📘 উলামা তলাবা > 📄 করার মত দুটি কাজ

📄 করার মত দুটি কাজ


প্রিয় শিক্ষার্থী ভাইয়েরা! আপনারা দুইভাবে আপন উপযোগিতা প্রমাণ করতে পারেন এবং নিজেদের অস্তিত্বের স্বীকৃতি আদায় করে নিতে পারেন, জীবনের অধিকার সৃষ্টি করতে পারেন।
এক. অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রের মাধ্যমে।
দুই. বহির্জগতে কর্মক্ষেত্রের মাধ্যমে।
অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্র হল— আপনারা জ্ঞান-গরিমায় পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা অর্জন করুন। কথাটি আমি একজন এরূপ বিশ্ব পর্যটক হিসাবে বলছি যার বিশ্ব পর্যটন সম্পর্কে মানপত্রেও ইঙ্গিত করা হয়েছে, হযরত আমীরে শরীয়তও বলেছেন। এটা আত্মপ্রশংসা নয়। আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় বার বার বহির্দেশে গমনের সুযোগ আমার হয়েছে। শুধু গমন নয় বরং সেসব দেশের ঐসব মজলিসেও অংশগ্রহণ করার সুযোগ আমার হয়েছে শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনার জন্য যেসব মজলিস অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বহির্দেশের এই জাতীয় কোন কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। কথাটি আমি এজন্য বললাম, যাতে আপনারা আমার এই আহ্বান ও অনুরোধকে মূল্যায়ন করেন। এটা কোন পথচারীর কথা নয় বরং এটা এমন এক ব্যক্তির কথা, যে ব্যক্তি ঐ সকল মজলিসে অংশগ্রহণ করেছে এবং পৃথিবীর পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্তে ঘুরে প্রভূত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। আমি আপনাদেরকে বলছি যে, আপনারা ইলম ও জ্ঞানে পূর্ণাঙ্গতা অর্জন করুন। যে কোন জ্ঞানই হোক তাতে পূর্ণাঙ্গতা অর্জনই কেবল আপনাদের জন্য কল্যাণকর। আপনারা যদি হতাশার শিকার হন এবং মনে করেন যে, আমরা—যদি আরবী ভাষায় দক্ষতা অর্জন করি, দ্বীনী ইলমে যোগ্যতা অর্জন করি তাতে আমাদের কী লাভ হবে? জঙ্গলে ময়ূরের নাচ কে দেখতে যায়? আমাদের এই দক্ষতার মূল্যায়ন কে করবে? আমি বলব, আপনাদের এই জাতীয় চিন্তা আপনাদের অজ্ঞতার পরিায়ক। আমি আপনাদেরকে বলছি, এখান থেকে নিয়ে ইউরোপ, আমেরিকা পর্যন্ত, অক্সফোর্ড ও ক্যামব্রীজ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সর্বত্র আপনাদের এই ইলমের কদর ও মর্যাদা আছে। সর্বত্র এর মূল্যায়ন আছে। তবে শর্ত একটাই।

তা হল পূর্ণ দক্ষতা ও যোগ্যতা ও পাণ্ডিত্য অর্জন করতে হবে। পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা কাকে বলে? কয়েকটি শব্দ শিখে নেওয়ার নাম পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা নয়। 'শাদ্দ' আর 'বাদ্দ' এবং 'কানা' আর 'ইয়াকুনু'—এর নাম নয়। আপনি আরবী পড়তে পারেন এবং তা বুঝতে পারেন এতটুকুকে কেউ পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা বলে না। পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা তো বলে তাকে, যা অন্যের স্বীকৃতি আদায় করে নিতে পারে, শত্রুরাও যে যোগ্যতার স্বীকৃতি দান করতে বাধ্য হয়।

আমি আপনাদেরকে অত্যন্ত আস্থার সঙ্গে বলতে পারি, যুগ-পরিবর্তনের ধুয়া সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। যারা বলে, 'যুগ পরিবর্তিত হয়ে গেছে, আর তোমরা সেই পিছনেই পড়ে আছ, তোমরা কোথায় তোমাদের সময়ের অপচয় করছ? আরে ভাই! কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে পড়তে, বিজ্ঞান পড়তে, ইংরেজী পড়তে, অর্থনীতি নিয়ে পড়তে, ফিজিক্স পড়তে, প্রযুক্তি বিজ্ঞানের জ্ঞান লাভ করতে ইত্যাদি ইত্যাদি; তারা প্রকৃতপক্ষে ধোঁকা দিচ্ছে। এসব কথা খাম-খেয়ালিমূলক ও নির্বুদ্ধিতাসুলভ বৈ নয়। আপনি যে কোন বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ যোগ্যতা অর্জন করুন, নিজেকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত করে গড়ে তুলুন। দেখবেন, অতঃপর আপনার এই অভিযোগ থাকবে না যে, যুগ আমাদেরকে পাত্তা দিচ্ছে না, আমাদের জন্য কোন জায়গা নেই। দ্বীনী শিক্ষার যে অবমূল্যায়ন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন তা অযোগ্যতার কারণেই।

📘 উলামা তলাবা > 📄 ইউনানী চিকিৎসা ধারা অবলুপ্তি ঘটেছে যোগ্য চিকিৎসকের অভাবে

📄 ইউনানী চিকিৎসা ধারা অবলুপ্তি ঘটেছে যোগ্য চিকিৎসকের অভাবে


অন্য কোন উদাহরণ পেশ করলে বুঝতে হয়তো সমস্যা হত। দেখুন, এক কালে সারা ভারতবর্ষে ইউনানী চিকিৎসা ব্যবস্থার জয়-জয়কার ছিল। জায়গায় জায়গায় হেকিমখানা ছিল। হিন্দু, মুসলমান, মূর্খ, জ্ঞানী নির্বিশেষে সকলেই হেকিম সাহেবদের শরণাপন্ন হত। তাদের হেকিমখানাগুলোতে সব সময় ভিড় লেগে থাকত। আপনারা কি বলবেন, সেই ইউনানী চিকিৎসা ব্যবস্থার পতন ঘটেছে অ্যালোপ্যাথি এসেছে বলে? হোমিওপ্যাথি এসেছে বলে? নতুন নতুন মেডিসিন এসেছে বলে? আমি এটা মানি না। প্রকৃতপক্ষে হেকিমী চিকিৎসা ব্যবস্থার পতন ঘটেছে পূর্বের ন্যায় যোগ্য হেকিম সৃষ্টি হচ্ছে না বলে। বর্তমানে স্বভাবজাত মেধাবী, প্রতিভাবান ও সৃজনশীল মেধার অধিকারী চিকিৎসক সৃষ্টি হচ্ছে না। যদি সেই রকম হেকিম ও চিকিৎসক তৈরি হয়, তবে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, তাদের নিকট অ্যালোপ্যাথি ডাক্তাররা পর্যন্ত যাবে। এটা অতিশয়োক্তি নয়। আপনাদের শহরের সিভিল সার্জন তার কাছে যাবে। যখন তার নিজের চিকিৎসা ব্যবস্থায় তার রোগমুক্তি ঘটছে না তখন বেচারা কী করবে? আমি জালিনুস ও বাকরাতের ন্যায় ব্যক্তির কথা বলছি না। আমি হেকিম আবদুল আলী, হেকিম আজমল খান সাহেবের নাম উল্লেখ করতে চাই। হেকিম মাহমুদ খানের নাম উল্লেখ করতে চাই। তাদের সমপর্যায়ের না হলেও অন্তত যদি তাদের অর্ধেক যোগ্যতার অধিকারী হেকিম এই যুগে জন্ম নেয় তবে ইউনানী চিকিৎসা ব্যবস্থার অবলুপ্তির কিসসা খতম হয়ে যাবে। এই চিকিৎসা ব্যবস্থা পুনরায় তার জৌলুস ফিরে পাবে। বোঝা যাবে যে, চিকিৎসা ব্যবস্থাটি এখনও জীবিত আছে। আসল ব্যাপার হল আগেকার যুগে দরসে নেজামীতে লেখাপড়া শেষ করে মানুষ হেকিমী চিকিৎসা বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করতে যেত। যত বড় বড় আলেম ছিলেন তাঁরা প্রায় সকলেই এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করেছেন। অবশ্য হযরত মাওলানা রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী (রহ.)-এর কথা আমার জানা নেই। তাঁদের কেউ কেউ এই চিকিৎসা ব্যবস্থাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তাঁরা এরূপ মেধাবী ও যোগ্য ছিলেন যে, হাতের নাড়িতে হাত রেখেই রোগীর সকল রোগের সন্ধান পেয়ে যেতেন।

📘 উলামা তলাবা > 📄 মাদরাসার অবস্থাও তদ্রূপ

📄 মাদরাসার অবস্থাও তদ্রূপ


আমাদের দ্বীনী ইলমের অবস্থাও তদ্রূপ। আপনি কোন শাস্ত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করুন, স্বাতন্ত্র্য ও বিশিষ্টতা নিজের মধ্যে সৃষ্টি করুন। পৃথিবী আপনাকে শ্রেষ্ঠ বলে মেনে নেবে। জীবন-জীবিকার সমস্যারও সমাধান হয়ে যাবে। মাদরাসাগুলোর যে সঙ্কট বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে তা দূরীভূত হবে। আমাদের হীনমন্যতা, অলসতা এবং কাজে ফাঁকি দেওয়ার মানসিকতার ফলেই আজ যোগ্যতা সৃষ্টি হচ্ছে না। এ ব্যাপারে আমাদের মাওলানা মিন্নাতুল্লাহ সাহেবের বিশেষ অভিজ্ঞতা থাকবে নিশ্চয়ই। তিনি নাদওয়াতুল উলামা ও দারুল উলুম দেওবন্দ উভয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ রোকন। তিনি দেখে থাকবেন, কী ধরনের আলেম এই প্রতিষ্ঠানদ্বয় থেকে বের হচ্ছে। দাওরায়ে হাদীসের পরীক্ষার্থী, অথচ ইবারত বিশুদ্ধভাবে পড়তে পারে না।

'ইন্নামাল আমালু বিন নিয়্যাত'—এই প্রথম হাদীসটিই বিশুদ্ধভাবে পাঠ করতে পারে না। তরজমা করে ভুল। এই জাতীয় আলেমই কয়েক বৎসর যাবৎ বের হচ্ছে। আমার ধারণায় গত বিশ বৎসর যাবৎ এই অবক্ষয় স্পষ্টভাবে দৃশ্যগোচর হচ্ছে। অথচ এই জাতীয় আলেমরাই অভিযোগ করে যে, যুগ এখন আমাদের নেই। আমাদের পিতা-মাতা মাদরাসায় পড়িয়ে আমাদের জীবন বরবাদ করে দিয়েছে। আমি বলছি যে, আজও এরূপ ব্যক্তি আছেন যিনি কোন বিষয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন আর যেখানে আছেন সকলের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে আছেন। অতএব যদি কেউ কোন বিষয়ে যোগ্যতা ও পাণ্ডিত্য অর্জন করে নেয় তবে অর্থনৈতিক সঙ্কট সহ তার সব ধরণের পেরেশানী দূর হয়ে যাবে। যদি কারও ক্ষেত্রে এরপরও অর্থনৈতিক সঙ্কট ও পেরেশানীর বিষয়টি পরিলক্ষিত হয় তবে বুঝতে হবে তার মধ্যে অন্য কোন পারিপার্শ্বিক দুর্বলতা বিদ্যমান। কিছুক্ষণ পূর্বে মাওলানার মজলিসে আমি বলছিলাম যে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে আমি দারুল উলুম মাজাহিরুল উলুমে বয়ান করেছি। সেখানে আমি বলেছিলাম যে, কোন যোগ্য ও পণ্ডিত ব্যক্তি সম্পর্কে যদি তোমরা শোন অথবা ইতিহাসে পাঠ কর যে, তিনি জীবনে ব্যর্থ হয়েছেন, তাঁর মূল্যায়ন কেউ করেনি, তাহলে নিশ্চিত বিশ্বাস কর যে, তাঁর মধ্যে কোন দুর্বলতা ছিল, তাঁর মধ্যে কোন ধরণের পাগলামী ছিল, তাঁর নাক উঁচু ছিল, তাঁর মধ্যে অহংকার ছিল, গালিগালাজ করত, দুর্ব্যবহার করত ইত্যাদি কোন না কোন মন্দ স্বভাব তাঁর মধ্যে ছিল। ফলে মানুষ তার দ্বারা উপকৃত হতে পারেনি। নতুবা আমি এটা মানি না যে, কোন যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি—যিনি সু-স্বভাবের অধিকারী, সঙ্গতিপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ আচরণের অধিকারী—ধ্বংস ও বরবাদ হয়ে গেছেন, তাঁর কেউ মূল্যায়ন করেনি।

📘 উলামা তলাবা > 📄 প্রকৃতপক্ষে পরিশ্রমের অভাব

📄 প্রকৃতপক্ষে পরিশ্রমের অভাব


আমি আরও একটা কথা বলতে চাই। কথাটা আমার মত ব্যক্তির মুখ থেকে শুনলে আপনারা অবাক হবেন বৈ কি। আপনারা জানেন, আমাদের নাদওয়াতুল উলামার ভিত্তিই স্থাপিত হয়েছে পাঠ্যসূচি সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে। এর প্রতিষ্ঠাতা হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ আলী সাহেব (রহ.) প্রাচীন পাঠ্যসূচি অনুযায়ী শিক্ষাগ্রহণ করেই বিশাল ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। প্রাচীন পাঠ্যসূচিও যে পণ্ডিত ও যোগ্য আলেম তৈরি করতে পারে তিনি ছিলেন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনিই ছিলেন পাঠ্যসূচি সংস্কারের প্রবক্তা ও উদ্যোক্তা। আমরা পাঠ্যসূচি সংস্কারের পক্ষপাতি। মাওলানা মিন্নাতুল্লাহ সাহেবও এর সমর্থক। কিন্তু আমি আপনাদেরকে বলতে চাই—আসল বিষয় পাঠ্যসূচি নয়। বরং আসল বিষয় হচ্ছে মেহনত ও সাধনা এবং শিক্ষকবৃন্দের শিক্ষাদান। প্রাচীন পাঠ্যসূচি অনুযায়ী শিক্ষাগ্রহণ করেও ঐসব ব্যক্তিত্ব তৈরি হয়েছেন নতুন পাঠ্যসূচি অনুযায়ী শিক্ষাগ্রহণ করে যাদের ন্যায় ব্যক্তিত্ব এখন তৈরি হচ্ছে না। তাহলে বিষয়টা কী? সমস্যা কোথায়? অথচ এটা যথোচিত সত্য যে, প্রাচীন পাঠ্যসূচির তুলনায় নতুন পাঠ্যসূচি অনেক ক্ষেত্রেই শ্রেষ্ঠ।

'মাকামাতে হারীরী' ও 'নাফহাতুল ইয়ামান' অপেক্ষা গদ্য সাহিত্যের আর কোন উত্তম কিতাব ছিল না, যার দ্বারা ভাষা ও সাহিত্যের বিশুদ্ধ ও উন্নত রুচি সৃষ্টি হতে পারত, মনের ভাব প্রকাশের যথোপযুক্ত যোগ্যতা সৃষ্টি হতে পারত তখন তো এইরূপ বড় বড় ব্যক্তি তৈরি হয়েছেন যাঁরা অনন্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছেন। আল্লামা যাবিদী সৃষ্টি হয়েছেন, মাওলানা গোলাম আলী বুলগেরামী সৃষ্টি হয়েছেন, শায়খ মুহসিন বিন ইয়াহইয়া সৃষ্টি হয়েছেন, নবাব সিদ্দীক হাসান খান সৃষ্টি হয়েছেন, মাওলানা সদরুদ্দীন আযুরদাহ সৃষ্টি হয়েছেন।

আর আজ গদ্য সাহিত্যের চমৎকার সব কিতাব পড়ানো হচ্ছে কিন্তু সেই রকম ব্যক্তিত্ব সৃষ্টি হচ্ছে না। পাঠ্যসূচিই যদি এক্ষেত্রে নিয়ামকের ভূমিকা পালন করত তাহলে ঐরূপ ব্যক্তি সৃষ্টি হওয়া অনিবার্য ছিল। আমাদেরকেই দেখুন। মাওলানা মাসউদ আলম নদভী সাহেব আমাদের সঙ্গী ছিলেন, বন্ধু ছিলেন। তিনি আরবী সাহিত্যে অত্যন্ত পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন। কিন্তু তিনি পড়েছিলেন কী? এই মাকামাতে হারীরী ইত্যাদি গ্রন্থই পড়েছিলেন। আমিও ছাত্র জীবনে মাকামাতে হারীরী পড়েছি। অন্যান্য কিতাবও পড়েছি। আসলে এক্ষেত্রে শিক্ষকবৃন্দের মেহনতের ভূমিকা ছিল যথেষ্ট। সঙ্গে ছিল ছাত্রদের মেহনত ও অক্লান্ত পরিশ্রম। পাঠ্যগ্রন্থ শুধু সহায়ক ছিল মাত্র। আমি এখনও পাঠ্যসূচি পরিবর্তনের পক্ষে। তবে শুধু পাঠ্যসূচি পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়। সঙ্গে ছাত্র-শিক্ষক উভয়ের পরিশ্রম অত্যাবশ্যক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00