📘 উম্মুল মুমিনীন সীরাতে আয়েশা রা > 📄 হেজাজের পথে

📄 হেজাজের পথে


হযরত আলী রাযি. উম্মুল মুমিনীন রাযি.-কে তাঁর পক্ষাবলম্বী জনৈক বসরি নেতার বাড়িতে অবতরণ করালেন। উম্মুল মুমিনীনের বাহিনীর আহত সৈন্যরা ওই বাড়িতেই আত্মগোপন করেছিল। পরবর্তীতে হযরত আলী রাযি. এবং হযরত ইবনে আব্বাস রাযি. তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন। হযরত আলী রাযি. খুব ভালোভাবেই জানতেন যে, এই বাড়িতেই আহত সৈন্যরা আত্মগোপন করে আছে; কিন্তু তারপরও তিনি কিছু করেননি বা বলেননি। এরপর মুহাম্মাদ ইবনে আবু বকরের তত্ত্বাবধানে হযরত আয়েশা রাযি.-কে প্রায় চল্লিশজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম মহিলার সঙ্গে হেজাজে পৌঁছে দেওয়া হয়। সাধারণ মুসলমানগণসহ স্বয়ং হযরত আলী রাযি.-ও অনেক দূর পর্যন্ত বিদায় জানাতে এগিয়ে আসেন। ইমাম হাসান রাযি. কয়েক মাইল সঙ্গে গিয়েছিলেন। সফরের শুরুতে হযরত আয়েশা রাযি. জনসম্মুখে ঘোষণা দেন, হযরত আলী রাযি.-এর সঙ্গে আমার আগেও কোনো মনোমালিন্য ছিল না; এখনো নেই। তবে শ্বাশুড়ি ও জামাইয়ের মধ্যে যে দু-একটি বিষয় থাকে তা অস্বীকার করব না। হযরত আলী রাযি.-ও একই ধরনের কথা বলেন। এরপর এই ছোট্ট কাফেলাটি হেজাজের পথে রওয়ানা হয়।'

টিকাঃ
১. আলোচ্য ঘটনাগুলো সবই তারীখে তাবারী থেকে নেওয়া। দুঃখের বিষয়, ঐতিহাসিক ঘটনাগুলো এর চেয়ে গ্রহণযোগ্য আর কোনো সনদে আসেনি। কেননা, হাদীসগ্রন্থগুলো এসব ঘটনায় প্রায় নীরব।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00