📄 হাইব্রিড বা মিশ্র পদ্ধতি
এখন আমি ওপরের দুটো পদ্ধতির সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড পদ্ধতি ব্যবহার করছি। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আমি সিদ্ধান্তে এসেছি যে, আমার জন্য টু-ডু লিস্ট পদ্ধতিটা সবচে বেশি কার্যকরী, তবে সাথে সাপ্তাহিক পরিকল্পনা পদ্ধতিকে পাশে রেখে।
অতএব, এখন আমার মূল কাজ হলো টু-ডু লিস্টে থাকা প্রতিদিনকার কাজগুলো সেরে নেওয়া। সাথে অতিরিক্ত একটু সংযোজন রয়েছে। আর সেটা হলো, কাজের তালিকার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর জন্য সময় নির্ধারিত করে দেওয়া। যেমন, সকাল ৯টা-১২টা বাচ্চাদের হোম-স্কুলিং, ৩-৪টা আমার বই লেখা। এতে করে আমার রুটিন আর বাঁধাধরা রইল না বরং আগের চেয়ে অনেক প্রশস্ত বা ফ্লেক্সিবল হয়েছে। এর সুবিধা হলো হঠাৎ কোনো জরুরি কাজ সামনে এসে পড়লে সে কাজটিকেও রুটিনে জায়গা করে দেওয়া যাবে। এ পদ্ধতিটাই এখন আমি ব্যবহার করছি। আমার মতে, আরও ভালো কিছু পাওয়ার আগপর্যন্ত এ পদ্ধতিটাই সবচে ভারসাম্যপূর্ণ।