📄 সাহসিকতা
হযরত আয়েশা রাযি. অত্যন্ত সাহসী ও তেজস্বী ছিলেন। রাতের অন্ধকারে উঠে গোরস্তানে যেতেও ভয় পেতেন না।' যুদ্ধের বিভীষিকা ও দাবানলেও ভীত হতেন না। উহুদের যুদ্ধে মুসলিম যোদ্ধাগণ প্রায় পর্যুদস্ত ছিলেন। কী অবর্ণনীয় ভীতি ও ত্রাস প্রাণ কণ্ঠাগত করে রেখেছিল অন্তঃপুরবাসিনীর। অথচ মৃত্যুর ওই ভয়াল গ্রাসেও তিনি ঝাঁপ দিয়েছিলেন অসীম সাহসিকতা নিয়ে। অস্ত্রের ঝঙ্কার আর রক্তের ফিনকিতে বিচলিত হননি; অনবরত পিঠে করে পানি বহন করেছেন এবং একের পর এক আহত যোদ্ধাদের পান করিয়েছেন।' খন্দক যুদ্ধে মুশরিকরা পুরো মদীনা অবরুদ্ধ ও অচল করে রেখেছিল। শহরের অভ্যন্তরে যে কোনো মুহূর্তে ইহুদিদের চড়াও হওয়ার ছিল সমূহ শঙ্কা। কিন্তু হযরত আয়েশা রাযি. শুধু নির্ ভয়ই ছিলেন না; রণভূমিতে এসে মুসলিম সৈন্যদের যুদ্ধপরিকল্পনা প্রত্যক্ষ ও পর্যবেক্ষণও করেছেন। শুধু তা-ই নয়, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে যুদ্ধে অংশগ্রহণের অনুমতিও চাইতেন এই মহীয়সী নারী। তিনি যে শান-সওকতের সঙ্গে সংশোধনকামী বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তা নিঃসন্দেহে স্বভাবসিদ্ধ সাহসিকতা ও সুউচ্চ মনোবলেরই পরিচায়ক। জঙ্গে জামালে তাঁর ব্যক্তিত্বের অপরিসীম প্রভাব যে কাউকে হতবাক করে দেয়।
টিকাঃ
২. সহীহ বুখারী-সহ বিশুদ্ধ গ্রন্থগুলোর বাবু যিয়ারাতিল কুবুর দ্রষ্টব্য।
১. সহীহ বুখারী: ذكر أحد ।
২. মুসনাদে আহমাদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯৯।
৩. সহীহ বুখারী: বাবু হাজ্জিন নিসা।
📄 বদান্যতা
হযরত আয়েশা রাযি.-এর চরিত্রমাধুরীর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়-বদান্যতা ও দানশীলতা। হযরত আয়েশা রাযি. এবং হযরত আসমা রাযি. দুই বোনই ছিলেন অত্যন্ত উদার ও মহৎ। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রাযি. বলতেন, আমার মা ও খালার চেয়ে বদান্য ও দানশীল কাউকে দেখিনি। তবে দুজনের দানশীলতার ধরনে পার্থক্য ছিল। হযরত আয়েশা রাযি. ছোট ছোট জিনিসও একটু একটু করে জড়ো করতেন। যখন বড় অবয়ব দাঁড়াত, তখন দান করে দিতেন। পক্ষান্তরে হযরত আসমা রাযি.-এর হাতে কিছু এলে, সেটাকে জড়ো করা, বড় করা-তাঁর দ্বারা হতো না; তবে যাই আসত, অবলীলায় বিলিয়ে দিতেন। হযরত আয়েশা রাযি. প্রায় সময়ই থাকতেন ঋণগ্রস্ত, এখান থেকে-ওখান থেকে ধার-কর্জ হতেই থাকত। লোকে জানতে চাইত, আপনার কর্জ করার কী প্রয়োজন? তিনি বলতেন, কর্জ করলে পরিশোধ করার নিয়ত থাকে, এতে আল্লাহর সাহায্য আসে; আর আমি আল্লাহর সাহায্যের অপেক্ষা করি।'
দান খয়রাতে কম-বেশির পরোয়া করতেন না। হাতে যা থাকত, ফকির-মিসকিনকে দান করে দিতেন। একবার এক ভিখারিনী এল। তার দুই কোলে দুটো শিশু ছিল। ঘটনাক্রমে ওই সময় এক টুকরো শুকনো খেজুর ছাড়া ঘরে কিছুই ছিল না। হযরত আয়েশা রাযি. ওটুকুই দুই ভাগ করলেন এবং বাচ্চা দু'টোর মুখে তুলে দিলেন। পরে যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাশরীফ আনলেন, তখন ঘটনাটি তাঁকে জানালেন। একবার এক ভিখারী এল। সামনে কয়েকটি আঙ্গুর ছিল। হযরত আয়েশা রাযি. একটি দানা তাকে তুলে দিলেন। ভিখারী ভ্রু কোঁচকাল। বলল, একদানা আঙ্গুরও কেউ দেয়? হযরত আয়েশা রাযি. বললেন, আরে, এটা তো দ্যাখো যে, এতে কতগুলো 'যাররা' আছে। হযরত আয়েশা রাযি. এই আয়াতটির প্রতি ইঙ্গিত করে কথাটি বলেছিলেন:
فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَه
অর্থ: আর যে এক 'যাররা' পরিমাণও নেক আমল করবে, তারও সুফল দেখতে পাবে। (সূরা যিলযাল, আয়াত: ৭)
হযরত উরওয়াহর সূত্রে বর্ণিত, একবার হযরত আয়েশা রাযি. তার সামনে সত্তর হাজার দিরহাম আল্লাহর ওয়াস্তে সদকা করে দিলেন, নিজের কাছে কিছুই রাখলেন না।
আমীর মুআবিয়া রাযি. একবার এক লক্ষ দিরহাম পাঠালেন। সন্ধ্যা হতে হতে একটিও বাকি ছিল না। সব গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিতরণ করে দিলেন। ঘটনাক্রমে সেদিন রোযা রেখেছিলেন। সেবিকা বলল, ইফতারের জন্য তো কিছু রাখতে হতো। হযরত আয়েশা রাযি. বললেন, মনে করিয়ে দিতে।' একই রকম আরেকটি ঘটনা : হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রাযি. একবার দুটো থলেতে করে প্রায় এক লক্ষ মুদ্রা পাঠিয়ে দিলেন। হযরত আয়েশা রাযি. একটি তাকে মুদ্রাগুলো রাখলেন এবং বিতরণ করতে লাগলেন। সেদিনও রোযা রেখেছিলেন। সন্ধ্যায় ইফতারের সময় সেবিকা বলল, ইফতারের জন্য কিছু গোশত কিনলে ভালো হতো। তিনি বললেন, এখন বলে কী হবে? তখন বলতে।'
আরও একবার একই ঘটনা ঘটল। তিনি রোযা রেখেছিলেন। ঘরে ছিল শুধুমাত্র একটি রুটি। হঠাৎ এক ভিখারিনী এল। সেবিকাকে বললেন, ওই রুটিটাই দিয়ে দাও। সেবিকা বলল, সন্ধ্যায় ইফতার করবেন কী দিয়ে? বললেন, দিয়ে দাও। সন্ধ্যায় কোনো প্রতিবেশী বকরির গোশতের তরকারি পাঠাল। সেবিকাকে বললেন, দ্যাখো, তোমার রুটির চেয়ে আল্লাহ আরও ভালো জিনিস পাঠিয়েছেন। তিনি তাঁর একটি জায়গা আমীর মুআবিয়া রাযি.-এর কাছে বিক্রি করেছিলেন। মূল্য যা পেয়েছিলেন, সবই সদকা করে দিয়েছিলেন।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রাযি. তাঁর ভাগ্নে ছিলেন। তিনি খালার দেখাশোনাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতেন। অনেক সেবাযত্ন করতেন। কিন্তু তাঁর দানশীলতার কারণে তিনিও বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন। একবার তাঁর মুখ ফসকে এ কথা বের হয় যে, খালার হাত বেঁধে রাখতে হবে। হযরত আয়েশা রাযি. জানতে পেরে কসম করে বললেন, আমি আর ওর সঙ্গে কোনোদিন কথা বলব না। ও আমার হাত বেঁধে রাখবে? হযরত আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রাযি. অনেকদিন ধরে, অনেক কষ্ট করে হযরত আয়েশা রাযি.-এর মান ভাঙাতে পেরেছিলেন।'
টিকাঃ
৪. আল আদাবুল মুফরাদ, ইমাম বুখারী রহ.: বাবু সাখাওয়াতিন নাফস।
১. মুসনাদে আহমাদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯৯।
২. আল আদাবুল মুফরাদ, ইমাম বুখারী রহ: ا باب من يعقول يتيما
৩. 'যাররা' বলা হয় ছিদ্রপথে সূর্যালোকে দৃশ্যমান ধুলোকণাকে।
৪. মুয়াত্তা, ইমাম মালেক রহ, বাবুত তারগীবি আলাস সাদাকাহ।
৫. তাবাকাতে ইবনে সাদ, পৃষ্ঠা: ৬, ا جزء النساء
১. মুসতাদরাকে হাকেম।
২. ইবনে সাদ: جزء النسا ءا
৩. মুয়াত্তা, ইমাম মালেক : كتاب الجامع / باب الترغيب على الصدقة ا
৪. ইবনে সাদ : ذكر حجرات أمهات المؤمنين ا
১. সহীহ বুখারী: বাব মানাকিব কুরাইশ।
📄 আল্লাহর ভয় ও বিগলিত হৃদয়ের কান্না
প্রতিমুহূর্তে অন্তরে আল্লাহর ভয় ছিল। পিতার মতোই কান্নাকাতর ছিলেন। বিদায় হজে মেয়েলি সমস্যার কারণে হজের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমলে বাধা আসে। তিনি অবচেতন মনে কেঁদে ফেলেন। আর কান্না থামাতে পারছিলেন না। পরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বুঝিয়েসুঝিয়ে শান্ত করেন।২ একবার দাজ্জালের ফেতনার কথা মনে পড়ায় তিনি খুবই কেঁদেছিলেন।৩ জঙ্গে জামালের কথা মনে হলে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতেন।৪ মৃত্যুশয্যায় জীবনের কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কথা স্মরণ করে আক্ষেপে, অনুশোচনায় কাঁদতেন আর বলতেন, হায়, যদি আমার অস্তিত্বই না হতো!'
একবার কোনো এক বিষয়ে কসম খেয়েছিলেন। কিন্তু মানুষের পীড়াপীড়িতে বাধ্য হয়ে কসম ভাঙতে হয়। কাফফারাস্বরূপ চল্লিশ জন দাসকে মুক্ত করেছিলেন। তবু অন্তরে এটার প্রভাব এতই প্রবল ছিল যে, মনে হলেই কাঁদতে কাঁদতে আঁচল ভিজিয়ে ফেলতেন।৫ ইফকের ঘটনা আপনারা জেনে এসেছেন। মুনাফিকদের অপবাদ আরোপের বিষয়ে জানতে পেরে তিনি কী কান্নাই না কেঁদেছিলেন। পিতা-মাতা কোনোভাবেই শান্ত করতে পারেননি।
একবার এক ভিখারিনী এল। ভিখারিনীর সঙ্গে ছোট-ছোট দুটো সন্তান ছিল। ওই সময় হযরত আয়েশা রাযি.-এর ঘরে কিছু ছিল না। মাত্র তিনটি খেজুর দিলেন ভিখারিনীকে। সে দুটো খেজুর দুই সন্তানের মুখে দিল এবং একটি খেজুর নিজের মুখে নিল। বাচ্চা দুটো যার যার খেজুর খেয়ে ফেলল এবং অতৃপ্ত চোখে মায়ের দিকে তাকাল। মা তখন নিজের মুখের খেজুরটি না খেয়ে বের করল এবং দুই ভাগ করে আবার দুই সন্তানের মুখে দিয়ে দিল। মায়ের ভালোবাসা ও নিঃস্বতার টানাপোড়েনের হৃদয়বিদারক দৃশ্য তাঁকে মর্মাহত করে। তাঁর দুচোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ে।'
টিকাঃ
২. সহীহ বুখারী : কিতাবুল হাজ্জ পৃষ্ঠা : ২৪০।
৩. মুসনাদে আহমাদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৭৫।
৪. তাবাকাতে ইবনে সাদ: জুزء নিসা পৃষ্ঠা: ৫৬।
৫. তাবাকাতে ইবনে সাদ: জুزء নিসা পৃষ্ঠা: ৫১।
৬. সহীহ বুখারী : বাব আল-হিজরাত।
১. মুসতাদরাকে হাকেম। তয়ালিসি: পৃষ্ঠা: ২০৪।
📄 ইবাদত-বন্দেগী
তিনি অধিকাংশ সময়ই ইবাদত-বন্দেগীতে রত থাকতেন। চাশতের নামায পড়তেন এবং বলতেন, আমার পিতাও যদি কবর থেকে উঠে আসেন এবং নিষেধ করেন তবু এই নামায ছাড়ব না।' রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে উঠে তাহাজ্জুদ আদায় করতে অভ্যস্ত ছিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুত্যুর পরও এত গুরুত্বের সঙ্গে তাহাজ্জুদ পড়তেন যে যদি কোনোদিন ঘুম ভাঙতে দেরিও হতো, তবু উঠে আগে তাহাজ্জুদ পড়তেন; এরপর ফজর পড়তেন। একদিন এরকম সময়ে তাহাজ্জুদ পড়ছিলেন। এমন সময় ভ্রাতুষ্পুত্র কাসেম বিন মুহাম্মাদ কাছে এলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, ফুফি, এটা কীসের নামায? তিনি বললেন, রাতে পড়তে পারিনি; তাই বলে এখন ছাড়তেও পারব না। রমযানে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তারাবীহ আদায় করতেন। যাকওয়ান নামক জনৈক গোলাম ছিলেন। তিনি ইমাম হতেন এবং সামনে কুরআন রেখে তেলাওয়াত করতেন। হযরত আয়েশা রাযি. মুক্তাদি হতেন।
অধিকাংশ দিনই রোযা রাখতেন। কিছু কিছু বর্ণনায় এভাবে এসেছে যে, তিনি সব সময়ই রোযা রাখতেন।' একবার প্রচণ্ড গরমে আরাফার দিবসে রোযা অবস্থায় ছিলেন। গরম ও পিপাসা এত বেশি লেগেছিল যে, মাথায় পানি ঢালতে হচ্ছিল। ভাই আবদুর রহমান বললেন, এই গরমে এত কষ্ট করে রোযা রাখার কী দরকার? রোযা ভেঙে ফেলুন এবং কিছু মুখে দিন। তিনি বললেন, যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুখে শুনেছি—আরাফার দিবসে রোযা রাখলে সারা বছরের গুনাহ মাফ হয়, তখন এই রোযা ভাঙি কী করে?'
নিয়মিত হজ-পালনে ছিলেন অত্যন্ত কঠোর। এমন বছর খুব কমই ছিল, যে বছর তিনি হজ করেননি। হযরত উমর রাযি. তাঁর শাসনামলের শেষের দিকে হযরত উসমান রাযি. এবং হযরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাযি.-কে উম্মাহাতুল মুমিনীনের সঙ্গে হজের সফরে প্রেরণ করেছিলেন। হজের সফরে তাঁদের অবতরণের জায়গা আগে থেকেই নির্ধারিত থাকত। প্রথমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণে আরাফার ময়দানের শেষ সীমানা নামিরায় অবতরণ করানো হতো। যখন এখানে ভিড় হতে লাগল, তখন একটু সরে আরাকে তাঁবু ফেলা হতো। কখনো কোহে ছাবিরের পাদদেশেও তাঁবু গাড়া হতো।
যতক্ষণ এখানে অবস্থান করতেন, তিনি এবং তাঁর সঙ্গের সকলে তাকবীর পড়তে থাকতেন। যখন এখান থেকে উঠে চলে যেতেন, তখন তাকবীর বলা বন্ধ করতেন। প্রথমে এই অভ্যাস ছিল যে, হজের পর জিলহজ মাসের মধ্যেই উমরা আদায় করতেন। কিন্তু পরে অভ্যাসে পরিবর্তন আনেন। মহররম মাসের পূর্বেই জুহফায় গিয়ে তাঁবু ফেলতেন। এরপর মুহাররমের চাঁদ দেখে উমরার নিয়ত করতেন। আরাফার দিনে রোযা রাখতেন। সন্ধ্যায় যখন সবাই রওনা হতো, তখন ইফতার করে নিতেন।
টিকাঃ
২. মুসনাদে আহমাদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৩৮।
৩. মুসনাদে আহমাদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৯২।
৪. দারাকুতনী: কিতাবুস সালাহ।
৫. মুয়াত্তা ও সহীহ বুখারী: বাবু কিয়ামি রামাযান।
১. তাবাকাতে ইবনে সাদ, পৃষ্ঠা: ৪৭।
২. মুসনাদে আহমাদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১২৮।
৩. সহীহ বুখারী: বাবু হাজ্জিন নিসা।
৪. পুরো বর্ণনা আছে মুয়াত্তা, باب قطع التلبية অংশে। কোহে ছাবিরে অবস্থানের ঘটনা আছে সহীহ ا باب طواف النساء : 1
৫. মুয়াত্তা, ইমাম মালেক রহ: ا صيام يوم عرفة