📄 এক যিম্মি একজন মুসলিম নারীকে যিনা করতে বাধ্য
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতকালে ওই ঘটনা ঘটেছিল। তিনি চুক্তিভঙ্গের দায়ে লোকটিকে মৃত্যুদণ্ড দেন। [cite: ১৪৩৬]
টিকাঃ
১৪৩৬. আল-মুআত্তা, ২/৮২৭; আল-মুগনি, ১২/২১৭; বুখারী, হাদীস নং. ২৫৪৮।
📄 নারীকে যিনা করতে বাধ্য করা হলে
কয়েকজন ক্রীতদাস মিলে ক্রীতদাসীদের যিনা করতে বাধ্য করেছিল। এই অপরাধের কারণে তাদের উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর সামনে উপস্থিত করা হয়। তিনি লোকগুলোকে বেত্রাঘাত করেছিলেন। নারীদের কোনো শাস্তি দেননি। [cite: ১৪৩৭]
যিনার দায়ে এক নারীকে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর সামনে হাজির করা হলে সে বলল, ‘আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। উঠে দেখি এক লোক আমার ওপরে।’ তিনি শাস্তি না দিয়েই ওই নারীকে ছেড়ে দেন। [cite: ১৪৩৮]
তবে এ ধরনের অভিযোগে কোনো রকম সন্দেহের অবকাশ থাকলে হাদ্দ শাস্তি রদ করা হতো। শারিরীক নির্যাতন এবং হত্যার হুমকির মধ্যে পার্থক্য করা হতো না। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর শাসনামলে এক নারী কোনো এক রাখালের কাছে পানি চাইতে যায়। রাখাল তা দিতে চাচ্ছিল না। পরে ইচ্ছা চরিতার্থ করতে দেওয়ার বিনিময়ে লোকটি পানি দিতে রাজি হয়েছিল। ওই নারী তার কথামতো কাজ করে। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে বিষয়টি উত্থাপন করার পরে তিনি আলী রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে জানতে চাইলেন, ‘তার (ওই নারীর) ব্যাপারে আপনার কী মত?’ তিনি বললেন, ‘তাকে বাধ্য করা হয়েছে।’ উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু তাকে সামান্য কিছু দিয়ে ছেড়ে দেন।
📄 যিনা সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তির ফাতওয়া
সাঈদ ইবনুল মুসায়্যিব থেকে বর্ণিত, উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে তার একজন প্রতিনিধি চিঠি মারফত জানালেন যে, কোনো এক ব্যক্তি যিনা করার কথা স্বীকার করেছে। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু জবাবে লিখলেন, ‘তাকে জিজ্ঞেস করে দেখুন, কাজটি যে হারাম তা জানার পরে অপরাধ করেছে কি-না। তার জবাব যদি হ্যাঁ হয়, তবে হাদ্দ শাস্তি দেবেন। আর জবাব না হলে, তাকে বলে দিন কাজটি হারাম। আরেকবার এই কাজ করে বসলে তাকে শাস্তি দেবেন।’ [cite: ১৪৩৯]
টিকাঃ
১৪৩৯. আল-মুহাল্লা, ১২/১০৭, নং ২১৯৮।
📄 ইহুদ পালনের সময় এক নারী বিয়ে করেছিলেন
এক নারী ইদ্দত পার হওয়ার আগেই বিয়ে করেছিল। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর কাছে বিষয়টি পেশ করা হলো। তিনি ওই নারীকে হাদ্দ শাস্তি দেননি, তবে তাদের পৃথক করে দেন [cite: ১৪৪০] এবং লোকটিকে হাদ্দ শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাত করেন। [cite: ১৪৪১]
টিকাঃ
১৪৪০. আল-মুহাল্লা, ১২/১৯২, নং. ২২১৫।
১৪৪১. আসর আল-খিলাফা আর-রাশিদা, পৃ ১৪৯।