📄 বিশুদ্ধ আকীদা-বিশ্বাসের সংরক্ষণ
ভাই ও বন্ধুগণ! আমি আপনাদের অনেক সময় নিয়ে নিলাম। কিন্তু কী করব বলুন— ‘লাযীয বুদ হিকায়াত দরায তার গুফতাম’ (কাহিনী তো বড় মজাদার, বিবরণ-আলাপ তাই করতে হল দীর্ঘ)।
বিদায় গ্রহণের পূর্বে একটি শেষ কথা বলতে চাই। কথাটি যদিও শেষে বলছি কিন্তু এর গুরুত্ব পূর্ববর্তী বিষয়গুলোর তুলনায় কোন অংশে কম নয়। আপনাদের ও আমাদের যাঁরা আসলাফ ও পূর্বসূরী তাঁদের সর্বাধিক মহান কীর্তি হল, তাঁরা মুসলিম সমাজের দ্বীনী চেতনা ও দ্বীনী মূল্যবোধের হেফাযত করেছেন। সমকালীন সমূহ ফেতনা ও বৈরী সঙ্কটের মোকাবেলায় তাঁরা ছিলেন নিরলস ও সংশপ্তক। রসম ও রেওয়াজ, বেদআত ও কুসংস্কার এবং জাহেলী রীতি-নীতি ও সংস্কারের বিরুদ্ধে নিরন্তর দাওয়াত ও সংগ্রামে কোন প্রকার অবহেলা কি শৈথিল্য তাঁরা প্রদর্শন করেননি। সেই সব পূর্বসূরীদের মধ্যে হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ ইসমাইল, মাওলানা রশীদ আহমদ গাঙ্গুহীর ন্যায় পর্বতসম অটল নকীবে শরীয়তের নাম উদাহরণ স্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে। তাঁরা সবকিছুই বরদাশত করেছেন কিন্তু বিদআত কি শরীয়ত বিরোধী কার্যকলাপ তাঁরা কখনও বরদাশত করেননি। ইংরেজ শাসনামলে যখন এই দেশে পাশ্চাত্য রীতি-নীতি ও সভ্যতা ও নাস্তিক্য ধ্যান-ধারণা ও আকীদা বিশ্বাস প্লাবনের রূপ ধারণ করল তখন পর্বতসম দৃঢ়তা নিয়ে নিজেদের আদর্শ ও সভ্যতা-সংস্কৃতিকে তাঁরা সুপ্রতিষ্ঠিত রেখেছেন, নিজেকে কি সমাজকে সেই প্লাবনে ভেসে যেতে দেননি। আপনাদের আসলাফ ও পূর্বসূরীগণ ছিলেন বুদ্ধি-দীপ্ত চেতনার অধিকারী, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও দ্বীনী মূল্যবোধের বিষয়ে নিরতিশয় আত্মমর্যাদাবোধের অধিকারী। বহুরূপী যে বিদআতসমূহ মুসলমানদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হতে চলেছিল তাঁরা এক মুহূর্তের জন্যও সেগুলোকে বৈধতার সনদ দেননি। তাঁরা শরীয়ত রক্ষায় নিঃস্বার্থ ও একনিষ্ঠ প্রহরীর দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে গেছেন। শরীয়তের কোনরূপ বিকৃতি কি কোন বিদআত তাঁদের সতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়নি। জনসাধারণের গালি-গালাজ ও তিরস্কার তাদের উপেক্ষা ও জ্বালাতন এমনকি তাঁদের বিরুদ্ধে কুফরীর ফতওয়া— এসব কিছুই তাঁরা বরদাশত করেছেন কিন্তু নিজের আদর্শ ও বিশ্বাসের প্রশ্নে তাঁরা এতটুকু আপোষ করেননি। সমাজের লাখ লাখ মানুষ যে আজ সর্বনাশা বিদআত হতে সুরক্ষিত আছে এবং এখন পর্যন্তও যে মুসলিম সমাজে ঐ সকল বিদআত সর্বতোভাবে গ্রহণযোগ্য ও স্বীকৃতি পায়নি তা তাঁদের ঐ সর্বংসহা প্রচেষ্টা ও সংগ্রামেরই ফসল। আল্লাহ তাআলা শরীয়তের ঐ সকল সেবাকর্মীর, দ্বীনের ঐ সকল রক্ষকের কবরকে শীতল রাখুন এবং উম্মতের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে সর্বোৎকৃষ্ট প্রতিদান দান করুন। আমীন!
আসমান উনকি লাহাদ পার শাবনাম আফশানি কারে
সাবযা নূরসতা ইস ঘর কি নেগাহবানি কারে
তাঁর সমাধিকে আসমান করুক শিশিরসিক্ত ঐ গৃহকে পাহারা দিক নতুন গজানো সবুজ তৃণলতা।
তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব যে অসামান্য নিষ্ঠা ও সুন্দর ও সুচারুরূপে আঞ্জাম দিয়েছেন তাতে তাঁদের দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতা, তাঁদের দ্বীনী উপলব্ধি, তাঁদের জ্ঞানের গভীরতা ও দৃঢ়তার সত্যিকারের পরিচয় আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ‘মিনাল মুমিনিনা রিজালুন সাদাকু মা আহাদুল্লাহা আলাইহি ফামিনহুম মান কাদা নাহবাহু ওয়া মিনহুম মাই ইয়ানতাযিরু ওয়ামা বাদ্দালু তাবদিলা’— মুমিনদের মধ্য থেকে কেউ কেউ আল্লাহর সাথে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে, আর তাদের কেউ কেউ তাদের জীবন দান করেছে। তারা তাদের অঙ্গীকারের কোন পরিবর্তন করে নাই। (সুরা আহযাব ২৩)
তাঁরা তাঁদের জীবনকে রক্ষাপ্রাচীর বানিয়ে এই বাগানের হেফাযত করেছেন। তাঁরা তাঁদের রক্ত দ্বারা তার বৃক্ষাদি সিঞ্চিত করেছেন এবং আমাদেরকে দেখিয়ে গেছেন যে, বাগে শরীয়তের রক্ষণাবেক্ষণ ও মালিগিরি এইভাবেই করতে হয়। ‘আগাশতহ ঈম হার সারে খারে বেখুনে দিল, কানূনে বাগবানি সায়রা নুশতাহ ঈম’— কলজের খুন দ্বারা প্রতিটি কাঁটার মাথা নিষিক্ত করেছি (এবং তা দ্বারা) বিয়াবানের বাগান পরিচর্যার নিয়ম-কানুন লিখে দিয়েছি।
ভাই ও বন্ধুগণ! আমি আপনাদের অনেক সময় নিয়ে নিলাম। কিন্তু কী করব বলুন— ‘লাযীয বুদ হিকায়াত দরায তার গুফতাম’ (কাহিনী তো বড় মজাদার, বিবরণ-আলাপ তাই করতে হল দীর্ঘ)।
বিদায় গ্রহণের পূর্বে একটি শেষ কথা বলতে চাই। কথাটি যদিও শেষে বলছি কিন্তু এর গুরুত্ব পূর্ববর্তী বিষয়গুলোর তুলনায় কোন অংশে কম নয়। আপনাদের ও আমাদের যাঁরা আসলাফ ও পূর্বসূরী তাঁদের সর্বাধিক মহান কীর্তি হল, তাঁরা মুসলিম সমাজের দ্বীনী চেতনা ও দ্বীনী মূল্যবোধের হেফাযত করেছেন। সমকালীন সমূহ ফেতনা ও বৈরী সঙ্কটের মোকাবেলায় তাঁরা ছিলেন নিরলস ও সংশপ্তক। রসম ও রেওয়াজ, বেদআত ও কুসংস্কার এবং জাহেলী রীতি-নীতি ও সংস্কারের বিরুদ্ধে নিরন্তর দাওয়াত ও সংগ্রামে কোন প্রকার অবহেলা কি শৈথিল্য তাঁরা প্রদর্শন করেননি। সেই সব পূর্বসূরীদের মধ্যে হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ ইসমাইল, মাওলানা রশীদ আহমদ গাঙ্গুহীর ন্যায় পর্বতসম অটল নকীবে শরীয়তের নাম উদাহরণ স্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে। তাঁরা সবকিছুই বরদাশত করেছেন কিন্তু বিদআত কি শরীয়ত বিরোধী কার্যকলাপ তাঁরা কখনও বরদাশত করেননি। ইংরেজ শাসনামলে যখন এই দেশে পাশ্চাত্য রীতি-নীতি ও সভ্যতা ও নাস্তিক্য ধ্যান-ধারণা ও আকীদা বিশ্বাস প্লাবনের রূপ ধারণ করল তখন পর্বতসম দৃঢ়তা নিয়ে নিজেদের আদর্শ ও সভ্যতা-সংস্কৃতিকে তাঁরা সুপ্রতিষ্ঠিত রেখেছেন, নিজেকে কি সমাজকে সেই প্লাবনে ভেসে যেতে দেননি। আপনাদের আসলাফ ও পূর্বসূরীগণ ছিলেন বুদ্ধি-দীপ্ত চেতনার অধিকারী, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও দ্বীনী মূল্যবোধের বিষয়ে নিরতিশয় আত্মমর্যাদাবোধের অধিকারী। বহুরূপী যে বিদআতসমূহ মুসলমানদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হতে চলেছিল তাঁরা এক মুহূর্তের জন্যও সেগুলোকে বৈধতার সনদ দেননি। তাঁরা শরীয়ত রক্ষায় নিঃস্বার্থ ও একনিষ্ঠ প্রহরীর দায়িত্ব আঞ্জাম দিয়ে গেছেন। শরীয়তের কোনরূপ বিকৃতি কি কোন বিদআত তাঁদের সতর্ক দৃষ্টি এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়নি। জনসাধারণের গালি-গালাজ ও তিরস্কার তাদের উপেক্ষা ও জ্বালাতন এমনকি তাঁদের বিরুদ্ধে কুফরীর ফতওয়া— এসব কিছুই তাঁরা বরদাশত করেছেন কিন্তু নিজের আদর্শ ও বিশ্বাসের প্রশ্নে তাঁরা এতটুকু আপোষ করেননি। সমাজের লাখ লাখ মানুষ যে আজ সর্বনাশা বিদআত হতে সুরক্ষিত আছে এবং এখন পর্যন্তও যে মুসলিম সমাজে ঐ সকল বিদআত সর্বতোভাবে গ্রহণযোগ্য ও স্বীকৃতি পায়নি তা তাঁদের ঐ সর্বংসহা প্রচেষ্টা ও সংগ্রামেরই ফসল। আল্লাহ তাআলা শরীয়তের ঐ সকল সেবাকর্মীর, দ্বীনের ঐ সকল রক্ষকের কবরকে শীতল রাখুন এবং উম্মতের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে সর্বোৎকৃষ্ট প্রতিদান দান করুন। আমীন!
আসমান উনকি লাহাদ পার শাবনাম আফশানি কারে
সাবযা নূরসতা ইস ঘর কি নেগাহবানি কারে
তাঁর সমাধিকে আসমান করুক শিশিরসিক্ত ঐ গৃহকে পাহারা দিক নতুন গজানো সবুজ তৃণলতা।
তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব যে অসামান্য নিষ্ঠা ও সুন্দর ও সুচারুরূপে আঞ্জাম দিয়েছেন তাতে তাঁদের দূরদর্শিতা ও বিচক্ষণতা, তাঁদের দ্বীনী উপলব্ধি, তাঁদের জ্ঞানের গভীরতা ও দৃঢ়তার সত্যিকারের পরিচয় আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ‘মিনাল মুমিনিনা রিজালুন সাদাকু মা আহাদুল্লাহা আলাইহি ফামিনহুম মান কাদা নাহবাহু ওয়া মিনহুম মাই ইয়ানতাযিরু ওয়ামা বাদ্দালু তাবদিলা’— মুমিনদের মধ্য থেকে কেউ কেউ আল্লাহর সাথে তাদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে, আর তাদের কেউ কেউ তাদের জীবন দান করেছে। তারা তাদের অঙ্গীকারের কোন পরিবর্তন করে নাই। (সুরা আহযাব ২৩)
তাঁরা তাঁদের জীবনকে রক্ষাপ্রাচীর বানিয়ে এই বাগানের হেফাযত করেছেন। তাঁরা তাঁদের রক্ত দ্বারা তার বৃক্ষাদি সিঞ্চিত করেছেন এবং আমাদেরকে দেখিয়ে গেছেন যে, বাগে শরীয়তের রক্ষণাবেক্ষণ ও মালিগিরি এইভাবেই করতে হয়। ‘আগাশতহ ঈম হার সারে খারে বেখুনে দিল, কানূনে বাগবানি সায়রা নুশতাহ ঈম’— কলজের খুন দ্বারা প্রতিটি কাঁটার মাথা নিষিক্ত করেছি (এবং তা দ্বারা) বিয়াবানের বাগান পরিচর্যার নিয়ম-কানুন লিখে দিয়েছি।
📄 আধুনিক যুগের ফেতনা
সেই সঙ্গে আরও একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, আধুনিক যুগে নতুন নতুন ফেতনা আত্মপ্রকাশ করছে। পুরানো জাহিলিয়াতের প্রকাশ ঘটছে নতুন রূপে। পূর্বে ছিল বিদআতের সমস্যা, কিন্তু এখন প্রচলন লাভ করছে স্পষ্ট পৌত্তলিকতা ও প্রাচীন মূর্তিপূজা সদৃশ ধ্যান-ধারণা ও কার্যকলাপ। এই পরিস্থিতি আমাদের দ্বীনী মূল্যবোধ, আমাদের দ্বীনী স্বকীয়তা ও আমাদের তাওহীদী আকীদা-বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। দেখার বিষয় হল— যারা বিদআত ও সাধারণ রসম-রেওয়াজকে পর্যন্ত বরদাশত করেননি তারা এইসব শিরক-আশ্রয়ী রসম রেওয়াজকে ও শিরকী কর্মকাণ্ডকে বরদাশত করেন কীরূপে এবং এসবের বিরুদ্ধে তাদের কর্মধারাই বা কী হয়। আমাদের পূর্বসূরীগণের ইস্পাত-সম দ্বীনী দৃঢ়তা, দ্বীনের ব্যাপারে তাঁদের অসম সাহসিকতা ও বীরত্বের কথা আমরা অকুণ্ঠচিত্তে স্বীকার করি এবং আল্লাহ ও মানুষের সামনে এই সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত যে, বাতিলের মোকাবেলায় তাঁরা কখনও মাথা নত করেননি, কখনও অস্ত্র ত্যাগ করেননি। দেখার বিষয় হল, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের সম্পর্কে কী ধারণা পোষণ করবে এবং ইতিহাসের পাতায় আমাদের সম্পর্কে কীরূপ চিত্র অঙ্কিত হবে।
সেই সঙ্গে আরও একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, আধুনিক যুগে নতুন নতুন ফেতনা আত্মপ্রকাশ করছে। পুরানো জাহিলিয়াতের প্রকাশ ঘটছে নতুন রূপে। পূর্বে ছিল বিদআতের সমস্যা, কিন্তু এখন প্রচলন লাভ করছে স্পষ্ট পৌত্তলিকতা ও প্রাচীন মূর্তিপূজা সদৃশ ধ্যান-ধারণা ও কার্যকলাপ। এই পরিস্থিতি আমাদের দ্বীনী মূল্যবোধ, আমাদের দ্বীনী স্বকীয়তা ও আমাদের তাওহীদী আকীদা-বিশ্বাসের বিরুদ্ধে এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। দেখার বিষয় হল— যারা বিদআত ও সাধারণ রসম-রেওয়াজকে পর্যন্ত বরদাশত করেননি তারা এইসব শিরক-আশ্রয়ী রসম রেওয়াজকে ও শিরকী কর্মকাণ্ডকে বরদাশত করেন কীরূপে এবং এসবের বিরুদ্ধে তাদের কর্মধারাই বা কী হয়। আমাদের পূর্বসূরীগণের ইস্পাত-সম দ্বীনী দৃঢ়তা, দ্বীনের ব্যাপারে তাঁদের অসম সাহসিকতা ও বীরত্বের কথা আমরা অকুণ্ঠচিত্তে স্বীকার করি এবং আল্লাহ ও মানুষের সামনে এই সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত যে, বাতিলের মোকাবেলায় তাঁরা কখনও মাথা নত করেননি, কখনও অস্ত্র ত্যাগ করেননি। দেখার বিষয় হল, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের সম্পর্কে কী ধারণা পোষণ করবে এবং ইতিহাসের পাতায় আমাদের সম্পর্কে কীরূপ চিত্র অঙ্কিত হবে।
📄 আধুনিক যুগে আমাদের দায়িত্ব
বন্ধুগণ! তাকদীরে ইলাহী ও আল্লাহ তাআলার রহস্যময় নির্বাচন আমাদের জন্য যে যুগ নির্বাচিত করেছে সেই যুগে আমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব অত্যন্ত বিশাল ও বিস্তৃত। তবে এই দায়িত্ব পালন যথাযথ হলে এর প্রতিদান ও সফলতাও বিশাল ও বিপুল। দায়িত্ব হতে পলায়ন কি যুগের নিকট পরাজয়বরণ কাপুরুষতা ব্যতীত কিছু নয়। ভবিষ্যতের অবশিষ্ট সময়টুকু প্রস্তুতি কাজে ব্যয় করুন। আল্লাহ তাআলা আপনাদেরকে সর্বোত্তম মুরব্বী এবং দরদী উস্তাদ দান করেছেন। একটি দ্বীনী পরিবেশ এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠান আপনারা লাভ করেছেন। যুগের নাজুকতা, কালের চাহিদা ও আবেদন এবং নিজেদের কর্তব্য কর্মের বিপুলতা সম্যকরূপে অনুধাবন করুন। নিজেকে মূল্যবান ও কার্যকররূপে গড়ে তুলুন। যেন জাতির জন্য আপনারা মূল্যবান ও কার্যকর ও অপরিহার্য প্রমাণিত হতে পারেন।
ওয়া আখিরু দাওয়ানা আনিল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।
বন্ধুগণ! তাকদীরে ইলাহী ও আল্লাহ তাআলার রহস্যময় নির্বাচন আমাদের জন্য যে যুগ নির্বাচিত করেছে সেই যুগে আমাদের উপর আরোপিত দায়িত্ব অত্যন্ত বিশাল ও বিস্তৃত। তবে এই দায়িত্ব পালন যথাযথ হলে এর প্রতিদান ও সফলতাও বিশাল ও বিপুল। দায়িত্ব হতে পলায়ন কি যুগের নিকট পরাজয়বরণ কাপুরুষতা ব্যতীত কিছু নয়। ভবিষ্যতের অবশিষ্ট সময়টুকু প্রস্তুতি কাজে ব্যয় করুন। আল্লাহ তাআলা আপনাদেরকে সর্বোত্তম মুরব্বী এবং দরদী উস্তাদ দান করেছেন। একটি দ্বীনী পরিবেশ এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠান আপনারা লাভ করেছেন। যুগের নাজুকতা, কালের চাহিদা ও আবেদন এবং নিজেদের কর্তব্য কর্মের বিপুলতা সম্যকরূপে অনুধাবন করুন। নিজেকে মূল্যবান ও কার্যকররূপে গড়ে তুলুন। যেন জাতির জন্য আপনারা মূল্যবান ও কার্যকর ও অপরিহার্য প্রমাণিত হতে পারেন।
ওয়া আখিরু দাওয়ানা আনিল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।