের বক্তব্য এসেছে।

আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূরা মায়েদাহ ৪৪ আয়াতের فَأُولَئِكَ هُمُ الْكَافِرُوْনَ এর ব্যাখ্যায় বলেন, 'এর অর্থ কুফরী নয়, যেদিকে লোকেরা গিয়েছে'। ত্বাউস বলেন, 'এর অর্থ ঐ কুফরী নয় যা তাকে ইসলামী মিল্লাত থেকে খারিজ করে দেয়'। আয়াতগুলির মর্ম হ'ল এই যে, যদি কোন মুসলিম বিচারক আল্লাহকৃত কোন হারামকে হারাম বলে বিশ্বাস করেন, কিন্তু বাস্তবে উক্ত হারাম কর্ম সম্পাদন করেন, তাহ'লে তিনি ফাসেক ও পাপিষ্ঠ মুসলিম হিসাবে গণ্য হবেন।

রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়, তা হচ্ছে প্রত্যেকে নিজের সমর্থিত দলকে সঠিক মনে করে থাকে। এ মর্মে আল্লাহ বলেন, كُلُّ حِزْبٍ بِمَا لَدَيْهِمْ فَرِحُوْনَ 'প্রত্যেকে নিজেদের নিকট যা আছে তা নিয়েই গর্বিত' (মুমিনূন ২৩/৫৩)। এগুলি পরিহার করে এক্ষেত্রেও মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে।

টিকাঃ
৬০. প্রফেসর ড. ইউসুফ আল-কারযাভী, আধুনিক যুগ: ইসলাম কৌশল ও কর্মসূচি (ঢাকা: ২০০৩), পৃ. ১২৩।
৬১. মিশকাত, হা/৩৬৬১-৬৪ ও হা/৩৬৯৪, 'イমারত' অধ্যায়।
৬২. বুখারী, হা/৭০৫২; মুসলিম, হা/৪৭৫২; মিশকাত, হা/৩৬৭১, 'নেতৃত্ব ও পদমর্যাদা' অধ্যায়।
৬৩. বুখারী হা/৭৩৫২।
৬৪. হাকেম ২/৩১৩ পৃঃ হাদীছ ছহীহ।
৬৫. বুখারী, মিশকাত, হা/১৩ 'ঈমান' অধ্যায়।
৬৬. মুত্তাফাক্ব 'আলাইহ; মিশকাত, হা/১২, 'ঈমান' অধ্যায়।

নিজের উপরে কঠোরতা আরোপের মাধ্যমে দ্বীনে বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘন শরী'আত সম্মত নয়। আহনাফ ইবনে কায়েস আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, مَلَكَ الْمُتَنَطِّعُونَ ‘সীমালংঘনকারীরা ধ্বংস হোক’। এটা তিনি তিনবার বলেন। তিনি বলেন, ‘হে মানব সকল! তোমরা তোমাদের সাধ্যমত আমল কর। আর আল্লাহ প্রতিদান বন্ধ করবেন না, যতক্ষণ না তোমরা ক্লান্ত হও। আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল হচ্ছে স্থায়ী আমল, যদিও তা পরিমাণে কম হয়’।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) আমাদের মাঝে খুৎবা দিচ্ছিলেন। সেখানে এক লোক দণ্ডায়মান ছিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে লোকেরা বলল, সে হচ্ছে আবু ইসরাঈল। সে মানত করেছে যে, সে দাঁড়িয়ে থাকবে বসবে না, ছায়া গ্রহণ করবে না, কথা বলবে না এবং ছিয়াম পালন করবে। নবী করীম (ছাঃ) বললেন, তাকে বল, কথা বলতে, ছায়া গ্রহণ করতে, বসতে এবং ছিয়াম পূর্ণ করতে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার নিকট আসলেন, এমতাবস্থায় তার নিকট এক মহিলা উপবিষ্ট ছিল। আয়েশা (রাঃ) বললেন, এ অমুক মহিলা, যিনি অতি ছালাতগুযার। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, থাম, (এ মহিলা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য নয়)। তোমাদের পক্ষে (ফরয ব্যতীত) ঐ পরিমাণ (নফল) ইবাদত করা উচিত, যতটুকু তোমাদের সাধ্যে কুলায়। দ্বীনি কর্মকাণ্ডে আল্লাহ্র নিকট প্রিয় ও পসন্দনীয় (নফল) ইবাদত হচ্ছে ঐ ইবাদত, যা ইবাদতকারী অব্যাহত রাখতে পারে।

আল্লাহ যেসব জিনিস হালাল করেছেন, তা মানুষ নিজের জন্য হারাম করতে পারে না। আল্লাহ বলেন, ‘বলুন, আল্লাহ্র সাজ-সজ্জাকে যা তিনি সৃষ্টি করেছেন এবং পবিত্র খাদ্যবস্তু সমূহকে কে হারাম করেছে? আপনি বলুন, এসব নে'আমত আসলে পার্থিব জীবনে মুমিনদের জন্য এবং ক্বিয়ামতের দিন খাঁটিভাবে তাদেরই জন্য’ (আ'রাফ ৭/৩২)।

ছাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সান্নিধ্যে থাকলে তাদের অবস্থা এক রকম থাকতো, আবার পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্ততির সংস্পর্শে গেলে অবস্থা ভিন্ন হ'ত। হানযালা আল-উসয়্যেদী হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা আবু বকর (রাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করল, হে হানযালা! তুমি কেমন আছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, হানযালা মুনাফিকী করছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, যার হাতে আমার জীবন সে সত্তার কসম! আমার নিকট থাকতে তোমরা যে অবস্থায় থাক, অনুরূপ যদি সর্বদা স্থায়ীভাবে থাকতে এবং স্মরণে রাখতে, তাহ'লে ফেরেশতারা তোমাদের শয্যায় ও তোমাদের পথে এসে তোমাদের সাথে মুছাফাহা করত। কিন্তু হে হানযালা! মাঝে মাঝে বা কখনো কখনো (এরূপ হবে) এটা তিনি তিনবার বললেন।

টিকাঃ
৬৭. মুসলিম হা/২৬৭০।
৬৮. বুখারী, হা/২২০, ৫৪১৩।
৬৯. বুখারী হা/৬২১০।
৭০. বুখারী হা/৪৩, মুসলিম হা/৭৮৫; নাসাঈ হা/১৬২৪; রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১৪২, পৃ. ৭৫।
৭১. মুসলিম, হা/২৭৫০।

নিজের উপরে কঠোরতা আরোপের মাধ্যমে দ্বীনে বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘন শরী'আত সম্মত নয়। আহনাফ ইবনে কায়েস আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, مَلَكَ الْمُتَنَطِّعُونَ ‘সীমালংঘনকারীরা ধ্বংস হোক’। এটা তিনি তিনবার বলেন। তিনি বলেন, ‘হে মানব সকল! তোমরা তোমাদের সাধ্যমত আমল কর। আর আল্লাহ প্রতিদান বন্ধ করবেন না, যতক্ষণ না তোমরা ক্লান্ত হও। আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল হচ্ছে স্থায়ী আমল, যদিও তা পরিমাণে কম হয়’।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) আমাদের মাঝে খুৎবা দিচ্ছিলেন। সেখানে এক লোক দণ্ডায়মান ছিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে লোকেরা বলল, সে হচ্ছে আবু ইসরাঈল। সে মানত করেছে যে, সে দাঁড়িয়ে থাকবে বসবে না, ছায়া গ্রহণ করবে না, কথা বলবে না এবং ছিয়াম পালন করবে। নবী করীম (ছাঃ) বললেন, তাকে বল, কথা বলতে, ছায়া গ্রহণ করতে, বসতে এবং ছিয়াম পূর্ণ করতে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার নিকট আসলেন, এমতাবস্থায় তার নিকট এক মহিলা উপবিষ্ট ছিল। আয়েশা (রাঃ) বললেন, এ অমুক মহিলা, যিনি অতি ছালাতগুযার। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, থাম, (এ মহিলা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য নয়)। তোমাদের পক্ষে (ফরয ব্যতীত) ঐ পরিমাণ (নফল) ইবাদত করা উচিত, যতটুকু তোমাদের সাধ্যে কুলায়। দ্বীনি কর্মকাণ্ডে আল্লাহ্র নিকট প্রিয় ও পসন্দনীয় (নফল) ইবাদত হচ্ছে ঐ ইবাদত, যা ইবাদতকারী অব্যাহত রাখতে পারে।

আল্লাহ যেসব জিনিস হালাল করেছেন, তা মানুষ নিজের জন্য হারাম করতে পারে না। আল্লাহ বলেন, ‘বলুন, আল্লাহ্র সাজ-সজ্জাকে যা তিনি সৃষ্টি করেছেন এবং পবিত্র খাদ্যবস্তু সমূহকে কে হারাম করেছে? আপনি বলুন, এসব নে'আমত আসলে পার্থিব জীবনে মুমিনদের জন্য এবং ক্বিয়ামতের দিন খাঁটিভাবে তাদেরই জন্য’ (আ'রাফ ৭/৩২)।

ছাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সান্নিধ্যে থাকলে তাদের অবস্থা এক রকম থাকতো, আবার পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্ততির সংস্পর্শে গেলে অবস্থা ভিন্ন হ'ত। হানযালা আল-উসয়্যেদী হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা আবু বকর (রাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করল, হে হানযালা! তুমি কেমন আছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, হানযালা মুনাফিকী করছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, যার হাতে আমার জীবন সে সত্তার কসম! আমার নিকট থাকতে তোমরা যে অবস্থায় থাক, অনুরূপ যদি সর্বদা স্থায়ীভাবে থাকতে এবং স্মরণে রাখতে, তাহ'লে ফেরেশতারা তোমাদের শয্যায় ও তোমাদের পথে এসে তোমাদের সাথে মুছাফাহা করত। কিন্তু হে হানযালা! মাঝে মাঝে বা কখনো কখনো (এরূপ হবে) এটা তিনি তিনবার বললেন।

টিকাঃ
৬৭. মুসলিম হা/২৬৭০।
৬৮. বুখারী, হা/২২০, ৫৪১৩।
৬৯. বুখারী হা/৬২১০।
৭০. বুখারী হা/৪৩, মুসলিম হা/৭৮৫; নাসাঈ হা/১৬২৪; রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১৪২, পৃ. ৭৫।
৭১. মুসলিম, হা/২৭৫০।

নিজের উপরে কঠোরতা আরোপের মাধ্যমে দ্বীনে বাড়াবাড়ি ও সীমালংঘন শরী'আত সম্মত নয়। আহনাফ ইবনে কায়েস আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, مَلَكَ الْمُتَنَطِّعُونَ ‘সীমালংঘনকারীরা ধ্বংস হোক’। এটা তিনি তিনবার বলেন। তিনি বলেন, ‘হে মানব সকল! তোমরা তোমাদের সাধ্যমত আমল কর। আর আল্লাহ প্রতিদান বন্ধ করবেন না, যতক্ষণ না তোমরা ক্লান্ত হও। আল্লাহ্র নিকট সর্বাধিক প্রিয় আমল হচ্ছে স্থায়ী আমল, যদিও তা পরিমাণে কম হয়’।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) আমাদের মাঝে খুৎবা দিচ্ছিলেন। সেখানে এক লোক দণ্ডায়মান ছিল। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে লোকেরা বলল, সে হচ্ছে আবু ইসরাঈল। সে মানত করেছে যে, সে দাঁড়িয়ে থাকবে বসবে না, ছায়া গ্রহণ করবে না, কথা বলবে না এবং ছিয়াম পালন করবে। নবী করীম (ছাঃ) বললেন, তাকে বল, কথা বলতে, ছায়া গ্রহণ করতে, বসতে এবং ছিয়াম পূর্ণ করতে।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তার নিকট আসলেন, এমতাবস্থায় তার নিকট এক মহিলা উপবিষ্ট ছিল। আয়েশা (রাঃ) বললেন, এ অমুক মহিলা, যিনি অতি ছালাতগুযার। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, থাম, (এ মহিলা প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য নয়)। তোমাদের পক্ষে (ফরয ব্যতীত) ঐ পরিমাণ (নফল) ইবাদত করা উচিত, যতটুকু তোমাদের সাধ্যে কুলায়। দ্বীনি কর্মকাণ্ডে আল্লাহ্র নিকট প্রিয় ও পসন্দনীয় (নফল) ইবাদত হচ্ছে ঐ ইবাদত, যা ইবাদতকারী অব্যাহত রাখতে পারে।

আল্লাহ যেসব জিনিস হালাল করেছেন, তা মানুষ নিজের জন্য হারাম করতে পারে না। আল্লাহ বলেন, ‘বলুন, আল্লাহ্র সাজ-সজ্জাকে যা তিনি সৃষ্টি করেছেন এবং পবিত্র খাদ্যবস্তু সমূহকে কে হারাম করেছে? আপনি বলুন, এসব নে'আমত আসলে পার্থিব জীবনে মুমিনদের জন্য এবং ক্বিয়ামতের দিন খাঁটিভাবে তাদেরই জন্য’ (আ'রাফ ৭/৩২)।

ছাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সান্নিধ্যে থাকলে তাদের অবস্থা এক রকম থাকতো, আবার পরিবার-পরিজন ও সন্তান-সন্ততির সংস্পর্শে গেলে অবস্থা ভিন্ন হ'ত। হানযালা আল-উসয়্যেদী হ'তে বর্ণিত তিনি বলেন, একদা আবু বকর (রাঃ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করল, হে হানযালা! তুমি কেমন আছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, হানযালা মুনাফিকী করছে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, যার হাতে আমার জীবন সে সত্তার কসম! আমার নিকট থাকতে তোমরা যে অবস্থায় থাক, অনুরূপ যদি সর্বদা স্থায়ীভাবে থাকতে এবং স্মরণে রাখতে, তাহ'লে ফেরেশতারা তোমাদের শয্যায় ও তোমাদের পথে এসে তোমাদের সাথে মুছাফাহা করত। কিন্তু হে হানযালা! মাঝে মাঝে বা কখনো কখনো (এরূপ হবে) এটা তিনি তিনবার বললেন।

টিকাঃ
৬৭. মুসলিম হা/২৬৭০।
৬৮. বুখারী, হা/২২০, ৫৪১৩।
৬৯. বুখারী হা/৬২১০।
৭০. বুখারী হা/৪৩, মুসলিম হা/৭৮৫; নাসাঈ হা/১৬২৪; রিয়াযুছ ছালেহীন হা/১৪২, পৃ. ৭৫।
৭১. মুসলিম, হা/২৭৫০।

আক্বীদা-বিশ্বাস ও ইবাদতে যেমন মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে তেমনি আচার-আচরণ, চাল-চলনসহ সকল কর্মকাণ্ডে মধ্যপন্থা অবলম্বনের জন্য ইসলামে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাল-চলনে মধ্যপন্থা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয়ই তুমি কখনোই ভূপৃষ্ঠকে বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় কখনোই পর্বত প্রমাণ হ’তে পারবে না’ (বনু ইসরাঈল ১৭/৩৭)। চাল-চলনে মধ্যপন্থা অবলম্বনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘চাল-চলন, ধীরস্থিরতা এবং মধ্যপন্থা অবলম্বন নবুওয়াতের চব্বিশ ভাগের একভাগ’।

কথাবার্তায় কণ্ঠস্বর স্বাভাবিক রাখার জন্যও আল্লাহ তা’আলা নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কণ্ঠস্বরকে নিম্নগামী রাখ। নিশ্চয়ই নিকৃষ্ট আওয়ায হচ্ছে গাধার আওয়ায’ (লুকুমান ৩১/১৯)। চিৎকার, চেঁচামেচি ও কর্কশতা পরিহার এবং বিশুদ্ধ ও নম্রভাষায় কথা বলার নির্দেশই উক্ত আয়াতের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। আল্লাহ তা’আলা এগুলি পরিহার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না’ (হুজুরাত ৪৯/২)। সচ্চরিত্র হলো হাসি-খুশি মুখ, সত্য-ন্যায়কে অবলম্বন করা এবং অন্যকে কোনরূপ কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে থাকা।

টিকাঃ
২৬. ইবনু কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, (বৈরুত: ১৯৯৬/১৪১৬ হিঃ), ৩/৪৪৭পৃ.।
২৭. তিরমিযী; মিশকাত, হা/৫০৫৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৪৮৩৮, সনদ হাসান।
২৮. আবুদাউদ, হা/৪৮৭৬; মিশকাত, হা/৫০৬০; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৪৮৩৯, সনদ হাসান।
২৯. তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৩/৪৪৭পৃ.।
৩০. প্রাগুক্ত।
৩১. তিরমিযী, হা/২০১৮, সনদ ছহীহ।
৩২. রিয়াযুছ ছালেহীন, পৃ. ২৩৩।
৩৩. তিরমিযী, রিয়াযুছ ছালেহীন, পৃ. ২৩৩।

আক্বীদা-বিশ্বাস ও ইবাদতে যেমন মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে তেমনি আচার-আচরণ, চাল-চলনসহ সকল কর্মকাণ্ডে মধ্যপন্থা অবলম্বনের জন্য ইসলামে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাল-চলনে মধ্যপন্থা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয়ই তুমি কখনোই ভূপৃষ্ঠকে বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় কখনোই পর্বত প্রমাণ হ’তে পারবে না’ (বনু ইসরাঈল ১৭/৩৭)। চাল-চলনে মধ্যপন্থা অবলম্বনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘চাল-চলন, ধীরস্থিরতা এবং মধ্যপন্থা অবলম্বন নবুওয়াতের চব্বিশ ভাগের একভাগ’।

কথাবার্তায় কণ্ঠস্বর স্বাভাবিক রাখার জন্যও আল্লাহ তা’আলা নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কণ্ঠস্বরকে নিম্নগামী রাখ। নিশ্চয়ই নিকৃষ্ট আওয়ায হচ্ছে গাধার আওয়ায’ (লুকুমান ৩১/১৯)। চিৎকার, চেঁচামেচি ও কর্কশতা পরিহার এবং বিশুদ্ধ ও নম্রভাষায় কথা বলার নির্দেশই উক্ত আয়াতের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। আল্লাহ তা’আলা এগুলি পরিহার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না’ (হুজুরাত ৪৯/২)। সচ্চরিত্র হলো হাসি-খুশি মুখ, সত্য-ন্যায়কে অবলম্বন করা এবং অন্যকে কোনরূপ কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে থাকা।

টিকাঃ
২৬. ইবনু কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, (বৈরুত: ১৯৯৬/১৪১৬ হিঃ), ৩/৪৪৭পৃ.।
২৭. তিরমিযী; মিশকাত, হা/৫০৫৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৪৮৩৮, সনদ হাসান।
২৮. আবুদাউদ, হা/৪৮৭৬; মিশকাত, হা/৫০৬০; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৪৮৩৯, সনদ হাসান।
২৯. তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৩/৪৪৭পৃ.।
৩০. প্রাগুক্ত।
৩১. তিরমিযী, হা/২০১৮, সনদ ছহীহ।
৩২. রিয়াযুছ ছালেহীন, পৃ. ২৩৩।
৩৩. তিরমিযী, রিয়াযুছ ছালেহীন, পৃ. ২৩৩।

আক্বীদা-বিশ্বাস ও ইবাদতে যেমন মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে হবে তেমনি আচার-আচরণ, চাল-চলনসহ সকল কর্মকাণ্ডে মধ্যপন্থা অবলম্বনের জন্য ইসলামে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাল-চলনে মধ্যপন্থা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয়ই তুমি কখনোই ভূপৃষ্ঠকে বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় কখনোই পর্বত প্রমাণ হ’তে পারবে না’ (বনু ইসরাঈল ১৭/৩৭)। চাল-চলনে মধ্যপন্থা অবলম্বনের প্রতি গুরুত্বারোপ করে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘চাল-চলন, ধীরস্থিরতা এবং মধ্যপন্থা অবলম্বন নবুওয়াতের চব্বিশ ভাগের একভাগ’।

কথাবার্তায় কণ্ঠস্বর স্বাভাবিক রাখার জন্যও আল্লাহ তা’আলা নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কণ্ঠস্বরকে নিম্নগামী রাখ। নিশ্চয়ই নিকৃষ্ট আওয়ায হচ্ছে গাধার আওয়ায’ (লুকুমান ৩১/১৯)। চিৎকার, চেঁচামেচি ও কর্কশতা পরিহার এবং বিশুদ্ধ ও নম্রভাষায় কথা বলার নির্দেশই উক্ত আয়াতের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। আল্লাহ তা’আলা এগুলি পরিহার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উচু করো না এবং তোমরা একে অপরের সাথে যেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বল, তাঁর সাথে সেরূপ উচ্চৈঃস্বরে কথা বলো না। এতে তোমাদের কর্ম নিষ্ফল হয়ে যাবে এবং তোমরা টেরও পাবে না’ (হুজুরাত ৪৯/২)। সচ্চরিত্র হলো হাসি-খুশি মুখ, সত্য-ন্যায়কে অবলম্বন করা এবং অন্যকে কোনরূপ কষ্ট দেয়া থেকে বেঁচে থাকা।

টিকাঃ
২৬. ইবনু কাছীর, তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, (বৈরুত: ১৯৯৬/১৪১৬ হিঃ), ৩/৪৪৭পৃ.।
২৭. তিরমিযী; মিশকাত, হা/৫০৫৯; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৪৮৩৮, সনদ হাসান।
২৮. আবুদাউদ, হা/৪৮৭৬; মিশকাত, হা/৫০৬০; বঙ্গানুবাদ মিশকাত, হা/৪৮৩৯, সনদ হাসান।
২৯. তাফসীরুল কুরআনিল আযীম, ৩/৪৪৭পৃ.।
৩০. প্রাগুক্ত।
৩১. তিরমিযী, হা/২০১৮, সনদ ছহীহ।
৩২. রিয়াযুছ ছালেহীন, পৃ. ২৩৩।
৩৩. তিরমিযী, রিয়াযুছ ছালেহীন, পৃ. ২৩৩।

ফন্ট সাইজ
15px
17px