📘 তুমিও পারবে 📄 জীবনের সবকিছু সহজভাবে নাও

📄 জীবনের সবকিছু সহজভাবে নাও


পৃথিবীর সুখ-শান্তি ক্ষণিকের। বিপদের শেষ নেই এখানে। পৃথিবীর চেহারা অনুজ্জ্বল। কপট তার স্বভাব। এখানে বিপদ-আপদের পালাবাদল মানুষের জীবনে অবিরাম চলমান। তুমি এমন একজন বাবা, স্ত্রী বা বন্ধু পাবে না যে ঝামেলা মুক্ত। এমন কোনো ঘরবাড়ি বা অফিস-আদালত পাবে না, যেখানে সমস্যা নেই।

এখানে ভালো-মন্দ, ঠান্ডা-গরম দুটোই পাশাপাশি থাকবে- এমনটিই আল্লাহ -র ফায়সালা। এখানে সুখ-দুঃখ গলাজড়াজড়ি করে চলবে- এমনিটই আল্লাহ -র এরাদা। পরিপূর্ণ সুখ ও আনন্দের দেখা কেবল জান্নাতেই থাকবে। আর জাহান্নামে থাকবে কেবল দুঃখ-দুর্দশা আর কষ্ট-বেদনা।

বিশুদ্ধ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে-
শুধুমাত্র আল্লাহ -র যিকির ও যিকির সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি এবং আলেম ও তালেবে ইলম ছাড়া জগত ও জগতের মাঝে যা কিছু আছে তার সবই অভিশপ্ত।

তাই, কল্পনার ডানায় ভর করে স্বপ্নরাজ্যে ভেসো না। আঁকড়ে ধরো বাস্তবতাকে। পৃথিবী যেমন, তাকে তেমনই গ্রহণ করো। জীবনের স্বাভাবিকতা মেনে নাও। জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার আবর্তন-বিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নাও নিজেকে। এখানে কোনো বন্ধুই খাঁটি নয়। কোনো স্বপ্নই পূরণীয় নয়। দুনিয়ার বৈশিষ্ট্যের মাঝেই পরিপূর্ণতা নেই। তোমার স্ত্রী সর্বগুণসম্পন্না হবে, সবদিক থেকে হবে তোমার মনের মতো- এমনটি কখনও ভেবো না।

সহীহ হাদিসে বর্ণিত আছে-
কোনো মুমিন পুরুষ যেন কোনো মুমিনা নারীকে খারাপ না ভাবে। যদি তার কোনো অভ্যাস ভালো না লাগে, তা হলে অন্য কোনোটি ভালো লাগবে।

অতএব, আমাদের উচিত, মানিয়ে নেওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা। ক্ষমা ও ছাড় দেওয়ার মানসিকতা পোষণ করা। সহজকে গ্রহণ করা ও কঠিনকে বর্জন করা। নিজেকে সংশোধন করা ও অন্যের ভুল-ভ্রান্তি উপেক্ষা করা।

📘 তুমিও পারবে 📄 বিপদগ্রস্তদের দেখে সান্ত্বনা লাভ করো

📄 বিপদগ্রস্তদের দেখে সান্ত্বনা লাভ করো


তোমার চারপাশে তাকাও। দেখো, সবদিকেই বিপদগ্রস্তদের হাহাকার। হতভাগাদের আর্তচিৎকার। প্রতিটি ঘরেই কষ্টের চলছে মাতম। প্রতিটি গাল বেয়ে ঝরছে অশ্রু। আর্তনাদে কাঁপছে প্রতিটি জনপদ। চারিদিকে কত বিপদ! কত মসিবত! ভালো করে তাকিয়ে দেখো, এখানে কেবল তুমি একাই নও বিপদগ্রস্ত। হিসাব মেলালে দেখবে, অন্যদের তুলনায় তোমার বিপদ খুবই কম।

কত রোগী বছরের পর বছর বিছানায় শুয়ে অবর্ণনীয় যন্ত্রনায় ভুগছে; কষ্টে ছট্‌ফট্ করছে; ব্যথায় কাতরাচ্ছে; হচ্ছে না সুস্থ। কত মানুষ জেলখানার অন্ধকার কুঠুরীতে বন্দি হয়ে আছে। পারছে না সূর্যের আলোটুকু দেখতে। সে চেনে না জেলখানার ভেতরটা ছাড়া কিছুই।

কত নারীর বুক হয়েছে খালি। তার বুকের মানিককে শৈশব, কৈশোর কিংবা যৌবনেই ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। কত মানুষ দুশ্চিন্তার পাহাড়ে চাপা পড়ে আছে। কতজন ঋণগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত। তুমি তাদেরকে দেখে সান্ত্বনা খুঁজে নাও। একটি কথা নিশ্চিতভাবে জেনে রাখো- 'দুনিয়া ঈমানদারদের জন্য জেলখানা'।

দুশ্চিন্তা ও পেরেশানীর ঘর এ দুনিয়া। এখানে সকালের সমৃদ্ধ প্রাসাদগুলো সন্ধ্যায় বিরাণ হয়ে যায়। এখানে জীবন কখনও শান্তিময় কখনও বিষাদময়। এখানে এমন অনেক ঘর আছে, যা আনন্দ-সুখে, ধন-ঐশ্বর্যে, সন্তান-সন্ততিতে সুসাস্থ্য ও সুস্থতায় কানায় কানায় পূর্ণ। যে ঘরের সবকটি মানুষ মিলেমিশে আছে। হঠাৎ দারিদ্র, মৃত্যু, ক্ষুধা, বিচ্ছেদ আর রোগ-শোক তাদের সুখের ঘরে হানা দিয়ে তছনছ করে দেয় সব।

وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمُ الْأَمْثَالَ
আর তোমাদের জানা হয়ে গেছে যে, আমি তাদের সঙ্গে কীরূপ আচরণ করেছি এবং তোমাদের জন্য আমি দৃষ্টান্তও পেশ করেছি। [সূরা ইবরাহীম : ৪৫]

অতএব, উট যেমন মরুভূমিতে চলার জন্য অভ্যস্ত হয়ে থাকে, ঠিক তেমনি তুমিও নিজেকে বিপদ-আপদের জন্য অভ্যস্ত করে নাও। জীবন এক দীর্ঘ সফরের নাম। তাই, ভারসাম্য রক্ষা করে চলো। চারপাশের মানুষজন ও পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্তগুলো সামনে রাখো। তাদের মাঝে ও তোমার মাঝে তুলনা করে দেখলে বুঝতে পারবে, তাদের তুলনায় কতোটা ভালো আছো তুমি।

জীবন-পথে চলতে গিয়ে হোঁচট খেলে খেই হারিয়ে ফেলো না। বরং ধৈর্য ধরো এবং আদায় করো আল্লাহ-র শুকরিয়া। তিনি যা নিয়ে গেছেন, তাতে সাওয়াবের আশা রাখো, এবং আশপাশের লোকদের দেখে সান্ত্বনা লাভ করো।

আল্লাহ -র রাসুল আমাদের জন্য ধৈর্যের উৎকৃষ্ট উপমা রেখে গেছেন। তাঁর মাথায় উটের ভুড়ি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, দেহ মোবারক থেকে রক্ত ঝরেছিল, চেহারা রক্তাক্ত হয়েছিল, সাথিবর্গসহ তাঁকে সংকীর্ণ উপত্যকায় বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যেখানে তিনি গাছের পাতা পর্যন্ত খেতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁকে মাতৃভূমি মক্কা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। উহুদের যুদ্ধে চারটি দাঁত শহীদ করা হয়েছিল। তাঁর সতী-সাধ্বী স্ত্রীর নামে মিথ্যা অপবাদ রটানো হয়েছিল। সাথি-সঙ্গীদের অনেককেই শহীদ করা হয়েছিল। তাঁর সকল ছেলে ও অধিকাংশ কন্যার মৃত্যু-শোক সইতে হয়েছিল। ক্ষুধার জ্বালায় পেটে পাথর বাঁধতে হয়েছিল। তাঁকে কবি, যাদুকর, গণক, মিথ্যাবাদী, পাগল হওয়ার অপবাদ দেওয়া হয়েছিল; যা ছিল শারীরিক কষ্টের চাইতেও অধিক কষ্টকর।

পূর্ববর্তী নবীদের মাঝে যাকারিয়া -কে হত্যা করা হয়েছিল। জবাই করা হয়েছিল ইয়াহইয়া -কে। অবর্ণনীয় নির্যাতন করা হয়েছিল মুসা -কে। অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল হযরত ইবরাহিম -কে।

পরবর্তীতে সাহাবায়ে কেরামও শিকার হয়েছিলেন একই অবস্থার। তারাও সহ্য করেছিলেন বর্ণনাতীত নির্যাতন-নিপীড়ন। উমর -কে রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছিল। উসমান -কে শহীদ করা হয়েছিল। আলী -কে বর্ষা নিক্ষেপ করা হয়েছিল। এছাড়া নির্যাতিত হয়েছিলেন বহু মুসলিম ইমাম ও মনীষীগণও। তাদেরকে বেত্রাঘাত করা হয়েছিল, জেলখানায় বন্দি করা হয়েছিল। কষ্টের স্টীম রোলার চালানো হয়েছিল তাদের উপর।

أَمْ حَسِبْتُمْ أَنْ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَأْتِكُمْ مَّثَلُ الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلِكُمْ مَسَّتْهُمُ الْبَأْسَاءُ وَالضَّرَّاءُ وَزُلْزِلُوا
তোমরা কি মনে কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, অথচ এখনও তোমাদের নিকট তোমাদের পূর্ববর্তীদের অনুরূপ অবস্থা আসেনি? অর্থ-সংকট ও দুঃখ-ক্লেশ তাদেরকে স্পর্শ করেছিল এবং তারা ভীত ও কম্পিত হয়েছিল। [সূরা বাকারা: ২১৪]

📘 তুমিও পারবে 📄 সালাতকে আপন করো

📄 সালাতকে আপন করো


يَٰأَيُّهَا ٱلَّذِينَ آمَنُوا۟ ٱسْتَعِينُوا۟ بِٱلصَّبْرِ وَٱلصَّلَوٰةِ ۚ হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। [সূরা বাকারা : ১৫৩]

উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় যখন জড়িয়ে পড়বে তুমি, হতাশা ও দুশ্চিন্তা যখন ঘিরে ধরবে তোমায়, তখন দেরি না করে সালাতে দাঁড়িয়ে যাও। দেখবে, হৃদয়ে শান্তি পাবে। অন্তর শীতল হবে। (ইনশাআল্লাহ) সালাত তোমার সকল দুশ্চিন্তা ও সমস্ত পেরেশানীর কালো মেঘ দূর করে দেবে। রাসুল -এর সামনে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেখা দিতো, তখন তিনি বলতেন-

أَرِحْنَا بِالصَّلَاةِ يَا بِلَالُ
'হে বেলাল! সালাতের আযান দিয়ে আমাদেরকে শান্তি দাও'।

সালাত ছিল তাঁর চোখের শীতলতার কারণ। সালাত ছিল তাঁর মানসিক প্রশান্তির মাধ্যম। আমি বহু মানুষের জীবনী পড়ে দেখেছি, বিপদে পড়লেই তারা সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন। সালাতের মাধ্যমে তারা লাভ করতেন সুদৃঢ় মনোবল ও ইস্পাত কঠিন হিম্মত।

তোমার মনে যখন বাসা বাঁধবে ভয়, তোমার জীবন যখন তলোয়ারের নীচে ধরা হবে মেলে, সেসময় মনে সাহস জোগাতে ও দৃঢ়প্রত্যয়ী থাকতে সালাতের চেয়ে অধিক ফলপ্রসূ ও কার্যকরী আর কিছু নেই। আর সালাতুল খওফ তথা ভয়ের নামাযের দর্শন এটিই।

আজ যারা মানসিক বৈকল্যের শিকার, হতাশার আঁধারে নিমজ্জিত যাদের জীবন, মসজিদই তাদের শেষ আশ্রয়। উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও পেরেশানী থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সালাতের বিকল্প নেই। অশ্রু নষ্ট করে দিতে পারে চোখ, দুশ্চিন্তা বিকল করে দিতে পারে স্নায়ু, কিন্তু এ থেকে মুক্তি পেতে হলে আঁকড়ে ধরতে হবে সালাত।

তুমি যদি স্থিরচিত্তে একটু ভাবো, তা হলে বুঝতে পারবে, দিনরাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত দয়াময় প্রভুর এক মহা নেয়ামত। সালাত গুনাহসমূহের কাফ্ফারা। আল্লাহ-র কাছে মর্যাদা বৃদ্ধির মাধ্যম। দুঃখ-যন্ত্রণা লাঘব ও বিপদ থেকে উদ্ধারের উপায়। আমাদের রোগ- ব্যাধির মহৌষধ। এই সালাত মনে আনে শান্তি। ঈমান-ইয়াকীনে আনে দৃঢ়তা। তাকদীরের প্রতি আনে সন্তুষ্টি。

যারা সালাত ও মসজিদ থেকে দূরে থাকে, দুর্ভোগ-যাতনা তাদের চিরসাথী। একের পর এক সমস্যার চক্রাবর্তে তারা থাকে বন্দি।

فَتَعْسًا لَّهُمْ وَأَضَلَّ أَعْمَالَهُمْ ﴾
তাদের জন্য রয়েছে দুর্ভোগ। তাদের আমল বিফল হয়ে গেছে। [সূরা মুহাম্মাদ: ৮]

📘 তুমিও পারবে 📄 সর্বাবস্থায় ভরসা করো আল্লাহর উপর

📄 সর্বাবস্থায় ভরসা করো আল্লাহর উপর


আল্লাহ-র উপর ভরসা, তাঁর অঙ্গীকারসমূহের উপর বিশ্বাস, তাঁর প্রতি সুধারণা পোষণ, তাঁর ফয়সালা উপর সন্তুষ্টি প্রকাশ ও এই আস্থা রাখা যে, তিনি সব কিছু সহজ করে দেবেন- এ সবই ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মুমিনের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

কারণ, বান্দা যখন তার উত্তম পরিণতির ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে আশাবাদী হয়, যখন সে নিজের সকল কাজে তার প্রতিপালকের উপর ভরসা করে, তখন সে আল্লাহ-র সাহায্য লাভের হকদার হয়ে যায়।

ইবরাহীম-কে যখন আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন,
আল্লাহ-ই আমার জন্য যথেষ্ট। তিনিই কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। অতএব আল্লাহ তাঁর জন্য আগুনকে ফুল বাগান বানিয়ে দিয়েছিলেন।

রাসুল ও সাহাবায়ে কেরামকে যখন কাফেরদের সৈন্যবাহিনী সম্পর্কে ভয় দেখানো হয়েছিল, তখন তাঁরা বলেছিলেন-
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক। [সূরা আলে ইমরান: ১৭৩]

ফলে আল্লাহ তাদের ব্যাপারে ইরশাদ করেছেন-
فَانْقَلَبُوا بِنِعْمَةٍ مِّنَ اللهِ وَفَضْلٍ لَّمْ يَمْسَسْهُمْ سُوءٌ وَ اتَّبَعُوا رِضْوَانَ اللَّهِ وَاللَّهُ ذُو فَضْلٍ عَظِيمٍ
অতঃপর তারা আল্লাহর নিয়ামত ও অনুগ্রহসহ ফিরে এলো। কোনো অনিষ্ট তাদেরকে স্পর্শ করেনি এবং আল্লাহ যাতে সন্তুষ্ট ও রাজি, তারা তারই অনুসরণ করেছিল। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল। [সূরা আলে ইমরান: ১৭৪]

দুর্যোগ-দুর্বিপাকের সঙ্গে মানুষ একাকী লড়াই করতে পারে না। পারে না একাকী বালা-মসিবতের সামনে দাঁড়াতে। কারণ, তাকে সৃষ্টিই করা হয়েছে দুর্বলরূপে।

তবে হাঁ, যদি সে ভরসা করে তার রবের উপর, নিজের বিষয়-আশয় সোপর্দ করে দেয় তাঁর হাতে, তা হলে করতে পারে সবকিছুই।

وَعَلَى اللَّهِ فَتَوَكَّلُوا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ ﴾
আর তোমার আল্লাহর উপরই ভরসা কর; যদি তোমরা মুমিন হও। [সূরা মায়িদা: ২৩]

তাই, যারা নিজের মঙ্গল চায়, তাদের উচিত আল্লাহ-র উপর ভরসা করা। যিনি মহা ক্ষমতাধর ও অমুখাপেক্ষী। যিনি পরাক্রান্ত ও প্রতাপশালী। তিনিই পারেন তাদেরকে সংকট-সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে।

অতএব,
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ )
কে- রক্ষাকবচ হিসেবে গ্রহণ করো। যদি তোমার সম্পদ কমে যায়, ঋণ বেড়ে যায়, আমদানি হ্রাস পায়, তা হলে বলো-
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ )

যখন শত্রুর ভয় তোমাকে জেঁকে ধরে অথবা জালিমের ভয়ে হয়ে যাও ভীত কিংবা আকস্মিক দুর্ঘটনায় মুষড়ে পড়ো তুমি, তখন বলো-
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

আরও বলো -
كَفِي بِرَبِّكَ هَادِيًا وَنَصِيرًا
(তোমার জন্য তোমার প্রতিপালকই পথপ্রদর্শক ও সাহায্যকারী হিসেবে যথেষ্ট।)

ফন্ট সাইজ
15px
17px