📄 বসরায় হযরত আয়েশা রাযি.-এর বক্তৃতা
হযরত আলী রাযি.-এর পক্ষ থেকে বসরার গভর্নর ছিলেন উসমান ইবনে হানীফ। তিনি ইমরান এবং আবুল আসওয়াদকে বাস্তবতা যাচাইয়ের জন্য পাঠিয়ে দিলেন। তারা হযরত আয়েশা রাযি.-এর খেদমতে হাজির হলেন এবং গভর্নরের পক্ষ থেকে তাঁর বসরা আগমনের কারণ জানতে চাইলেন। হযরত আয়েশা রাযি. তাদের জিজ্ঞাসার জবাবে নিম্নোক্ত বক্তব্যটি উপস্থাপন করলেন:
'আল্লাহর কসম, না আমার মতো মানুষ কখনো কোনো দুরভিসন্ধি নিয়ে ঘর থেকে বের হতে পারে, না কোনো মা তাঁর সন্তানদের কাছ থেকে প্রকৃত অবস্থা গোপন রাখতে পারে। ঘটনা এই যে, কিছু কিছু গোত্রের একটি দুষ্টচক্র মহিমান্বিত মদীনাপ্রাঙ্গনে হামলা চালিয়েছে; সেখানে অশান্তির আগুন জ্বালিয়েছে, তাদের সমর্থকরাই শুধু সেখানে নিরাপদে আশ্রিত, এজন্য এরা আল্লাহর অভিশাপের যোগ্য; শুধু তাই নয়, তারা নিরপরাধ খলীফাতুল মুসলিমীনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, অন্যায়ভাবে পবিত্র রক্ত প্রবাহিত করেছে; যে সম্পদে হস্তক্ষেপের কোনো অধিকারই তাদের ছিল না, সে সম্পদও কুক্ষিগত করেছে; মহিমান্বিত নববীপ্রাঙ্গনের অপমান করেছে, পবিত্র হারাম মাসের অসম্মান করেছে;’ সম্মানিত ব্যক্তিবৃন্দকে লাঞ্ছিত, অপদস্থ করেছে; নিরপরাধ মুলমানদের বেধড়ক মেরেছে, মুসলমানদের বাড়িঘরে জোরপূর্বক ঢুকে পড়েছে; অথচ মুসলিমগণ তাদেরকে জায়গা দিতে চায়নি। এরা ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়েছে। এদের মাঝে কোনো কল্যাণ নেই। সহজ-সরল মুসলমানরা না এদের থেকে গা বাঁচিয়ে চলতে পারে, না এদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদে থাকতে পারে। আমি মুসলমানগণকে অসহায় অবস্থায় রেখে এসেছি। মুসলিমসমাজের কত ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে! ক্ষণে ক্ষণে কত অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে! অথচ মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন,
لَا خَيْرَ فِي كَثِيرٍ مِّنْ نَجْوَاهُمْ إِلَّا مَنْ أَمَرَ بِصَدَقَةٍ أَوْ مَعْرُوفٍ أَوْ إِصْلَاحٍ بَيْنَ النَّاسِ
অর্থ: তাদের অনেক আলাপ-আলোচনায়ই কোনো উপকার নেই। উপকার আছে শুধু তার কথায় যে আদেশ ও উপদেশ দেয় কল্যাণের, ন্যায়সঙ্গত কর্মের অথবা মানুষের মাঝে সংশোধনের। (সূরা নিসা, আয়াত: ১১৪)
শোনো, আমরা এই সংশোধনের আহ্বানই নিয়ে এসেছি। ছোট-বড়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল সকলকে এই আদেশই দিয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এটাই। আমরা তোমাদেরকে পূণ্য অর্জনের এবং পাপ বর্জনের আহ্বান করছি।'
ইমরান এবং আবুল আসওয়াদ হযরত আয়েশা রাযি.-এর কাছ থেকে উঠে হযরত তালহা রাযি. এবং হযরত যুবায়ের রাযি.-এর কাছে গেলেন। তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর পুনরায় হযরত আয়েশা রাযি.-এর কাছে গেলেন। হযরত আয়েশা রাযি. তাদের একজনকে সম্বোধন করে বললেন, আবুল আসওয়াদ, দেখো, তোমার প্রবৃত্তি যেন তোমাকে দোজখের দিকে টেনে না নেয়। এরপর তিনি এই আয়াতে কারীমা তেলাওয়াত করলেন:
كُونُوا قَوَّامِينَ لِلَّهِ شُهَدَاءَ بِالْقِسْطِ
অর্থ: তোমরা আল্লাহর কাজের জন্য প্রস্তুত থাকো, ন্যায় ও সত্যের সাক্ষী হও। (সূরা মায়েদা, আয়াত: ৮)
টিকাঃ
১. হযরত উসমান রাযি. জিলহজ মাসে শহীদ হয়েছিলেন।
📄 বসরা-গভর্নরের অপরিণামদর্শিতা
ফল এই হলো যে, প্রতিনিধিদ্বয়ের একজন—ইমরান যুদ্ধ থেকে সরে দাঁড়ালেন এবং বসরার গভর্নরকেও যুদ্ধ পরিহারের পরামর্শ দিলেন। কিন্তু গভর্নর তার পরামর্শ প্রত্যাখ্যান করলেন। উল্টো আগে থেকেই একজন বাগ্মী বক্তা ঠিক করে রাখলেন শুক্রবার জুমার নামাযের পূর্বে যখন লোকজন সমবেত হবে, তখন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার জন্য। ওই বক্তার বক্তব্য ছিল এরূপ:
'হাজিরিন, আমার নাম কায়স। এই মানুষগুলো, যাঁরা ইতোমধ্যে শহরের বাইরে এসে তাঁবু গেড়েছেন এবং আপনাদের কাছে সাহায্যের আবেদন করছেন, যদি জালেমদের হাত থেকে পালিয়ে এসে থাকেন এবং আপনাদের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে থাকেন, তা হলে তাদের এ কথা মোটেও ঠিক নয়। কেননা তারা এসেছেন মক্কা থেকে, যেখানে মানুষ মারা তো দূরের কথা, পাখি শিকার করাও নিষিদ্ধ। আর যদি তারা এটা মনে করে এখানে এসে থাকেন যে, আমাদের থেকে উসমান-হত্যার প্রতিশোধ নেবেন, তা হলে তো আমরা উসমানের হত্যাকারী নই। আমার কথা শুনুন, তারা যেখান থেকে এসেছেন, সেখানেই তাদেরকে ফিরে যেতে বলুন।'
শাস্ত্রজ্ঞ বক্তার বিভ্রান্তিকর তর্কজালে ফল যা হওয়ার হলো। এরই মধ্যে আগন্তুকদের মধ্য থেকে আরেকজন বলে উঠল:
'এই লোকগুলো কি বলছে যে, আমরা উসমান রাযি.-এর হত্যাকারী? বলছে না তো? এই লোকগুলো এজন্য আমাদের কাছে এসেছে যে, উসমান রাযি.-এর হত্যাকারীদেরকে শাস্তিপ্রদানে এরা আমাদের সাহায্য-সহযোগিতা লাভ করবে; যদি একথা সত্য হয়, যেমনটা তুমি বলছ, যে, তারা নিজ ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে এখানে এসেছে, তা হলে, তাদেরকে রক্ষা করবে কীসে? শহর, না শহরের মাঠ-ঘাট?'
আগন্তুকের শ্লেষাত্মক মন্তব্য বক্তৃতা ও বাগ্মিতার রীতি অনুসারে আগেরটার চেয়ে কোনো অংশে কম ছিল না।
📄 উত্তাল জনসমুদ্র : মক্কা ও মদিনা
একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তৃতা, শ্লেষাত্মক মন্তব্য ও বাদানুবাদের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে হযরত আয়েশা রাযি., হযরত তালহা রাযি. এবং হযরত যুবায়ের রাযি.-ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ময়দানে এসে গেলেন। প্রথমে হযরত তালহা রাযি. এবং পরে হযরত যুবায়ের রাযি. বক্তৃতা দিলেন। একের পর এক বক্তৃতা উত্তাল জনসমুদ্রে মতৈক্য ও মতানৈক্যের ঝড় তুলল।
📄 হযরত আয়েশা রাযি.-এর বক্তব্য
অবস্থা লক্ষ করে হযরত আয়েশা রাযি. অত্যন্ত ভাবগম্ভীর ও উচ্চ আওয়াজে কথা বলতে লাগলেন। হামদ ও সানার পর তাঁর বক্তব্যের শব্দগুলো ছিল নিম্নরূপ:
'লোকেরা উসমান রাযি.-এর ওপর আপত্তি করত। তাঁর আমলে বিভিন্ন পদধারী উচ্ছৃঙ্খল যুবকের দোষ-ত্রুটির কথা বলত। মদীনায় এসে আমাদের কাছে অভিযোগ-অনুযোগ করত, পরামর্শ চাইত। আমরা তাদেরকে সান্ত্বনা ও উপদেশ দিতাম এবং বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করতাম এবং তারা বুঝত। উসমান রাযি.-এর ওপর যে আপত্তিগুলো উত্থাপিত হয়েছিল, আমরা সেগুলো নিয়ে অনেক ভেবেছি। আসলে তিনি নির্দোষ, খোদাভীরু ও সরল পথের পথিক ছিলেন। পক্ষান্তরে যারা যেখানে-সেখানে হট্টগোল করত, আমাদের দৃষ্টিতে তাদেরকেই পাপী, প্রতারক ও পথভ্রষ্ট মনে হয়েছে। তাদের মনে ছিল এক, মুখে ছিল আরেক। ছলনার আশ্রয়ে যখন তাদের দল ভারী হয়ে গেল, তখন বিনা কারণে নিরপরাধ উসমান রাযি.-এর গৃহে ঢুকে পড়ল। যেই রক্ত তাদের জন্য বৈধ ছিল না, সেই রক্তই বইয়ে দিল। যেই সম্পদে তাদের কোনো অধিকার ছিল না, সেই সম্পদই আত্মসাৎ শুরু করল। যেই পবিত্র ভূমির সম্মান করা তাদের কর্তব্য ছিল, তারও অসম্মান করে ছাড়ল। ... হাঁ, এখন আমাদের যা করতে হবে, এবং যার বিরোধিতা করা মোটেই ঠিক হবে না, তা হলো—হযরত উসমান রাযি.-এর হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা এবং তাদের ওপর আল্লাহর বিধান কার্যকর করা। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন,
أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ أُوتُوا نَصِيباً مِّنَ الْكِتَابِ يَدْعُوْنَ إِلَى كِتَابِ اللَّهِ لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ يَتَوَلَّى فَرِيقٌ مِنْهُمْ وَهُمْ مُّعْرِضُونَ
অর্থ: আপনি কি তাদের দেখেননি, যাদেরকে আল্লাহর কিতাবের একটি অংশ দেওয়া হয়েছে? তাদের আল্লাহর কিতাবের দিকে আহ্বান করা হতো, যেন তারা সে অনুযায়ী তাদের মাঝে বিচারাচার করে; অথচ তারপর তাদের একটি দল উপেক্ষা-প্রদর্শনপূর্বক আল্লাহর কিতাব থেকে সরে গেল। (সূরা আ-লি ইমরান, আয়াত: ২৩)'
কিছু কিছু গ্রন্থে’ বিরাজমান পরিস্থিতিতে হযরত আয়েশা রাযি. থেকে আরও একটি বক্তৃতা সংকলিত হয়েছে, যা বাগ্মিতা ও অলঙ্কারশিল্পে পূর্বোক্ত বক্তৃতা থেকে আরও উন্নত। বক্তৃতাটি এই:
'লোকসকল, থামুন, শান্ত হোন!' হযরত উম্মুল মুমিনীনের মুখে উচ্চারিত শব্দগুলো এতটাই গাম্ভীর্যপূর্ণ ও ঐশী বলে বলীয়ান ছিল যে, মুহূর্তের মধ্যে পুরো ময়দানে স্তব্ধতা ছেয়ে গেল, চোখের পলকে বিশাল জনসমুদ্র নীরব-নির্বাক-নিস্তব্ধ হয়ে গেল। হযরত আয়েশা রাযি. বক্তব্যের শাণিত ধারাকে গতিময় করলেন এভাবে:
'আপনাদের ওপর আমার মাতৃত্বের অধিকার রয়েছে। আপনাদের উপদেশ দেওয়ার সম্মানও আমি প্রাপ্ত হয়েছি। যে তার প্রতিপালকের প্রকৃত অনুগত বান্দা নয় সে ছাড়া, কেউই আমাকে দোষারোপ করতে পারে না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বুকে মাথা রেখেই মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তাঁর প্রিয় পত্নীগণের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ আমাকে অন্য যে কোনো মানব- সংস্পর্শ থেকে সুরক্ষিত রেখেছেন।’ আমার সম্মানেই মুমিন আর মুনাফিকের ভেদ উন্মোচিত হয়েছে। আমার কারণেই আল্লাহ আপনাদের তায়াম্মুমের বিধান দান করেছেন। আমার সম্মানিত পিতাই ছিলেন পৃথিবীর বুকে তৃতীয় মুসলমান। তিনিই মহিমান্বিত হেরা গুহার ঈর্ষণীয় দুজনের দ্বিতীয় জন। পৃথিবীতে তিনিই প্রথম সিদ্দীক উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট থেকে, তাঁকে খেলাফতের তাজ প্রদান করে। যখনই ইসলাম ধর্মের ওপর কোনো আঘাত এসেছে, তখনই আমার পিতা শক্ত হাতে তা প্রতিহত করেছেন। মুনাফিকদের ফেতনার মোকাবেলা করেছেন। ধর্মদ্রোহীদের উচ্ছেদ করেছেন। ইহুদিদের চক্রান্তকে নস্যাৎ করেছেন। আপনারা তাঁর সময়ে অভ্যন্তরীণ যে কোনো গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলা থেকে নিশ্চিন্তে থাকতে পেরেছেন। নেতৃস্থানীয়দের নিয়ে কোনো বাদানুবাদ, কোনো ঝগড়া-বিবাদ আপনাদের কর্ণগোচর হয়নি। তিনি কণ্টকাকীর্ণকে করেছেন কুসুমাস্তীর্ণ, অচলাবস্থাকে করেছেন সচল, প্রহরাকে করেছেন নিশ্ছিদ্র। তিনি অন্তরের ব্যাধিগুলোর নিরাময় করেছেন। যে তৃপ্ত, তাকে পৌঁছে দিয়েছেন ঘরে। যে পিপাসার্ত, তাকে নিয়ে এসেছেন ঘাটে। যে একবার পান করেছে, তাকে আরেকবার পান করিয়েছেন। এভাবে, যখন সকল ফেতনার মূলোৎপাটন হলো এবং মুসলমানরা পেলেন খেলাফতে রাশেদার স্বাদ, তখন আল্লাহ তাঁকে উঠিয়ে নিলেন আপন রহমতের কোলে। বিদায়লগ্নে তিনি এমন এক মহান ব্যক্তিকে স্থলাভিষিক্ত করে গেলেন, প্রজাদের সুরক্ষায় যিনি ছিলেন একনিষ্ঠ, ভ্রান্তি থেকে দূরে-মদীনার দুই পাহাড়ের চেয়েও দূরে। যিনি ইসলামের দুশমনদের প্রতি ছিলেন কঠোর। সরলমনা মানুষের প্রতি ছিলেন উদার। মুসলমানদের কল্যাণে জেগেছেন রাতের পর রাত। চলেছেন অগ্রবর্তীদেরই পথে। ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছেন বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগের প্রতিটি বীজ। অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করেছেন পবিত্র কুরআনের প্রতিটি বাণী। ... হাঁ, আজ আমি আমার সন্তানদের প্রশ্নবাণের লক্ষ্যবস্তু—কেন এভাবে সৈন্যসামন্ত নিয়ে ঘর থেকে বের হয়েছি? কী আমার উদ্দেশ্য? আমার উদ্দেশ্য বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগকে উসকে দেওয়া নয়; আমার উদ্দেশ্য বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগের মূলোৎপাটন করা। আমি যা বলছি, সত্য ও ন্যায়ের সঙ্গে বলছি। আমি যা করছি, সজাগ ও সচেতনভাবে করছি। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন তাঁর রাসূলের প্রতি করুণা বর্ষণ করেন এবং রাসূলের স্থলবর্তীদের সাহচর্য ও স্থলবর্তিতার সম্মান আপনাদের নসীব করেন।
টিকাঃ
১. বক্তৃতাটি ইবনে আবদি রাব্বিহ আল-ইকদুল ফরিদ গ্রন্থের অধ্যায়ে এবং জঙ্গে জামাল অংশে পুরোপুরি উদ্ধৃত করেছেন। শাহ ওয়ালিউল্লাহ রহ. ইযালাতুল খাফা গ্রন্থে জঙ্গে জামালের আলোচনায় এর একটি অংশের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। আহমদ ইবনে আবি তাহের (মৃত্যু: ২০৪ হি.) বালাগাতুন নিসা গ্রন্থে বক্তৃতাটি তুলে ধরেছেন।
১. তিনিই একমাত্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কুমারী স্ত্রী ছিলেন।
২. ইফকের (অপবাদ আরোপের) ঘটনার ইঙ্গিত।
৩. এর কাছাকাছি অর্থের আরও একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা মুজামুত তাবারানি গ্রন্থে মুহাম্মাদ ইবনে হাসানের সূত্রে বর্ণিত আছে; পৃষ্ঠা: ২১৮ (মাতবুআয়ে আনসারি, দিল্লি)।