📘 উলুমুল কুরআন 📄 এ পরিচ্ছেদের সারাংশ

📄 এ পরিচ্ছেদের সারাংশ


সপ্তম পরিচ্ছেদ
কুরআনের সত্যতা :
এ পরিচ্ছেদটি কুরআন সত্য হওয়ার ব্যাপারে নানান ধরণের প্রমাণাদি পেশ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে হৃদয়ে প্রশান্তি মিলে যে, এটিই সে ঐশীগ্রন্থ, যার অপেক্ষায় মানব-দানব মৌন অপেক্ষায় ছিল।

এতে আলোচিত হয়েছে পূর্ববর্তী গ্রন্থ বাইবেলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর শুভাগমন বার্তা, কুরআনের অলৌকিকত্ব ও তার বৈশিষ্ট্যসমূহ; শব্দগত, বাক্যগত, রচনাগত, ছন্দগত, ভবিষ্যৎবাণীসমূহ; রোমান ও মক্কা-বিজয়, ইহুদীদের পক্ষ থেকে রাসূলের মৃত্যু কামনা, কুরআন সংরক্ষিত হওয়ার দিক থেকে তার অলৌকিকতা, তাতে অজানা তথ্য উন্মোচন, কুরআনের সত্যতার ব্যাপারে পশ্চিমা অমুসলিম লেখকদের স্বীকারোক্তি, এবং এগুলোর উপর উত্থাপিত আরও কতক অভিযোগের জবাব প্রদান; ইত্যাদি বিষয়।

📘 উলুমুল কুরআন 📄 কুরআনের সত্যতা

📄 কুরআনের সত্যতা


পবিত্র কুরআন মাজীদ মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ আসমানী কিতাব। মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা এতে এমন এক বিস্ময়কর প্রভাব রেখে দিয়েছেন যে, বৈরিতা ও শত্রুতামূলক মনোভাব ছাড়া যে কেউই নিরপেক্ষতা এবং মুক্তমন ও নিষ্ঠার সাথে তা পাঠ করবে, সে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলতে বাধ্য হবেন যে, নিশ্চয়ই এটা আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার কালাম। পবিত্র কুরআনুল কারীম একই সময়ে মানুষের আকল ও মেধায় প্রভাব সৃষ্টি করে থাকে। এর সত্যায়ন ও প্রত্যায়নের ঢেউ হৃদয়ে উথলে উঠতে থাকে।

বিধায় পবিত্র কুরআন মাজীদের সত্যতার উপর দলীল উপস্থাপন করার উপমা অনেকটা এমন, প্রদীপ্ত সূর্যের আলোকিত হবার উপর দলীল উপস্থাপন করা। তথাপিও নিম্নে আমরা সংক্ষিপ্তাকারে এমন কয়েকটি বক্তব্য উপস্থাপন করছি, যেগুলোর উপর গভীর চিন্তা-ভাবনা করার দ্বারা একজন অমুসলিমের জন্যও পবিত্র কুরআনুল কারীমের সত্যতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হওয়া সহজ হয়ে যায়।

📘 উলুমুল কুরআন 📄 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম – এর রিসালাত

📄 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম – এর রিসালাত


সর্বপ্রথম ওহীর প্রয়োজনীয়তা শিরোনামে যেসকল বিষয়াবলী উপস্থাপন করা হয়েছিল সেগুলোকে স্মৃতির ধারণ করলে একথা স্পষ্ট হয়ে যাবে যে প্রকৃতগতভাবে ওহী মানব জীবনের এক অতি প্রয়োজনীয় বস্তু। যা ব্যতীত মানুষের জন্য সুন্দর ও গোছালো জীবন যাপন করা সম্ভব নয়। মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীনের অস্তিত্বে যারা বিশ্বাসী নয়, তাদের কাছে ওহী ও রিসালাত বিষয়ে আলোচনা করা একেবারেই অনর্থক। তাদের কাছে সর্বাগ্রে মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার অস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করা আবশ্যক।

কিন্তু যারা মহান আল্লাহ তা'আলার অস্তিত্বে বিশ্বাসী, তারা এ বাস্তবতাকে কিছুতেই অস্বীকার করতে পারবে না যে, "ওহী” আল্লাহ তা'আলার রহমত ও কুদরতের এমন এক অপরিহার্য ও বাধ্যতামূলক চাহিদা, যার প্রতি ঈমান আনা ব্যতীত মহান আল্লাহ তা'আলার প্রতি ঈমানের পরিপূর্ণতা সম্ভব নয়। যে মহান ও অসীম ক্ষমতাধর সত্ত্বা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন এবং মানুষের কল্যাণের জন্য এ বিশ্ব জাহান সৃষ্টি করেছেন, সেই সুমহান সত্ত্বার জন্য এটা সম্ভবই নয় যে, তিনি অনিষ্ট ও ফেতনা-ফ্যাসাদের চাহিদায় ভরপুর এই পৃথিবীতে মানুষকে অসহায় ও নিঃসঙ্গ অবস্থায় ছেড়ে দিবেন এবং তার দিক-নির্দেশনার জন্য কোনো "হেদায়াত নামা" বা দিক-নির্দেশিকা প্রেরণ করবেন না। হেদায়াত ও দিক-নির্দেশনার ধারাবাহিকতার নামই হলো "ওহী" ও "রিসালাত"।

আর এ ধারাবাহিকতা মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) থেকে আরম্ভ হয়নি; বরং তাঁর উপর তার সমাপ্তি ঘটেছে। তাঁর পূর্বে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার আম্বিয়ায়ে কেরাম মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার একত্ববাদের পয়গাম নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করেছিলেন। আর তাঁদের মধ্য হতে প্রায় প্রত্যেকেই এই সুসংবাদ প্রদান করেছিলেন যে, শেষ যুগে এমন একজন পয়গম্বর আগমন করবেন, যার মাধ্যমে নবুওয়াতের এই পবিত্র ধারাবাহিকতা পরিপূর্ণতা লাভ করবে। কোনো কোনো আম্বিয়া (আ.) তো পূর্বেই তাঁর বহু আলামত ও লক্ষণও বর্ণনা করে গিয়েছিলেন। আবার কোনো কোনো নবী-রাসূলগণ সুস্পষ্টভাবে তাঁর নামই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। পূর্ববর্তী নবীগণের সহীফাগুলোতে যদিও অনেক বিকৃতি ও পরিবর্তন সাধিত হয়েছে, কিন্তু আজও সেগুলোতে রাসূলে আকরাম (সা.)-এর শুভাগমনের বহু সুসংবাদ ও আলামত সংরক্ষিত আছে।

📘 উলুমুল কুরআন 📄 পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহে রাসূল সা: এর আগমনের সু-সংবাদ

📄 পূর্ববর্তী গ্রন্থসমূহে রাসূল সা: এর আগমনের সু-সংবাদ


এপ্রসঙ্গে উদাহরণ স্বরূপ বাইবেলের "ইসতেস্না” অধ্যায়ে হযরত মূসা (আ.)-এর প্রতি সম্বোধন: “আর মহান আল্লাহ তা'আলা আমাকে বলেছেন যে, তিনি যা বলেন সঠিক বলেন। আমি তাদের জন্য তাদের ভাইদের মধ্য হতেই তোমার ন্যায় একজন নবী প্রেরণ করব এবং আমার বাণী তাঁর মুখে ঢেলে দেব। আমি তাঁকে যে বিধান প্রদান করব, তিনি তা-ই তার সম্প্রদায়কে বলবেন। আর আমার উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি যে কথা তাঁর সম্প্রদায়কে বলবেন, তা যে না শুনবে, আমি তার কাছ থেকে এর হিসাব নেব। কিন্তু যে ভণ্ড নবী সেজে আমার উদ্ধৃতি দিয়ে এমন কথা বলবে, যা আমি বলার নির্দেশ দেইনি অথবা অন্য কোনো উপাস্যের উদ্ধৃতি দিয়ে কিছু বলবে, তাহলে ওই ভণ্ড নবীকে হত্যা করা হবে। তুমি যদি মনে মনে বলে থাক যে, যে কথা আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলা বলেননি তা (যদি কেউ নবী সেজে আমাদেরকে বলে) আমরা তা চিনতে পারব কি করে? তাহলে শোন! তার পরিচয়ের লক্ষণ হলো যে, যখন ওই নবী আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার উদ্ধৃতি দিয়ে কিছু বলবে এবং তার কথা অনুযায়ী যদি বাস্তবে কিছু সংঘটিত না হয়, তাহলে তা মহান আল্লাহ প্রদত্ত নয়। বরং সে ভণ্ড নবী সেজে তা বলেছে। কাজেই তাকে ভয় করবে না।"

এই বাক্যগুলোতে বনী ইসরাঈলকে সম্বোধন করে সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যে নবীর আগমনের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে, তিনি তাদের বংশ থেকে নন; বরং তাদের ভ্রাতৃবর্গ তথা ইসমাঈল (আ.)-এর বংশে প্রেরিত হবেন। হযরত শা'ইয়াকে সম্বোধন করে আল্লাহ তা'আলার এ ইরশাদ বর্তমান বাইবেলে এভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, “দেখো! আমার খাদেম যাকে আমি নিয়ন্ত্রণ করি। সে আমার নির্বাচিত। আমি তার প্রতি সন্তুষ্ট। আমি স্বীয় আত্মা তার উপর নিক্ষেপন করি। সে সম্প্রদায়ের মাঝে ন্যায়-নীতি চালু করবে। সে কোনো রকম হৈ-হুল্লোড় ও শোরগোল করবে না। বাজারে তার আওয়াজ শোনা যাবে না। তিনি নিভু নিভু বাতিগুলো নিভিয়ে দিবেন না। সততার সাথে সে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে। সে ঝিমিয়ে পড়বে না এবং হিম্মত ও মনোবল হারাবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত পৃথিবীতে ন্যায়-নীতি প্রতিষ্ঠা না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দ্বীপ-উপদ্বীপের অধিবাসীরা তার শরীয়তের অপেক্ষায় থাকবে..। আমিই তোমার হাত ধরবো। তোমার নিরাপত্তা প্রদান করবো। মানবজাতির প্রতিশ্রুতি এবং সম্প্রদায়ের পথ প্রদর্শনের জন্য আমি তোমাকে প্রেরণ করবো। তুমি অন্ধদের দৃষ্টি খুলে দিবে এবং কয়েদীদেরকে মুক্ত করবে। অন্ধকারের ভবঘুরে যারা রয়েছে, তাদেরকে মুক্ত করবে। আমিই ইয়াহুদাহ্। এটাই আমার নাম। আমি আমার মর্যাদা অন্য কারো জন্য এবং স্বীয় প্রশংসা খোদাই করা মূর্তির জন্য চালু রাখবো না। হে সমুদ্র অতিক্রমকারীগণ! এবং সমুদ্র তীরে বসবাসকারীগণ! হে উপদ্বীপবাসীগণ! নব উদ্যমে মহান আল্লাহর গুণ কীর্তন কর। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার প্রশংসায় মেতে উঠ। (তিনি যখন আসবেন) মরু-বিয়াবান ও তার বস্তিগুলো, কাইদারের আবাসিক এলাকার লোকেরা মহান আল্লাহ পাকের প্রশংসায় নিজেদের কণ্ঠ উচ্চকিত করবে। (মদীনার প্রসিদ্ধ পাহাড়) সালা'র অধিবাসীরা অভ্যর্থনা সংগীত পরিবেশন করবে। পাহাড়ের চূড়াদেশ থেকে তাঁকে অভ্যর্থনা জানানো হবে। আর তিনি মহান আল্লাহ সুবহানাহু তা'আলার মহিমা ব্যক্ত করবেন এবং উপদ্বীপ অঞ্চলে তাঁর প্রশংসা কীর্তন করবেন। বীর-শার্দুলের ন্যায় তিনি বিকাশিত হবেন। তিনি বীর যোদ্ধার ন্যায় স্বীয় আত্মমর্যাদাবোধ প্রকাশ করবেন। যারা খোদাই করা মূর্তির উপর ভরসা করতো এবং মূর্তিকে মাবুদ বলতো তারা চরমভাবে লাঞ্ছিত হবে।”

আর ইয়াহিয়ার সাক্ষ্য এই- যখন 'ইহুদীরা কয়েক জন ইমাম ও লেবীয়কে দিয়ে জেরুশালেম থেকে তাঁর কাছে এই কথা জিজ্ঞাসা করে পাঠালো, 'আপনি কে?' তখন তিনি স্বীকার করলেন, অস্বীকার করলেন না; তিনি স্বীকার করে বললেন, আমি সেই মসীহ্ নই। তারা তাঁকে জিজ্ঞাসা করলো, তবে আপনি কে? আপনি কি ইলিয়াস? তিনি বললেন, আমি নই। আপনি কি সেই নবী? জবাবে তিনি বললেন, না। এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে হযরত ইয়াহইয়া (আ.) এর যুগেও মানুষ হযরত মসীহ (আ.) ব্যতীত আরো একজন নবীর প্রতীক্ষায় ছিল। আর ওই নবী তাদের মাঝে এত বেশি প্রসিদ্ধ ও পরিচিত ছিলেন যে, তাঁর নাম উচ্চারণেরই প্রয়োজন হতো না। বরং “সেই নবী” বললেই সবাই তাঁকে চিনে ফেলতো।

এরপর যখন হযরত ঈসা (আ.) আগমন করলেন, তখন তিনিও রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্পষ্ট নাম বলে দিয়ে তাঁর আগমনের সুসংবাদ প্রদান করেছেন। ইনজীল ইউহান্নার মাঝে মসীহ (আ.)-এর বক্তব্য এভাবে বর্ণিত হয়েছে- "আমি তোমাদেরকে সত্য বলছি যে, এ ধরা থেকে আমার প্রস্থান তোমাদের জন্য কল্যাণকর হবে। কেননা আমি যদি না যাই তাহলে তিনি তোমাদের নিকট আগমন করবেন না। তবে আমি যদি প্রস্থান করি তাহলে তাঁকে তোমাদের নিকট প্রেরণ করব। তিনি এসে পৃথিবীকে পাপ-পঙ্কিলতা ও ন্যায়-নীতির ব্যাপারে ত্রুটিকারক হিসেবে সাব্যস্ত করবেন।”

টিকাঃ
৩৬২. ইসতেস্না: ১৮/১৭-২২ [Deuteronomy / দ্বিতীয় বিবরণ ১৮: ১৭-২২]
৩৬৩. এ সুসংবাদের প্রত্যেকটি শব্দ একমাত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর প্রযোজ্য হয়। অধম এর বিস্তারিত আলোচনা "বাইবেল থেকে কুরআন পর্যন্ত” গ্রন্থের ৩য় খণ্ডের ২৮১ নং পৃষ্ঠায় করেছে। এখানে সংক্ষেপে শুধু এতটুকু বুঝে নিন যে, কাইদার ছিলেন হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর পুত্র। (তাওয়ারিখ: ১/৩) আর তাঁর বংশধরদের বসতী ছিল আরবের মরু-বিয়াবানে। যেমনটি বাইবেলের 'ইয়াসাইয়াহ'র (২১/১৩-১৭) থেকে বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়। অতএব, কাইদারের নাম নিয়ে সুস্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়েছে যে, যে নবীর সুসংবাদ দেওয়া হচ্ছে তিনি ইসমাঈল (আ.)-এর বংশ থেকে হবেন এবং আরবে প্রেরিত হবেন। এ ছাড়াও এ রচনায় 'সীলা' পাহাড়ের অধিবাসীদের ব্যাপারে বলা হয়েছে যে, তারা তাঁর আগমনে স্বাগত সংগীত পরিবেশন করবে। 'সীলা' মদীনা শরীফের একটি প্রসিদ্ধ পাহাড়। এরই একাংশে "সানিয়াতুল বিদা" অবস্থিত। এর উপর দাঁড়িয়েই মদীনার শিশুরা 'তলাআল বাদরু আলাইনা' গেয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছিল।
৩৬৪. দেখুন, ইনজীল ইউহান্না: ১/১৯-২৬ [বাইবেল, John/যোহন ১: ১৯-২৬]
৩৬৫. ইনজীলের ইউনানী কপিগুলোতে এই শব্দটি "পিরাক্লোতোস" ছিল। যা "মুহাম্মদ” শব্দের ইউনানী অনুবাদ। এখানে আমরা শুধু নমুনা হিসেবে কয়েকটি সুসংবাদ উল্লেখ করলাম। এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, "বাইবেল থেকে কুরআন পর্যন্ত" তৃতীয় খণ্ড, ষষ্ঠ অধ্যায়।
৩৬৬. ইউহান্না: ১৬/৭ [বাইবেল, John/যোহন ১৬:৭]

ফন্ট সাইজ
15px
17px