📄 পূর্ববর্তী নবী-রাসুলদের ব্যাপারে নবীজি ﷺ-এর দৃষ্টিভঙ্গি
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে শিক্ষা দিয়েছেন, পূর্ববর্তী সকল নবী ও রাসুল একটি অট্টালিকার মতো, যার অস্তিত্ব ও টিকে থাকা নির্ভর করে একটি অংশ অন্য অংশের সহযোগিতা ও পরিপূর্ণতা প্রদানের ওপর। তাদের সকলের প্রেরিত হওয়া ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। আর তা হলো, আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করা। এ কারণে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِنَّ مَثَلِي وَمَثَلَ الْأَنْبِيَاءِ مِنْ قَبْلِي كَمَثَلِ رَجُلٍ بَنَى بَيْتًا فَأَحْسَنَهُ وَأَجْمَلَهُ إِلَّا مَوْضِعَ لَبِنَةٍ مِنْ زَاوِيَةٍ فَجَعَلَ النَّاسُ يَطُوفُوْنَ بِهِ وَيَعْجَبُوْنَ لَهُ وَيَقُوْلُوْنَ هَلَّا وُضِعَتْ هَذِهِ اللَّبِنَةُ قَالَ فَأَنَا اللَّبِنَةُ وَأَنَا خَاتِمُ النَّبِيِّينَ»
আমার আর আমার পূর্বের নবী-রাসুলদের উপমা হলো, মনে করো, এক ব্যক্তি একটি বাড়ি নির্মাণ করল। সেটাকে সে নিপুণতা ও সৌন্দর্যে ভরে তুলল। তবে কোনার দিকের একটি ইটের জায়গা ফাঁকা রেখে দিলো। মানুষেরা বাড়িটি পরিদর্শন করতে লাগল আর মুগ্ধ হতে থাকল। আর বলতে লাগল, ইশ... যদি এই ইটটিও লাগিয়ে দেওয়া হতো! নবীজি বলেন, শোনো! আমিই সেই ইট। আমি খাতামুন নাবিইয়িন। (আমার মাধ্যমে নবুয়তের ধারা সমাপ্ত করা হয়েছে)। (৫৩৯)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মতকে নবীদের মাঝে তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের তুলনা করতে নিষেধ করেছেন। এ কারণে তিনি বলেছেন, «لَا تُخَيَّرُونِي مِنْ بَيْنِ الْأَنْبِيَاءِ»
তোমরা আমাকে অন্য নবীগণের মাঝে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়ো না। (৫৪০)
একবার এক ইহুদি ও এক মুসলিমের মধ্যে নবীগণের শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহুদি নয় বরং মুসলিম ব্যক্তিটির ওপর ভীষণ রাগান্বিত হন। আবু হুরাইরা রা. ঘটনাটি বর্ণনা করে বলেন, একবার এক ইহুদি তার একটা পণ্য বিক্রয়ের জন্যে বাজারে নিয়ে এলো। তখন ক্রেতা তাকে যে পরিমাণ মূল্য দিতে চাইল তা তার অপছন্দ হলো। তখন সে বলে উঠল, 'কিছুতেই না। সেই সত্তার কসম, যিনি মুসা আলাইহিস সালামকে সকল মানুষের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন...।' ইহুদির এই কথাটি পাশের একজন আনসারি সাহাবি শুনে ফেললেন। তিনি রাগান্বিত হয়ে সেই ইহুদির গালে একটা চড় বসিয়ে দিলেন এবং তাকে সম্বোধন করে বললেন, 'আমাদের মাঝে এখনো আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদ্যমান আর তুমি কিনা বলো, সেই সত্তার কসম, যিনি মুসা আলাইহিস সালামকে সকল মানুষের ওপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন!'
ইহুদি লোকটি চলে গেল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে। নালিশ দিয়ে বলল, 'হে আবুল কাসেম, আমার ইজ্জত-আবরু সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতি আপনি দিয়েছেন। তাহলে অমুক কীজন্য আমার চেহারায় আঘাত করল?'
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারি সাহাবিকে জিজ্ঞাসা করলেন, 'তুমি কেন তার চেহারায় চড় মেরেছ?'
উত্তরে আনসারি সাহাবি ঘটনার পুরো বিবরণ দিলেন। এটা শুনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুবই রাগান্বিত হলেন। বর্ণনাকারী বলেন, রাগের চিহ্ন নবীজির চেহারায় ফুটে উঠল। এরপর তিনি বললেন, 'তোমরা আল্লাহর নবীদের মাঝে তুলনা করতে যেয়ো না। কারণ, কিয়ামতদিবসে শিঙায় ফুৎকার দেওয়া হবে। আসমান জমিনের সকলেই বেহুঁশ হয়ে পড়বে। তবে আল্লাহ যাকে রক্ষা করবেন, তার কথা ভিন্ন। এরপর আবার ফুৎকার দেওয়া হবে। তখন আমারই প্রথম হুঁশ ফিরে আসবে। তবে আমি উঠে দেখব, মুসা আলাইহিস সালাম আরশের পায়া ধরে রয়েছেন। আমার জানা নেই, তার ব্যাপারে কি তুরপর্বতের বেহুঁশিটা এখানে গণ্য হবে নাকি আমার পূর্বেই তাকে ওঠানো হবে! আর আমি এটাও বলি না, কেউ ইউনুস ইবনে মাত্তা থেকে অধিক উত্তম। (৫৪১)
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এইসব সত্য ও বাস্তবতা প্রকাশে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করতেন না। বিশেষ করে সে সকল স্থানে, যেখানে ইহুদি ও মুসলমানদের মধ্যে কোনো পার্থক্য রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তিনি ইহুদিদের বিরোধিতার কথা বেমালুম ভুলে যেতেন। তিনি বরং স্মরণ রাখতেন নবুয়তের ধারায় ভাই মুসা আলাইহিস সালামের কথা। তিনি তার অবমূল্যায়ন প্রতিহত করেছেন। তার মর্যাদাকে বড় করে তুলে ধরেছেন। কারণ, তিনি পূর্ণভাবে বিশ্বাস করতেন, ইসলাম নবীগণের মাঝে কোনো পার্থক্য করে না। এ কারণে অত্যুক্তি হবে না যদি বলা হয়, পূর্ববর্তী নবীগণের অনুসারীরা তাদের যতটুকু ভালোবেসেছিল, ইসলাম আমাদের আদেশ করে, আমরা যেন পূর্ববর্তী নবীদের তাঁদের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। কারণ, উদার ইসলামি বিশ্বাসে, নবীদের প্রতি ভালোবাসা ঈমানের অন্যতম রুকন।
এ কারণে আমরা দেখি, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতকে অন্য নবীদের সম্মান প্রদর্শন করতে শিখিয়েছেন। বরং তিনি ইহুদি ও খ্রিষ্টধর্মের বড় বড় আলেমদের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন। তিনি যখন জানতে পারলেন ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখে-কারণ মুসা আলাইহিস সালাম এবং বনি ইসরাইলকে আল্লাহ তাআলা এ দিনে তাদের শত্রুর কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন, সেটা স্মরণ করে তারা এই রোজা রাখে-তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন,
أَنَا أَحَقُّ بِمُوسَى مِنْكُمْ»
মুসার ব্যাপারে তোমাদের থেকে আমার অধিকার বেশি।
এরপর তিনি নিজে আশুরার দিন রোজা রাখা শুরু করলেন এবং অন্যদেরও রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। (৫৪২)
এভাবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈসা আলাইহিস সালামের ব্যাপারেও বলেছেন,
«أَنَا أَوْلَى النَّاسِ بِعِيسَى بْنِ مَرْيَمَ فِي الْأُولَى وَالْآخِرَةِ»
দুনিয়া এবং আখিরাতে, মারয়াম তনয় ঈসা ব্যাপারে অন্য সকল মানুষের চেয়ে আমিই বেশি অধিকার রাখি।
তিনি আরও বলেছেন,
«الْأَنْبِيَاءُ إِخْوَةٌ مِنْ عَلَّاتٍ وَأُمَّهَاتُهُمْ شَتَّى وَدِيْنُهُمْ وَاحِدٌ»
সকল নবীগণ যেন একই পিতার বৈমাত্রেয় ভাই, যাদের মা ভিন্ন। তবে তাদের ধর্ম এক। (৩৪২)
এটাই ছিল আল্লাহ তাআলার সকল নবীর প্রতি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৃষ্টিভঙ্গি। তাহলে দেখুন, প্রকৃত ইসলামি মূল্যবোধ থেকে সৃষ্ট সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিকৃত, সংকীর্ণ ও খণ্ডিত অন্যান্য দৃষ্টিভঙ্গির মাঝে কত পার্থক্য আর কত ব্যবধান!
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৃষ্টিতে এ সকল নবীগণের অবস্থান ও মর্যাদা ছিল এতটাই উচ্চ ও সমুন্নত। এমনকি যদি কখনো পূর্ববর্তী কোনো নবী থেকে এমন কোনো কাজ প্রকাশিত হতো, তিনি যার ভিন্নটা কামনা করছিলেন, তখনও নবীজি তাঁর আশা ব্যক্ত করার আগে সেই নবীর জন্য দোয়া করতেন, তারপর নিজের আশা ব্যক্ত করতেন। যেমন (খিজির আলাইহিস সালামের সাথে মুসা আলাইহিস সালামের ঐতিহাসিক সেই সফরের ঘটনা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কামনা করছিলেন) যদি মুসা আলাইহিস সালাম কৌতূহলের আতিশয্যে খিজির আলাইহিস সালামকে প্রশ্ন না করে আরও ধৈর্য ধরতেন, ভালো হতো। এ বিষয়টি ব্যক্ত করার সময় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বলেন,
يَرْحَمُ اللَّهُ مُوسَى لَوَدِدْنَا لَوْ صَبَرَ حَتَّى يَقُصَّ عَلَيْنَا مِنْ أَمْرِهِمَا
আল্লাহ তাআলা মুসা আলাইহিস সালামের ওপর রহম করুন। আমাদের কামনা পূর্ণ হতো, যদি তিনি ধৈর্য ধরতেন। তাহলে আমাদের নিকট তাঁদের আরও রহস্য বর্ণনা করা হতো। (৫৪8)
(আরেকটি উদাহরণ। লুত আলাইহিস সালামের সম্প্রদায়ের অবাধ্য লোকেরা অত্যন্ত খারাপ চরিত্রের মানুষ ছিল। তিনি তাদের অত্যাচার ও রূঢ় আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে একটি কথা বলেছিলেন।) কুরআনুল কারিম সেটা এভাবে বর্ণনা করেছে,
قَالَ لَوْ أَنَّ لِي بِكُمْ قُوَّةً أَوْ آوِي إِلَى رُكْنٍ شَدِيدٍ
তিনি বলতে লাগলেন হায়! তোমাদের মোকাবিলায় আমার যদি শক্তি থাকত অথবা আমি কোনো সুদৃঢ় আশ্রয় গ্রহণ করতে পারতাম! [সুরা হুদ: ৮০]
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মনে করেন, লুত আলাইহিস সালাম যে কথা বলেছেন, এখানে তার থেকে আরও উত্তম কথা ছিল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে কথাটি বলতে গিয়ে আগে দোয়া করেছেন এরপর সেই কথাটি ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন,
يَرْحَمُ اللَّهُ لُوْطًا لَقَدْ كَانَ يَأْوِي إِلَى رُكْنٍ شَدِيدٍ»
আল্লাহ তাআলা লুত আলাইহিস সালামের ওপর রহম করেন, তিনি সুদৃঢ় খুঁটির আশ্রয় গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন! (৫৪৯)
আর শুধু প্রশংসাই নয়, তাঁর সাহাবিদের থেকে কামনা করেছেন, তারা যেন পূর্ববর্তী ধর্মের অটল বিশ্বাসী অনুসারীদের নিজ নিজ জীবনের জন্য আদর্শ ও হেদায়েতের আলোকবর্তিকা হিসেবে গ্রহণ করেন।
এজন্য আমরা সেই ঘটনার দিকে দৃষ্টি দিতে পারি, যেখানে অন্য ধর্মের খাঁটি অনুসারীদের আমাদের জন্য উপমা সাব্যস্ত করা হয়েছে। বর্ণনাটি এমন, খাব্বাব ইবনুল আরাত রা. বলেন, একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের চাদরকে বালিশ বানিয়ে তার সাথে হেলান দিয়ে কাবার ছায়ায় বসে ছিলেন। আমরা তাঁর কাছে গিয়ে কাফেরদের জুলুম-অত্যাচারের ব্যাপারে অভিযোগ করে বললাম, 'আপনি কি আমাদের জন্য সাহায্য প্রার্থনা করবেন না! আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন না!'
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, 'পূর্ববর্তী উম্মতের মধ্যে এমন ব্যক্তিও ছিল, যার জন্য মাটিতে গর্ত খনন করে তাকে তার মধ্যে ফেলে দেওয়া হতো। এরপর করাত দিয়ে মাথাকে দিখণ্ডিত করে ফেলা হতো। এমন অমানবিক নির্যাতনও তাকে তার দ্বীন থেকে টলাতে পারত না। আবার কাউকে লোহার চিরুনি এনে তার হাড্ডি থেকে গোশত খুলে ফেলা হতো। এটাও সে সহ্য করত। তারপরও কিছুতেই সে নিজের ধর্ম পরিত্যাগ করত না। আল্লাহর কসম! তিনি এই ধর্মকে এমন পূর্ণতায় পৌঁছে দেবেন যে, পথচারী নিজের বাহনে আরোহণ করে সানআ থেকে হাজরামাউত পর্যন্ত সফর করবে, কিন্তু আল্লাহ ছাড়া অথবা তার বকরিপালের ওপর বাঘের আক্রমণের ভয় ছাড়া আর কারও ভয় তার মনে থাকবে না। তবে তোমরা মূলত বেশি তাড়াহুড়া করছ।' (৫৪৬)
এই ছিল পূর্ববর্তী নবী-রাসুল ও তাদের অনুসারীদের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দৃষ্টিভঙ্গি। নবুয়তপ্রাপ্তির সূচনা থেকেই নবীজির যাপিতজীবনের নীতিমালায় এই দৃষ্টিভঙ্গি পুর্ণভাবে বিদ্যমান ছিল। সকল নবী হলেন বড় একটি অট্টালিকার ভিন্ন ভিন্ন ইটের মতো। একটি অট্টালিকার ইটসমূহ পরস্পরের বিরোধী নয়। এ কারণে সকল নবীর মাঝেই একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য পারস্পরিক সাহায্য ও সহযোগিতা বিদ্যমান ছিল। আর সেই দায়িত্ব হলো, বিশ্ব-জাহানের প্রতিপালক আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করা।
এ কারণে, আমরা মুসলিমজাতি আমাদের পূর্ববর্তী নবীগণকে শুধু স্বীকৃতি প্রদান অথবা তাঁদের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনের ওপরই সীমিত থাকি না; বরং তাঁদেরকে আমরা গভীরভাবে ভালোবাসি ও সম্মান করি। অন্য সকল মানুষের ওপর তাদের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের কথা ঘোষণা করি। আর এমনটা হবেই-না কেন! আমাদের প্রতিপালক তাঁর সকল সৃষ্টির মধ্য হতে তাদের নির্বাচন করেছেন এবং গোটা জগদ্বাসীর জন্য তাদের করেছেন অনুসৃত আদর্শ।
টিকাঃ
*৩৯. সহিহ বুখারি: ৩৫৩৫, সহিহ মুসলিম: ২২৮৬।
৫৪০. সহিহ বুখারি: ৬৯১৬।
৫৪১. সহিহ বুখারি: ১৩৯, ১৩৩৯, ৩৪০৭; সহিহ মুসলিম: ২৩৭৩।
৫৪২. সহিহ বুখারি: ২০০৪, সহিহ মুসলিম: ১১৩০।
৩৪২. সহিহ বুখারি: ৩৪৪২, ৩৪৪৩; সহিহ মুসলিম: ২৩৬৫।
৫৪4. সহিহ বুখারি: ১২২, সহিহ মুসলিম: ২৩৮০।
৫৪৫. সহিহ বুখারি: ৩৩৭২, সহিহ মুসলিম: ১৫১।
৫৪৬. সহিহ বুখারি: ৬৯৪৩, সুনানে আবু দাউদ: ২৬৪৯, মুসনাদে আহমাদ: ২১০৬।