📄 ত্রুটিগুলো থেকে বাঁচার উপায়
১. জনগণের আগ্রহের জোয়ারে না ভেসে তাদের প্রয়োজন সামনে রেখে কথা বলতে হবে।
২. গলদ কথা প্রচার প্রসার করার ভয়াবহতা নিজের দিলে বসাতে হবে। وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ * إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا (سورة بني إسرائيل: ٣٦)
অর্থ: যে বিষয়ে তোমার নিশ্চিত জ্ঞান নেই (তাকে সত্য মনে করে) তার পিছনে পড়ো না। জেনে রেখো, কান, চোখ ও অন্তর এর প্রতিটি সম্পর্কে (তোমাদেরকে) জিজ্ঞেস করা হবে।
فَاسْأَلُوا أَهْلَ الذِّكْرِ إِنْ كُنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ (سورة النحل: ৪৩)
অর্থ: যদি এ বিষয়ে তোমাদের জানা না থাকে, তবে জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করে নাও।
এই দুই আয়াতের উপর আমল করতে হবে। বিশেষ করে لا نثبت إلا بعلم ونتহفظ في النفي 'যথাযথ না জেনে কোন কিছু সাব্যস্ত করব না। কোন বিষয়কে নাকচ করতেও যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করব'- এই মূলনীতির উপর আমল করতে হবে।
৩. বয়ানের আগে বিষয়বস্তু ঠিক করে নিতে হবে। যা যা বলা হবে তা আগেই তাহকীক করে নিতে হবে। আলোচনায় অন্য কিছু চলে আসলেও নিজেকে তা বলা থেকে বিরত রাখতে হবে।
৪. বয়ানের ময়দানে নামার আগে এই কিতাবগুলো অবশ্যই পড়ে নিতে হবে:
কুতুবুল কসাস ওয়াল মুজাক্কিরীন লিবনিল জাওযী (৫৯৭)
আল-বায়িছু আলাল খালাস মিন হাওয়াদিছিল কসাস লিল-ইরাকী (৮০৬)
তাহযীরুল খওয়াস মিন আকাজিবি কসাস লিস-সুয়ূতী (৯১১)
৫. আহলে ইলমের থেকে নিজ বয়ানের পর্যালোচনা গ্রহণ করবে। রেকর্ড থাকলে কোনো ভুল হয়েছে কি না তা জানার জন্য নিজেও মাঝে মাঝে শুনবে।