📄 আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ঈমান রাখো
যার মাঝে নেই ঈমানের নূর, যার কাছে নেই বিশ্বাসের ঐশ্বর্য, সে-ই তো হতভাগা। জীবনটা তার ব্যর্থতার চাদরে মোড়ানো। দূর্দশা ও লাঞ্ছনা তার চিরসঙ্গী।
﴿ وَ مَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنْكًا ﴾
আর যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবন হবে সংকুচিত। [সূরা ত্ব-হা : ১২৪]
যদি চাও আত্মাকে পবিত্র করতে, যদি চাও দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী থেকে মুক্ত থাকতে, তাহলে বিশ্বজাহানের প্রতিপালক মহান আল্লাহ -র প্রতি পূর্ণ ঈমান রাখো। এটাই হচ্ছে একমাত্র উপায়। প্রকৃতপক্ষেই ঈমান ছাড়া জীবনের কোনো স্বাদ নেই। ঈমানহীন জীবন হতভাগা জীবন। ঈমানহারা ব্যক্তি জীবনের বোঝা, শৃঙ্খল ও অন্ধকার থেকে মুক্তির দিশা খুঁজে পায় না।
﴿ وَ نُقَلِبُ أَفْدَتَهُمْ وَأَبْصَارَهُمْ كَمَا لَمْ يُؤْمِنُوا بِهِ أَوَّلَ مَرَّةٍ وَ نَذَرُهُمْ فِي طُغْيَانِهِمْ يَعْمَهُونَ ﴿١١٠ ﴾
আমি তাদের মনোভাব তেমনি পরিবর্তন করে দেব, যেমনিতার এর প্রতি ঘুরে বেড়াতে প্রথমবার ঈমান আনেনি এবং আমি তাদেরকে তাদের অবাধ্যতায় উদভ্রান্তের ন্যায় ঘুরে বেড়াতে দেবো। [সূরা আনআম : ১১০]
তোমার ঈমান যতটা সবল ও দুর্বল, দৃঢ় ও কোমল হবে, সে অনুপাতেই তুমি সুখ ও সৌভাগ্য লাভ করবে।
مَنْ عَمِلَ صَالِحًا مِنْ ذَكَرٍ أَوْ أُنْثَى وَ هُوَ مُؤْمِنٌ فَلَنُحْيِيَنَّهُ حَيُوةٌ طَيِّبَةً وَ لَنَجْزِيَنَّهُمْ أَجْرَهُمْ بِأَحْسَنِ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ ﴿٩٧﴾
যে কোনো ঈমানদার নর-নারী নেক আমল করবে, আমি অবশ্যই তাকে পবিত্র জীবন দান করবো এবং তাদেরকে তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দান করবো। [সূরা নাহল: ৯৭]
যদি তোমার অন্তরে থাকে সৌম্যতা, হৃদয় থাকে সদা আল্লাহ -র ভালোবাসায় পূর্ণ, মন থাকে বক্রতামুক্ত, বিপদ-আপদে তুমি থাকো প্রশান্ত, তাকদীরের ফয়সালায় তুমি থাকতে পারো সন্তুষ্ট- তবে সেটাই তো ‘পবিত্র জীবন’। কারণ, এর অর্থ হলো- তুমি আল্লাহ -কে রব, ইসলামকে দীন এবং মুহাম্মাদ -কে রাসূল হিসেবে মেনে নিয়েছো।
📄 মধু আহরণ করো কিন্তু চাক ভেঙ্গো না
নম্রতার কাজই হলো সৌন্দর্য বিলানো। সে যার মাঝে থাকে, তাকে করে তোলে সুন্দর-সুকুমার। আর যার মাঝে নম্রতা নেই, সে কুৎসিৎ ও দোষ-ত্রুটিতে পূর্ণ। কথাবার্তায় কোমলতা, চেহারায় মৃদু হাসির ঝিলিক, আলোচনায় উত্তমতা- এগুলো এমন উৎকৃষ্ট গুণাবলি, যা ভাগ্যবানরাই কেবল লাভ করে থাকে। এগুলো মুমিনের গুণ।
মুমিনের উপমা মিলে মৌমাছিতে। কারণ, মৌমাছি কেবল পবিত্র বস্তুই খায় এবং পবিত্র বস্তু উৎপাদন করে। মৌমাছি ফুলের উপর বসে ঠিকই কিন্তু ফুলের কোনো ক্ষতি করে না সে。
‘নম্রতায় আল্লাহ এমন কিছু দান করেন, যা কঠোরতায় পাওয়া যায় না।’
বিনয়ী ও শান্ত স্বভাবের লোকেরা মানুষের ভালোবাসা লাভে ধন্য হয়। সবার দৃষ্টি হয় তাদের প্রতি আকৃষ্ট। অন্তর তাদের দিকে ছোটে। হৃদয় তাদেরকে সালাম করে। কারণ, এরা উত্তম আচরণ, সঠিক লেনদেন, সুন্দর কথাবার্তার জন্য সবার ভালোবাসাই পেয়ে থাকে।
মনে রেখো, বন্ধু বানাতে পারাটাও একটি যোগ্যতা। মহৎপ্রাণ ও ভদ্রজন মাত্রই এ ব্যাপারে অবগত আছেন। এদের স্বভাব-চরিত্র নিচের আয়াতটি সাথে মিলে যায়-
( ادْفَعْ بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ فَإِذَا الَّذِي بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ عَدَاوَةٌ كَأَنَّهُ وَلِيٌّ حَمِيمٌ )
জওয়াবে তা-ই বল, যা উৎকৃষ্ট। তখন দেখবে, তোমার সাথে যার শত্রুতা আছে, সেও যেন তোমার অন্তরঙ্গ বন্ধু। [সূরা হা-মীম সেজদা : ৩৪]
এরা সততা, ভদ্রতা, সহনশীলতা ও ক্ষমা দিয়ে হিংসা-বিদ্বেষ ও শত্রুতাকে কবর দিয়ে দেয়। ভুলে যায় তাদের সাথে কৃত মন্দ আচরণের কথা। শুধু ভালো বিষয়গুলোই রাখে মনে।
(যেমন, কথিত আছে- একবার দুই বন্ধু মরুভূমির ভেতর দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। কিছুক্ষণ যাত্রার পর তাদের দুজনার মধ্যে ঝগড়া হলো এবং এক বন্ধু অপর বন্ধুকে চড় মেরে বসল। চড় খাওয়া বন্ধুটি মনে ভীষন কষ্ট পেলো। কিন্তু সে মুখে কিছুই বলল না। কেবল মরুভূমির বালিতে লিখে রাখলো- 'আজ আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটি আমাকে চড় মেরেছে'।
এরপর তারা হাঁটতে থাকলো। কিছুক্ষণ পর একটি মরুদ্যান দেখতে পেলো। তারা ঠিক করল সেখানে তারা বিশ্রাম নেবে এবং গোসল করবে। কিন্তু যে বন্ধুটি চড় খেয়েছিল সে চোরাবালিতে আটকে গেলো এবং ডুবতে শুরু করলো। তখন অপর বন্ধুটি তাকে উদ্ধার করলো। উপরে উঠার পর সে পাথরে লিখে রাখল- 'আজ আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুটি আমাকে এমন বিপদ থেকে উদ্ধার করেছে'। তখন অপর বন্ধুটি তাকে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা, আমি যখন তোমাকে চড় মেরেছিলাম তখন তুমি তা বালির উপর লিখে রেখেছিলে আর এখন পাথরের উপর লিখলে, কেন?
উত্তরে সে বলল, যখন কেউ আমাদের আঘাত করে তখন তা বালির উপর লিখে রাখা উচিত, যেন ক্ষমার বাতাস তা সহজেই উড়িয়ে নিয়ে মুছে দিতে পারে। আর যখন কেউ আমাদের কোনো উপকার করে তখন তা পাথরে খোদাই করে লিখে রাখা উচিত, যেন কোনো বাতাসই তা কখনও মুছে দিতে না পারে। সংগৃহীত [অনুবাদক])
এ জাতীয় লোকেরা নিজেরাও সুখে থাকে, অন্যদেরকেও সুখে রাখে।
এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম ইরশাদ করেছেন-
প্রকৃত মুসলমান সে, যার হাত ও জবান থেকে অন্যান্য মুসলমানগণ নিরাপদ থাকে। আর প্রকৃত মুমিন সে, যাকে মানুষ নিজেদের জান-মালের ব্যাপারে নিরাপদ মনে করে।'
অন্যত্র তিনি ইরশাদ করেছেন-
'আল্লাহ আমাকে আদেশ করেছেন, যে আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে তার সাথে সম্পর্ক জুড়তে, যে আমার উপর জুলুম করে, তাকে ক্ষমা করে দিতে এবং যে আমাকে বঞ্চিত করে তাকে (দু হাত ভরে) দিতে।'
وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ
আর যারা নিজেদের রাগ সংবরণ করে এবং মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে। [সূরা আলে ইমরান : ১৩৪]
শান্তি ও সৌভাগ্যের অমূল্য নেয়ামত পৃথিবীতে তারাই লাভ করবে। তারাই পরকালে পরম প্রভুর কাছ থেকে মহাসাফল্য লাভে ধন্য হবে।
فِي مَقْعَدِ صِدْقٍ عِنْدَ مَلِيكٍ مُقْتَدِرٍ
'যোগ্য আসনে, সর্বাধিপতি সম্রাটের সান্নিধ্যে।' [সূরা ক্বামার : ৫৫]
📄 যিকির করো, আত্মাকে শান্তি দাও
﴿الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا وَتَطْمَئِنُّ قُلُوْبُهُمْ بِذِكْرِ اللّٰهِ اَلَا بِذِكْرِ اللّٰهِ تَطْمَئِنُّ الْقُلُوْبُ﴾ জেনে রেখো! আল্লাহর যিকিরেই আত্মা শান্তি পায়। [রা'দ : ২৮]
সততা আল্লাহ-র প্রিয়। একনিষ্ঠতা আত্মার সাবান। বেশি সাওয়াব অর্জন ও আত্মিক প্রশান্তি লাভে যিকিরের চেয়ে উত্তম নেই কিছুই।
﴿فَاذْكُرُوْنِيْ اَذْكُرْكُمْ﴾ তোমরা আমাকে স্মরণ কর, আমিও তোমাদেরকে স্মরণ করবো। [সূরা বাকারা : ১৫২]
দুনিয়ার জান্নাত হলো আল্লাহ-র যিকির। ইহলোকের এ জান্নাতে যে প্রবেশ করবে না, আখেরাতের জান্নাতেও সে প্রবেশ করতে পারবে না। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা থেকে মুক্তির মাধ্যম যিকির। দুশ্চিন্তা-পেরেশানী থেকে অব্যাহতি দেয় যিকির। শুধু তাই নয়, সামগ্রিক সফলতার সহজ ও সংক্ষিপ্ত পথও এই যিকির।
কোরআন পড়ে দেখো, জানতে পারবে যিকিরের উপকারিতা। পরীক্ষা করে দেখো, পাবে মুক্তির দিশা। আল্লাহ-র যিকিরের কারণে দূর হবে তোমার ভয়-ভীতি। কেটে যাবে তোমার উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মেঘ। বিতাড়িত হবে হতাশার অমানিশা।
যারা যিকির করে তারা হৃদয়ে অনুভব করে এক আশ্চর্য প্রশান্তির আবেশ- এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এমনটা হওয়াই তো বাঞ্ছনীয়। বরং যারা যিকির করে না, তারা বেঁচে আছে কীভাবে- সেটাই তো আশ্চর্যের?
﴿أَمْوَاتٌ غَيْرُ أَحْيَاءٍ وَمَا يَشْعُرُونَ أَيَّانَ يُبْعَثُونَ ﴾ তারা মৃত প্রাণহীন এবং কবে পুনরুত্থিত হবে জানে না। [সূরা নাহল : ২১]
ওহে! যার রাত কাটে নিদ্রাহীন। যার অন্তর দুশ্চিন্তা-পেরেশানীতে পর্যবসিত। যার জীবন বিপদ-আপদে জর্জরিত। তুমি স্মরণ করো আল্লাহ -কে।
﴿هَلْ تَعْلَمُ لَهُ سَمِيًّا﴾ তুমি কি তাঁর সমগুণ সম্পন্ন কাউকে জানো? [সূরা মারয়াম : ৬৫]
তুমি আল্লাহ-কে যে পরিমাণ ডাকবে, তোমার আত্মা সে পরিমাণই প্রশান্তি লাভ করবে। কারণ, আল্লাহ-র যিকিরের অর্থই হচ্ছে তাঁর উপর ভরসা করা; তাঁর সাহায্যের মুখাপেক্ষী হওয়া; তাঁর প্রতি সু-ধারণা পোষণ করা এবং তাঁর পক্ষ থেকে বিজয়ের অপেক্ষায় থাকা। যখন তাঁকে ডাকা হয়, তখন অতি নিকটেই থাকেন তিনি। বান্দার আবেদনে সাড়া দেন। তার সমস্যার সমাধান করেন। তাই, তাঁর সাথেই সম্পর্ক জুড়ো। তাঁকেই ভয় করো। তাঁর সামনেই মাথা নত করো। তাঁর যিকিরেই জিহ্বাকে তাজা রাখো। তিনি এক- এ বিশ্বাসে অবিচল থাকো। বেশি বেশি তাঁর প্রশংসা করো। কাকুতি মিনতি করে তাঁর কাছে ক্ষমা চাও। দেখবে, (ইনশাআল্লাহ) সুখ, শান্তি ও সৌভাগ্য লাভে ধন্য হবে তুমি।
﴿فَأَتَنهُمُ اللَّهُ ثَوَابَ الدُّنْيَا وَحُسْنَ ثَوَابَ الْآخِرَةِ﴾ অতঃপর আল্লাহ তাদেরকে দুনিয়ার সাওয়াব দান করেছেন এবং যথার্থ আখেরাতের সাওয়াব। [সূরা আলে ইমরান : ১৪৮]
📄 হিংসা করো না
হিংসা এমন এক এসিড, যা পুড়িয়ে ফেলে হাড্ডিকে। এটি এমন এক ব্যধি যা তিলে তিলে ক্ষয় করে দেহকে। হিংসুক ব্যক্তি নিজেই জালেম। কিন্তু সে নিজেকে প্রকাশ করে মজলুম হিসেবে। বন্ধুরূপী শত্রু সে। হিংসা এমন আগুন, যে আগুনে হিংসুকই প্রথম জ্বলে পুড়ে মরে। হিংসা আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি করে। দুশ্চিন্তা পেরেশানী চুষে নেয় আমাদের রক্ত। কেড়ে নেয় আমদের ঘুম। হিংসুক অন্যের জন্য আগুনের গর্ত খনন করে এবং সে আগুনে নিজেই সর্বপ্রথম ঝাঁপ দেয়। হিংসা- দুঃখ-বেদনা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বয়ে এনে শান্তিময় জীবনকে করে দেয় বিষাদময়।
হিংসুক ব্যক্তির সবচেয়ে বড় বিপদ হচ্ছে, সে আল্লাহ -র সঙ্গে বিবাদ করে। আল্লাহ -র ইনসাফের দিকে সন্দেহের আঙ্গুল তোলে। শরীয়তের বিধান অমান্য করে। রাসুলের বিরোধিতা করে।
হিংসুক ব্যক্তি আমৃত্যু হিংসার আগুনে পুড়ে মরে। যতক্ষণ না তোমার কাছ থেকে আল্লাহ -র নেয়ামত ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে; কিংবা তোমার প্রতিভা ও যোগ্যতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অথবা তুমি তোমার সদগুণাবলি বিসর্জন দিচ্ছো; ততক্ষণ সে ক্রোধের অনলে জ্বলতে থাকে। তোমার বিসর্জনেই তার অর্জন। তোমার কষ্টেই তার সুখ।
হিংসুকের অকল্যাণ থেকে আমরা আল্লাহ -র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হিংসুক ব্যক্তি সেই বিষধর কালো সাপের মতো, যে কোনো নিষ্পাপ দেহে তার বিষ ছড়িয়ে দেওয়ার আগ পর্যন্ত শান্তি পায় না। তাই, হিংসা থেকে দূরে থাকো। হিংসুক হিংসা থেকে আল্লাহ-র কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করো।
حَسَدُوا الفَتَى إِذْ لم ينالوا سعيه • فالناس أعداء له وخصومُ
كضرائرِ الحسناء قُلْن لوجهها • حسداً ومقتاً إنه لذميم
যে উৎকর্ষতায় তাদেরকে ছাড়িয়ে গেছে, তাকে তারা হিংসা করে, তার প্রতি শত্রুতা পোষণ ও তার বিরুদ্ধাচরণ করে,
এরা সেই হিংসুটে নারীদের মতো যারা হিংসার অনলে পুড়ে অন্য সুন্দরী সম্বন্ধে বলে বেড়ায়-সে চরিত্রহীনা।
এক কবি বলেন-
هُمْ يَحْسدوني عَلى مَوْتِي فَوَا أسفاً * حَتَّى عَلَى الْمَوتِ لَا أَخْلُو مِنَ الحَسَدِ
আমার মৃত্যুতেও তারা হিংসা করবে, আহা! এটা কতই না আফসোসের বিষয় যে, মৃত্যুও তাদের হিংসা থেকে আমাকে রেহাই দেবে না।
আরেক কবি বলেন-
و شكوتَ مِن ظُلمِ الوشاة ولن تَجِدْ * ذَا سؤددٍ إِلا أُصِيبَ بِحُسَّدِ
لا زلت يا سبط الكرام محسداً . والتافه المسكين غير محسد
গুজব রটনাকারীদের অবিচার সম্বন্ধে আমি অভিযোগ করলাম, তুমি এমন কোনো সম্মানিত ও সফল ব্যক্তি পাবে না, যে নাকি হিংসার ছোবল থেকে বাঁচতে পেরেছে।
হে সম্মানিত বন্ধু! হিংসার শিকার তুমিও, তবে অসহায় ও হতভাগ্যদের কেউ হিংসা করে না।