📘 উমর ইবনুল খাত্তাব রা: জীবন ও কর্ম > 📄 উমর রা. কর্তৃক সমর্থিত কিছু ফিকহি মতামত

📄 উমর রা. কর্তৃক সমর্থিত কিছু ফিকহি মতামত


কিসাস, হাদ্দ, অপরাধ এবং তা'যীর দণ্ড বিষয়ক বিচারব্যবস্থায় তার ইজতিহাদের প্রভাব অপরিসীম। তাছাড়া ফিকহ গঠনে তার অবদান থেকে তার জ্ঞানের গভীরতা এবং শরীয়ত বোঝার ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তিনি ফিকহের যে বিষয়গুলো সমর্থন করেছেন এগুলোর উদাহরণ দেওয়া হলো:
১। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে কোনো পশু জীবিত অবস্থায় পাক থাকলে এর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা জায়েয।
২। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, শেয়ালের চামড়ায় নামায আদায় করা হারাম।
৩। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, সূর্য হেলে যাওয়ার পরে রোযাদার ব্যক্তির জন্য মিসওয়াক করা মাকরূহ নয়; বরং মুস্তাহাব।
৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, মোজার উপর (খুফায়ন) উপরে মাসেহ করা যে ব্যক্তি সফর করছে না তার জন্য এক দিন এবং রাত পর্যন্ত জায়েয, আর সফরকারীর জন্য তিন দিন এবং রাত পর্যন্ত জায়েয হবে।
৫। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, কারও অযু ভেঙে গেলে খুফায়নের ওপর দিয়ে মাসেহ করতে হবে।
৬। সূর্য ঢলার পরে জুমআর ওয়াক্ত শুরু হবে।
৭। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে অযু নষ্ট হয়ে যায়।
৮। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, আরাফার দিনে ফজরের পরে ঈদের তাকবীর শুরু হয় এবং আত-তাশরীকের শেষ দিনের আসর পর্যন্ত ওয়াক্ত থাকে।
৯। আবু বকর এবং উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমের মতে, জানাযার সামনে দিয়ে হাঁটা উত্তম।
১০। তার মতে, শিশু এবং অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির পক্ষ থেকে যাকাত আদায় করা ফরয।
১১। একসাথে কাজ করার সময় উভয় পক্ষ চাইলে তারা তাদের লেনদেন বিষয়ক চুক্তি বাতিল করতে পারবে বলে তিনি মত দেন।
১২। পশুপাখির জন্য অগ্রিম নেওয়া বৈধ নয় বলে তিনি মত দেন।
১৩। তার মতে, সময় মতো ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে বন্ধক রাখা জিনিসপত্র ঋণের বদলে বিক্রি হয়ে গেছে এমন চুক্তি করা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
১৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, পাওনাদারের মালামাল দেনাদারের কাছে পাওয়া গেলে সে (পাওনাদার) এর সর্বোচ্চ হকদার।
১৫। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, কোনো মেয়ে বালেগা হওয়ার পরে তাকে বিয়ে দেওয়া কিংবা তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে অথবা স্বামীর বাড়িতে এক বছর কাটানোর আগে তাকে অর্থ দেওয়া যাবে না।
১৬। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, পশুর চোখের ক্ষতিপূরণ হলো এর মূল্যের এক-চতুর্থাংশ।
১৭। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, সাধারণ সম্পত্তি যা এখনো বণ্টন করা হয়নি, তাতে শরীকদের জন্য অগ্রক্রয়াধিকার (শুফআ) বৈধ। তবে প্রতিবেশীদের এই অধিকার নেই।
১৮। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, সব ধরনের গাছ নিয়ে মুসাকা ১৪৯২ চুক্তি করা জায়েয।
১৯। আবু বকর এবং উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমের মতে, পোশাকের বিনিময়ে শ্রমিক নিয়োগ করা জায়েয।
২০। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, উপহার (হেবা-দান) গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত তা প্রত্যাহার করা নিষিদ্ধ নয়।
২১। তার মতে আত্মীয়-স্বজনের বাইরে কাউকে উপহার দেওয়া হলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যাবে, তবে তা পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হলে ফেরত নেওয়া যাবে না। আত্মীয়-স্বজনকে উপহার দেওয়া হলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না।
২২। তার মতে, হারানো মালামাল ঘোষণার সময়সীমা এক বছর।
২৩। তার মতে, হারানো মালামাল যদি নগণ্য হয় তবে এগুলো ঘোষণা ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে।
২৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, হারানো সম্পদের ঘোষণা দেবার পরে সময় পার হয়ে গেলে, তা তার সম্পদে পরিণত হবে, সে ধনী হোক বা দরিদ্র।
২৫। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, পুণ্যস্থানের বাইরে বা ভিতরে যেখান থেকেই হারানো মালামাল পাওয়া যাক না কেন একই বিধান পালিত হবে।
২৬। তার মতে, কেউ কোনো শিশু কুড়িয়ে পেলে সে যদি বিশ্বস্ত হয় তবে তার সাথেই শিশুটিকে রাখতে হবে।
২৭। তার মতে, কেউ চাইলে তার অসিয়ত পরিবর্তন করতে পারবে। তিনি বলেছেন, 'যে কেউ ইচ্ছেমাফিক তার অসিয়ত পরিবর্তন করতে পারবে।'
২৮। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, যে মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পিতা-মাতা নেই সে খালালা।
২৯। তার মতে, কন্যা বা বোন থাকলে পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে তাদের হক আছে।
৩০। কারও একজন স্বামী, একজন মা, মায়ের পেটের ভাইবোন, এবং বাবা-মায়ের দিক থেকে ভাইবোন থাকলে উলামায়ে কেরাম আগে এবং পরে তার উত্তরাধিকার বণ্টন নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন। বর্ণিত আছে, উমর, উসমান এবং যায়দ ইবনে সাবিত রাযিয়াল্লাহু আনহুমের মতে বাবা-মা উভয়ের এবং মায়ের সন্তানেরা এক-তৃতীয়াংশ পাবে, এখানে প্রত্যেক পুরুষ দুজন নারীর সমান অংশ পাবে।
৩১। সম্পত্তির পরিমাণ যা-ই হোক, তার মতে দাদীদের এক-ষষ্ঠাংশ পাওয়া উচিত। আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহুও এর পক্ষে মত দিয়েছিলেন।
৩২। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, একজন মা, একজন বোন এবং একজন দাদা থাকলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে বোন অর্ধাংশ, অবশিষ্ট অংশ থেকে মা এক-তৃতীয়াংশ এবং এর অবশিষ্ট অংশ দাদা পাবে।
৩৩। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, একজন স্বামী এবং বাবা-মা থাকলে স্বামী অর্ধাংশ পাবে, অবশিষ্ট অংশ থেকে মা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং এর অবশিষ্ট অংশ বাবা পাবে। এই ফাতওয়া দুটো আল-উমারিয়া নামে পরিচিত, কারণ, উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু এগুলোর প্রবর্তক।
৩৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, আত্মীয়-স্বজনকে উত্তরাধিকার সম্পদ থেকে কিছু অংশ দেওয়া উচিত, যদিও তারা এর নির্দিষ্ট কোনো অংশ পাওয়ার অধিকার রাখে না।
ফিকহশাস্ত্রে এগুলো উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কয়েকটি মত। আমি কেবল এগুলো সংক্ষিপ্তাকারে এখানে উপস্থাপন করেছি। এসব বিষয়ে আরও অনেক গবেষণা এবং বিশ্লেষণের সুযোগ রয়েছে।

টিকাঃ
১৪৯২ আল-কাদা ফী আহদ ইমর ইবনুল খাত্তাব, ২/৭৫৬।

কিসাস, হাদ্দ, অপরাধ এবং তা'যীর দণ্ড বিষয়ক বিচারব্যবস্থায় তার ইজতিহাদের প্রভাব অপরিসীম। তাছাড়া ফিকহ গঠনে তার অবদান থেকে তার জ্ঞানের গভীরতা এবং শরীয়ত বোঝার ক্ষমতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। তিনি ফিকহের যে বিষয়গুলো সমর্থন করেছেন এগুলোর উদাহরণ দেওয়া হলো:
১। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে কোনো পশু জীবিত অবস্থায় পাক থাকলে এর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা জায়েয।
২। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, শেয়ালের চামড়ায় নামায আদায় করা হারাম।
৩। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, সূর্য হেলে যাওয়ার পরে রোযাদার ব্যক্তির জন্য মিসওয়াক করা মাকরূহ নয়; বরং মুস্তাহাব।
৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, মোজার উপর (খুফায়ন) উপরে মাসেহ করা যে ব্যক্তি সফর করছে না তার জন্য এক দিন এবং রাত পর্যন্ত জায়েয, আর সফরকারীর জন্য তিন দিন এবং রাত পর্যন্ত জায়েয হবে।
৫। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, কারও অযু ভেঙে গেলে খুফায়নের ওপর দিয়ে মাসেহ করতে হবে।
৬। সূর্য ঢলার পরে জুমআর ওয়াক্ত শুরু হবে।
৭। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে অযু নষ্ট হয়ে যায়।
৮। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, আরাফার দিনে ফজরের পরে ঈদের তাকবীর শুরু হয় এবং আত-তাশরীকের শেষ দিনের আসর পর্যন্ত ওয়াক্ত থাকে।
৯। আবু বকর এবং উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমের মতে, জানাযার সামনে দিয়ে হাঁটা উত্তম।
১০। তার মতে, শিশু এবং অপ্রকৃতস্থ ব্যক্তির পক্ষ থেকে যাকাত আদায় করা ফরয।
১১। একসাথে কাজ করার সময় উভয় পক্ষ চাইলে তারা তাদের লেনদেন বিষয়ক চুক্তি বাতিল করতে পারবে বলে তিনি মত দেন।
১২। পশুপাখির জন্য অগ্রিম নেওয়া বৈধ নয় বলে তিনি মত দেন।
১৩। তার মতে, সময় মতো ঋণ পরিশোধ করতে না পারলে বন্ধক রাখা জিনিসপত্র ঋণের বদলে বিক্রি হয়ে গেছে এমন চুক্তি করা হলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।
১৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, পাওনাদারের মালামাল দেনাদারের কাছে পাওয়া গেলে সে (পাওনাদার) এর সর্বোচ্চ হকদার।
১৫। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, কোনো মেয়ে বালেগা হওয়ার পরে তাকে বিয়ে দেওয়া কিংবা তার সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে অথবা স্বামীর বাড়িতে এক বছর কাটানোর আগে তাকে অর্থ দেওয়া যাবে না।
১৬। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, পশুর চোখের ক্ষতিপূরণ হলো এর মূল্যের এক-চতুর্থাংশ।
১৭। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, সাধারণ সম্পত্তি যা এখনো বণ্টন করা হয়নি, তাতে শরীকদের জন্য অগ্রক্রয়াধিকার (শুফআ) বৈধ। তবে প্রতিবেশীদের এই অধিকার নেই।
১৮। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, সব ধরনের গাছ নিয়ে মুসাকা ১৪৯২ চুক্তি করা জায়েয।
১৯। আবু বকর এবং উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুমের মতে, পোশাকের বিনিময়ে শ্রমিক নিয়োগ করা জায়েয।
২০। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, উপহার (হেবা-দান) গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত তা প্রত্যাহার করা নিষিদ্ধ নয়।
২১। তার মতে আত্মীয়-স্বজনের বাইরে কাউকে উপহার দেওয়া হলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যাবে, তবে তা পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হলে ফেরত নেওয়া যাবে না। আত্মীয়-স্বজনকে উপহার দেওয়া হলে তা ফিরিয়ে নেওয়া যাবে না।
২২। তার মতে, হারানো মালামাল ঘোষণার সময়সীমা এক বছর।
২৩। তার মতে, হারানো মালামাল যদি নগণ্য হয় তবে এগুলো ঘোষণা ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে।
২৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, হারানো সম্পদের ঘোষণা দেবার পরে সময় পার হয়ে গেলে, তা তার সম্পদে পরিণত হবে, সে ধনী হোক বা দরিদ্র।
২৫। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, পুণ্যস্থানের বাইরে বা ভিতরে যেখান থেকেই হারানো মালামাল পাওয়া যাক না কেন একই বিধান পালিত হবে।
২৬। তার মতে, কেউ কোনো শিশু কুড়িয়ে পেলে সে যদি বিশ্বস্ত হয় তবে তার সাথেই শিশুটিকে রাখতে হবে।
২৭। তার মতে, কেউ চাইলে তার অসিয়ত পরিবর্তন করতে পারবে। তিনি বলেছেন, 'যে কেউ ইচ্ছেমাফিক তার অসিয়ত পরিবর্তন করতে পারবে।'
২৮। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, যে মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান বা পিতা-মাতা নেই সে খালালা।
২৯। তার মতে, কন্যা বা বোন থাকলে পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে তাদের হক আছে।
৩০। কারও একজন স্বামী, একজন মা, মায়ের পেটের ভাইবোন, এবং বাবা-মায়ের দিক থেকে ভাইবোন থাকলে উলামায়ে কেরাম আগে এবং পরে তার উত্তরাধিকার বণ্টন নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন। বর্ণিত আছে, উমর, উসমান এবং যায়দ ইবনে সাবিত রাযিয়াল্লাহু আনহুমের মতে বাবা-মা উভয়ের এবং মায়ের সন্তানেরা এক-তৃতীয়াংশ পাবে, এখানে প্রত্যেক পুরুষ দুজন নারীর সমান অংশ পাবে।
৩১। সম্পত্তির পরিমাণ যা-ই হোক, তার মতে দাদীদের এক-ষষ্ঠাংশ পাওয়া উচিত। আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহুও এর পক্ষে মত দিয়েছিলেন।
৩২। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, একজন মা, একজন বোন এবং একজন দাদা থাকলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে বোন অর্ধাংশ, অবশিষ্ট অংশ থেকে মা এক-তৃতীয়াংশ এবং এর অবশিষ্ট অংশ দাদা পাবে।
৩৩। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, একজন স্বামী এবং বাবা-মা থাকলে স্বামী অর্ধাংশ পাবে, অবশিষ্ট অংশ থেকে মা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং এর অবশিষ্ট অংশ বাবা পাবে। এই ফাতওয়া দুটো আল-উমারিয়া নামে পরিচিত, কারণ, উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু এগুলোর প্রবর্তক।
৩৪। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর মতে, আত্মীয়-স্বজনকে উত্তরাধিকার সম্পদ থেকে কিছু অংশ দেওয়া উচিত, যদিও তারা এর নির্দিষ্ট কোনো অংশ পাওয়ার অধিকার রাখে না।
ফিকহশাস্ত্রে এগুলো উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কয়েকটি মত। আমি কেবল এগুলো সংক্ষিপ্তাকারে এখানে উপস্থাপন করেছি। এসব বিষয়ে আরও অনেক গবেষণা এবং বিশ্লেষণের সুযোগ রয়েছে।

টিকাঃ
১৪৯২ আল-কাদা ফী আহদ ইমর ইবনুল খাত্তাব, ২/৭৫৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00