📘 উলুমুল কুরআন 📄 আল্লাহ তা'আলার পবিত্র কালাম

📄 আল্লাহ তা'আলার পবিত্র কালাম


হযরত মূসা (আ.)-এর ন্যায় নবী কারীম (সা.) ও সরাসরি মহান আল্লাহ জাল্লা শানুর বাণী শ্রবণ করার সৌভাগ্য লাভে ধন্য হয়েছিলেন। জাগ্রত অবস্থায় শুধু মেরাজের সময় এ ঘটনা ঘটেছিল। এ ছাড়া স্বপ্নযোগেও একবার নবীজী মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাথে সামনা সামনি কথা বলার সৌভাগ্য লাভ করে ছিলেন।

টিকাঃ
৩৮. সহীহ বুখারী: ২/৮৫৭-৮৫৮, আসাহহুল মাতাবি' করাচী।
৩৯. "আল ইতকান": ১/৪৬

📘 উলুমুল কুরআন 📄 অন্তরে বার্তা গেঁথে দেওয়া

📄 অন্তরে বার্তা গেঁথে দেওয়া


ওহী অবতীর্ণ হওয়ার ষষ্ঠ পদ্ধতি ছিল এই যে, হযরত জিবরাঈল (আ.)-এর কোনো রূপ ধারণ করে সামনে আসা ব্যতীত রাসূলে আকরাম (সা.)-এর অন্তরে কোনো বার্তা ঢেলে দিতেন। যেমন, এক বর্ণনায় তিনি ইরশাদ করেছেন- إِنَّ رُوحَ القُدُسِ نَفَثَ فِي رُوعِي 'পবিত্র আত্মা (জিবরাঈল) আমার অন্তরে (এ কথা) ঢেলে দিয়েছেন।' 'মুসতাদরাক হাকেম'-এর বর্ণনায় এভাবে এসেছে- إِنَّ جِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلامُ, أَلْقَى فِي رُوعِيَ أَنَّ أَحَدًا مِنْكُمْ لَنْ يَخْرُجَ مِنَ الدُّنْيَا حَتَّى يَسْتَكْمِلَ رِزْقَهُ 'জিবরাঈল (আ.) আমার অন্তরে এ কথা ঢেলে দিয়েছে যে, তোমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তিই তার রিযিক পূর্ণ করা ব্যতীত অবশ্যই পার্থিব জগৎ ত্যাগ করবে না।'

টিকাঃ
৪০. "আল ইতকান": ১/৪৬
৪১. আল-হাকেম: "আল-মুসতাদরাক [ক্রয়-বিক্রয় অধ্যায়]": ২/৪, দায়েরাতুল মাআরিফ, ১৩৪০ হিজরী।

ফন্ট সাইজ
15px
17px