📄 কাযা ও কাদার তথা ফয়সালা ও তাকদীরের সংজ্ঞা, এ দু'টি যে বাস্তব তার দলীল প্রমাণাদি এবং এ দু’য়ের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়
ক্বাদ্বা ও ক্বাদরের সংজ্ঞাঃ
ক্বাদ্বা শব্দটির আভিধানিক অর্থঃ নির্দেশ দেয়া, ফয়সালা করা।
আর শরীয়তের পরিভাষায় কাদ্বা বলতে বুঝায়ঃ মহান আল্লাহ পাক কর্তৃক তাঁর সৃষ্টি জগতের মধ্যে কোন কিছুর অস্তিত্ব দেয়া, বিলীন করা অথবা পরিবর্তন করা।
আর ক্বাদর শব্দটি মূলধাতু, বলা হয়ে থাকেঃ
قدرت الشيء أقدره
আমি কোন কিছুর পরিমাণ নির্ধারণ করেছি, নির্ধারণ করব; যখন তার পরিমাণ তুমি পূর্ণ আয়ত্ব করতে পার।
শরীয়তের পরিভাষায় ক্বাদর বলতে বুঝায়ঃ অনাদিতে আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক তাঁর পূর্ব জ্ঞান অনুসারে তাঁর সৃষ্টিজগতে যা হবে তা নির্ধারণ করা।
ক্বাদ্বা ও ক্বাদরের মধ্যে পার্থক্যঃ
ক্বাদ্বা ও কাদরের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে যেয়ে আলেমগণ বলেনঃ ক্বাদর হলো কোন কিছুর নির্দেশ বা ফয়সালা দেয়ার আগে সে বস্তু নির্ধারণ করা। আর ক্বাদ্বা হলোঃ সে কাজ শেষ করা।
আবু হাতিম ক্বাদ্বা ও ক্বাদরের মধ্যে পার্থক্য করতে যেয়ে যে উপমা উল্লেখ করেছেন তা হলোঃ ক্বাদর হলো দর্জি কর্তৃক কাপড়ের মাপ নেয়া, কেননা সে তা সেলানোর পূর্বে পরিমাণ নির্ধারণ করে, বাড়ায় এবং কমায়। আর যখন সে তা সেলানো শেষ করল তখন তা ক্বাদ্বা করল বা শেষ করল, তখন তার পরিমাণ করার প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে গেল। এ হিসাবে ক্বাদ্বার পূর্বেই ক্বাদরের অবস্থান।
ইবনুল আসীর বলেনঃ 'সুতরাং ক্বাদ্বা ও ক্বাদর দু'টি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত বিষয়, যার একটি আরেকটি থেকে পৃথক করা সম্ভব হয় না; কেননা তার একটি হলো ভিত্তিতুল্য যাকে বলব ক্বাদর। আরেকটি হলো দেয়ালের মত যাকে বলব ক্বাদ্বা, সুতরাং যে কেউ এ দু'টির মধ্যে পার্থক্য করতে চাইবে, সে অবশ্যই দেয়াল ভাঙ্গার ও নষ্ট করার ইচ্ছাই করবে’।
ক্বাদ্বা ও ক্বাদর যখন একসাথে উল্লেখ হয় তখন এ দু' শব্দের অর্থের মধ্যে পার্থক্য আসে। তখন প্রত্যেকটি তার নিজস্ব বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু যখন এ দু'টি ভিন্ন ভাবে উল্লেখ করা হয় তখন তার একটি আরেকটির অর্থও প্রদান করে। কোন কোন আলেম এ মত উল্লেখ করেছেন।
ক্বাদর বা তাকদীরের যথার্থতার প্রমাণাদিঃ
ক্বাদর বা তাকদীরের উপর ঈমান আনা ঈমানের রুকনসমূহের একটি রুকন। কুরআন ও সুন্নায় তা প্রমাণ ও সাব্যস্ত করার জন্য অনেক দলীল প্রমাণাদি এসেছেঃ
কুরআন থেকে প্রমাণ হলঃ মহান আল্লাহর বাণীঃ
﴿إِنَّا كُلَّ شَيْ خَلَقْتُهُ بِقَدَرٍ ﴾ (القمر: ٤٩)
"অবশ্যই আমরা প্রত্যেক কিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে”। [সূরা আল-কামারঃ৪৯]
মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
﴿وَكَانَ أَمْرُ اللهِ قَدَرًا مَقْدُورًا (الأحزاب: ۳۸)
"আর আল্লাহর নির্দেশ ছিল সুনির্ধারিত”। [সূরা আল-আহযাবঃ ৩৮]
আল্লাহ তা'আলা আরো বলেনঃ
﴿وَخَلَقَ كُلَّ شَيْ فَقَدَّرَهُ تَقْدِيرًا ﴾ (الفرقان : ۲)
"তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করেছেন তারপর নির্ধারণ করেছেন যথাযথ অনুপাতে”। [সূরা আল-ফুরকানঃ২]
অনুরূপভাবে রাসূলের সুন্নায়ও ক্বাদর বা তাকদীর প্রমাণ করে অনেক হাদীস এসেছে। তম্মধ্যে জিবরীলের হাদীস অন্যতম। তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ঈমানের রুকনসমূহ সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলেন। রাসূল তাতে তাকদীরের কথা উল্লেখ করে বলেছিলেনঃ
(الإيمان بالقدر خيره وشره)
"তাকদীর ভাল ও মন্দ হওয়ার উপর ঈমান আনয়ন করা"।
ফিরিস্তাদের বর্ণনা অধ্যায়ে শব্দ সহ হাদীসটি পূর্ণভাবে গত হয়েছে।
অনুরূপভাবে সহীহ মুসলিমে আব্দুল্লাহ ইবনে 'আমর ইবনুল 'আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ
(كتب الله مقادير الخلائق قبل أن يخلق السموات والأرض بخمسين ألف سنة قال: وكان عرشه على الماء)¹
“আল্লাহ আসমান ও যমীন সৃষ্টির পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে সৃষ্টি জগতের তাকদীর লিখে রেখেছেন"। বললেনঃ "আর তাঁর আরশ ছিল পানির উপর"'。
তাকদীরের উপর ঈমান আনা উম্মাত তথা সাহাবা ও তাদের পরবর্তী সবার ইজমা' বা ঐক্যমতের বিষয়। সহীহ মুসলিমে ত্বাউস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ 'আমি অনেক সাহাবীকে পেয়েছি যারা বলতেনঃ সব কিছু তাকদীর অনুসারে হয়'। আরো বলেনঃ আমি 'আব্দুল্লাহ ইবনে উমরকে বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ
(كل شيء بقدر حتى العجز والكيس أو الكيس والعجز)¹
"সবকিছুই তাকদীর মোতাবেক হয়, এমনকি অপারগতা ও সক্ষমতা, অথবা বলেছেনঃ সক্ষমতা ও অপারগতা"²。
হাদীসে উল্লেখিত الكيس শব্দটি العجز শব্দটির বিপরীতার্থক শব্দ। যার অর্থ কর্মতৎপরতা, সক্ষমতা।
ইমাম নববী বলেনঃ 'আল্লাহ কর্তৃক তাকদীর নির্ধারণ করার উপর 'কুরআন, সুন্নার অকাট্য দলীল-প্রমাণাদি প্রচুর পরিমাণে এসেছে আর এর উপর সাহাবাগণ এবং 'আহলুল হাল্ল ওয়াল আকদ' তথা যাদের মতামত গ্রহণযোগ্য এমন সব পূর্ব ও উত্তরকালীন মনিষীর ঐক্যমত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে'।
টিকাঃ
¹ সহীহ মুসলিম (হাদীস নং ২৬৫৩)。
² সহীহ মুসলিম (হাদীস নং ২৬৫৫)。
📄 তাকদীরের পর্যায়সমূহ
তাকদীরের চারটি স্তর রয়েছে, যার উপর কুরআন ও সুন্নায় অসংখ্য দলীল- প্রমাণাদি এসেছে আর আলেমগণও তার স্বীকৃতি দিয়েছেন। তা হলোঃ
প্রথম স্তর : অস্তিত্বসম্পন্ন, অস্তিত্বহীন, সম্ভব এবং অসম্ভব সবকিছু সম্পর্কে আল্লাহর জ্ঞান থাকা এবং এ সবকিছু তাঁর জ্ঞানের আওতাভুক্ত থাকা। সুতরাং তিনি যা ছিল এবং যা হবে, আর যা হয়নি যদি হত তাহলে কিরকম হতো তাও জানেন। এর প্রমাণ আল্লাহর বাণীঃ
﴿لِتَعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا ﴾ (الطلاق: ١٢)
"যাতে তোমরা বুঝতে পার যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান এবং জ্ঞানে আল্লাহ সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছেন”। [সূরা আত্বালাকঃ১২]
সহীহ বুখারী ও মুসলিমে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীসে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মুশরিকদের সন্তানদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেনঃ
(الله أعلم بما كانوا عاملين)¹
"তারা কি কাজ করত (জীবিত থাকলে) তা আল্লাহই ভাল জানেন"¹。
দ্বিতীয় স্তর : ক্বিয়ামত পর্যন্ত যত কিছু ঘটবে সে সব কিছু মহান আল্লাহ কর্তৃক লিখে রাখা। মহান আল্লাহ বলেনঃ
﴿أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ اللَّهَ يَعْلَمُ مَا فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِنَّ ذَلِكَ فِي كِتَابٍ إِنَّ ذَلِكَ عَلَى اللَّهِ يَسِيرٌ ﴾ (الحج: ٧٠)
"আপনি কি জানেন না যে, আসমান ও যমীনে যা কিছু আছে আল্লাহ তা জানেন। এসবই এক কিতাবে আছে; নিশ্চয়ই তা আল্লাহর নিকট সহজ। [সূরা আল- হাজ্জঃ৭০]
আল্লাহ তা'আলা আরো বলেনঃ
﴿وَكُلَّ شَيْءٍ أَحْصَيْنَهُ فِي إِمَامٍ مُّبِينٍ﴾ (يس: ١٢)
"আমরা তো প্রত্যেক জিনিস এক স্পষ্ট কিতাবে সংরক্ষিত করেছি”। [সূরা ইয়াসীনঃ১২]
সুন্নাহ থেকে দলীলঃ
পূর্বে বর্ণিত 'আব্দুল্লাহ ইবনে 'আমর ইবনুল 'আসের হাদীস, যাতে বলা হয়েছে আল্লাহ আসমান ও যমীন সৃষ্টি করার পঞ্চাশ হাজার বছর পূর্বে সৃষ্টি জগতের তাকদীর লিখে রেখেছেন।
তৃতীয় স্তরঃ আল্লাহর ইচ্ছাঃ তিনি যা চান তা হয়, আর যা চান না তা হয়না। মহান আল্লাহ বলেনঃ
﴿إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ﴾ (يس: ٨٢)
"তাঁর ব্যাপার শুধু এতটুকুই যে, তিনি যখন কোন কিছুর ইচ্ছা করেন, তিনি তখন তাকে বলেনঃ 'হও', ফলে তা হয়ে যায়”। [সূরা ইয়াসীনঃ ৮২]
মহান আল্লাহ আরো বলেনঃ
﴿وَمَا تَشَاءُونَ إِلَّا أَن يَشَاءَ اللَّهُ رَبُّ الْعَلَمِينَ ﴾ (التكوير : ٢٩)
"সমগ্র সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত তোমরা কোন ইচ্ছাই করতে পার না”। [সূরা আত-তাকওয়ীরঃ ২৯]
ইমাম বুখারী ও মুসলিম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ
لا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ لِيَعْزِمْ فِي الدُّعَاءِ فَإِنَّ اللَّهَ صَانِعٌ مَا شَاءَ لَا مُكْرِةٌ لَهُ)¹
"তোমাদের কেউ যেন একথা কখনো না বলে যে, হে আল্লাহ! যদি তুমি চাও আমাকে ক্ষমা কর, হে আল্লাহ! যদি তুমি চাও আমাকে দয়া কর, বরং দো'আ করার সময় দৃঢ়ভাবে কর; কেননা আল্লাহ যা ইচ্ছা তা'ই করেন, তাঁকে জোর করার কেউ নেই”।
চতুর্থ স্তরঃ আল্লাহ কর্তৃক যাবতীয় বস্তু সৃষ্টি করা ও অস্তিত্বে আনা এবং এ ব্যাপারে তাঁর পূর্ণ ক্ষমতা থাকা। কেননা তিনিই সে পবিত্র সত্তা যিনি সমস্ত কর্মী ও তার কর্ম, প্রত্যেক নড়াচড়াকারী ও তার নড়াচড়া, এবং যাবতীয় স্থিরিকৃত বস্তু ও তার স্থিরতার সৃষ্টিকারক। মহান আল্লাহ বলেনঃ
اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ وَكِيلٌ (الزمر: ٦٢)
"আল্লাহ সবকিছুর স্রষ্টা এবং তিনি সবকিছুর কর্মবিধায়ক”। [সূরা আয-যুমারঃ৬২]
আল্লাহ তা'আলা আরো বলেনঃ
وَاللَّهُ خَلَقَكُمْ وَمَا تَعْمَلُونَ (الصافات:٩٦)
"আর আল্লাহ তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তোমরা যা কর তাও”। [সূরা আস-সাফফাতঃ ৯৬]
ইমাম বুখারী তার সহীহ গ্রন্থে 'ইমরান ইবনে হুসাইনের হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেনঃ
(.. كَانَ اللَّهُ وَلَمْ يَكُنْ شَيْءٌ غَيْرَهُ وَكَانَ عَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ وَكَتَبَ فِي الذِّكْرِ كُلَّ شَيْءٍ وَخَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضَ)¹
“একমাত্র আল্লাহ ছিলেন, তিনি ব্যতীত আর কোন বস্তু ছিলনা, আর তাঁর আরশ ছিল পানির উপর এবং তিনি সবকিছু লাওহে মাহফুজে লিখে রেখেছেন, আর আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন”।
তাই তাকদীরের উপর ঈমান বিশুদ্ধ হওয়ার জন্য এ চারটি স্তরের উপর ঈমান আনা ওয়াজিব। যে কেউ তার সামান্যও অস্বীকার করে তাকদীরের উপর তার ঈমান পূর্ণ হবে না। আল্লাহ তা'আলাই সবচেয়ে বেশী জানেন।
তাকদীরের উপর ঈমানের ফলাফলঃ
তাকদীরের উপর ঈমান যথার্থ হলে মু'মিনের জীবনের উপর তার যে বিরাট প্রভাব ও হিতকর ফলাফল অর্জিত হয়, তম্মধ্যে অন্যতম হচ্ছেঃ
১. কার্যোদ্ধারের জন্য কোন উপায় বা কৌশল অবলম্বন করলেও কেবলমাত্র আল্লাহর উপরই ভরসা করবে; কেননা তিনিই যাবতীয় কৌশল ও কৌশলকারীর নিয়ন্তা।
২. যখন বান্দা এ কথা সত্যিকারভাবে উপলব্ধি করতে পারবে যে, সবকিছুই আল্লাহর ফয়সালা ও তাকদীর অনুসারেই হয় তখন তার আত্মিক প্রশান্তি ও মানসিক প্রসন্নতা অর্জিত হয়।
৩. উদ্দেশ্য সাধিত হলে নিজের মন থেকে আত্মম্ভরিতা দূর করা সম্ভব হয়। কেননা আল্লাহ তার জন্য উক্ত কল্যাণ ও সফলতার উপকরণ নির্ধারণ করে দেয়ার কারণেই তার পক্ষে এ নেয়ামত অর্জন করা সম্ভব হয়েছে, তাই সে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ হবে এবং আত্মম্ভরিতা পরিত্যাগ করবে।
৪. উদ্দেশ্য সাধিত না হলে বা অপছন্দনীয় কিছু ঘটে গেলে মন থেকে অশান্তি ও পেরেশানীভাব দুর করা (তাকদীরে ঈমানের কারণে) সম্ভব হয়; কেননা এটা আল্লাহর ফয়সালা আর তাঁরই তাকদীরের ভিত্তিতে হয়েছে। সুতরাং সে ধৈর্য ধারণ করবে এবং সওয়াবের আশা করবে।
টিকাঃ
¹ সহীহ বুখারী (হাদীস নং ১৩৮৪), সহীহ মুসলিম (হাদীস নং ২৬৫৫)。
¹ সহীহ বুখারী (হাদীস নং ৬৩৩৯), সহীহ মুসলিম (হাদীস নং ২৬৭৯), শব্দ চয়ন ইমাম মুসলিমের。
² সহীহ বুখারী (হাদীস নং ৩১৯১)。