📄 কোরআন সংরক্ষণ সম্পর্কিত সংশয় ও তার জবাব
পবিত্র কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে : (إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ)। 'নিশ্চয় আমি কুরআনকে অবতীর্ণ করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষণকারী।'
এই আয়াতের মাধ্যমে ভবিষ্যদ্বাণী করে দেওয়া হয়েছে যে, পবিত্র কুরআন কেয়ামত পর্যন্ত তার আসল অবস্থায় সংরক্ষিত থাকবে। পৃথিবীর কোনো শক্তি এটাকে নিশ্চিহ্ন করার বা তাতে কোনো বিকৃতি সাধন কিংবা কোনো প্রকার সংশোধন-সম্পাদনা করতে সক্ষম হবে না। পূর্ববর্তী পৃষ্ঠাগুলোতে আপনারা লক্ষ্য করেছেন যে, মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন এ ভবিষ্যদ্বাণীকে কিভাবে বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন এবং যুগে যুগে কিভাবে এর সংরক্ষণ করা হয়েছে? তাইতো আজ নির্ভয়ে দ্বিধাহীনভাবে জোর গলায় আমরা এ দাবী করতে পারি যে, পবিত্র কুরআন মাজীদ আমাদের কাছে তার আসল সেই রূপ নিয়েই বর্তমান রয়েছে, যেভাবে নবী কারীম (সা.) শিক্ষা দিয়েছিলেন। আজ পর্যন্ত এতে কোনো একটি নুকতা বা বিন্দু পরিমাণও পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়নি।
এ বিষয়টি শুধু মুসলমানদেরই আকীদা-বিশ্বাস নয়; বরং নিরপেক্ষ দৃষ্টিসম্পন্ন অমুসলিমরাও এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়েছে এবং অস্বীকার করার দুঃসাহস দেখায়নি। কিন্তু চোখে যখন পক্ষপাতিত্ব কিংবা শত্রুতার পর্দা পড়ে যায়, তখন স্ফটিকের ন্যায় স্বচ্ছ পানিকেও ঝাপসা ও ঘোলাটে দেখায়। তাইতো কিছু কিছু অমুসলিম লেখক এ ব্যাপারে কিছু কিছু সংশয় ও অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। আমরা এখানে সেসব সংশয় ও অভিযোগের হাকীকতকে সংক্ষেপে প্রকৃতিরহস্য ধরতে প্রয়াস চালাব।
টিকাঃ
৩১২. সূরা হিজর, আয়াত নং-৯
📄 এ পরিচ্ছেদের সারাংশ
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে 'কুরআন সংরক্ষণ বিষয়ক সন্দেহ এবং তার জবাব' শিরোনামে প্রাচ্যপন্ডিতদের থেকে আসা অভিযোগগুলো খন্ডন করেছেন। এ অধ্যায়টি প্রাচ্যবিদদের কোরআন সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিভিন্ন ভুল বিশ্লেষিত বিষয়, অবান্তর এবং বানোয়াট সকল প্রশ্নের জবাবদান নিয়ে আলোচিত হয়েছে। এতে প্রাচ্যবিদদের গোয়ার্তুমি, হঠকারিতা ইত্যাদির বিষয়টিও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এতে মোট ১১টি প্রশ্ন উল্লেখ করা হয়েছে, যেগুলোর দ্বারা তারা কোরআন অসংরক্ষিত ছিল বলে দাবি করে থাকে।
📄 প্রাথমিক যুগের কিছু আয়াত সংরক্ষিত নেই
প্রথম অভিযোগ : প্রসিদ্ধ প্রাচ্য বিশারদ পন্ডিত এফ. বুহল (Buhl) এই দাবী করেছেন যে, নবী কারীম (সা.)-এর রেসালাত যুগের শুরুদিকে পবিত্র কুরআনুল কারীম লিপিবদ্ধ করা হতো না। বরং তা সংরক্ষণের পুরো ভিত্তি ছিল রাসূলে আকরাম (সা.) ও তাঁর সাহাবাদের স্মৃতিশক্তির উপর। তাই এটা অবশ্যই সম্ভব যে প্রাথমিক যুগের কুরআনের আয়াতগুলো সংরক্ষিত রয়নি। এই দাবীর স্বপক্ষে নিম্নোক্ত দু'টি আয়াতকে পেশ করেছেন-
( سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنْسَى إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ ) 'আমি আপনাকে পাঠ করাতে থাকব, ফলে আপনি ভুলবেন না। তবে আল্লাহ যা চান তা ব্যতীত।'
مَا نَنسَخْ مِنْ آيَةٍ أَوْ نُنسِهَا نَأْتِ بِخَيْرٍ مِّنْهَا أَوْ مِثْلِهَا .. 'আয়াত রহিত করি কিংবা ভুলিয়ে দেই, তখন এর চেয়েও উত্তম বা এর সম-মানের আয়াত নিয়ে আসি।'
কিন্তু যে ব্যক্তিই পবিত্র কুরআনুল কারীম ও এর তাফসীরের ব্যাপারে সামান্যতম জ্ঞান রাখেন, তিনি এই অভিযোগের অসারতা অনুভব করতে সক্ষম হবেন। কেননা এ দু'টি আয়াতে পবিত্র কুরআনুল কারীমের মানসূখ [রহিত] আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। প্রথম আয়াতের শানে নুযূল হলো, যখন হযরত জিবরাঈল (আ.) পবিত্র কুরআনুল কারীমের কিছু আয়াত নিয়ে উপস্থিত হতেন, তখন রাসূলে খোদা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেগুলো ভুলে যাবার আশঙ্কায় বার বার পুনঃচর্চা করতেন। এতে তাঁর কঠোর পরিশ্রম হতো। এ আয়াতে রাসূলে আকরাম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে অভয়বাণী দেওয়া হয়েছে যে, তা আত্মস্থ করার জন্য আপনার এত কষ্ট সাধনের প্রয়োজন নেই। মহান আল্লাহ তা'আলা নিজেই পবিত্র কুরআনুল কারীম সংরক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। কাজেই রাসূলে কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওই আয়াতগুলো ভুলতে পারেন না। কিন্তু এর উপর প্রশ্ন হতে পারে যে, পবিত্র কুরআনুল কারীমের কিছু আয়াত তো পরবর্তীতে মানসূখ হয়ে যাওয়ার কারণে স্মৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্যই (إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ ) (তবে আল্লাহ যা চান)-শব্দ কয়টি বর্ধিত করা হয়েছে। যার অর্থ হচ্ছে, যখন মহান আল্লাহ তা'আলা কোনো আয়াতকে মানসূখ করবেন, তখনই কেবল ওই আয়াতটি তাঁর স্মৃতি থেকে বিলুপ্ত হতে পারবে, অন্যথায় নয়।
অনুরূপভাবে দ্বিতীয় আয়াতেও বেশির চেয়ে বেশি এতটুকু বর্ণনা করা হয়েছে যে, কিছু আয়াত মানসূখ হয়ে যাওয়ার ভিত্তিতে রাসূলে খোদা (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও সাহাবায়ে কেরামের স্মৃতি থেকে শুধু রহিত সেই আয়াতটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে, অন্যান্য আয়াত নয়। সুতরাং, উপরোক্ত আয়াত দু'টি থেকে বেশির চেয়ে বেশি যা সাব্যস্ত হয় তা হলো, কতক আয়াতকে যখন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানসূখ (রহিত) করে দিলেন, তখন সেগুলোর লিখিত অক্ষরগুলোকে তো বিলুপ্ত করার নির্দেশ দেওয়াই হয়েছে, সাথে সাথে ওই আয়াতগুলোকে মানুষের স্মৃতি থেকেও বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় অরহিত আয়াতগুলোর ব্যাপারে তো সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাসূলে আকরাম কখনো সেগুলোকে ভুলতে পারবেন না। এ থেকে অবশেষে এই ফল কিভাবে বেরিয়ে আসল যে, যে আয়াতগুলো রহিত হয়নি সেগুলো ভুলে যাবারও কোনো সম্ভাবনা রয়েছে?
উল্লেখিত উপরোক্ত আয়াত দু'টি দ্বারা এ কথার দলীল দেওয়া যে, ইসলামের প্রাথমিক যুগে পবিত্র কুরআন মাজীদ লিপিবদ্ধ করা হতো না—এটি একটি অকাট্য ভিত্তিহীন ও অসার দলীল। আমরা পূর্বে বলে এসেছি যে, হযরত ওমর (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের পূর্বে সাহাবায়ে কেরামের নিকট পবিত্র কুরআন মাজীদের আয়াতসমূহ লিপিবদ্ধ থাকার কথা মুসতানাদ বা গ্রহণযোগ্য সনদসূত্রে প্রমাণিত আছে। সুতরাং প্রথম আয়াতে শুধু নসিয়ান (বিস্মৃত) হওয়ার কথা উল্লেখ করে এ কথা বুঝানো হয়নি যে, ওই সময় পবিত্র কুরআনুল কারীম লিপিবদ্ধ অবস্থায় ছিল না। বরং আসল কথা হচ্ছে এখানে শুধু নসিয়ান-এর আলোচনাই চলে আসছিল। তাই এখানে লিখিত আয়াতগুলোকে নসখ করার কথা উল্লেখ করা হলে তা হবে অপ্রাসঙ্গিক ও অযৌক্তিক। আর এ কারণেই দ্বিতীয় আয়াতটিতেও যেহেতু নসখই হচ্ছে আলোচনার বিষয়, তাই এতে "নসখ” (লিখিত আয়াতকে বিলুপ্ত করা) এবং নসিয়ান (বিস্মৃত করা) উভয়টার উল্লেখ করা হয়েছে। "নসখ”-এর আভিধানিক অর্থ হলো, দূরীভূত করা এবং বিলুপ্ত করা। অতএব, এই শব্দটিই সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, পবিত্র কুরআনুল কারীম লিখিত অবস্থায় বিদ্যমান ছিল এবং এর কতক আয়াতকে মানসূখ হওয়ার ভিত্তিতে বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো যে, এই আয়াত যা পবিত্র কুরআনুল কারীম লিপিবদ্ধ থাকার উপর সুস্পষ্ট প্রমাণ বহন করছে, সেটাকেই ওই বুহল (Buhl) কুরআনুল কারীম লিপিবদ্ধ না থাকার উপর দলীল হিসেবে উপস্থাপন করছেন!
টিকাঃ
৩১৩. Buhl: Encyclopedia of Islam P. 1067. V. 3 QURAN.
৩১৪. সূরা আলা: ৬-৭
৩১৫. সূরা বাকারা: ১০৬
৩১৬. তাফসীরে কুরতুবী: ২০/১৮
📄 প্রথম অভিযোগ : একদা একটি আয়াত রাসূল (সা.)-এর স্মরণ ছিল না
দ্বিতীয় অভিযোগ : প্রাচ্য পন্ডিত ডি. এস. মারগোলিয়থ সহীহ বুখারী ও মুসলিমের একটি হাদীসের উপর ভিত্তি করে পবিত্র কুরআনুল কারীমের সংরক্ষণকে সংশয়পূর্ণ করার চেষ্টা করেছেন। বুখারী ও মুসলিম শরীফে উম্মুল মু'মিনীন হযরত আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত আছে যে, এক রাতে নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদে এক সাহাবীকে কুরআনুল কারীম তেলাওয়াত করতে শুনে বললেন- رحمه الله, لقد أذكرني كذا وكذا آية انسيتها 'অর্থাৎ আল্লাহ তার প্রতি রহম করুন, সে আমাকে এমন একটি আয়াত স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যা আমি ভুলে গিয়েছিলাম।'
এ বর্ণনাটি উল্লেখ করে মারগোলিয়থ বুঝাতে চান যে, যদি কোনো এক সময়ে রাসূলে খোদা (সা.)-এর একটি আয়াত বিস্মৃত হওয়া সম্ভব হয়, তাহলে (নাঊযুবিল্লাহ) অন্য আয়াতও বিস্মৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি এ বর্ণনা দ্বারা সম্ভবত এটাও সাব্যস্ত করতে চান যে, পবিত্র কুরআনুল কারীম লিপিবদ্ধ ছিল না। যদি লিপিবদ্ধ থাকতো, তাহলে তিনি এ আয়াতটি ভুলতেন না।
কিন্তু এই অভিযোগটি এতই অসার ও ভিত্তিহীন যে, সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন একজন ব্যক্তিও এটাকে মেনে নিবে না। কেননা উপরোক্ত ঘটনার বাস্তবতা কেবল এতটুকুই যে, অধিকাংশ সময় কোনো একটি বিষয় মানুষের স্মরণে তো থাকে, কিন্তু দীর্ঘ সময় নিয়ে এর আলোচনা না হওয়ার কারণে এর প্রতি খেয়াল যায় না। তাই তা স্মৃতিতে উপস্থিত থাকে না। যখনই কোনো ব্যক্তি এর আলোচনা করে সঙ্গে সঙ্গেই তা স্মৃতিভান্ডারে সতেজ হয়ে উঠে। প্রকৃতপক্ষে এটাকে ভুল বলা হয় না। বরং সাম্পয়িকভাবে তা খেয়াল থেকে বের হয়ে যায়। নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বেলায় তা-ই ঘটেছিল।
তাই এ ধরনের ঘটনার উপর ভিত্তি করে রাসূলে আকরাম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর প্রতি নসিয়ান (বিস্মৃত) হওয়ার সম্বন্ধ করা চরম পর্যায়ের বে-ইনসাফী। যার উদ্দেশ্য গোঁড়ামী ছাড়া আর কিছু নয়। বরং মিষ্টার মারগোলিয়থ যদি গভীর ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিষয়টি দেখতেন, তাহলে তিনি উপলব্ধি করতে পারতেন যে, এই ঘটনা থেকে এ বিষয়টি সাব্যস্ত হয় যে, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআন মাজীদ সংরক্ষণের এমন এক অসাধারণ পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন, যার কোনো অংশ হারিয়ে যাবার সম্ভাবনাই নেই। কারণ এ ঘটনা থেকে যদি কোনো হাকীকত সাব্যস্ত হয় তাহলে তা হলো এই যে, পবিত্র কুরআনুল কারীমের এক একটি আয়াত এত অসংখ্য মানুষের আত্মস্থ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে, যদি ঘটনাক্রমে কখনো কোনো আয়াত সাময়িকভাবে রাসূলে কারীম (সা.)-এর স্মৃতিভান্ডারে উপস্থিত না থাকে, তাহলেও তা অরক্ষিত বা নষ্ট হয়ে যাবার দূরবর্তী কোনো আশঙ্কাও নাই।
এখানে কথা উঠতে পারে যে, এ ঘটনা থেকে জানা যায় যে, 'কুরআনুল কারীম লিখিত আকারে বিদ্যমান ছিল না।' এ কথাটি প্রথম কথার চেয়ে অধিক ভিত্তিহীন ও হাস্যকর। আমরা আরয করেছি যে, এ ঘটনার মূল বিষয় হচ্ছে, একটি আয়াত ঘটনাক্রমে সাময়িকভাবে রাসূলে আকরাম (সা.)-এর স্মৃতিভান্ডারে উপস্থিত ছিল না। যা একজন সাহাবীর তেলাওয়াতের সাথে সাথেই তাঁর স্মৃতিতে সতেজ হয়ে উঠে। এর দ্বারা কিভাবে এটা সাব্যস্ত হয় যে, পবিত্র কুরআনুল কারীম লিপিবদ্ধ অবস্থায় ছিল না? এই প্রাচ্য পন্ডিতজী কি মনে করেন যে, যা একবার লিপিবদ্ধ করে নেওয়া হয়, তা আর এক মুহূর্তের জন্যও স্মৃতিভান্ডার থেকে অনুপস্থিত হতে পারে না? আর জগদ্বাসীর তো এ কথা জানাই আছে যে, রাসূলে খোদা (সা.) ছিলেন উম্মী। অর্থাৎ, তিনি লিখতে ও পড়তে জানতেন না। তাই পবিত্র কুরআন মাজীদকে স্মরণ রাখার জন্য লিপিবদ্ধকরণের সাথে তাঁর কোনো সম্পর্কই ছিল না। অতএব, উপরোক্ত ঘটনা দ্বারা পবিত্র কুরআনুল কারীম লিপিবদ্ধ না থাকার উপর ওই ব্যক্তিই দলীল-প্রমাণ পেশ করতে পারে, যে নিজের উপর ইনসাফ ও নিরপেক্ষতার সকল দরজা রুদ্ধ করে দিয়েছে।
টিকাঃ
৩১৭. Margoliouth, D. S. Encyclopedia of Religion and Ethics P. 543.
৩১৮. সহীহ বুখারী: ২/৭৫৩, সহীহ মুসলিম: ১/২৬৭