📘 তুমিও পারবে 📄 আল্লাহর জমিনে ভ্রমণ করো

📄 আল্লাহর জমিনে ভ্রমণ করো


ভ্রমণ বক্ষকে করে উন্মুক্ত। নৈরাশ্য ও একগুঁয়েমিকে করে বিদূরিত। এ সৃষ্টিজগতের উন্মুক্ত গ্রন্থটি পড়ো। দেখবে, কুদরতের বহু কলম পৃথিবীর পাতায় পাতায় অবিরাম সৌন্দর্যের কথা লিখে যাচ্ছে। আরও দেখতে পাবে, মনোরম উদ্যান, সুদৃশ্য বন-বনানী ও অপরূপ প্রাকৃতি।

তাই ঘর থেকে বের হও। চারপাশটাকে একটু দেখো। পাহাড়ে চড়ো। উপত্যকায় ঘুরে বেড়াও। স্বচ্ছ-নির্মল পানিতে ডুব দাও। ফুলের ঘ্রাণ নাও। দেখবে, আত্মা খুঁজে পাবে অবাধ স্বাধীনতার সুখ। মন ভরে উঠবে প্রশান্তিতে।

যেমন, পাখিরা কিচিরমিচির করে। খোলা আকাশে উড়ে বেড়ায় স্বাধীনভাবে।

ঘরের বাইরে যাও। চোখ থেকে খুলে ফেলো কালো চশমাটা। তারপর আল্লাহ-র তাসবীহ জপতে জপতে জমিনে ভ্রমণ শুরু করো। এরপরও যদি তুমি একাকী ঘরে বসে থাকো, তা হলে বুঝবে তুমি আছো আত্মহত্যার পথে। মনে রেখো, যে কামরাটিতে তুমি থাকো সেটিই পুরো দুনিয়া নয়! আর তুমি একাই কিন্তু নও গোটা সমাজ!

انْفِرُوا خِفَافًا وَثِقَالًا)
তোমরা অভিযানে বের হয়ে পড়ো, হালকা অবস্থায় হোক কিংবা ভারী অবস্থায়। [সূরা তওবা: ৪১]

এসো! পুকুর পাড়ে বসে, সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে, পাখ-পাখালির ভীড়ে কোরআন তেলাওয়াত করো। কান পেতে শোনো কী অপরূপ সুর-ছন্দে স্রষ্টার প্রেমে পাখিরা গেয়ে যাচ্ছে গান। বয়ে চলা পানির ধারা বর্ণনা করে যাচ্ছে পাহাড়ের বুক বেয়ে তার নেমে আসার গল্প।

أَيُّهَا الشَّاكِي وَمَا بِكَ دَاءً . كُنْ جَمِيْلًا تَرَى الْوُجُودَ جَمِيْلًا
أَتَرَى الشَّوْكَ فِي الْوَرُودِ وتَعْمَى . أن تَرَى فَوقَهُ النَّدى إكليلاً

হে অভিযোগকারী (তুমি অভিযোগ করছ) অথচ (অভিযোগ করার মতো) তোমার কিছুই হয়নি। তুমি সুন্দর হও, দেখবে গোটা সৃষ্টিজগত কত সুন্দর।
তুমি কি গোলাপের মাঝে শুধু কাটাই দেখতে পাচ্ছ? তার উপর মালার মতো অপরূপ শিশির বিন্দু কণা কি চোখে পড়ছে না তোমার?

সংকট-সমস্যায় জর্জরিত যাদের জীবন, মানসিক অস্থিরতায় ডুবন্ত যাদের প্রাণ, ডাক্তাররা বলেন, ভ্রমণ তাদেরকে দিতে পারে আনন্দ ও আরোগ্য দান।

তাই! ভ্রমণে বের হও। মনে শান্তি পাবে। হৃদয় প্রফুল্ল হবে। সময়কে ব্যয় করো চিন্তা ও গবেষণায়।

وَيَتَفَكَّرُونَ فِي خَلْقِ السَّمَاتِ وَالْأَرْضِ رَبَّنَا مَا خَلَقْتَ هُذَا بَاطِلًا
তারা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি সম্বন্ধে চিন্তা করে ও বলে, হে আমাদের পালনকর্তা! আপনি এসব অনর্থক সৃষ্টি করেননি। [রা আলে ইমরান : ১৯১]

📘 তুমিও পারবে 📄 ধৈর্যশীল হও

📄 ধৈর্যশীল হও


দৃঢ় প্রত্যয়ী ব্যক্তিরা ধৈর্য ও সহনশীলতার গুণে গুণান্বিত হয়ে থাকেন। ধৈর্য ও দৃঢ়তার সাথে তারা যে কোনো বিপদের মোকাবেলা করতে পারেন। তাছাড়া এ সময় ধৈর্য ধারণ করা ছাড়া তোমার আমার আর কী-ই বা করার আছে বলো?

এক মহৎ ব্যক্তি ছিল। বিপদ-আপদের পালা বদল তার উপর সদা নিপতিত ছিল। তথাপি তিনি আল্লাহ-র উপর ভরসা করে ধৈর্য ধরে ছিলেন। মহৎ ব্যক্তিরা এমনই হয়ে থাকেন। হাজারো বিপদ-আপদ তারা ধৈর্যের সাথে মোকাবেলা করেন। সংকট-সংকীর্ণতা উত্তমরূপে কাটিয়ে উঠেন।

আবু বকর সিদ্দীক অন্তীম রোগে আক্রান্ত হলে লোকেরা তাঁকে দেখতে এলো। তারা জিজ্ঞেস করল, আমরা কি আপনার জন্য একজন ডাক্তার ডাকবো?
তিনি বললেন, ডাক্তার আমাকে দেখে গেছেন। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, ডাক্তার কী বলে গেছেন? তিনি বললেন, ডাক্তার বলে গেছেন, আমি যেন যা ইচ্ছা তা-ই করি।

ধৈর্য একমাত্র আল্লাহ-র সন্তুষ্টির জন্যেই হওয়া উচিত। ধৈর্যে যেন থাকে মুক্তির দৃঢ়তা; থাকে উত্তম পরিণতির আশা। ধৈর্য ধারণের ক্ষেত্রে নিয়ত যেন এমন থাকে যে, এটি আমার গুনাহসমূহের কাফফারা হয়ে যাবে।

أخلق بذي الصبر أن يحظى بحاجتِهِ * ومُؤْمِنِ القرع للأبواب أن يلجا
ধৈর্যশীল ব্যক্তি তার অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে, যে অনবরত দরজার কড়া নেড়ে যায়, সে ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

তুমি ধৈর্য ধরো। সমস্যা যত প্রকটই হোক, পথ যত বিপদ-সঙ্কুলই হোক, ধৈর্য ধারণ করলে সাহায্য অবশ্যই আসবে। কারণ, দুঃখ-কষ্ট ও ক্লান্তির পরেই নেমে আসে অনাবিল সুখ। নির্মল প্রশান্তি। পৃথিবীর বহু সফল ব্যক্তির জীবনী আমি পড়েছি। কঠিন বিপদ-আপদে তাদের ধৈর্য-সহ্যের ক্ষমতা দেখে হতবাক হয়েছি। সমস্যা-সংকট তাদের উপর এভাবে এসেছিল, যেভাবে বৃষ্টি ঝরে আকাশ থেকে। কিন্তু তারা ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে সত্যের উপর অবিচল থেকেছেন। অটল থেকেছেন পাহাড়ের মতো। ফলে কিছুদিন পরই আলোকিত প্রভাত বিজয়ের বার্তা নিয়ে তাদের সামনে উদিত হয়েছে। তাদের জন্য নেমে এসেছে আল্লাহ -র সাহায্য।

তারা বিপদ-আপদে কেবল ধৈর্যই ধরেননি; বরং সফলভাবে সংকটের মোকাবেলা করেছেন এবং বালা- মসিবতকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছেন-

إِنْ كَانَ عِنْدَكَ يَا زَمَانٍ بَقِيَّة * مِمَّا يُهَانُ بِهِ الْكِرَامِ فَهَاتِهَا
হে যুগ! তোমার কাছে যদি (সমস্যা-সংকটের) আর কিছু অবশিষ্ট থাকে। যা দ্বারা তুমি সম্মানিতদের করতে চাও লাঞ্ছিত তবে তা নিয়ে আস।

📘 তুমিও পারবে 📄 সারা দুনিয়ার বোঝা তোমার কাঁধে তুলে নিও না

📄 সারা দুনিয়ার বোঝা তোমার কাঁধে তুলে নিও না


কিছু মানুষ এমন আছে, যাদের মাথার ভেতর সারাক্ষণ চলতে থাকে বিশ্বযুদ্ধ। এ যুদ্ধের ফলে তারা আক্রান্ত হয় পেটের পীড়া, ব্লাড প্রেসার, ডায়বেটিসসহ নানা ধরনের মারাত্মক ব্যাধিতে। তাদের ভেতর সারাক্ষণ জ্বলতে থাকে হাজারো বিষয় ও ঘটনার অগ্নি। যা তাদেরকে প্রতিনিয়ত অস্থিরতায় ভোগায়।

অল্পতেই নৈরাশ্য এদের জেঁকে ধরে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি দেখলে এরা ক্ষেপে যায়। এভাবে সর্বদাই তারা অস্থির, উদ্বিগ্ন, বিরক্ত ও বিষণ্ণ থাকেন।

يَحْسَبُونَ كُلَّ صَيْحَةٍ عَلَيْهِمْ
যে কোনো শোরগোলকেই তারা নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। [সূরা মুনাফিকুন: ৪]

এ ধরনের লোকদের জন্য আমার পরামর্শ হলো, সারা দুনিয়ার বোঝা তুমি তোমার কাঁধে তুলে নিও না। যা কিছু ঘটে তার বোঝা ভূমিকেই বহন করতে দাও। কিছু কিছু মানুষের মন যেন স্পঞ্জ; যা সব ধরনের গুজব-রটনাই শুষতে থাকে। সামান্যতেই তারা হয়ে পড়ে উৎকণ্ঠিত। খুশির ক্ষুদ্র উপকরণেই হয়ে যায় অত্যধিক আনন্দিত। স্বল্প সমস্যাতে তাদের মন হয়ে যায় অস্থির। এ ধরণের মানসিকতা যার আছে তার ব্যক্তিত্ব হয়ে যায় বিলুপ্ত। কখনো বা তার অস্তিত্বই পড়ে যায় হুমকির মুখে।

যারা সৎ পথে প্রতিষ্ঠিত, সমস্যা-সংকট তাদের বিচলিত করে না; বরং এগুলো তাদের ঈমান-ইয়াকিনে বৃদ্ধি ঘটায়। পক্ষান্তরে দুর্বলচিত্তদের জন্য বিপরীত অবস্থাটাই সত্য। সমস্যা-সংকট ও প্রতিকূল অবস্থা তাদের ভয়ের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দেয়। অথচ বীর পুরুষদের দেখো, দুর্যোগের বিরুদ্ধে তারা কেমন হাসিমুখে খেলা করে। সাহস তাদের পাহাড়সম। বিশ্বাস তাদের সুদৃঢ়। স্নায়ু তাদের সুশীতল। তারা হয়ে থাকেন দৃঢ় প্রত্যয়ী। আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর থাকে তাদের মন。

এর বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে কাপুরুষ ও ভীরুদের মাঝে। বিপদের আশঙ্কা ও কল্পিত সংকটের তারবারী তাদেরকে প্রত্যহ দ্বিখন্ডিত করতে থাকে বারবার।

অতএব, জীবনে দৃঢ়তা ও প্রশান্তি যদি তোমার কাম্য হয়, তা হলে বীরত্ব ও সাহসিকতার সাথে যে কোনো পরিস্থিতির মোকাবেলায় সচেষ্ট হও।

وَلَا يَسْتَخِفَنَّكَ الَّذِينَ لَا يُوْقِنُونَ
আর যারা দৃঢ় বিশ্বাসী নয়, তারা যেন তোমাকে বিচলিত করতে না পারে। [সূরা রুম: ৬০]

وَلَا تَكُ فِي ضَيْقٍ مِمَّا يَمْكُرُونَ
এবং তাদের ষড়যন্ত্রে তুমি মনোক্ষুণ্ণ হয়ো না। [সূরা নাহল: ১২৭]

পরিবেশের চেয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ী হও তুমি। দুর্বিপাকের ঝড়ো হাওয়ার চেয়েও কঠিন হও তুমি। মনে রেখো, ভীতু ও দুর্বলমনারা করুণার পাত্র হয়ে থাকে। কালের আবর্তন-বিবর্তন তাদেরকে বিচলিত করে তোলে।

وَلَتَجِدَنَّهُمْ أَحْرَصَ النَّاسِ عَلَى حَيُوةٍ
তুমি তাদেরকে জীবনের প্রতি সমস্ত মানুষের চেয়ে অধিক লোভী দেখতে পাবে। [সূরা বাকারা: ৯৬]

আত্মমর্যাদাশীল ও আত্মপ্রত্যয়ীরা আল্লাহ -র পক্ষ থেকে সাহায্যপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।

﴿فَأَنْزَلَ السَّكِينَةَ عَلَيْهِمْ ﴾
তিনি তাদের উপর প্রশান্তি নাযিল করেছেন। [সূরা ফাতাহ : ১৮]

📘 তুমিও পারবে 📄 তুচ্ছ কারণে ভেঙ্গে পড়ো না

📄 তুচ্ছ কারণে ভেঙ্গে পড়ো না


অনেক মানুষ আছে যারা অতি তুচ্ছ কারণে অল্পতেই ভেঙে পড়ে। হয়ে যায় বিমর্ষ ও উদ্বিগ্ন।

وَتَعْظُمُ فِي عَيْنِ الصَّغِيرِ صِغَارُهَا * وَتَصْغُرُ فِي عَيْنِ الْعَظِيمِ الْعَظَائِمُ
ছোট (মনের) মানুষের চোখে ছোট জিনিসও দেখায় বড়, আর মহৎ মানুষের চোখে বড় জিনিসও দেখায় ছোট।

মুনাফিকদের অবস্থা দেখো। তাদের হিম্মত কত দুর্বল। সংকল্প কত নড়েবড়ে। তারা বলে-

لَا تَنْفِرُوا فِي الْحَرِّ
গরমের মধ্যে অভিযানে বের হওয়া না। [সূরা তওবা: ৮১]

ائْذَنْ لِي وَلَا تَفْتِنِي
আমাকে (যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা থেকে) অব্যাহতি দিন। আমাকে ফিতনায় ফেলবেন না। [সূরা তওবা: ৪৯]

إِنَّ بُيُوتَنَا عَوْرَةٌ
আমাদের বাড়িঘর অরক্ষিত। [সূরা আহযাব: ১৩]

نَخْشَى أَنْ تُصِيبَنَا دَائِرَةٌ
আমাদের আশংকা হয়- আমাদের ভাগ্যবিপর্যয় ঘটবে। [সূরা মায়িদা: ৫২]

وَعَدَنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ إِلَّا غُرُورًا
আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা প্রতারণা বৈ কিছুই নয়। [সূরা আহযাব: ১২]

কতই না নীচ তারা! কতই না অনুভূতিহীন! দৃষ্টি তাদের পেটপূজা, বাড়ি-গাড়ি আর দালান কোঠার মাঝেই সীমাবদ্ধ। বিস্তীর্ণ আকাশের অধরা উচ্চতার দিকে তাকাতে তারা অভ্যস্ত নয়। শ্রেষ্ঠত্বের তারকারাজির দিকে তারা চায় না চোখ মেলে দেখতে। তাদের চিন্তার পরিধি জুড়ে রয়েছে কেবল দামি গাড়ি, জামা, জুতা ও খাওয়া-দাওয়া এসব।

আবার এমন লোকের সংখ্যাও নিতান্ত কম নয়, বউ-বাচ্চা, আত্মীয়-স্বজনদের নিয়েই যাদের অহর্নিশ ব্যস্ততা। ছোট খাটো ঝগড়া, গালমন্দ কিংবা ক্ষুদ্র বিষয় নিয়েই যারা মর্মপীড়ায় ভোগে। তাদের সামনে সুউচ্চ কোনো লক্ষ্য নেই। মহৎ কোনো পরিকল্পনা নেই। কথায় বলে- 'পাত্র যখন শূন্য হয়, বাতাসে তা পূর্ণ হয়।'

তাই, ভেবে দেখো, যে বিষয়টি নিয়ে তুমি পেরেশানীতে ভুগছো তা কোন পর্যায়ের। সেটি কি আদৌ পেরেশান হবার মতো কোনো বিষয়? বিষয়টি কি এতটাই জটিল যে, তুমি তার জন্য তোমার রক্ত, মাংস, সময়, শান্তি সবকিছু নষ্ট করবে? তা হলে যে এ ব্যবসায় তোমার কেবল লোকসানই গুণতে হবে।

মনোবিজ্ঞানীদের ভাষ্য মতে, প্রতিটি বস্তুকে তার প্রাপ্য মূল্যানুপাতে মূল্য দিতে হবে। এরচেয়েও বিশুদ্ধতম কথা হলো আল্লাহ-র বাণী-

قَدْ جَعَلَ اللَّهُ لِكُلِّ شَيْءٍ قَدْرًا ﴾
আল্লাহ সবকিছুর জন্য নির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করে রেখেছেন। [সূরা তালাক : ৩]

অতএব, প্রতিটি বিষয়ের মূল্যায়ন তার বাস্তবতা, প্রয়োজন ও গুরুত্ব অনুপাতে করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা ছাড়াছাড়ি করা যাবে না।

হুদাইবিয়ার সন্ধির সময়কার একটি ঘটনা স্মরণ করো। রাসুল ﷺ-র হাতে সাহাবায়ে কেরাম বাইআত হচ্ছিলেন। তখন তাঁদের সমস্ত মনোযোগ ও চিন্তা চেতনা ছিল বাইআতকে ঘিরেই। ঠিক সে সময় তাদের সঙ্গে এমন এক লোকও ছিল, যে ছিল তার হারানো উটের চিন্তায় বিভোর। ফলে সে বঞ্চিত হয়েছিল বাইয়াতের মহান নেয়ামত থেকে। মাহরূহ হয়েছিল আল্লাহ ﷺ-র স্থায়ী সন্তুষ্টি অর্জন থেকে।

সুতরাং, তুচ্ছ-নগন্য বস্তুর জন্য পেরেশান হয়ো না। দেখবে, অধিকাংশ দুশ্চিন্তাই তোমাকে ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আনন্দ ও সুখে কাটবে তোমার সময়।

ফন্ট সাইজ
15px
17px