📘 উম্মুল মুমিনীন সীরাতে আয়েশা রা > 📄 হযরত মারইয়াম আ. ও হযরত আসিয়া আ.

📄 হযরত মারইয়াম আ. ও হযরত আসিয়া আ.


হযরত মারইয়াম আ.-এর মাহাত্ম্য আমরা ইসলামের কল্যাণেই জেনেছি। মহাগ্রন্থ ইনজিলের একটি বাক্যও তাঁকে মহিমান্বিত করেনি। ফেরাউন-পত্নী হযরত আসিয়া আ.-ও ইসলাম ধর্মে সম্মানিত হয়েছেন। কিন্তু মহাগ্রন্থ তাওরাত তাঁর সম্মানে একটি বাক্যও উচ্চারণ করেনি। যেহেতু ইসলাম তাঁদেরকে সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেছেন, তাই বিশ্বাসগতভাবে তাঁদের মর্যাদা ও মাহাত্ম্যকে আমরা মেনে নিতে বাধ্য। কিন্তু ইতিহাস ও বাস্তবতার ভাষায় এর প্রতিক্রিয়া ও অভিব্যক্তি শুধুই দ্বিধাহীন বিশ্বাস ও আশ্বস্ত নীরবতা।
ওহীর নিখাদ প্রত্যাদেশ যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে সেটিই সবচেয়ে শুদ্ধ, সবচেয়ে খাঁটি, সবচেয়ে সত্য, সবচেয়ে সাচ্চা:
عَنْ أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ رَض قَالَ رَسُوْلُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَمُلَ مِنَ الرِّجَالِ كَثِيرٌ وَ لَمْ يَكْمُلْ مِنَ النِّسَاءِ إِلَّا مَرْيَمُ بِنْتُ عِمْرَانَ وَ آسِيَةُ امْرَأَةُ فِرْعَوْنَ وَ فَضْلُ عَائِشَةَ عَلَى النِّسَاءِ كَفَضْلِ الثَّرِيْدِ عَلَى سَائِرِ الطَّعَامِ
অর্থ: হযরত আবু মুসা আশআরি রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, পুরুষের মধ্যে অনেকেই কামেল হয়েছেন; কিন্তু নারীদের মধ্যে কামেল হয়েছেন শুধুমাত্র ইমরান- তনয়া মারইয়াম আ. এবং ফেরাউন-পত্নী আসিয়া আ.। নিঃসন্দেহে আয়েশা রাযি.-ই শ্রেষ্ঠ সকল নারীর ওপর, যেমন সারিদ' শ্রেষ্ঠ সকল খাদ্যের ওপর।

টিকাঃ
১. সারিদ হলো তৎকালীন আরবের শ্রেষ্ঠ খাবার। এটি রুটির ব্যাঞ্জনের সঙ্গে ভিজিয়ে খাওয়া হতো。
২. সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩৭৬৯ ا كتاب فضائل أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00