📄 হযরত আবু বকর রাযি. আনন্দিত হলেন
সাহাবা কেরামের অবসাদগ্রস্ত মুজাহিদবাহিনী, যারা ওযুর পানির অভাবে হতভম্ব হয়েছিলেন, মহান আল্লাহর করুণাধারায় সিক্ত হয়ে তাজা হয়ে উঠলেন। তাঁদের সব ক্লান্তি-অবসাদ নিমিষেই দূর হয়ে গেল। হর্ষে আনন্দে কৃতজ্ঞাতাস্বরূপ সম্মানিতা মাতার জন্য কল্যাণ ও বরকতের দুআ করতে লাগলেন। হযরত উসায়েদ ইবনে হুযায়ের রাযি. অত্যন্ত বড় মাপের সাহাবী ছিলেন। আনন্দের আতিশায্যে তিনি চিৎকার করে বলে উঠলেন-সিদ্দীক পরিবার ওহে, ইসলামে এ তোমাদের প্রথম দান নহে। সিদ্দীকে আকবর রাযি. যিনি একটু আগেও নয়নমণিকে শিষ্টাচার শেখানোর জন্য অস্থির হয়ে উঠেছিলেন—ছুটে গেলেন প্রিয়তমা কন্যার কাছে। বুকভরা গর্ব নিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে ডাক দিয়ে বললেন—আমার কলিজার টুকরা, তুমি যে এত কল্যাণী, এত বরকতময়ী, তা আমার জানা ছিল না। আল্লাহ তোমার ওসিলায় মুসলমানদের কত আসানি ও সহজতা দান করেছেন!
অবশেষে যাত্রাবিরতির সমাপ্তি টেনে উটকে উঠানো হলো। দেখা গেল, উম্মুল মুমিনীনের মহিমান্বিত হারটি ওখানেই পড়ে আছে।
টিকাঃ
১. সবগুলো ঘটনা সহীহ বুখারী: বাবুত তায়াম্মুম-এ এসেছে।
১. মুসনাদে আহমদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৩৭৩।
২. সহীহ বুখারী: বাবুত তায়াম্মুম।