📘 উমর ইবনুল খাত্তাব রা: জীবন ও কর্ম > 📄 রাসূল সা.-এর অসুস্থতা এবং তার ইন্তেকালের দিনে উমর রা.-এর আচরণ

📄 রাসূল সা.-এর অসুস্থতা এবং তার ইন্তেকালের দিনে উমর রা.-এর আচরণ


২.৫.১। রাসূল সা.-এর অসুস্থতার সময় উমর রা.-এর আচরণ
আব্দুল্লাহ ইবনে যামআ বলেছেন: রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন অসুস্থ হয়ে পড়েন, বেলাল নামায পড়ানোর জন্য তাকে ডাকতে এসেছিল। তিনি বললেন, 'অন্য কাউকে নামায পড়াতে বলো।' তাই আমি বাইরে বের হলাম। লোকজনের মধ্যে উমরকে দেখা গেল। আমি আবু বকরকে পেলাম না। তার কাছে গিয়ে বললাম, 'উমর, উঠে এসো আর লোকদের নামায পড়াও।' তিনি উঠে দাঁড়ালেন, তাকবির দিলেন। তার খুব দরাজ গলা ছিল। ফলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার কণ্ঠ শুনে বলতে লাগলেন, 'আবু বকর কোথায়? না আল্লাহ তা কবুল করবেন, আর না মুসলিমরা।' তিনি আবু বকরকে ডাকতে পাঠালেন। এদিকে তিনি আসার আগেই উমরের নামায পড়ানো শেষ। পরে আব্দুল্লাহ ইবনে যামআকে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, 'তোমার ধ্বংস হোক! ইবনে যামআ, এ তুমি কী করলে? তুমি আমাকে যখন নামায পড়াতে বলেছ, আমি তখন ভাবলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হয়তো এই নির্দেশ দিয়েছেন। তা না হলে আমি নামায পড়াতাম না।' আমি বললাম, 'আল্লাহর কসম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ নির্দেশ দেননি। আমি আবু বকরকে না পেয়ে তোমাকে এই কাজ করতে বলেছি। কারণ, সেখানে যারা ছিল তাদের মধ্যে তোমাকে আমার সবচেয়ে যোগ্য মনে হয়েছে।'
ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেছেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যথা তীব্র হয়ে উঠল। তখন তিনি বললেন, 'আমার কাছে কাগজ নিয়ে এসো। তোমরা যাতে পথভ্রষ্ট না হয়ে যাও তার জন্য কিছু নির্দেশনা লিখে দিতে চাচ্ছি। উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বললেন, 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এখন খুব কষ্ট পাচ্ছেন। আর আমাদের জন্য আল্লাহর কিতাবই যথেষ্ট।' এবার এই নিয়ে তর্কবিতর্ক শুরু হয়ে গেল। সবার গলাও চড়তে লাগল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, 'তোমরা আমার কাছে থেকে সরে যাও। এই অবস্থায় আমার সামনে তর্ক করো না।' ইবনে আব্বাস বলতে বলতে বের হলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তার বক্তব্য লেখা থেকে বাধা দেওয়া হলো, এ আমাদের চরম দুর্ভাগ্য।'
উলামায়ে কেরাম এই হাদীসটিকে খুব সহজভাবে বর্ণনা করেছেন। মুসলিমের ওপরে মন্তব্য করতে গিয়ে ইমাম নববী রহ. এই হাদীসের বেশ দীর্ঘ এবং বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন: লক্ষ্যণীয় যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন নিখুঁত মানুষ। সুস্থ বা অসুস্থ কোনো অবস্থাতেই তিনি শরীয়তের কোনো আইন বিকৃত বা পরিবর্তন করতেন না, এটাই স্বাভাবিক। আল্লাহ-প্রদত্ত কোনো আয়াতের অবিকল প্রচার করেছেন। যেখানে ব্যাখ্যার দরকার হয়নি তিনি ব্যাখ্যা করেননি, যা যতটুকু প্রচারের নির্দেশ পেয়েছেন তার ততটুকুই মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। তবে তিনি রোগ-ব্যাধিমুক্ত ছিলেন না, এ কথাও ঠিক। শারীরিক অসুবিধার জন্য তো তার মর্যাদার কোনো কমতি হয়নি। আর তিনি এর প্রকোপে প্রতিষ্ঠিত আইনেও কোনো পরিবর্তন আনতেন না। তিনি যখন যাদু-টোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তখন মনে করেছিলেন, যা করা উচিত নয় তিনি হয়তো তেমন কিছু করে ফেলেছেন। ওই অবস্থাতেও তিনি প্রতিষ্ঠিত কোনো আইনের বিরুদ্ধে কিছু করেননি। তাই এই মূল বিষয় নিয়ে আমদের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই, ওই বিষয়টি সবার মাথায় রাখতে হবে। আলেমগণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের লেখার বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মত দিয়েছেন। কেউ কেউ মনে করেন, তিনি দ্বন্দ্ব আর ঝামেলা এড়ানোর জন্য হয়তো খেলাফতের দায়িত্ব নির্দিষ্ট কাউকে দেবার কথা উল্লেখ করতে চেয়েছিলেন। আবার কারও মতে তিনি সবচেয়ে জরুরী আইন-কানুন সংক্ষিপ্তাকারে উল্লেখ করতে চেয়েছেন। যাতে সেগুলো নিয়ে পরবর্তী সময়ে কারও কোনো দ্বিমত না থাকে। তিনি লিখিত আকারে হয়তো এ জন্য প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন, যেন তার উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা যায়, অথবা এও হতে পারে—তিনি এভাবে কাজ করার জন্য ওহীর মাধ্যমে নির্দেশ পেয়েছিলেন। পরে হয়তো তিনি ভেবেছেন যে, সেভাবে না করলেই ভালো, অথবা হতে পারে আগের নির্দেশমতো কাজ না করার জন্য তিনি ওহী পেয়েছিলেন।
উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর দ্বীনী জ্ঞান, অভিজ্ঞতা এবং সূক্ষ্মদর্শীতা নিয়ে উলামায়ে কেরামের কারও কোনো দ্বিমত নেই। ফলে তার ওই মুহূর্তের আচরণ নিয়েও কারও সন্দেহ নেই। তিনি হয়তো বুঝতে পেরেছিলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি এমন কিছু লিখে ফেলেন যা করা দুঃসাধ্য, তবে শাস্তি যেমন অনিবার্য তেমনই পরবর্তী সময়ে তা নিয়ে ইজতিহাদ করারও সুযোগ থাকবে না। তাই তিনি বলেছিলেন যে, 'আল্লাহর কিতাবই আমাদের জন্য যথেষ্ট।' কারণ, আল্লাহ তা'আলা বলেছেন:
مَا فَرَّطْنَا فِي الْكِتَبِ مِنْ شَيْءٍ আমি কোনো কিছু লিখতে ছাড়িনি।
الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণ করে দিলাম।
তিনি জানতেন, আল্লাহ তার দ্বীনকে নিঁখুত করে দিয়েছেন এবং উম্মত পথভ্রষ্টতা থেকে নিরাপদ। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বাড়তি কষ্ট করা থেকে বিরত রাখতে চেয়েছিলেন। ইবনে আব্বাস কিংবা অন্য যে সাহাবীগণ এ বিষয়ে মন্তব্য করেছিলেন তাদের তুলনায় উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু অনেক বেশি সূক্ষ্মদর্শী ছিলেন। আল-খাত্তাবি বলেছেন, 'এখানে যেন কেউ না ভাবে যে, উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু ভেবেছিলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভুল করতে পারেন; বরং তিনি যখন দেখলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যথা ক্রমশ বেড়ে যাচ্ছে এবং মৃত্যু আসন্ন তখন এমন অবস্থায় তার সাথে কথা বললে মনে হতে পারে তিনি ঠিকমতো কথা বলার অবস্থায় নেই। তাছাড়া এমন আচরণ নিয়ে মুনাফেক লোকজন সমালোচনা শুরু করবে। সাহাবায়ে কেরাম যখন কোনো কিছু নিয়ে তার সাথে আলোচনা করতেন, তখন তিনি খুব স্পষ্টভাবে সমাধান দিতেন। তিনি কুরাইশদের সাথে হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় এভাবে কথা বলেছেন। আর যখন কোনো বিষয়ে তিনি আগেই স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে ফেলতেন তখন তা নিয়ে আর কোনো আলোচনার প্রয়োজন ছিল না।'
'আল্লাহর কিতাব আমাদের জন্য যথেষ্ট'-এই কথা তিনি তর্কে লিপ্ত সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন। এখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উদ্দেশ্য করে তিনি কিছু বলেননি। শায়খ আলী আল-তানতাবী এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন, 'উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে দীর্ঘদিন ছিলেন। তার সাহচার্যে থেকে তিনি এভাবে বক্তব্য দিতে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন। তিনি এভাবে মন্তব্য করতেন; কারণ, তিনি জানতেন, তার এ কাজের অনুমতি আছে। বিভিন্ন বর্ণনা থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তার মতামত জানানোর ধরন, অনুরোধ করার ধরন এবং কোনো কিছু চাওয়ার ধরন আমাদের কাছে স্পষ্ট। তার কথা সঠিক মনে হলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা যেমন গ্রহণ করতেন আবার ভুল হলেও তা শুধরে দিতেন। সুতরাং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন কাগজ চাইলেন তখন তিনিও তার স্বভাবমতো মন্তব্য করলেন যে, আল্লাহর কিতাব আমাদের জন্য যথেষ্ট। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও একমত পোষণ করলেন। কারণ, তিনি লেখার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললে ঠিকই উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুকে থামিয়ে দিয়ে তার কাজ শেষ করতেন।'
২.৫.২। রাসূল সা.-এর ইন্তকালের দিনে উমর রা.-এর আচরণ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের খবরে মানুষের মধ্যে বিষাদের ছায়া নেমে আসে। এমন খবর অনেক মুসলমানের জন্য প্রচন্ড আঘাতের ছিল। বিশেষ করে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু তা মানতে পারছিলেন না। বিখ্যাত সাহাবী আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহুর মুখে শোনা যাক:
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইন্তেকালের খবর শুনে উমর ইবনুল খাত্তাব দাঁড়িয়ে গেলেন। বলতে লাগলেন, 'মুনাফিকেরা দাবি করছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন। তিনি ইন্তেকাল করেননি; বরং মুসা ইবনে ইমরানের আলাইহিস সালামের মতো তিনি তার রবের সাথে দেখা করতে গেছেন। তিনিও চল্লিশ দিন ধরে সবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। তখন লোকেরা বলাবলি করেছিল যে, তিনি ইন্তেকাল করেছেন। তিনি ঠিকই ফিরে এসেছিলেন। আল্লাহর কসম, মুসা আলাইহিস সালামের মতো তিনিও ফিরে আসবেন। যে বলবে 'রাসূল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তেকাল করেছেন' আমি তার হাত-পা কেটে ফেলব।'
এই খবর শুনে আবু বকর মসজিদের দোরগোড়ায় এসে নামলেন। উমর তখনো সবার সাথে কথা বলে যাচ্ছিলেন। তিনি কোনোদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে সোজা আয়েশার ঘরে গেলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিছানায় শোওয়া। ঘরের একাট কোণে ডোরাকাটা জোব্বা দিয়ে তার শরীর ঢাকা ছিল। কাপড় সরিয়ে তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারা মোবারকে চুমু দিলেন। আর বললেন, 'আমার বাবা-মা আপনার জন্য কুরবান হোক। আল্লাহ আপনার জন্য যে মৃত্যু নির্ধারণ করে রেখেছিলেন, আপনি তার স্বাদ পেয়েছেন। এর পরে আপনার আর মৃত্যু হবে না।' তিনি কাপড় দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারা মোবারক ঢেকে দিলেন। বাইরে গিয়ে দেখেন-উমর তখনো কথা বলে যাচ্ছেন। তাকে বললেন, 'শান্ত হও উমর, আমার কথা শোনো!' উমর কথা বলেই গেলেন। উমরকে থামাতে না পেরে তিনি বাধ্য হয়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে কথা বলা শুরু করলেন। তখন সবাই তার দিকে ঘুরে শুনতে লাগল। আবু বকর আল্লাহ তা'আলার গুণ এবং প্রশংসা করে বলতে লাগলেন: 'হে লোকসকল, যারা মুহাম্মাদের ইবাদত করতে তারা জেনে রাখো তিনি ইন্তেকাল করেছেন। আর যারা আল্লাহর ইবাদত করো, তারা জেনে রাখো, আল্লাহ চিরঞ্জীব। কেবল তার মৃত্যু নেই।' অতঃপর তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করতে লাগলেন:
আর মুহাম্মাদ একজন রাসূল বৈ তো নয়! তার পূর্বেও বহু রাসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি য মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুত কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছু ক্ষতি-বৃদ্ধি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ আল্লাহ তাদের সওয়াব দান করবেন।
আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, 'আল্লাহর কসম, মনে হলো সেদিনই যেন এই আয়াত নাযিল হয়েছে। তার আগে যেন কেউ এই আয়াত সম্পর্কে জানত না। আবু বকরের কাছ থেকে শুনে তারা এই কথা বলাবলি করতে লাগল।' আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন যে, উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু বলে উঠলেন, 'আল্লাহর কসম, আবু বকর যখন এই আয়াত তিলাওয়াত করল, তখন আমার মাথা ঘোরাতে লাগল। আমার পা নিয়ন্ত্রণ হারাল, আর আমি মাটিতে পড়ে গেলাম। আর আমি জানলাম যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলেই ইন্তেকাল করেছেন।'

টিকাঃ
২৯৯. সুনান, আবু দাউদ, হাদীস নং ৪৬৬০। এর সনদ সহীহ।
৩০০. সহীহ, বুখারী, হাদীস নং ১১৪।
৩০১. সূরা আনআম, ৬: ৩৮।
৩০২. সূরা মায়িদা, ৫: ৩।
৩০৩. সহীহ আস-সীরাহ আন-নবুওয়া, পৃ. ৭৫০, শারহ মুসলিম থেকে উদ্ধৃত, ১১/৯০।
৩০৪. শারহ আন-নবুওয়া, ১১/৯০; ফাসল আর কিতাব ফী মাওয়াকিফ আল-আসহাব, আল-ঘারসি, পৃ...
৩০৫. আখবার উমর, পৃ. ৩৬।
৩০৬. আস-সীরাহ আন-নবুওয়া, ইবনে আবি শায়বা, ২/৫৯৪।
৩০৭. সূরা আলে-ইমরান, ৩: ১৪৪।
৩০৮. সহীহ, বুখারী, হাদীস নং ১২৪২; তারীখ আত-তাবারি, ৩/১৯৯।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00