📄 জরাহ তা’দীলের ইমামগণের তালিকা
কয়েকজন প্রসিদ্ধ জরাহ তা'দীলের ইমামের নাম ও তাঁদের মৃত্যুসন দেওয়া হলো:
শা'বী রহ. (১০৩ হি.), ইবনে সীরীন রহ. (১১০ হি.), আবু হানীফা রহ. (১৫০হি.), মা'মার রহ. (১৫৩হি.), আওযাঈ রহ. (১৫৭হি.), শু'বা রহ. (১৬০হি.), সুফিয়ান সাওরী রহ. (১৬১হি.), মালেক রহ. (১৭৯হি.), আব্দুল্লাহ বিন মুবারক রহ. (১৮১হি.), ওয়াকি' রহ. (১৯৭ হি.), ইয়াহয়া বিন সাইদ আল কত্তান রহ. (১৯৮ হি.), আব্দুর রহমান বিন মাহদী রহ. (১৯৮ হি.)।
শাফেয়ী রহ. (২০৪ হি.), আবু উবাইদ কাসিম বিন সাল্লাম রহ. (২২৪ হি.), ইবনে সা'দ রহ. (২৩০ হি.), ইবনে মায়ীন রহ. (২৩৩ হি.), আলী ইবনুল মাদীনী রহ. (২৩৪ হি.), ইবনে আবী শাইবা রহ. (২৩৫হি.), আহমাদ বিন হাম্বল রহ. (২৪১ হি.), আমর বিন আলী ফাল্লাস রহ. (২৪৯ হি.)।
বুখারী রহ. (২৫৬হি.), আবু যুরআ রহ. (২৬৪ হি.), আবু দাউদ রহ. (২৭৫ হি.), আবু হাতিম রহ. (২৭৭ হি.), তিরমিযী রহ. (২৭৯ হি.), আবু বকর বাযযার রহ. (২৯২ হি.)।
নাসায়ী রহ. (৩০৩ হি.), ইবনে খুযাইমা রহ. (৩১১ হি.), তহাবী রহ. (৩২১ হি.), ইবনে হিব্বান রহ. (৩৫৪ হি.), তবারনী রহ. (৩৬০ হি.), ইবনে আদী রহ. (৩৬৫ হি.), দারাকুতনী রহ. (৩৮৫হি.)।
হাকিম রহ. (৪০৫ হি.), ইবনে আবদুল বার রহ. (৪৬৩ হি.), খতীবে বাগদাদী রহ. (৪৬৩ হি.)।
আইম্মাতুল জারহি ওয়াত তা'দীলের সংখ্যা আরও অনেক। তবে এঁরা হলেন তুলনামূলক অধিক প্রসিদ্ধ এবং রাবীদের ব্যাপারে তাঁদের মতামতই বেশি পাওয়া যায়।
📄 জরাহ তা’দীলের কিতাব সমূহের প্রকার ও তার তালিকা
জরাহ তা'দীলের কিতাবগুলোকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়:
১. ইমামগণের নিজস্ব সংকলিত কিতাব বা তাঁদের ছাত্রকর্তৃক সংকলিত বক্তব্য: যেমন- ‘আত-তাবাকাতুল কুবরা’ (ইবনে সা’দ), ‘তারীখে ইবনে মায়ীন’, ‘সুয়ালাতে ইবনুল জুনায়েদ’, ‘আল-ইলাল ওয়া মা’রিফাতুর রিজাল’ (আহমাদ বিন হাম্বল), ‘আত-তারীখুল কাবীর’ (বুখারী), ‘আল-জারহু ওয়াত তা’দীল’ (ইবনে আবী হাতিম), ‘কিতাবুত তিক্বাত’ ও ‘কিতাবুল মাজরূহীন’ (ইবনে হিব্বান), ‘আল-কামিল’ (ইবনে আদী)। এছাড়া খতীবে বাগদাদীর ‘তারীখে বাগদাদ’ ও ইবনে আসাকিরের ‘তারীখে দামেশক’ উল্লেখযোগ্য।
২. ইমামগণের বক্তব্য সনদসহ উল্লেখ করা হয়েছে এমন কিতাব।
৩. ইমামগণের বক্তব্য সনদ ছাড়া একত্র করা হয়েছে এমন কিতাব: আব্দুল গনী মাকদিসী রহ. লিখেছেন ‘আল-কামাল ফী আসমায়ির রিজাল’। একে ভিত্তি করে মিযযী রহ. লিখেছেন ‘তাহযীবুল কামাল’। একে কেন্দ্র করে আরও অনেক কিতাব লেখা হয়েছে যেমন- মুগলতাই রহ. এর ‘ইকমাল’, যাহাবী রহ. এর ‘তাযহীব’, ইবনে হাজার রহ. এর ‘তাহযীবুত তাহযীব’। কুতুবে সিত্তার বাইরের রাবীদের জন্য কাসিম বিন কুতলুবুগা রহ. এর ‘আত-তিক্বাত’ উল্লেখযোগ্য।
৪. ইমামগণের বক্তব্যের আলোকে পরবর্তী কোনো ইমামের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: যেমন- যাহাবী রহ. এর ‘আল-কাশিফ’, ‘আল-মুগনী ফিস সুয়াফা’ এবং ইবনে হাজার রহ. এর ‘তাকরীবুত তাহযীব’। ‘তাকরীবুত তাহযীব’ কিতাবে প্রত্যেক রাবীর ব্যাপারে এককথায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। এর পর্যালোচনায় ‘তাহরীরু তাকরীবিত তাহযীব’ (শুআইব আরনাউত ও বাশশার আওয়াদ) এবং ‘কাশফুল আওহাম’ (মাহির ইয়াসিন ফাহল) রচিত হয়েছে।
এছাড়া ‘আল-ইসাবাহ’, ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা’, ‘মারাতিবুল উসূল’ ইত্যাদি কিতাব থেকেও রাবীদের চূড়ান্ত অবস্থা জানা যায়।