📘 হযরত ওসমান (রাঃ) > 📄 প্রতিক্রিয়া

📄 প্রতিক্রিয়া


হজরত ওসমান হয়ত মনে করেন নাই, তিনি তাঁর পূর্ববর্তী খলিফাদের আদর্শের ব্যতিক্রম করছেন। দানই ছিল তাঁর স্বভাব। মুসলমানদের উপকারে দান-খয়রাত তিনি অন্যায় মনে করিতেন না। জনসাধারণও ইহাতে প্রথম দিকে অন্যায় কিছু দেখিতে পায় নাই; বিশেষ করিয়া প্রাথমিক মুসলমান, ইহাদের ভিতরই তাঁর বিশেষ দান সীমাবদ্ধ রাখিতেন তাহা হইলে প্রজাগণ অসন্তুষ্ট হইত না; তাঁর রাজত্বের ইতিহাসও হয়ত ভিন্ন রূপ ধারণ করিত।
প্রবীণ ও সম্মানিত সাহাবিদের ভিতর যাঁরা হজরত ওসমানের কার্যের প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেন তাঁহাদের ভিতর আবু জর গিফারীর কথা পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। খলিফা তাঁকে নির্বাসিত করেছিলেন। তাঁর বিশ্বস্ত বন্ধু আম্মার ইবনে ইয়াসার এবং অপর প্রখ্যাত সাহাবি আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদও প্রকাশ্যে খলিফার নির্বিচার দান-খয়রাতের প্রতিবাদ করার জন্য খলিফার বিরাগভাজন হয়েছিলেন। খলিফা যখন আবু জরকে নির্বাসন দণ্ড দেন, সেই সময় তাঁর অন্তরঙ্গ সুহৃদ আম্মার ইবনে ইয়াসারকেও তাঁর সঙ্গে রেবজাহ যাইতে নির্দেশ দিয়াছিলেন। কিন্তু ইহাতে আম্মারের মিত্র-গোষ্ঠী বনি মখজু গোত্র অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হয়। হজরত আলিও তীব্র প্রতিবাদ করেন। ফলে আম্মার সম্বন্ধে হজরত ওসমান তাঁর আদেশ প্রত্যাহার করিতে বাধ্য হন।
হজরত উমরের সময় তিনি জিহাদে যোগদান করেন এবং হেম্স শহরে থাকিয়া উত্তর-অঞ্চলের যুদ্ধের সহযোগিতা করেন। হজরত উমর তাহাকে কুফার কোষাধ্যক্ষ নিযুক্ত করেন। হজরত উমরের মৃত্যু হইলে তিনি হজরত ওসমানের হস্তে বায়াৎ হয়েছিলেন।
কিন্তু কতিপয় ঘটনার পর আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ হজরত ওসমানের বিরোধী হন। গভর্নর সাদ ইবনে আবি ওক্কাসের সহিত তাঁর কলহের কথা পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে। ইহার পর ওলিদ যখন কুফার গভর্নর সেই সময় ওলিদও খলিফার অনুমতিক্রমে বায়তুল মাল হইতে ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণ পরিশোধের নির্দিষ্ট সময় অতীত হইলে আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ' গভর্নরকে ত্যগিত দিতে থাকেন। ওলিদ ক্রমেই সময় লইতে থাকেন। কিন্তু ঋণ শোধ আর করেন না। ইবনে মাসউদও ছাড়িবার পাত্র নহেন। তিনি পুনঃপুনঃ গভর্নরকে উত্যক্ত করিতে লাগিলেন। ওলিদ তাঁর এই কড়াকড়িতে ক্রুব্ধ হয়ে খলিফার নিকট তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করিয়া পত্র প্রেরণ করিলেন। খলিফা তখন ইবনে মাসউদকে লিখিলেন, 'তুমি আমার খাজাঞ্চী মাত্র; বায়তুল মাল হইতে ওলিদ যে ঋণ গ্রহণ করিয়াছেন, তার জন্য তুমি কোনও পীড়াপীড়ি করিও না।' ইহাতে ইবনে মাসউদ অসন্তুষ্ট হইলেন এবং বায়তুল মালের চাবি বুঝাইয়া দিয়া গৃহে চলিয়া গেলেন। ইহার পর তিনি জনগণের হিদায়েতের জন্য বক্তৃতা করিয়া বেড়াইতে লাগিলেন। বক্তৃতার সময় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয় উত্থাপিত হইলে তিনি নির্ভীকভাবে খলিফার কাজের উপর মন্তব্য করিতেন। হজরত ওসমান যে কুরআনের পরিত্যক্ত কপিগুলো পোড়াইয়া দেন, সেজন্যও ইবনে মাসউদ বিরূপ সমালোচনা করিতেন। ইহার পর উভয়ের ভিতর বিরোধ কিভাবে পাকিয়া উঠে সে সম্বন্ধে জনৈক রাবী এইরূপ বর্ণনা করিয়াছেন:
'আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ প্রতি জুমা' রাত্রে ওয়াজ করিতেন এবং প্রসঙ্গক্রমে বলিতেন-'সর্বাপেক্ষা সত্যবাণী কুরআনের, সর্বাপেক্ষা উত্তম চরিত্র হজরত মোহাম্মদের (সা.), সবচেয়ে নিকৃষ্ট কাজ বিদা'ৎ এবং প্রত্যেক নতুন কাজই বিদা'ৎ এবং প্রত্যেকটি বিদা'ৎ গুমরাহী এবং প্রত্যেকটি গুমরাহীই অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হইবে।' ওলিদ এই বিষয় উল্লেখ করত খলিফার নিকট পত্র লিখিলেন এবং উল্লেখ করিলেন যে, ইহা খলিফার প্রতি অবমাননা স্বরূপ। খলিফা ওসমান তাঁকে মদিনায় পাঠাইয়া দিতে বলিলেন। ইবনে মাসউদকে সেই অনুসারে মদিনায় প্রেরণ করা হইল। তাঁর কুফা পরিত্যাগ করার সময় সেখানকার অধিবাসিগণ তাঁর সম্পর্কে সীমাহীন আগ্রহ ও উত্তেজনা দেখাইয়াছিল।
'ইবনে মাসউদ মদিনায় পৌছিয়া যখন মসজিদে নববীতে প্রবেশ করিলেন, খলিফা তখন মিম্বরে দাঁড়াইয়া খুৎবা দিতেছিলেন। ইবনে মাসউদকে আসিতে দেখিয়া তিনি বলিয়া উঠিলেন- 'ঐ দেখ' নষ্টের কীট আসিতেছে। সে যে পাতে খায়, সেইখানেই বমি করে এবং মলত্যাগও করে। ইবনে মাসউদ ইহা শুনিয়া বলিলেন- 'আমি নিশ্চয়ই সেরূপ নই, আমি বাইয়াতে বিদওয়ানে এবং বদরের যুদ্ধে রাসুলুল্লাহর সঙ্গী ছিলাম।' হজরত আয়েশা উচ্চস্বরে বলিলেন- 'হে ওসমান। আপনি রসুলুল্লাহর সাহাবিকে এরূপ বলিতেছেন?' ইবনে মাসউদকে জোরপূর্বক মসজিদ হইতে বহিষ্কৃত করা হইল। তাঁকে সজোরে মাটিতে ফেলিয়া দেওয়া হয়। সেই আঘাতে তাঁর পশ্চাদভাগের হাড় ভাঙিয়া যায়। ইহা দেখিয়া হজরত আলি উঠিয়া দাঁড়াইলেন এবং খলিফার প্রতিবাদ করিয়া বলিলেন: 'আপনি ওলিদের কথায় এইসব করছেন?' খলিফা বলিলেন- 'না আমি ওলিদের কথায় এইসব করিতেছি না, আমি জুবাইদ ইবনে কসিরকে পত্র প্রেরণ করেছিলাম, তিনি শুনিয়াছেন, ইবনে মাসউদ আমার খুন বৈধ সাব্যস্ত করিয়াছে।' হজরত আলি বলিলেন- 'জুবাইদ নির্ভরযোগ্য লোক নয়।' অতঃপর হজরত আলি ইবনে মাসউদকে গৃহে পৌছাইয়া দিবার হুকুম দিলেন।'
উপরোক্ত কাহিনি কতদূর সত্য বলা যায় না, কারণ হজরত ওসমানের চিরাচরিত স্বভাবের সহিত তার সঙ্গতি নাই। বিশেষত রাবীগণের ভিতরও এ বিষয়ে সমর্থন বিরল। যাহা হউক, ইবনে মাসউদ যে কুফা হইতে খলিফার বিরোধী হয়ে বহির্গত হয়েছিলেন এবং মদিনায়ও দুই তিন বৎসর তাঁর বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাইয়াছিলেন, তাতে সন্দেহ নাই। ইহার পর তাঁর অন্তিম সময় আসিয়া উপস্থিত হইল। সেই সময় খলিফা যে তাঁর রোগ-শয্যা পাশে গিয়াছিলেন সে সম্বন্ধে রাবীগণের মতৈক্য দেখা যায়। এমনও বলা হয়েছে, ইবনে মাসউদ যখন শেষ-নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, খলিফাকে সে সংবাদ কেহ জানায় নাই। পরন্তু আম্মার ইবনে ইয়াসর তাঁর জানাজা সম্পাদন করেন এবং খলিফার অগোচরে তাঁর দাফন-কার্য সমাধা করা হয়। খলিফা পরে ইহা জানিতে পারিয়া খুবই দুঃখিত হয়েছিলেন।
যাহা হউক, হজরত আবু জর, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আম্মার ইবনে মাসউদ, আম্মার ইবনে ইয়াসার প্রমুখ মর্যাদাশালী সাহাবি ও মুহাজির ছিলেন খলিফার বিরোধীদলের (বিদ্রোহী দলের নয়) মুখপাত্র। আবদুর রহমান বিন আউফ, যিনি নির্বাচনী মজলিশে নেতৃত্ব করেছিলেন এবং হজরত ওসমানের অনুকূলে রায় প্রকাশ করেছিলেন, তিনিও শেষ পর্যন্ত হজরত ওসমানের উপর সন্তুষ্ট ছিলেন না। কোরাইশদের উৎপাতে মদিনার আনসারগণ রাজনীতিতে বিশেষ অংশগ্রহণ করিতেন না। তাদের ভিতর অল্প কিছু লোক খলিফার সর্বপ্রকার কার্যে তাঁর পক্ষ সমর্থন করিয়া নিজদের মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত রাখিতেন। তাদের ভিতর জায়েদ বিন সাবেত, হাসসান বিন সাবেত, আবদুল্লাহ বিন মালিক প্রমুখ উল্লেখযোগ্য। তারা খলিফার দরবারে থাকতেন। অন্যান্য নেতৃস্থানীয় আনসারগণ পুরোভাগে আসিতেন না, রাজনৈতিক দলাদলির ভিতরও থাকতেন না বরং দল নিরপেক্ষ হিসেবে অনেক সময় তাঁরা খলিফা ও বিরোধী দলের ভিতর মধ্যস্থতা করিতে আহূত হইতেন। তাদের ভিতর মুহম্মদ বিন মুসলিমার নাম নানা কারণে ইতিহাসে স্থান করিয়াছে।
মোটের উপর, হজরত ওসমানের অর্থনীতি যে তাঁর জনপ্রিয়তার সাংঘাতিকভাবে ক্ষতি সাধন করেছিল, সে বিষয়ে সমসাময়িক ঐতিহাসিকগণ প্রায় সকলেই একমত। অথচ তাঁর নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অন্যরূপ। তিনি বলিতেন, হজরত আবু বকর ও হজরত উমর যে বায়তুল মালের অর্থ নিজেরা গ্রহণ করিতেন না এবং অন্যদের বেলায়ও তার বিতরণে খুব কড়াকড়ি করিতেন, সে সময় সত্যই ইহার প্রয়োজন ছিল; কিন্তু পরিস্থিতির এখন উন্নতি হয়েছে, এক্ষণে সেরূপ কৃচ্ছতা অনাবশ্যক। তাই তিনি তাঁর স্বাভাবিক দানপ্রবণতা অক্ষুণ্ণ রাখিয়াছিলেন। শুধু অক্ষুণ্ণ রাখা হয়, উত্তরোত্তর তার ক্ষেত্র বৃদ্ধি পাইতেছিল। খলিফা হয়েই তিনি রাজধানীর লোকদের ওযিফা বৃদ্ধি করেন; তাতে পাত্র-অপাত্রের বিচার ছিল না। পরে রাষ্ট্রের অন্যান্য শহরেও তাঁর এই অনুকম্পা প্রসারিত হয়েছিল। প্রতিপত্তিশালী লোকদের, এমন কি, গভর্নরদেরও তিনি সরকারি তহবিল হইতে মোটা অর্থ ঋণ দান করিয়াছেন এবং বহুক্ষেত্রে তাঁহাদের পূর্বঋণ মওকুফ করিয়াছেন। এসব কারণে তাঁহাদের রাজত্বের প্রথম ছয় বৎসর যশ ও জনপ্রিয়তার ভিতর দিয়া অতিবাহিত হয়েছিল। সর্বত্র তাঁর জয়জয়কার চলিয়াছিল।
কিন্তু মুশকিল হয়েছিল এই, দানের সময় তাঁর নিকট পাত্র-অপাত্রের বিচার থাকিত না। যিনিই কোনো প্রয়োজনের উল্লেখ করিয়া অর্থ চাহিতেন, তাঁকেই খলিফা মুক্তহস্তে খয়রাত বা ঋণ দান করিতেন। প্রয়োজনের ত কোনও সংজ্ঞা নাই, ফলে ধনী ব্যক্তিরা ক্রমেই আরও ধনী হয়েছেন এবং বড় জমিদারির মালিক হয়েছেন; আর দরিদ্র প্রজারা তাঁহাদের শোষণ ও অত্যাচারে অধিকতর দরিদ্র হয়েছে এবং অনেকেই নিজেদের পৈতৃক ঘরবাড়ি ও জমিজমা হইতে উৎখাত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ইহারা সমাজে মজুর শ্রেণিতে হয়েছে। ইসলামের ধনসাম্য-নীতি ব্যাহত হওয়ায় পুঁজিপতি ও সর্বহারাদের ভিতরকার দূরত্ব নৈরাশ্যজনকভাবে বাড়িয়া চলিয়াছে। ধনীকেরা বিলাসিতার জীবনযাপন করিত এবং বসিয়া খাইত। তাতে জাতীয় আয় হ্রাস পাইত। উপরন্তু তারা অধিকাংশই মিতব্যয়িতার সীমালঙ্ঘন করিত ও শরীয়তের বিধান উপেক্ষা করিত। আর বিপুল সংখ্যক লোক তাদের চাকর, খানসামাও দাস-দাসীরূপে জীবনযাপন করিতে প্রলুব্ধ হওয়ায় জাতির জীবন হইতে তেজবীর্য ক্রমেই অন্তর্হিত হইতেছিল। যে জাতির এক বিপুল অংশ মজুর ও গোলাম সে জাতি পৃথিবীতে শাসক শ্রেণির মর্যাদা লাভ করিতে কোনো দিন সমর্থ হয় না, ইহা ঐতিহাসিক সত্য। পক্ষান্তরে সমাজে উচ্ছৃঙ্খল ধনীকের সংখ্যা বৃদ্ধি যে ন্যায়নীতি ও আধ্যাত্মিকতার অন্তরায় ইহাও অনস্বীকার্য। তাই রাজত্বের শেষভাগে হজরত ওসমান গোটা মুসলিম রাষ্ট্রের প্রজাদের সহানুভূতি হইতে নির্মমভাবে বঞ্চিত হয়েছিলেন।

টিকাঃ
৭. আম্মার ইবনে ইয়াসার ছিলেন প্রাথমিক মুসলিম দলের একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি। তাঁর পিতা ইয়েমেন দেশীয় বনি মখজুমদের সহিত মিত্রতা সূত্রে আবদ্ধ ছিলেন। মাতা এক সময় বনি মখজুমের এক ব্যক্তির দাসী ছিলেন। নবীর শিষ্য সংখ্যা যখন ত্রিশের ঊর্ধ্বে যায় নাই, সেই সময় আম্মার ও সুহাইল একত্রে নবীর নিকট আসিয়া দীক্ষা গ্রহণ করেন। আম্মারের পিতামাতাও পরে মুসলমান হয়েছিলেন; আম্মার অভিজাত বংশীয় ছিলেন না, পরন্তু মক্কার দুর্বল লোকদের অন্তর্গত ছিলেন। তারা ইসলাম গ্রহণ করিলে মক্কার কোরাইশগণ তাদের প্রতি অমানুসিক অত্যাচার করে। ইনি সেই আম্মার, যাহাকে তারা রৌদ্রের সময় মরুভূমির উত্তপ্ত বালুকার উপর শোয়াইয়া রাখিত, জ্বলন্ত অঙ্গার শরীরে চাপিয়া ধরিত, বুকে পাথর চাপা দিত এবং আরও নানা প্রকারের শাস্তি দিত। মুক্তির জন্য তারা তাহাকে দেবদেবীর প্রশংসা করিতে এবং হজরত রাসুলের শিষ্যত্ব ত্যাগ করিতে বলিত। কিন্তু আম্মার নিজ বিশ্বাসে অটল ছিলেন। নির্যাতন অসহ্য হওযায় তিনি আবিসিনিয়ায় হিজরত করেন। পরে আবিসিনিয়া হইতে মদিনায় চলিয়া যান এবং নবীর আশ্রয়ে বাকি জীবন অতিবাহিত করেন। নবীর সকল কাজে তিনি অংশ গ্রহণ করিতেন। বদর, ওহোদ ও ইয়ামামার যুদ্ধে তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেন। হজরত উমর তাঁকে খুবই শ্রদ্ধা করিতেন।
৮. ডক্টর তোয়াহা হোসাইন (মিসরি) প্রণীত 'হজরত ওসমানের' গ্রন্থের মৌলানা নূরউদ্দীন আহমদ কৃত অনুবাদের ১৭৮-৮৮ পৃষ্ঠা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00