📄 উশর (খাজনা)
ইসলামি রাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে ব্যবসায়ীরা আসা-যাওয়ার সুযোগের বিনিময়ে যে কর দিত তা উশরনামে পরিচিত ছিল। অনেকটা এ যুগের কাস্টম-শুল্কের মতো। উশরআদায়ে নিয়োজিত ব্যক্তিকে আল-আশির বলা হতো। [cite: ১২৬৪]
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিংবা প্রথম খলীফা আবু বকর রাযিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতকালে এর প্রচলন ছিল না। কারণ, তাদের সময়ে ইসলামের দাওয়াত দেওয়া, ঈমান প্রচার করতে গিয়ে জিহাদ করা এবং ইসলামিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে সবাই ব্যস্ত ছিলেন। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর সময়ে ইসলামী রাষ্ট্রের প্রসার ঘটল এবং এর সীমান্তগুলো পূবে-পশ্চিমে ছড়িয়ে পড়ল। সেই সাথে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্যের প্রসার ঘটছিল। জনস্বার্থে দিন দিন এর প্রয়োজনীয়তা বাড়তে থাকে। সুতরাং উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু সিদ্ধান্ত নিলেন যারা আহলুল হারব (যে অমুসলিমেরা আগে মুসলিমদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল) তারা মুসলিম রাষ্ট্রে ব্যবসা করতে আসলে তাদের ওপরে কর ধার্য করা হবে। কারণ, তারাও মুসলিমদের ওপরে কর ধার্য করেছিল।
ইতিহাসবিদদের [cite: ১২৬৫] মতে উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু সর্বপ্রথম উশর আরোপ করেছিলেন। মানবাজবাসী (সিরিয়ার আলেপ্পোর নিকটবর্তী) এবং ইয়েমেন সাগরের ওপারের অধিবাসীরা তার কাছে চিঠি লিখেছিল। ব্যবসার এক-দশমাংশ অর্থের (উশরের) বিনিময়ে তারা তাদের পণ্য আরবদেশে আনার অনুমতি চেয়েছিল। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু সাহাবায়ে কেরামের সাথে আলোচনাসাপেক্ষে অনুমতি প্রদান করেছিলেন। সুতরাং বলা যায় যে, তিনিই প্রথম উশর আদায় করেছিলেন। রাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রমের সময় তারা মুসলিমদের কাছ থেকে কী পরিমাণে কর আদায়ে করে থাকে তিনি আগে থেকে নিশ্চিত হতে চাচ্ছিলেন। তাই মুসলিমদের কাছে জানতে চাইলেন, ‘তোমরা ইথিওপিয়ায় প্রবেশ করলে তারা তোমাদের সাথে কেমন আচরণ করে?’ তারা বললেন, ‘আমাদের সাথে যা থাকে তার এক-দশমাংশ নিয়ে থাকে।’ তিনি বললেন, ‘তবে আমরাও তাদের কাছ থেকেও একই পরিমাণ কর আদায় করব। [cite: ১২৬৬] তিনি উসমান ইবনে হুনায়ফ রাযিয়াল্লাহু আনহুকেও জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আহলুল হারবদের দেশে প্রবেশ করলে তারা আপনাদের কাছ থেকে কত করে নেয়?’ তিনি বললেন, ‘এক-দশমাংশ।’ উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘তাদের কাছ থেকেও একই পরিমাণে আদায় করুন। [cite: ১২৬৭]
বর্ণিত আছে, আবু মূসা আল-আশআরী রাযিয়াল্লাহু আনহু খলীফা উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুকে লিখেছিলেন, ‘আমাদের মুসলিম ব্যবসায়ীরা আহলুল হারবে যান এবং তারা এক-দশমাংশ আদায় করে নেয়।’ খলীফা উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু জবাবে লিখলেন, ‘তারা মুসলিম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে যেমন নেয় তেমন আদায় করে নিন। আহল আয-যিম্মার কাছ থেকে এক-দশমাংশের অর্ধেক এবং মুসলিমদের কাছ থেকে প্রতি চল্লিশ দিরহাম থেকে এক দিরহাম করে নেবেন। তবে তাদের কাছে দুইশ দিরহামের কম থাকলে কিছুই নেবেন না। দুইশ থাকলে পাঁচ দিরহাম দিতে হবে, এর বেশি থাকলে সেই অনুপাতে আদায় করতে হবে।’ [cite: ১২৬৮]
এই নতুন আইন প্রণয়নের পর থেকে ভিন রাষ্ট্রের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্কে শৃংখলা চলে আসে। ইসলামী রাষ্ট্রে বাণিজ্যের দরজা খুলে যাওয়ায় মুসলিম ব্যবসায়ীদের আয়ও বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে পণ্য আসতে শুরু করে। স্বভাবতই মুসলিম এবং অমুসলিম ব্যবসায়ীরা পণ্য আমদানি-রপ্তানির ব্যাপারে প্রচণ্ড আগ্রহী হয়ে ওঠে। ফলে আরব উপদ্বীপসহ ইসলামী রাষ্ট্রের অন্যান্য বাণিজ্যকেন্দ্রগুলো সরগরম হয়ে ওঠে। পণ্য বোঝাই গাড়ির আসা-যাওয়া বৃদ্ধি পাচ্ছিল। ইন্ডিয়া, চায়না, পূর্ব আফ্রিকা এবং লাডেন থেকে বহু মূল্যবান পণ্যসামগ্রী মুসলিম বন্দরে ভিড়তে শুরু করে। খুলাফায়ে রাশেদীন এবং উমাইয়াহ শাসনামলে বাণিজ্যের প্রসার ছিল লক্ষ্যণীয়। [cite: ১২৬৯]
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতকালে, ধনী ব্যবসায়ীরা কর সংগ্রাহকদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় যাকাত দিয়ে যেতেন। তবে বছর পুরো হলো কি না এই প্রান্তিকমান ঠিক রেখে যাকাত আদায় করা হতো। আনাস ইবনে মালিক রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, উমর ইবনুল খাত্তাব আমাকে যাকাত সংগ্রহের জন্য ইরাকে পাঠিয়েছিলেন। তখন বলেছিলেন, ‘কোনো মুসলমানের সম্পদ দুইশ দিরহামের বেশি হলে তার কাছ থেকে পাঁচ দিরহাম নেবেন। আর দুইশ দিরহামের বেশি হলে প্রতি চল্লিশ দিরহামের জন্য এক দিরহাম করে নেবেন।’ [cite: ১২৭০]
আশ-শায়বানী বর্ণনা করেছেন যে উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু যিয়াদ ইবনে জারীরকে (কিংবা যিয়াদ ইবনে হাদীরকে) আয়নুত তামর থেকে যাকাত আদায় করতে পাঠানো হয়। তাকে এক-দশমাংশের এক-চতুর্থ ভাগ (২.৫%) আদায় করতে বলা হয়। আর আহল আয-যিম্মার ব্যবসা ভালো চললে তাদের কাছ থেকে এক-দশমাংশের অর্ধেক এবং আহল আল-হারবের কাছ থেকে এক-দমশাংশ আদায় করতে বলা হয়। আশিরদের সংগৃহীত কর থেকে তাদের বেতন প্রদান করা হতো। [cite: ১২৭১]
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু যেভাবে কর আরোপ করেছিলেন তা বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে, তিনি আহলুল হারবকে তাদের পদ্ধতি অনুসরণ করে উশর ধার্য করতেন। তারা মুসলিমদের কাছ থেকে এই পরিমাণ কর নিত বলে তাদের সাথে পাল্টাপাল্টি আচরণ করা হয়েছিল। মুসলিমদের সাথে পার্থক্য বজায় রাখতে গিয়ে আহল আয-যিম্মার কাছ থেকে এক-দশমাংশ কর আদায় করা হয়েছে এবং বনু তাগলিবের খ্রিস্টানদের মতামত নিয়ে তাদের ওপরে দ্বিগুণ যাকাত ধার্য করা হয়েছে। মুসলিমদের কাছ থেকে যাকাতের মতো কিছু একটা আদায় করা হতো এবং ব্যবসা-পণ্যের ওপরে যে যাকাত দিতে হয় তা সবার জানা। মুসলিম এবং আহল আয-যিম্মার মূলধন বৃদ্ধি না পাওয়া পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে তা একবারই অর্থ আদায় করা হতো। এক বছর পার হওয়ার পরে কারও মূলধন বৃদ্ধি পেলে তবে সে অনুপাতে বাড়তি অর্থ নেওয়া হতো। যে যেমন তার সাথে তেমন আচরণই করা হতো।
আহলুল হারব যখন অতিরিক্ত কর নেওয়া শুরু করল তখন তাদের পথ অনুসরণ করে মুসলিম রাষ্ট্রে তারা পণ্য নিয়ে আসার পরে তাদের কাছ থেকেও একই পরিমাণে কর নেওয়া হয়েছে। তাদের কারণেই মুসলিমরা কর বাড়াতে বাধ্য হন। এ যুগেও কিন্তু এই নীতিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হয়। এই পদ্ধতি বর্তমানে শুল্ক বাধা দূরীকরণ নামে পরিচিত। [cite: ১২৭২]
মুসলিমদের মধ্যে কোনো পণ্যের চাহিদা বেড়ে গেলে তার ওপর থেকে কর হ্রাস করা হতো অথবা ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হতো। এতে করে ওই পণ্য আরও বেশি আমদানি করা সম্ভব হয়। আহলুল হারবেরা যখন যয়তুন তেল এবং খাদ্যশস্য আনতে শুরু করেছিল তখন উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু তার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন তারা যেন এক-দশমাংশের অর্ধেক কর আদায় করে। এর বিনিময়ে ভিন্ন ক্ষেত্রে তারাও এই সুবিধা পেত। [cite: ১২৭৩]
ইমাম যুহরী উল্লেখ করেছেন, সালিম তার পিতা থেকে বর্ণনা করেছেন যে, উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু যখন সূতি পণ্যের বিনিময়ে নাবাতিয়ানদের কাছ থেকে এক-দশমাংশ কর নিতেন সেখানে মদীনায় গম, যয়তুন তেল এবং এ ধরনের অন্যান্য পণ্য আমদানির বিপরীতে এক-দশমাংশের অর্ধেক কর নেবার নির্দেশ দেন। [cite: ১২৭৩]
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু প্রবর্তিত অর্থনীতির সুবাদে মুসলিম রাষ্ট্রের সাথে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বাণিজ্যে প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছে। চাহিদা সম্পন্ন পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির পাশাপাশি বায়তুল মাল সুগঠিত হয়ে ওঠে। তবে বায়তুল মাল সুগঠিত করা তার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল না। বায়তুল মাল যেন দিন দিন সমৃদ্ধ হয়ে মুসলিমদের জীবনকে সহজ ও সমৃদ্ধ করে তোলে সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছেন। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আরও আগ্রহী হয়ে ওঠেন এবং বণিকদের সাথে তিনি সুন্দর আচরণ করতেন, প্রতিনিধি এবং গভর্নরদের সাথে চিঠিপত্রের মাধ্যমে তাদের খোঁজখবর নিতেন। কারও সাথে কঠিন হয়ে যেন রাষ্ট্রীয় অর্থ-সম্পদ আয় করতে না হয় সে চেষ্টা করতেন। [cite: ১২৭৪]
টিকাঃ
১২৬৪. সিয়াসাত আল-মাল ফীল ইসলাম, পৃ. ৬৫১।
১২৬৫. সিয়াসাত আল-মাল ফীল ইসলাম, পৃ. ১২৮।
১২৬৬. মাওসূআ ফিকহ উমর ইবনুল খাত্তাব, পৃ. ৬৫১।
১২৬৭. প্রাগুক্ত।
১২৬৮. আল-খারাজ, আবু ইউসূফ, পৃ. ১৪৫, ১৪৬; সিয়াসাত আল-মাল, পৃ. ১২৮।
১২৬৯. আত-তিজারা ওয়া তুরুকুহা ফীল জাযিরা আল-আরাবিয়া, ড. মুহাম্মাদ আল-ইমাদি, পৃ. ৩৩২।
১২৭০. আল-হায়াত আল-ইকতিসাদিয়া ফীল উসূর আল-ইসলামিয়া আল-উলা, পৃ. ১০১।
১২৭১. শারহ আস-সিয়ার আল-কাবীর, ৫/২১৩৩, ২১৩৪; আল-হায়াত আল-ইকতিসাদিয়া ফীল উসূর আল-ইসলামিয়া আল-উলা, পৃ. ১০১।
১২৭২. সিয়াসাত আল-মাল ফীল ইসলাম, পৃ. ১৩২।
১২৭৩. প্রাগুক্ত, পৃ. ১৩৩।
১২৭৪. প্রাগুক্ত।
📄 ফাই এবং গনায়ম বা যুদ্ধলব্ধ গনীমত (গনীমতের শ্রেণিবিন্যাস)
মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ ছাড়া অর্জিত সব ধরনের সম্পদ হলো ফায়। যারা খুমসের [cite: ১২৭৫] হকদার তাদেরকে ফায়ের এক-পঞ্চমাংশ (খুমস) বুঝিয়ে দেওয়া হতো। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তার কিতাবে এই শ্রেণির লোক সম্পর্কে বলেছেন, আল্লাহ জনপদবাসীদের কাছ থেকে তার রাসূলকে যা দিয়েছেন, তা আল্লাহর, রাসূলের, আত্মীয়-স্বজনের, ইয়াতিমদের, অভাবগ্রস্তদের এবং মুসাফিরদের জন্য। [cite: ১২৭৬] আর গানায়েম হলো আহলুল হারবের সাথে লড়াইয়ের পরে যুদ্ধলব্ধ গনীমত। [cite: ১২৭৭] আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেছেন:
আর এ কথাও জেনে রাখ যে, কোনো বস্তু সামগ্রীর মদ্য থেকে যা কিছু তোমরা গনীমত হিসেবে পাবে তার এক পঞ্চমাংশ হলো আল্লাহর জন্য, রাসূলের জন্য, নিকটাত্মীয়-স্বজনের জন্য এবং ইয়াতিম-অসহায় এবং মুসাফিরদের জন্য; যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে আল্লাহর উপর যা আমি আমার বান্দার উপর অবতীর্ণ করেছি ফয়সালার দিনে, যেদিন সম্মুখীন হয়ে যায় উভয় সেনাদল। আর আল্লাহ সবকিছুর উপরই ক্ষমতাশীল। [cite: ১২৭৮]
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু খেলাফতের সময় বিস্তৃত অঞ্চল জয় করেছিলেন। ফলে প্রচুর গনীমতের মালামাল অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল। পারসিক এবং রোমান নেতৃবৃন্দ তাদের সব অর্থবিত্ত সাথে নিয়ে যুদ্ধ করতে আসত। এগুলোই মুসলিমদের হাতে চলে আসে। এগুলোর মূল্যমান ছিল ১৫,০০০ দিরহাম থেকে শুরু করে ৩০,০০০ দিরহাম পর্যন্ত। [cite: ১২৭৯]
আল-মাদাইন, জাল্লা, হামযান, আর-রায়, আস্তাখারের মতো বড় বড় নগরী থেকে মুসলিমরা অনেক মূল্যবান মালামাল পেয়েছিলেন। এর মধ্যে খসরুর কার্পেট ছিল অন্যতম। ৩৬০০ বর্গহাত সোনায় মোড়ানো কার্পেটটিতে মূল্যবান পাথর বসানো ছিল। এর ওপরে মণিমুক্তা খচিত রেশমের ফলমূল আঁকা। আর স্বর্ণে আঁকা পানির ঝর্নাধারা ছিল। এই একটি কার্পেটই বিক্রি হয়েছিল বিশ হাজার দিরহামে। তাছাড়া জাল্লা এবং নাহাওয়ান্দ থেকে সোনা-রূপা সহ মূল্যবান পাথর মুসলিমদের হাতে আসে। জাল্লার খুমস ষাট লাখ দিরহামে পৌঁছেছিল। [cite: ১২৮০]
তবে সবচেয়ে বেশি গনীমত পাওয়া গেছে আস-সাওয়াদ থেকে। এগুলোকে তিনি রাষ্ট্রের স্বার্থে ওয়াকফ করে দেন। আস-সাওয়াফিরা নিহত হয়েছিল আর বাকিরা পালিয়ে গিয়েছিল বলে তাদের দেশ বিরান হয়ে পড়ে। তাদের দেশ এবং খসরু ও তার পরিবারের দেশ থেকে যে অর্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদ বায়তুল মালে উদ্বৃত্ত হিসেবে জমা থাকত। কথিত আছে, ঐ অঞ্চল থেকে সত্তর লাখ পর্যন্ত আয় হতে দেখা গেছে। [cite: ১২৮১]
সুতরাং গনীমত থেকে প্রচুর আয় হয়েছে। এই আয় থেকে মুসলিমরা ব্যক্তিগতভাবে ধনবান হতে শুরু করে এবং তাদের জীবনযাপনের মান উন্নত হচ্ছিল। উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতের সময় তাদের উন্নতি সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে। [cite: ১২৮১]
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর সময়ে এগুলোই ছিল রাষ্ট্রীয় আয়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।