📄 مرسل، منقطع، معضل، معلق، مدلس
এই প্রত্যেকটা সূরতকে সহজে ও সংক্ষেপে বুঝানোর জন্য মুহাদ্দিসীনে কেরাম কিছু পরিভাষা ব্যবহার করেছেন।
যেমন এই সবগুলো সূরতকে منقطع বা مرسل বলে। তবে مرسل শব্দটি বেশি ব্যবহার হয় কোনো তাবেয়ী যদি সরাসরি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কোনো রেওয়ায়াত করে।
সনদে লাগাতার দুই বা একাধিক ব্যক্তি অনুল্লেখ থাকলে معضل বলে। তাই তাবে' তাবেয়ী বা তাদের পরবর্তী কোনো রাবী সরাসরি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে রেওয়ায়াত করলে তাকে معضل বলে।
লেখক যদি একেবারেই সনদ উল্লেখ না করে অথবা তার থেকে নিয়ে সনদের শুরুর কোনো অংশ উল্লেখ না করে তাহলে তাকে معلق বলে।
সনদে বিচ্ছিন্নতার ৪ নং সূরতের শেষের অংশ এবং ৫ নং সূরতকে পরিভাষায় مدلس বলে, যদি নিচের রাবী তার উপরের রাবী থেকে শুনেছে এমন ভাব প্রকাশ করে। আর যে রাবীর ব্যাপারে জানা যায়, তার মাঝে উস্তাদগণ থেকে যা শুনেনি তা শোনার ভাব প্রকাশ করে রেওয়ায়াত করার অভ্যাস আছে তাকে مدلس বলে।
📄 জন্মসন মৃত্যুসন কীভাবে মুখস্থ রাখা যায়
অবশ্যই। নাযেম সাহেব তো শুরুতেই আমাকে বলেছেন, পড়ার সময় যে ইমামদের নাম আসবে তাদের জন্মসন ও মৃত্যুসন মুখস্থ করে নিবে। তাই আমি শুরু থেকেই মুখস্থ করার প্রতি গুরুত্ব দেই। কিন্তু যা মুখস্থ করতাম তা কিছুদিন পরেই ভুলে যেতাম। তাই এখন প্রত্যেক শতাব্দীর জন্য একটা পেড নির্ধারণ করেছি। একটাতে ১০০ হিজরীর আগ পর্যন্ত যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের নাম লিখে রাখি। আরকেটাতে ১০১ থেকে ২০০ হিজরী মধ্যে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের নাম নোট করি। আরেকটাতে ২০১ থেকে ৩০০ হিজরীর মধ্যে যারা ইন্তেকাল করেছেন তাদের নাম নোট করি। এভাবে প্রত্যেক শতাব্দীর জন্য আলাদা আলাদা পেড রেখেছি। প্রত্যেকের নামের সাথে তাদের জন্ম ও মৃত্যুসন লিখে রাখি। কয়েকদিন পরপর নোটগুলোতে নজর বুলাই। এতে করে অনেকের জন্ম ও মৃত্যুসন, বিশেষকরে মৃত্যুসন মুখস্থ হয়ে গেছে আলহামদুল্লিাহ। নতুন কোনো নাম আসলে তা নোট করার পাশাপাশি এভাবে মুখস্থ রাখার চেষ্টা করি যে, তার আশপাশে কে কে ইন্তেকাল করেছেন তা স্মরণ করি এবং মনে রাখি, তারা তারা কাছাকাছি সময়ের। অথবা প্রত্যেক শতাব্দীর ঐ সনটিতে কারা কারা ইন্তেকাল করেছেন তা স্মরণ করি। এতে মুখস্থ রাখতে সহজ হয়। পড়ার সময় যখনই কোনো পরিচিত নাম আসে তার মৃত্যুসন স্মরণ করার চেষ্টা করি। মনে না আসলে পেড দেখে তার মৃত্যুসনটা বের করি। এভাবে মুখস্থ তাজা থাকে।