📄 যিনা সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তির ফাতওয়া
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত, উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে তার একজন প্রতিনিধি চিঠি মারফত জানালেন যে, কোনো এক ব্যক্তি যিনা করার কথা স্বীকার করেছে। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু জবাবে লিখলেন, ‘তাকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, কাজটি যে হারাম তা জানার পরে অপরাধ করেছে কি-না। তার জবাব যদি হ্যাঁ হয়, তবে হাদ্দ শাস্তি দেবেন। আর জবাব না হলে, তাকে বলে দিন কাজটি হারাম। আরেকবার এই কাজ করে বসলে তাকে শাস্তি দেবেন।’ [cite: ১৪৩৯]
টিকাঃ
১৪৩৯. আল-মুহাল্লা, ১২/১০৭, নং ২১৯৮।
📄 ইহুদ পালনের সময় এক নারী বিয়ে করেছিলেন
এক নারী ইদ্দত পার হওয়ার আগেই বিয়ে করেছিল। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে বিষয়টি পেশ করা হলো। তিনি ওই নারীকে হাদ্দ শাস্তি দেননি, তবে তাদের পৃথক করে দেন [cite: ১৪৪০] এবং লোকটিকে হাদ্দ শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাত করেন। [cite: ১৪৪১]
টিকাঃ
১৪৪০. আল-মুহাল্লা, ১২/১৯২, নং. ২২১৫।
১৪৪১. আসর আল-খিলাফা আর-রাশিদা, পৃ ১৪৯।
📄 স্বামী থাকার কথা গোপন করে এক নারী আবার
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে প্রস্তরাঘাত করেন এবং তার স্বামীকে একশ বেত্রাঘাত করেন। লোকটি জানত না বলে তাকে প্রস্তরাঘাত করা হয়নি। [cite: ১৪৪২]
টিকাঃ
১৪৪২. প্রাগুক্ত।
📄 আল-মুগিরা ইবনে শুবাহ বিরুদ্ধে যিনা
তিনজন তার বিপক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিল এবং চতুর্থজন তা প্রত্যাখ্যান করেছে। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার, কারণ, তিনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীর বিরুদ্ধে শয়তানকে জয়ী করেননি।’ [cite: ১৪৪৩] মিথ্যা অপবাদের দায়ে তিনি লোক তিনটিকে হাদ্দ শাস্তি দেন। কারণ, তিনজনের সাক্ষ্য যথেষ্ট নয়। [cite: ১৪৪৪]
টিকাঃ
১৪৪৩. আল-মুগনি, ২/২৪৫।
১৪৪৪. আসর আল-খিলাফা আর-রাশিদা, পৃ ১৪৯।