📘 উমর ইবনুল খাত্তাব রা: জীবন ও কর্ম > 📄 গোলামের সঙ্গে যিনা করায় এক নারীর বিরুদ্ধে

📄 গোলামের সঙ্গে যিনা করায় এক নারীর বিরুদ্ধে


এক নারী তার গোলামের সঙ্গে যেনা করে ফেলে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে ওই নারী জবাবে বলে : আল্লাহ তা'আলা কি বলেননি- ওইসকল লোক (দাস-দাসী) যারা তোমার অধীনস্থ-এবং সে আমার অধীনস্থ।' উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে এ কথা তোলার পরে তিনি ওই নারীকে বললেন, 'এই গোলাম-যদিও সে তোমার অধীনস্থ-তোমার জন্য হালাল নয়। ১১৪৪৫ ভিন্ন বর্ণনামতে, তিনি তাদের আলাদা করে দেন এবং ওই নারীকে একশ বেত্রাঘাত করে তাযীর কার্যকর করেন। এই নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে সে জানত না বলে তার হাদ্দ মওকুফ করা হয়েছিল। ১৪৪৬

📘 উমর ইবনুল খাত্তাব রা: জীবন ও কর্ম > 📄 এক নারী তার খাদেমার সাথে স্বামীর সহবাসের

📄 এক নারী তার খাদেমার সাথে স্বামীর সহবাসের


তবে ওই নারী স্বীকার করেছিল যে, সে নিজে তার খাদেমাকে স্বামীর কাছে দিয়েছিল। মিথ্যা অপবাদের অভিযোগে সেই নারীকে আশি বার বেত্রাঘাত করে হাদ্দ কার্যকরের ফাতওয়া দেন। ১৪৪৭

📘 উমর ইবনুল খাত্তাব রা: জীবন ও কর্ম > 📄 পরোক্ষভাবে অপবাদ দেবার জন্য হদ্দ কার্যকর

📄 পরোক্ষভাবে অপবাদ দেবার জন্য হদ্দ কার্যকর


উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতকালে, এক ব্যক্তি ইশারায় আরেকজনকে অপবাদ দিযেছিল। সে বলছিল, 'আমার বাবা ব্যভিচারী নন, আমার মা-ও ব্যভিচারিনী নন' (অর্থাৎ, অন্য লোকের বাবা-মা অমন)। অন্যেরা বলতে লাগল, 'সে তার বাবা-মার প্রশংসা অন্যভাবেও করতে পারত। আমাদের মতে, তাকে হাদ্দ শাস্তি দিতে হবে।' সুতরাং উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে আশি বার বেত্রাঘাতের শাস্তি দেন। ১৪৪৮ কারণ, তার অপবাদ খুব স্পষ্ট ছিল। সে তার বিপক্ষের কোনো একজনের দিকে পরোক্ষভাবে ইশারা করেছিল। তর্ক-বিতর্কের পরে তারা পরস্পরকে অপমান করছিল। এর এক পর্যায়ে সে এমন কথা বলে ফেলে। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বোকা লোকটিকে একটা শিক্ষা দিতে চাচ্ছিলেন এবং নিরীহ লোকের সম্মান রক্ষা করতে চাচ্ছিলেন। তার বুদ্ধিদীপ্ত নীতি কিন্তু কুরআন বা সুন্নাহর সাথে সাংঘর্ষিক ছিল না, আবার শরীয়তের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। ১৪৪৯

📘 উমর ইবনুল খাত্তাব রা: জীবন ও কর্ম > 📄 মানুষের সম্ভ্রম বিনষ্টকারী, ইহুদির রক্তের মত ঘৃণ্য

📄 মানুষের সম্ভ্রম বিনষ্টকারী, ইহুদির রক্তের মত ঘৃণ্য


উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর সময়ে দুজন ধর্মনিষ্ঠ লোক ছিলেন। তাদের সম্পর্ক ছিল আপন ভাইয়ের মতো। তাদের একজন জিহাদে যাওয়ার সময় আরেকজনের হাতে পরিবারের দায়িত্ব দিয়ে যান। এক রাতে তিনি সেই ভাইয়ের পরিবারের খোঁজখবর নিতে গেলেন। তার ঘরে আলো জ্বলছিল। তিনি ভাইয়ের স্ত্রীর পাশে এক ইহুদিকে প্ররোচনামূলক কবিতা আবৃত্তি করতে দেখেন。
তরুণ লোকটি তার বাড়ি থেকে তরবারি নিয়ে এলেন। ভাইয়ের বাড়িতে ঢুকে ইহুদিকে হত্যা করলেন এবং তার ক্ষতবিক্ষত শরীর রাস্তায় ছুঁড়ে ফেললেন। পরেরদিন লাশ দেখে কেউ বুঝতে পারল না, কাজটি কে করেছে। তারা উমর ইবনুল খাত্তাবের কাছে এই ঘটনা জানাল। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু সবার উদ্দেশ্যে ঘোষণা করলেন, 'আস-সালাতু জামিয়াহ (নামায শুরু হতে যাচ্ছে)।' সবাই জড়ো হলো। তিনি মিম্বরে উঠে আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা করে বলতে শুরু করলেন, 'আমি আল্লাহর ওয়াস্তা দিচ্ছি। এই ঘটনা সম্পর্কে কারও কিছু জানা থাকলে আমাকে যেন বলে।' তরুণ লোকটি দাঁড়িয়ে পুরো ঘটনা বলতে লাগল। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন, 'আল্লাহ তা'আলা আপনার হাত দুটোকে সুরক্ষিত রাখুন।' তিনি এ ধরনের হত্যাকে জায়েয বললেন। ১৪৫০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00