📄 স্ত্রীর মন রক্ষা করা
নবীজীবন মানবজীবনের সর্বোত্তম আদর্শ। তাই স্ত্রীর মন রক্ষা করারও শিক্ষা দিয়ে গেছেন প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। মাঝেমধ্যে স্ত্রীর মন-রক্ষার্থে তিনি এমন এমন কথা বলতেন, এমন এমন কাজ করতেন, যা একটু অস্বাভাবিকই লাগে। যেমন দেখা যায়, তিনি হযরত আয়েশা রাযি.-এর খেলাধুলায় থেকে-থেকে আনন্দ প্রকাশ করতেন। হযরত আয়েশা রাযি. এক আনসারি কন্যার প্রতিপালন করেছিলেন। তিনি যখন অত্যন্ত সাদামাটা ও অনাড়ম্বরভাবে পুষ্যিকন্যার বিবাহ দিচ্ছিলেন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মন যোগাতে বলেছিলেন—একি আয়েশা, গানবাজনা তো হলোই না!
একবার ঈদের দিন। হাবশিরা উৎসবের জন্য হেলেদুলে বর্শা উঁচিয়ে পালোয়ানি প্রদর্শন করছিল। হযরত আয়েশা রাযি. দেখার আগ্রহ করলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সামনে এবং হযরত আয়েশা রাযি. পেছনে দাঁড়িয়ে গেলেন। যতক্ষণ হযরত আয়েশা রাযি. নিজে সরে না গেলেন, ততক্ষণই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোজা দাঁড়িয়ে থাকলেন।
একবার হযরত আয়েশা রাযি. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে আগে বেড়ে-বেড়ে কথা বলছিলেন। ঘটনাক্রমে হঠাৎ আবু বকর রাযি. এসে পড়লেন। এই অবস্থা দেখে তিনি এতটাই ক্রোধান্বিত হলেন যে, হযরত আয়েশা রাযি.-কে থাপ্পড় মারতে গেলেন; সঙ্গে-সঙ্গে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত ধরে নিলেন। হযরত আবু বকর রাযি. চলে গেলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—দেখলে, তোমাকে কীভাবে বাঁচালাম?
একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি শিশুকন্যাকে সঙ্গে নিয়ে এলেন। জিজ্ঞেস করলেন—আয়েশা, একে চেন? আরজ করলেন, জি না, হে আল্লাহর রাসূল। বললেন—এ অমুকের দাসী; তুমি এর গান শুনবে? হযরত আয়েশা রাযি. ইচ্ছা প্রকাশ করলে মেয়েটি কয়েক মুহূর্ত গান গাইল। গান শোনার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, গায়িকাদের নথের মধ্যে শয়তান বাঁশি বাজায়। বোঝা গেল, এ ধরনের গানকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদম অপছন্দ করেছেন।’
টিকাঃ
১. মুসনাদে আহমদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৬৯। সহীহ বুখারী: كتاب النکاح, فاتھ الباری।
২. সহীহ বুখারী : باب حسن المعاشرة ا الادب، باب ما جاء في المزاح : 727764
১. মুসনাদে আহমদ : মুসনাদে আয়েশা রাযি.।
📄 স্ত্রীকে আনন্দ দেওয়া
স্ত্রীর মনোরঞ্জনের জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাঝেমধ্যে গল্পও বলতেন। একবার কথা প্রসঙ্গে খুরাফার নাম উঠল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—জানো, খুরাফা কে? খুরাফা উষরা গোত্রের এক নামকরা লোক ছিল। খুরাফাকে ভুতেরা তুলে নিয়ে গিয়েছিল। ভূতের দেশে গিয়ে যেসব আশ্চর্য জিনিস দেখেছিল, ফিরে এসে লোকজনকে সেগুলো বলত। এজন্যই লোকেরা আশ্চর্য কিছু শুনলে বলে—এ তো খুরাফার গল্প’ (উর্দু ভাষায় 'খুরাফা'-র বহুবচন 'খুরাফাত'। শব্দটি 'অলীক' অর্থে ব্যবহৃত)।
একবার হযরত আয়েশা রাযি. গল্প বলা শুরু করলেন। গল্পের ভাষাসৌন্দর্য ও মর্ম আমাদের আলোচ্য বিষয় নয়। এখানে শুধু গল্পের অনুবাদটা দেওয়া হচ্ছে:
'একদিন এগারো জন সখী মিলে এক জায়গায় বসে গল্প করছিল। তারা ঠিক করল—প্রত্যেকে যার যার স্বামী সম্পর্কে বলবে, কিন্তু একদম ঠিকঠাক; এদিক-সেদিক করবে না। প্রথমজন বলল, আমার বর পাহাড়ের চূড়ায় রাখা উটের গোশতের মতো; না সেখানে কারও উঠে যাওয়ার সাধ্য হবে, আর না কারও তা উঠিয়ে নেওয়ার সাধ হবে। দ্বিতীয়জন বলল, আমি আমার বরের কথা বলব না, বাবা। যদি বলি, তা হলে এত কথা আছে যে, ভয় হয়, কিছু ছেড়ে দেব; কিংবা গোপন-অগোপন সব ঝেড়ে দেব। তৃতীয়জন বলল, আমার বরের কথা বলব না; খুব রোখা-কিছু বললে বিয়ের গিঠই খুলে যাবে; আর না বললে জীবনটাই ঝুলে যাবে।
চতুর্থজন বলল, আমার বর হেজাজের রাতের মতো নাতিশীতোষ্ণ; কাঁপায়ও না, খ্যাপায়ও না। পঞ্চমজন : আমার বর ঘরে এলে চিতা, বাইরে গেলে বাঘ; কথা দিলে রাখবেই, দ্বিতীয়বার আর বলতে হবে না।
ষষ্ঠজন: আমার বর — খেলে, একাই সব গিলে ফেলে; পিলে, একাই সব শুকিয়ে ফেলে; আর শুলে বিছানা-বালিশ সব তার; ভেতরে হাত দিয়ে দেখার বালাই নেই। সপ্তমজন বলল, আমারটা তো মাথামোটা; রোগাটেও, বখাটেও — কখন ধরে যে ঘাড় মটকায় বা হাড় মচকায়, ঠিক- ঠিকানা নেই। অষ্টমজন বলল, আমার বর — ছোঁবে, তো খরগোশকোমল; শুঁকবে, তো কুসুমসঙ্কাশ! নবমজন বলল, আমার বর — যেমন বড় শরীর, তেমন বড় মন। বিশাল বাড়ির চালা। ১ ব্যস্ত বাড়ির চুলা। ২ ব্যাপ্ত হাতের হাতিয়ার। ৩ দশমজন বলল, আমার বর — মালিক! মালিক কী বোঝ? আরে না, এর চেয়েও বেশি কিছু। বিশাল তার উটের পাল; বাড়িতেই থাকে পড়ে, মাঠে চড়ে কী করে? অতিথি আসে যদি, আপ্যায়নে দেরি হবে না? সানাই বাজলে আর মানায় কে? উট জবাই হবেই হবে। শেষ জন বড় লম্বা কাহিনী জুড়ে দিল : আমার বর — আমার বরের নাম আবু যারা। আবু যারা কে, ভেবেছ কী? আমার কত গহনা জানো? শরীরে আমার চর্বি ধরিয়ে দিয়েছে। আদরে আদরে মনও ভরিয়ে দিয়েছে। আরে, বকরিওয়ালার বাড়ি থেকে তুলে এনে উট-ঘোড়া আর সেবক-ভরা বাড়িতে আমার সে কী যত্ন! যাই বলি — মন্দ নয়। খাবে, তো যত পারো, খাও। ঘুমাবে, তো যত খুশি ঘুমাও। আবু যারার মা — আবু যারার মায়ের কথা বলছ? তার সিন্দুকের কাপড়চোপড় দেখেছ! জিনিসপত্তরের জাঁকজমক দেখেছ! আবু যারার ছেলে — আবু যারার ছেলে কেমন? যেন খোলা তলোয়ার! কচি ছাগের ভুনা না খেলে তার তৃপ্তিই হয় না। আবু যারার মেয়ে—আবু যারার মেয়ে কেমন? মা-বাপের নয়নমণি, ময়মুরব্বির অনুগতা, সতিনের ঈর্ষা, সখীদের খুশি। আবু যারার দাসী—আবু যারার দাসী কেমন? ঘরের কথা পরের কাছে কয় না, একটুও খাবার নষ্ট করে না, ঘরদোর অগোছালো রাখে না।"...
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধৈর্য ধরে দীর্ঘক্ষণ কাহিনী শুনলেন। এরপর বললেন—আয়েশা, আবু যারা উম্মে যারার জন্য যেমন ছিল, আমি তোমার জন্য তেমনই। তাই না?
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই যে, এরকম অন্তরঙ্গ মুহূর্তেও আজান হলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর দেরি করতেন না। সঙ্গে সঙ্গে উঠে চলে যেতেন। হযরত আয়েশা রাযি. বলেন—তখন মনে হতো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের চেনেনই না।
টিকাঃ
২. শামাইলে তিরমিযী: باب حديث خرافة। মুসনাদে আহমদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ১৫৭।
৩. ইমাম নাসাঈ গল্পটিকে স্বয়ং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছেন।
১. ধনাঢ্যতা বোঝাতে।
২. দানশীলতা বোঝাতে।
৩. পরোপকার বোঝাতে।
৪. সহীহ বুখারী, ৭৮০ পৃষ্ঠা। আবু হুসনিল মুআশারা।
১. ইমাম গাযালি রহ. ইহইয়াউল উলুম গ্রন্থে ইশতিরাতুল খুযু অধ্যায়ে ঘটনাটি এনেছেন। সহীহ বুখারী كيف يكون الرجل في أهله অধ্যায়েও এর কাছাকাছি একটি হাদীস আছে।
📄 স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে পানাহার
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই হযরত আয়েশা রাযি.-কে সঙ্গে নিয়ে এক দস্তরখানে বরং এক বাসনে খাবার খেতেন। এভাবেই একবার একসঙ্গে খাবার খাচ্ছিলেন। এমন সময় হযরত উমর রাযি. এলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকেও ডেকে নিলেন এবং তিনজন একসঙ্গে খাবার খেলেন’ (তখনও পর্দার বিধান আসেনি)। খেতে খেতেও ভালোবাসার প্রকাশার্থে হযরত আয়েশা রাযি. যেই হাড্ডি মুখে নিতেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সেই হাড্ডিই মুখে নিতেন। পেয়ালায় যেই অংশে হযরত আয়েশা রাযি. মুখ লাগাতেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও সেই অংশেই মুখ লাগাতেন। একবার তাঁরা একসঙ্গে খাবার খাচ্ছিলেন। এমন সময় হযরত সাওদা রাযি. অভিযোগ নিয়ে এলেন—হযরত উমর রাযি. প্রয়োজনেও তাঁকে বের হতে দেন না।’ আরও বর্ণিত আছে, রাতের অন্ধকারে ঘরে বাতি থাকত না। তাই অনেক সময় দুজনের হাত একই খাবারের ওপর পড়ে যেত।
একবার এক পারসিক প্রতিবেশী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাওয়াত দিলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—আয়েশাও যাবে। তিনি বললেন—না। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—তাহলে আমিও যাব না। লোকটি পরপর দুবার এলেন এবং একই প্রশ্নোত্তরের পর ফিরে গেলেন। তৃতীয়বার আবার এলেন, এবারও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন—আয়েশাকেও দাওয়াত দিচ্ছ তো? শেষমেষ লোকটি বললেন—জি হাঁ। এরপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং হযরত আয়েশা রাযি. দুজনেই তার ঘরে গেলেন।
টিকাঃ
২. মুজাম তাবরানি, ৪৫ পৃষ্ঠা। আদাবুল মুফরাদ, ইমাম বুখারী রহ. : باب أكل الرجل مع امرأته ا
৩. মুসনাদে আহমদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ৬৪। সুনানে আবি দাউদ, অধ্যায়: مواكلة الحائض ا
১. সহীহ বুখারী: কিতাবুন নিকাহ, বাবু খুরুজিন নিসা।
২. মুসনাদে আহমদ: ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃষ্ঠা: ২৩৭।
৩. ঘটনাটি খুব সম্ভব হিজরী সনের শুরুর দিকের। হাদীসবিশারদগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক একাকী নিমন্ত্রণগ্রহণে অসম্মত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন এভাবে : তখন নবীপরিবারে ভীষণ অভাব ছিল। বিশেষ করে সেদিন ঘরে আহার্য কিছু ছিল না। ঘরে স্ত্রী অনাহারে থাকবেন, আর বাইরে তিনি তৃপ্তিসহকারে আহার করবেন—এটা তাঁর পছন্দ হয়নি। অপরপক্ষে প্রতিবেশী যে মুখের ওপর দুই দুইবার অনিচ্ছা ব্যক্ত করেছেন—তার কারণ, তার ঘরেও অভাব ছিল। ব্যবস্থা ছিল একজন মেহমানেরই। কিন্তু বিষয়টির গুরুতরতা বুঝতে পেরে তৃতীয়বার তিনি আরও কিছু খাবার যোগাড় করেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে আসেন। ...ফিকহবিদগণ এই হাদীসকে সামনে রেখে বলেন—কোনোরকম ভনিতা, কৃত্রিমতা বা অজুহাত ছাড়াই বন্ধু-বান্ধবের নিমন্ত্রণ গ্রহণ না করা বা নিমন্ত্রণে আরও কাউকে সঙ্গে নেওয়ার জন্য তাগাদা দেওয়া জায়েয। হাদীসটি সহীহ মুসলিম, الأطعمه অধ্যায়ে এসেছে। নববীও দ্রষ্টব্য।
📄 সঙ্গে নিয়ে সফর করা
সফরে পবিত্র স্ত্রীগণের সকলকে সঙ্গে নেওয়া সম্ভব ছিল না। আবার যে কোনো একজনকে বিশেষভাবে প্রাধান্য দেওয়াও ঠিক নয়। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরের পূর্বে লটারি করতেন। যার নাম উঠত, তিনিই এই সম্মানের অধিকারী হতেন। হযরত আয়েশা রাযি.-ও বিভিন্ন সফরে সঙ্গে যাওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন। গাযওয়ায়ে বনী মুসতালিকে সঙ্গে থাকার বিষয়টি সুস্পষ্ট। যেই সফরে হযরত আয়েশা রাযি. ও হযরত হাফসা রাযি.-এর উট পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছিল তার কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। এরকম আরও একটি সফরের কথা হাদীসে এসেছে, যাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও হযরত আয়েশা রাযি. দৌড় প্রতিযোগিতা করেছিলেন।
গাযওয়ায়ে বনী মুসতালিকে দুটো অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছিল। দুটোতেই আল্লাহ তাআলা হযরত আয়েশা রাযি.-কে অশেষ সম্মান ও অফুরন্ত মর্যাদা দান করেছিলেন। প্রথম ঘটনার ফলে তায়াম্মুমের বিধান নাজিল হয় আর দ্বিতীয় ঘটনার ফলে নিষ্পাপ, নিষ্কলঙ্ক, পূত-পবিত্র নারীদের সম্মান রক্ষার আইন (বিবরণ সামনে আসছে)। মুসনাদে আহমদ-এর একটি বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, হুদায়বিয়ার সফরেও হযরত আয়েশা রাযি. সঙ্গে ছিলেন। আর বিদায় হজের সফরে তো অধিকাংশ স্ত্রীই ছিলেন; সুতরাং হযরত আয়েশা রাযি. থাকাই স্বাভাবিক।
টিকাঃ
৪. সহীহ বুখারী, অধ্যায় : القرعة بين النساء
১. মুসনাদে আহমদ : মুসনাদে আয়েশা রাযি.।