📘 উলূমুল হাদীস কী,কেন কিভাবে 📄 জরাহ তা’দীলের কিতাব সমূহের প্রকার ও তার তালিকা

📄 জরাহ তা’দীলের কিতাব সমূহের প্রকার ও তার তালিকা


জরাহ তা'দীলের কিতাবগুলোকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়:

১. ইমামগণের নিজস্ব সংকলিত কিতাব বা তাঁদের ছাত্রকর্তৃক সংকলিত বক্তব্য: যেমন- ‘আত-তাবাকাতুল কুবরা’ (ইবনে সা’দ), ‘তারীখে ইবনে মায়ীন’, ‘সুয়ালাতে ইবনুল জুনায়েদ’, ‘আল-ইলাল ওয়া মা’রিফাতুর রিজাল’ (আহমাদ বিন হাম্বল), ‘আত-তারীখুল কাবীর’ (বুখারী), ‘আল-জারহু ওয়াত তা’দীল’ (ইবনে আবী হাতিম), ‘কিতাবুত তিক্বাত’ ও ‘কিতাবুল মাজরূহীন’ (ইবনে হিব্বান), ‘আল-কামিল’ (ইবনে আদী)। এছাড়া খতীবে বাগদাদীর ‘তারীখে বাগদাদ’ ও ইবনে আসাকিরের ‘তারীখে দামেশক’ উল্লেখযোগ্য।

২. ইমামগণের বক্তব্য সনদসহ উল্লেখ করা হয়েছে এমন কিতাব।

৩. ইমামগণের বক্তব্য সনদ ছাড়া একত্র করা হয়েছে এমন কিতাব: আব্দুল গনী মাকদিসী রহ. লিখেছেন ‘আল-কামাল ফী আসমায়ির রিজাল’। একে ভিত্তি করে মিযযী রহ. লিখেছেন ‘তাহযীবুল কামাল’। একে কেন্দ্র করে আরও অনেক কিতাব লেখা হয়েছে যেমন- মুগলতাই রহ. এর ‘ইকমাল’, যাহাবী রহ. এর ‘তাযহীব’, ইবনে হাজার রহ. এর ‘তাহযীবুত তাহযীব’। কুতুবে সিত্তার বাইরের রাবীদের জন্য কাসিম বিন কুতলুবুগা রহ. এর ‘আত-তিক্বাত’ উল্লেখযোগ্য।

৪. ইমামগণের বক্তব্যের আলোকে পরবর্তী কোনো ইমামের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: যেমন- যাহাবী রহ. এর ‘আল-কাশিফ’, ‘আল-মুগনী ফিস সুয়াফা’ এবং ইবনে হাজার রহ. এর ‘তাকরীবুত তাহযীব’। ‘তাকরীবুত তাহযীব’ কিতাবে প্রত্যেক রাবীর ব্যাপারে এককথায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এর পর্যালোচনায় ‘তাহরীরু তাকরীবিত তাহযীব’ (শুআইব আরনাউত ও বাশশার আওয়াদ) এবং ‘কাশফুল আওহাম’ (মাহির ইয়াসিন ফাহল) রচিত হয়েছে।

এছাড়া ‘আল-ইসাবাহ’, ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’, ‘মারাতিবুল উসূল’ ইত্যাদি কিতাব থেকেও রাবীদের চূড়ান্ত অবস্থা জানা যায়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px