📘 উলুমুল কুরআন 📄 এ পরিচ্ছেদের সারাংশ

📄 এ পরিচ্ছেদের সারাংশ


এ পরিচ্ছেদের সারাংশ :
এতে "নাসিখ ও মানসুখ" শিরোনামে "নসখ” রহিতকরণের হাকীকত-সংজ্ঞা, ভ্রান্ত মতের খণ্ডনে প্রামাণিক ও যৌক্তিকভাবে নসখের স্বীকৃতি (গ্রহণযোগ্যতা), মুতাকাদ্দিমীন ও মুতাআখখিরীন আলেমদের মধ্যে নসখের পরিভাষাগত পার্থক্য, আল-কোরআনে ইখতিলাফসহ মানসূখ আয়াতের সংখ্যালোচনা ও উদাহরণ; ইত্যাদি বিষয় নিয়ে তুলনামূলক নাতিদীর্ঘ আলোচনা করেছেন।

📘 উলুমুল কুরআন 📄 এতে "নাসিখ ও মানসুখ" শিরোনামে “নসখ” রহিতকরণের

📄 এতে "নাসিখ ও মানসুখ" শিরোনামে “নসখ” রহিতকরণের


এতে "নাসিখ ও মানসুখ" শিরোনামে “নসখ” রহিতকরণের

📘 উলুমুল কুরআন 📄 নাসিখ ও মানসুখ বা রহিত ও রহিতকারী

📄 নাসিখ ও মানসুখ বা রহিত ও রহিতকারী


প্রকাশ থাকে যে, উলূমুল কুরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো, নাসিখ ও মানসূখ। এ আলোচনা বড়ই শক্তিশালী ও দীর্ঘ। তবে এখানে তার বিস্তারিত সকল বিষয় আলোচনার পরিবর্তে তৎসংশ্লিষ্ট শুধু মৌলিক বিষয়গুলো উপস্থাপন করা হচ্ছে।

📘 উলুমুল কুরআন 📄 নসম বা রহিতকরণের হাকীকত

📄 নসম বা রহিতকরণের হাকীকত


নসখ বা রহিতকরণের হাকীকত :

নসখ-এর আভিধানিক অর্থ হলো, নিশ্চিহ্ন করা, বিলুপ্ত করা এবং দূরীভূত করা। আর এর পারিভাষিক সংজ্ঞা হলো- رفع الحكم الشرعي بدليل شرعي 'কোনো শরঈ দলীল দ্বারা কোনো শরঈ হুকুমকে তুলে নেওয়া।'

অর্থাৎ মহান আল্লাহ তা'আলা কখনো কখনো কোনো যুগের চাহিদা অনুপাতে একটি শরঈ হুকুম জারী করেন। অতঃপর অন্য এক যুগে এসে স্বীয় প্রজ্ঞার দৃষ্টিতে ওই হুকুমকে বিলুপ্ত করে এর স্থলে নতুন আরেকটি হুকুম জারী করেন। হুকুম পরিবর্তনের এই বিষয়কে “নসখ” বলা হয়। এভাবে পূর্বের যে হুকুমকে বিলুপ্ত করা হয় সেটাকে "মানসূখ” এবং যে নতুন হুকুম প্রদান করা হয় সেটাকে "নাসিখ” বলা হয়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px