📘 তুমিও পারবে 📄 যিকির করো, আত্মাকে শান্তি দাও

📄 যিকির করো, আত্মাকে শান্তি দাও


﴿الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوْبُهُمْ بِذِكْرِ اللّٰهِ اَلَا بِذِكْرِ اللّٰهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوْبُ﴾ জেনে রেখো! আল্লাহর যিকিরেই আত্মা শান্তি পায়। [রা'দ : ২৮]

সততা আল্লাহ-র প্রিয়। একনিষ্ঠতা আত্মার সাবান। বেশি সাওয়াব অর্জন ও আত্মিক প্রশান্তি লাভে যিকিরের চেয়ে উত্তম নেই কিছুই।

﴿فَاذْكُرُوْنِيْ اَذْكُرْكُمْ﴾ তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করবো। [সূরা বাকারা : ১৫২]

দুনিয়ার জান্নাত হলো আল্লাহ-র যিকির। ইহলোকের এ জান্নাতে যে প্রবেশ করবে না, আখেরাতের জান্নাতেও সে প্রবেশ করতে পারবে না। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থেকে মুক্তির মাধ্যম যিকির। দুশ্চিন্তা-পেরেশানী থেকে অব্যাহতি দেয় যিকির। শুধু তাই নয়, সামগ্রিক সফলতার সহজ ও সংক্ষিপ্ত পথও এই যিকির।

কোরআন পড়ে দেখো, জানতে পারবে যিকিরের উপকারিতা। পরীক্ষা করে দেখো, পাবে মুক্তির দিশা। আল্লাহ-র যিকিরের কারণে দূর হবে তোমার ভয়-ভীতি। কেটে যাবে তোমার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মেঘ। বিতাড়িত হবে হতাশার অমানিশা।

যারা যিকির করে তারা হৃদয়ে অনুভব করে এক আশ্চর্য প্রশান্তির আবেশ- এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এমনটা হওয়াই তো বাঞ্ছনীয়। বরং যারা যিকির করে না, তারা বেঁচে আছে কীভাবে- সেটাই তো আশ্চর্যের?

﴿أَمْوَاتٌ غَيْرُ أَحْيَاءٍ وَمَا يَشْعُرُونَ أَيَّانَ يُبْعَثُونَ ﴾ তারা মৃত প্রাণহীন এবং কবে পুনরুত্থিত হবে জানে না। [সূরা নাহল : ২১]

ওহে! যার রাত কাটে নিদ্রাহীন। যার অন্তর দুশ্চিন্তা-পেরেশানীতে পর্যবসিত। যার জীবন বিপদ-আপদে জর্জরিত। তুমি স্মরণ করো আল্লাহ -কে।

﴿هَلْ تَعْلَمُ لَهُ سَمِيًّا﴾ তুমি কি তাঁর সমগুণ সম্পন্ন কাউকে জানো? [সূরা মারয়াম : ৬৫]

তুমি আল্লাহ-কে যে পরিমাণ ডাকবে, তোমার আত্মা সে পরিমাণই প্রশান্তি লাভ করবে। কারণ, আল্লাহ-র যিকিরের অর্থই হচ্ছে তাঁর উপর ভরসা করা; তাঁর সাহায্যের মুখাপেক্ষী হওয়া; তাঁর প্রতি সু-ধারণা পোষণ করা এবং তাঁর পক্ষ থেকে বিজয়ের অপেক্ষায় থাকা। যখন তাঁকে ডাকা হয়, তখন অতি নিকটেই থাকেন তিনি। বান্দার আবেদনে সাড়া দেন। তার সমস্যার সমাধান করেন। তাই, তাঁর সাথেই সম্পর্ক জুড়ো। তাঁকেই ভয় করো। তাঁর সামনেই মাথা নত করো। তাঁর যিকিরেই জিহ্বাকে তাজা রাখো। তিনি এক- এ বিশ্বাসে অবিচল থাকো। বেশি বেশি তাঁর প্রশংসা করো। কাকুতি মিনতি করে তাঁর কাছে ক্ষমা চাও। দেখবে, (ইনশাআল্লাহ) সুখ, শান্তি ও সৌভাগ্য লাভে ধন্য হবে তুমি।

﴿فَأَتَنهُمُ اللَّهُ ثَوَابَ الدُّنْيَا وَحُسْنَ ثَوَابَ الْآخِرَةِ﴾ অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ার সাওয়াব দান করেছেন এবং যথার্থ আখেরাতের সাওয়াব। [সূরা আলে ইমরান : ১৪৮]

📘 তুমিও পারবে 📄 হিংসা করো না

📄 হিংসা করো না


হিংসা এমন এক এসিড, যা পুড়িয়ে ফেলে হাড্ডিকে। এটি এমন এক ব্যধি যা তিলে তিলে ক্ষয় করে দেহকে। হিংসুক ব্যক্তি নিজেই জালেম। কিন্তু সে নিজেকে প্রকাশ করে মজলুম হিসেবে। বন্ধুরূপী শত্রু সে। হিংসা এমন আগুন, যে আগুনে হিংসুকই প্রথম জ্বলে পুড়ে মরে। হিংসা আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি করে। দুশ্চিন্তা পেরেশানী চুষে নেয় আমাদের রক্ত। কেড়ে নেয় আমদের ঘুম। হিংসুক অন্যের জন্য আগুনের গর্ত খনন করে এবং সে আগুনে নিজেই সর্বপ্রথম ঝাঁপ দেয়। হিংসা- দুঃখ-বেদনা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বয়ে এনে শান্তিময় জীবনকে করে দেয় বিষাদময়।

হিংসুক ব্যক্তির সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে, সে আল্লাহ -র সঙ্গে বিবাদ করে। আল্লাহ -র ইনসাফের দিকে সন্দেহের আঙ্গুল তোলে। শরীয়তের বিধান অমান্য করে। রাসুলের বিরোধিতা করে।

হিংসুক ব্যক্তি আমৃত্যু হিংসার আগুনে পুড়ে মরে। যতক্ষণ না তোমার কাছ থেকে আল্লাহ -র নেয়ামত ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে; কিংবা তোমার প্রতিভা ও যোগ্যতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অথবা তুমি তোমার সদগুণাবলি বিসর্জন দিচ্ছো; ততক্ষণ সে ক্রোধের অনলে জ্বলতে থাকে। তোমার বিসর্জনেই তার অর্জন। তোমার কষ্টেই তার সুখ।

হিংসুকের অকল্যাণ থেকে আমরা আল্লাহ -র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হিংসুক ব্যক্তি সেই বিষধর কালো সাপের মতো, যে কোনো নিষ্পাপ দেহে তার বিষ ছড়িয়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত শান্তি পায় না। তাই, হিংসা থেকে দূরে থাকো। হিংসুক হিংসা থেকে আল্লাহ-র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো।

حَسَدُوا الفَتَى إِذْ لم ينالوا سعيه • فالناس أعداء له وخصومُ
كضرائرِ الحسناء قُلْن لوجهها • حسداً ومقتاً إنه لذميم
যে উৎকর্ষতায় তাদেরকে ছাড়িয়ে গেছে, তাকে তারা হিংসা করে, তার প্রতি শত্রুতা পোষণ ও তার বিরুদ্ধাচরণ করে,
এরা সেই হিংসুটে নারীদের মতো যারা হিংসার অনলে পুড়ে অন্য সুন্দরী সম্বন্ধে বলে বেড়ায়-সে চরিত্রহীনা।

এক কবি বলেন-
هُمْ يَحْسدوني عَلى مَوْتِي فَوَا أسفاً * حَتَّى عَلَى الْمَوتِ لَا أَخْلُو مِنَ الحَسَدِ
আমার মৃত্যুতেও তারা হিংসা করবে, আহা! এটা কতই না আফসোসের বিষয় যে, মৃত্যুও তাদের হিংসা থেকে আমাকে রেহাই দেবে না।

আরেক কবি বলেন-
و شكوتَ مِن ظُلمِ الوشاة ولن تَجِدْ * ذَا سؤددٍ إِلا أُصِيبَ بِحُسَّدِ
لا زلت يا سبط الكرام محسداً . والتافه المسكين غير محسد
গুজব রটনাকারীদের অবিচার সম্বন্ধে আমি অভিযোগ করলাম, তুমি এমন কোনো সম্মানিত ও সফল ব্যক্তি পাবে না, যে নাকি হিংসার ছোবল থেকে বাঁচতে পেরেছে।
হে সম্মানিত বন্ধু! হিংসার শিকার তুমিও, তবে অসহায় ও হতভাগ্যদের কেউ হিংসা করে না।

📘 তুমিও পারবে 📄 জীবনের সবকিছু সহজভাবে নাও

📄 জীবনের সবকিছু সহজভাবে নাও


পৃথিবীর সুখ-শান্তি ক্ষণিকের। বিপদের শেষ নেই এখানে। পৃথিবীর চেহারা অনুজ্জ্বল। কপট তার স্বভাব। এখানে বিপদ-আপদের পালাবাদল মানুষের জীবনে অবিরাম চলমান। তুমি এমন একজন বাবা, স্ত্রী বা বন্ধু পাবে না যে ঝামেলা মুক্ত। এমন কোনো ঘরবাড়ি বা অফিস-আদালত পাবে না, যেখানে সমস্যা নেই।

এখানে ভালো-মন্দ, ঠান্ডা-গরম দুটোই পাশাপাশি থাকবে- এমনটিই আল্লাহ -র ফায়সালা। এখানে সুখ-দুঃখ গলাজড়াজড়ি করে চলবে- এমনিটই আল্লাহ -র এরাদা। পরিপূর্ণ সুখ ও আনন্দের দেখা কেবল জান্নাতেই থাকবে। আর জাহান্নামে থাকবে কেবল দুঃখ-দুর্দশা আর কষ্ট-বেদনা।

বিশুদ্ধ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে-
শুধুমাত্র আল্লাহ -র যিকির ও যিকির সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি এবং আলেম ও তালেবে ইলম ছাড়া জগত ও জগতের মাঝে যা কিছু আছে তার সবই অভিশপ্ত।

তাই, কল্পনার ডানায় ভর করে স্বপ্নরাজ্যে ভেসো না। আঁকড়ে ধরো বাস্তবতাকে। পৃথিবী যেমন, তাকে তেমনই গ্রহণ করো। জীবনের স্বাভাবিকতা মেনে নাও। জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্নার আবর্তন-বিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নাও নিজেকে। এখানে কোনো বন্ধুই খাঁটি নয়। কোনো স্বপ্নই পূরণীয় নয়। দুনিয়ার বৈশিষ্ট্যের মাঝেই পরিপূর্ণতা নেই। তোমার স্ত্রী সর্বগুণসম্পন্না হবে, সবদিক থেকে হবে তোমার মনের মতো- এমনটি কখনও ভেবো না।

সহীহ হাদিসে বর্ণিত আছে-
কোনো মুমিন পুরুষ যেন কোনো মুমিনা নারীকে খারাপ না ভাবে। যদি তার কোনো অভ্যাস ভালো না লাগে, তা হলে অন্য কোনোটি ভালো লাগবে।

অতএব, আমাদের উচিত, মানিয়ে নেওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা। ক্ষমা ও ছাড় দেওয়ার মানসিকতা পোষণ করা। সহজকে গ্রহণ করা ও কঠিনকে বর্জন করা। নিজেকে সংশোধন করা ও অন্যের ভুল-ভ্রান্তি উপেক্ষা করা।

📘 তুমিও পারবে 📄 বিপদগ্রস্তদের দেখে সান্ত্বনা লাভ করো

📄 বিপদগ্রস্তদের দেখে সান্ত্বনা লাভ করো


তোমার চারপাশে তাকাও। দেখো, সবদিকেই বিপদগ্রস্তদের হাহাকার। হতভাগাদের আর্তচিৎকার। প্রতিটি ঘরেই কষ্টের চলছে মাতম। প্রতিটি গাল বেয়ে ঝরছে অশ্রু। আর্তনাদে কাঁপছে প্রতিটি জনপদ। চারিদিকে কত বিপদ! কত মসিবত! ভালো করে তাকিয়ে দেখো, এখানে কেবল তুমি একাই নও বিপদগ্রস্ত। হিসাব মেলালে দেখবে, অন্যদের তুলনায় তোমার বিপদ খুবই কম।

কত রোগী বছরের পর বছর বিছানায় শুয়ে অবর্ণনীয় যন্ত্রনায় ভুগছে; কষ্টে ছট্‌ফট্ করছে; ব্যথায় কাতরাচ্ছে; হচ্ছে না সুস্থ। কত মানুষ জেলখানার অন্ধকার কুঠুরীতে বন্দি হয়ে আছে। পারছে না সূর্যের আলোটুকু দেখতে। সে চেনে না জেলখানার ভেতরটা ছাড়া কিছুই।

কত নারীর বুক হয়েছে খালি। তার বুকের মানিককে শৈশব, কৈশোর কিংবা যৌবনেই ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। কত মানুষ দুশ্চিন্তার পাহাড়ে চাপা পড়ে আছে। কতজন ঋণগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত। তুমি তাদেরকে দেখে সান্ত্বনা খুঁজে নাও। একটি কথা নিশ্চিতভাবে জেনে রাখো- 'দুনিয়া ঈমানদারদের জন্য জেলখানা'।

দুশ্চিন্তা ও পেরেশানীর ঘর এ দুনিয়া। এখানে সকালের সমৃদ্ধ প্রাসাদগুলো সন্ধ্যায় বিরাণ হয়ে যায়। এখানে জীবন কখনও শান্তিময় কখনও বিষাদময়। এখানে এমন অনেক ঘর আছে, যা আনন্দ-সুখে, ধন-ঐশ্বর্যে, সন্তান-সন্ততিতে সুসাস্থ্য ও সুস্থতায় কানায় কানায় পূর্ণ। যে ঘরের সবকটি মানুষ মিলেমিশে আছে। হঠাৎ দারিদ্র, মৃত্যু, ক্ষুধা, বিচ্ছেদ আর রোগ-শোক তাদের সুখের ঘরে হানা দিয়ে তছনছ করে দেয় সব।

وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمُ الْأَمْثَالَ
আর তোমাদের জানা হয়ে গেছে যে, আমি তাদের সঙ্গে কীরূপ আচরণ করেছি এবং তোমাদের জন্য আমি দৃষ্টান্তও পেশ করেছি। [সূরা ইবরাহীম : ৪৫]

অতএব, উট যেমন মরুভূমিতে চলার জন্য অভ্যস্ত হয়ে থাকে, ঠিক তেমনি তুমিও নিজেকে বিপদ-আপদের জন্য অভ্যস্ত করে নাও। জীবন এক দীর্ঘ সফরের নাম। তাই, ভারসাম্য রক্ষা করে চলো। চারপাশের মানুষজন ও পূর্ববর্তীদের দৃষ্টান্তগুলো সামনে রাখো। তাদের মাঝে ও তোমার মাঝে তুলনা করে দেখলে বুঝতে পারবে, তাদের তুলনায় কতোটা ভালো আছো তুমি।

জীবন-পথে চলতে গিয়ে হোঁচট খেলে খেই হারিয়ে ফেলো না। বরং ধৈর্য ধরো এবং আদায় করো আল্লাহ-র শুকরিয়া। তিনি যা নিয়ে গেছেন, তাতে সাওয়াবের আশা রাখো, এবং আশপাশের লোকদের দেখে সান্ত্বনা লাভ করো।

আল্লাহ -র রাসুল আমাদের জন্য ধৈর্যের উৎকৃষ্ট উপমা রেখে গেছেন। তাঁর মাথায় উটের ভুড়ি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, দেহ মোবারক থেকে রক্ত ঝরেছিল, চেহারা রক্তাক্ত হয়েছিল, সাথিবর্গসহ তাঁকে সংকীর্ণ উপত্যকায় বন্দি করে রাখা হয়েছিল, যেখানে তিনি গাছের পাতা পর্যন্ত খেতে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁকে মাতৃভূমি মক্কা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। উহুদের যুদ্ধে চারটি দাঁত শহীদ করা হয়েছিল। তাঁর সতী-সাধ্বী স্ত্রীর নামে মিথ্যা অপবাদ রটানো হয়েছিল। সাথি-সঙ্গীদের অনেককেই শহীদ করা হয়েছিল। তাঁর সকল ছেলে ও অধিকাংশ কন্যার মৃত্যু-শোক সইতে হয়েছিল। ক্ষুধার জ্বালায় পেটে পাথর বাঁধতে হয়েছিল। তাঁকে কবি, যাদুকর, গণক, মিথ্যাবাদী, পাগল হওয়ার অপবাদ দেওয়া হয়েছিল; যা ছিল শারীরিক কষ্টের চাইতেও অধিক কষ্টকর।

পূর্ববর্তী নবীদের মাঝে যাকারিয়া -কে হত্যা করা হয়েছিল। জবাই করা হয়েছিল ইয়াহইয়া -কে। অবর্ণনীয় নির্যাতন করা হয়েছিল মুসা -কে। অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল হযরত ইবরাহিম -কে।

পরবর্তীতে সাহাবায়ে কেরামও শিকার হয়েছিলেন একই অবস্থার। তারাও সহ্য করেছিলেন বর্ণনাতীত নির্যাতন-নিপীড়ন। উমর -কে রক্তে রঞ্জিত করা হয়েছিল। উসমান -কে শহীদ করা হয়েছিল। আলী -কে বর্ষা নিক্ষেপ করা হয়েছিল। এছাড়া নির্যাতিত হয়েছিলেন বহু মুসলিম ইমাম ও মনীষীগণও। তাদেরকে বেত্রাঘাত করা হয়েছিল, জেলখানায় বন্দি করা হয়েছিল। কষ্টের স্টীম রোলার চালানো হয়েছিল তাদের উপর।

أَمْ حَسِبْتُمْ أَنْ تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ وَلَمَّا يَأْتِكُمْ مَّثَلُ الَّذِينَ خَلَوْا مِنْ قَبْلِكُمْ مَسَّتْهُمُ الْبَأْسَاءُ وَالضَّرَّاءُ وَزُلْزِلُوا
তোমরা কি মনে কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, অথচ এখনও তোমাদের নিকট তোমাদের পূর্ববর্তীদের অনুরূপ অবস্থা আসেনি? অর্থ-সংকট ও দুঃখ-ক্লেশ তাদেরকে স্পর্শ করেছিল এবং তারা ভীত ও কম্পিত হয়েছিল। [সূরা বাকারা: ২১৪]

ফন্ট সাইজ
15px
17px