📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 ইঁদুর দৌড় : আত-তাকাসুর

📄 ইঁদুর দৌড় : আত-তাকাসুর


আমরা হয়তো খেয়াল করি না যে, আমরা একটি ছোটাছুটির জীবনযাপন করছি। অনেকটা অটো-পাইলটের মতো, আকাশপথে চলছি ঠিকই কিন্তু কোথায় যাচ্ছি, কেন যাচ্ছি তার কোনো ক্লু নেই। একের পর এক কাজ করে যাচ্ছি শুধু রোবটের মতো। অনেকের কাছে জীবন মানেই প্রতিযোগিতা। ছোটাছুটি আর ব্যস্ততা। কাজ, পরিবার, সামাজিক দায়বদ্ধতা, বিনোদন এবং প্রয়োজনীয় জিনিস জমাতে থাকা। একজন সাধারণ মানুষের প্রতিটা দিন ব্যস্ততায় ভরা। সারা দিনে শত কাজের ভিড়ে নিশ্বাস ফেলারও যেন সময় নেই। ব্যস্ততা, তাড়াহুড়োর ভিড়ে শূন্যতা আর হাহাকার আমাদের ঘিরে ধরে। অথচ এ থেকে বের হয়ে আসার কোনো উপায় যেন আমাদের জানা নেই। বাংলায় এ ধরনের ছোটাছুটিকে বলে 'ইঁদুর দৌড়', আর কুরআন একে বলছে, 'তাকাসুর'।

"প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের ভুলিয়ে রাখে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তোমরা কবরে পৌঁছাচ্ছ। না! তোমরা জানবে। আবারও, না! তোমরা জানবে। না! তোমরা যদি নিশ্চিত জ্ঞানে জানতে! নিশ্চয়ই তোমরা জাহান্নাম দেখবে! তোমরা একে দেখবে নিজের চোখেই। এরপর, নিয়ামাত সম্পর্কে তোমাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে।” (সূরা আত-তাকাসুর: ১-৮)

আমরা সবাই জীবনের উপকরণগুলো নিয়ে ব্যস্ত। টেলিভিশন, ভিডিও গেমস, মুভি, গান, খেলাধুলা, কাজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, পরিবার এবং সমাজ— এসবকিছু। আর এসবে আমরা এতই ডুবে আছি যে, আল্লাহকে নিয়ে, ইসলামকে নিয়ে ভাবারই সময় আমরা পাই না। ইসলাম মেনে চলা বা ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করা তো দূরের কথা। আর এটাই ইঁদুর দৌড়, ছোটাছুটির জীবন। এর কথাই আল্লাহ ওপরের সূরায় বলেছেন। কী পরিমাণ সময় অপচয় করছি, এটা বুঝতে হলে কি মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করব নাকি?

না, আমরা চাইলে এখনই বদলাতে পারি। আর এক মুহূর্তও দেরি করার কোনো মানে নেই। মানে নেই ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখার। আমাদের জীবনের চাকাটা ঘোরাতে হবে, নিজেদের প্রশ্ন করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় যা কিছু আমাদের কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে পৌঁছতে দিচ্ছে না, সে সবকিছুই জীবন থেকে দূরে সরিয়ে ফেলতে হবে।

সহজ কথায়, এই ইঁদুর দৌড়ের জীবন থেকে এক ঘণ্টার জন্য ছুটি নিন। একবার নিজের জীবনের দিকে লক্ষ করুন। ভালো করে দেখুন আপনি কোথায় যাচ্ছেন। আপনার জীবনযাত্রা কি আপনাকে লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, নাকি অন্য কোথাও, নাকি কোথাও না?

যদি এমনটা আগে করে না থাকেন তা হলে এবার দেখবেন আপনি আসলে ভুল পথে চলছিলেন। সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা এতটাই অন্ধ হয়ে গিয়েছি যে, আমাদের জীবনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং প্রাধান্য দেওয়ার বিষয়গুলো ভুলেই গিয়েছি।

টাইম ম্যানেজমেন্টের একটি মৌলিক সূত্র হলো, সময়কে আপনি নিয়ন্ত্রণ করবেন, সময় আপনাকে না। এজন্যই তো একে বলা হয় টাইম 'ম্যানেজমেন্ট'। সময়কে আমাদের 'ম্যানেজ' করতে হবে, যেভাবে অন্য সবকিছুকে 'ম্যানেজ' করি। এ ম্যানেজমেন্টের শুরু হয় দুটো জিনিসের মাধ্যমে—
* সময়ের মূল্যায়ন করা এবং
* এখন কীভাবে সময়কে ব্যবহার করছি তার মূল্যায়ন করা।

এরপর আসে সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা।

সময় নিয়ে আমাদের ভাবনা
গবেষণায় দেখা গেছে, সময় নিয়ে মানুষের ভাবনা মূলত দুভাগে বিভক্ত। এ দুটো বিভাগ আমাদের দেখায়, একজন মানুষ কি টাইম ম্যানেজমেন্টে দক্ষ নাকি তার টাইম ম্যানেজমেন্ট শিখতে হবে। এ দুটো ভাগ হলো: 'in time' (মুহূর্তজীবী) আর 'through time' (সময়চারী)।

'মুহূর্তজীবী'রা প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করতে চেষ্টা করে। তারা সাধারণত অগ্রিম চিন্তাভাবনা করে না এবং ঠিক এই মুহূর্তে যা করছে তা উপভোগ করে। এ ধরনের মানুষেরা সাধারণত বেশি সুখী হয় এবং অন্যদের চেয়ে জীবন বেশি উপভোগ করে। কিন্তু মুদ্রার উল্টো পিঠে আবার, তারা সব জায়গায় দেরি করে, টাইম ম্যানেজমেন্টে তারা অদক্ষ। কারণ তারা অগ্রিম পরিকল্পনা করে না।

'সময়চারী'রা সময়কে বাক্সের মতো করে দেখেন। তারা প্রতিটি মিনিট, প্রতিটি ঘণ্টা পরিকল্পনা করে এগিয়ে যান। স্বাভাবিকভাবেই সময়চারীরা টাইম ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে দক্ষ এবং সাধারণত কোথাও দেরি করেন না। এক্ষেত্রে মুদ্রার উল্টো পিঠ হলো, তারা ভবিষ্যৎ নিয়ে এতই মনোযোগী থাকেন যে, এই মুহূর্তটাকে তারা আর উপভোগ করতে পারেন না।

সায়েদা হাবিব এ দুটো ভাবনার মধ্যকার পার্থক্য তুলে ধরেছেন: NLP অনুযায়ী সময়ভাবনা মূলত দুভাগে বিভক্ত। একজন মানুষ হয়তো বর্তমান মুহূর্তটাকে অনুভব করার চেষ্টা করেন অথবা সময়ের ভেতর দিয়ে পরিকল্পনা করে এগিয়ে যান। 'মুহূর্তজীবী'রা খুব একটি ভালো পরিকল্পনা করতে পারেন না এবং প্রায়ই দিশা হারিয়ে ফেলেন। তারা হয়তো কোনো একটি কাজে এত বেশি ডুবে যান যে, অন্য একটি মিটিং-এ উপস্থিত হতে দেরি করে ফেলেন। আর 'সময়চারী'রা পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে খুব দক্ষ। তাদের একটি গোছানো ডায়েরি থাকে এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ক্ষেত্রে তারা অনেক সচেতন।

এখানে মূল কথাটা হলো এ দুটো ধারার মধ্যে 'ভারসাম্য' আনা। দীর্ঘস্থায়ী ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা করতে হবে, ঘড়ির কাঁটা মেনে চলতে হবে, ঠিক আছে। কিন্তু বিনোদন বা পরিবারের সাথে কাটানো মুহূর্তগুলোকে পরিকল্পনার ছকে না বেঁধে বরং উপভোগ করতে হবে। আপনি যে ধারারই হোন না কেন, ভারসাম্য আনতে হলে কিছু দক্ষতা শেখা এবং তা কাজে লাগানো খুব গুরুত্বপূর্ণ।

কেউ কেউ বলতে পারেন 'সময়চারী'রা এমনিতেই টাইম ম্যানেজমেন্টে এগিয়ে আছে। কিন্তু এটা সব সময় খাটে না। সময়চারীরা 'এখন'-এর চেয়ে 'একটু পর' নিয়ে বেশি ভাবিত থাকে। আর এজন্য তারা বিনোদন কিংবা বিশ্রামের সময়টাও ঠিকভাবে উপভোগ করতে পারেন না। তাই তাদেরকেও মুহূর্তজীবীদের মতো সময়ের সে ভারসাম্যটা খুঁজে পেতে হবে।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 সময়-ব্যবহার সমালোচনা

📄 সময়-ব্যবহার সমালোচনা


একদিনের জন্য নিজের সমালোচক নিজেই হয়ে যান। আপনি আপনার সময়কে কীভাবে ব্যবহার করছেন, সেদিকটা একদিন মনিটর করুন। এভাবে একদিন প্রতিটা ঘণ্টাকে বিশ্লেষণ করার পর সেদিন রাতে রিপোর্ট হাতে নিয়ে বসুন। দেখুন কেমন গেল দিনটা। আমি নিশ্চিত আপনি চমকে যাবেন।

ঠিক কোন কোন সময় এবং কীভাবে আপনার সময়গুলো নষ্ট হচ্ছে, সেটা দেখতে পাবেন। এটা জেনে গেলে এরপর থেকে আরও ভালোভাবে সময়গুলো ব্যবহার করতে পারবেন। এ ধাপটাকে একদমই অবহেলা করবেন না। ৮০/২০ নীতি নামে একটি বিখ্যাত নীতি আছে। এ নীতি মাথায় রাখলে দেখবেন যে, অধিকাংশ মানুষই তাদের সময়ের সিংহভাগ অপচয় করে ফেলে আর অল্প একটি অংশ মাত্র কাজে লাগাতে পারে।

৮০/২০ নীতিটা মূলত অর্থনীতির বিষয়। এর মানে হলো আমাদের প্রতিদিনকার মাত্র ২০ ভাগ কাজ থেকে ৮০ ভাগ ফল অর্জিত হয়। আর ৮০ ভাগ কাজ মাত্র ২০ ভাগ ফল উৎপাদন করে। তাই যে কাজগুলোর প্রোডাক্টিভিটি বা উৎপাদনক্ষমতা বেশি, সেগুলোর দিকে নজর দিতে হবে। একই সাথে বেশির ভাগ সময় নষ্টকারী কাজগুলোও চিহ্নিত করতে হবে।

৮০/২০ নীতির অনেক উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনেই পাওয়া যাবে। যেমন, সালাত শুধু দিনে পাঁচবার পড়তে হয় কিন্তু এর আত্মিক প্রভাব সারা দিনের অন্যান্য কাজ থেকে বেশি। আবার আমরা তিন বেলা খাই। কিন্তু সারা দিন চলার শক্তি আসে এ তিন বেলা খাবার থেকেই।

এমনকি কর্মজীবনেও কিছু কাজের গুরুত্ব অন্যসব কাজ থেকে বেশি। ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য আমরা যে সময়টুকু দিই, সে সময়টুকু প্রাতিষ্ঠানিক অন্যান্য কাজে ব্যয় করা সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য নিজেকে এক ঘণ্টা সময় দেওয়া যথেষ্ট অথচ এর প্রভাব জীবন বদলে দেওয়ার মতো। কিন্তু আমাদের জীবনে কোনো দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব না ফেলেই প্রাতিষ্ঠানিক কাজগুলোর পেছনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় চলে যেতে পারে।

আমাদের জীবনে ছোট ছোট অনেক কাজের প্রভাব লম্বা লম্বা কাজগুলোর চেয়ে বেশি। আমাদের গোটা জীবন এ ছোট ছোট কাজগুলো দিয়েই গড়ে উঠেছে। কিন্তু আমরা এ বিষয়টা তেমন খেয়ালই করি না। এ বিষয়টা গুরুত্বসহ নিলে জীবনের মোড়টাই বদলে যায়। কারণ, তখন ঠিক জায়গায় সময়টাকে কাজে লাগানো যায়।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধরুন, আপনি শিক্ষকতা করেন এবং শিক্ষকতাই আপনার সবচে প্রোডাক্টিভ কাজ। আগে সপ্তাহে দুই ঘণ্টা মাত্র ক্লাস নিতেন। কিন্তু এখন প্রতি সপ্তাহে ক্লাসের সংখ্যা আরও বাড়াবেন এবং ক্লাসগুলো আরও মানসম্মত করার চেষ্টা করবেন। তা হলে সময় নষ্টকারী বা অযথা কিছু কাজ বাদ দিতে পারেন। সে সময়টা বরং শিক্ষকতা করানোতে দিতে পারেন।

আবার ধরুন, আপনার চারটা ব্যবসায়িক বিনিয়োগ রয়েছে। কিন্তু সবচে ছোট ব্যবসাটা থেকেই বেশি লাভ আসছে। এক্ষেত্রে ওই ছোট ব্যবসায়ের পেছনে আপনার সময় এবং অর্থ দেওয়া উচিত এবং অন্য যে ব্যবসাগুলো থেকে কোনো লাভই হচ্ছে না, সেগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ করে দিতে পারেন।

দেখুন, ৮০/২০ নীতিটি আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে এমনকি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও কাজের এবং অকাজের, সময় নষ্টের জায়গাগুলো চিহ্নিত করতে সাহায্য করে। ৮০% এবং ২০% কিন্তু বাঁধাধরা না, এটা শুধুই একটি সংখ্যাজোড়। ৮০/২০ নির্দেশ করে যে কাজগুলোতে আমরা খুব কম সময় দিই, সাধারণত সেগুলোর প্রভাব আমাদের জীবনে অন্য কাজগুলোর চেয়ে বেশি। এ নীতিটির মাধ্যমে আপনার প্রতিদিনের কাজগুলোর একটি মূল্যায়ন করে ফেলুন, তখন নিজেই এর ফলাফল দেখতে পাবেন। এই যে সময়ের হিসাব নেওয়া, নজরদারির মধ্যে রাখা, এ ব্যাপারটা ইসলামেও আছে। সময় নষ্ট না করা, প্রতিটা ঘণ্টার ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা-গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি মূল্যবোধ। এসব অনেকটা মুহাসাবাহর সাথে মিলে যায়।

মুহাসাবাহর বাংলা অর্থ হতে পারে, আত্ম-পর্যবেক্ষণ অথবা নিজের হিসেব নিজে নেওয়া। নিজের নিয়্যাত আর হৃদয়কে সব সময় পর্যবেক্ষণ করতে থাকার পদ্ধতি হলো মুহাসাবাহ। মুহাসাবাহর এ ধারণা আমরা টাইম ম্যানেজমেন্টেও নিয়ে আসতে পারি। কারণ, প্রবৃত্তির নিয়ন্ত্রণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সময়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকাও তেমন গুরুত্বপূর্ণ।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 টাইম ম্যানেজমেন্টের পদ্ধতি

📄 টাইম ম্যানেজমেন্টের পদ্ধতি


যদি আপনার সময় ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ইতোমধ্যে মুহাসাবাহ করে থাকেন, তা হলে নিশ্চয়ই জেনে গেছেন যে, দিনে আপনার কমপক্ষে ৪-৬ ঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে। সামনে আপনাদের এমন কিছু পদ্ধতির সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব, যেগুলো অনুসরণ করলে সময় আর এভাবে নষ্ট হবে না।

আমাদের সবার জীবনযাপনের ধরন ভিন্ন। তাই টাইম ম্যানেজমেন্টেও সর্বজনীন কোনো পদ্ধতি নেই। অর্থাৎ একটি পদ্ধতি সবার ক্ষেত্রে খাটবে না। আমি এখানে আমার অভিজ্ঞতা মোতাবেক টাইম ম্যানেজমেন্টের জন্য সবচে কার্যকর পদ্ধতিগুলো তুলে ধরব এবং ঠিক কোন ব্যক্তিত্বের সাথে কোন পদ্ধতি যায়, সেটাও উল্লেখ করব।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 সাপ্তাহিক পরিকল্পনা পদ্ধতি

📄 সাপ্তাহিক পরিকল্পনা পদ্ধতি


টাইম ম্যানেজমেন্টের জন্য প্রথম যে পদ্ধতিটা আমি গ্রহণ করি সেটা ছিল 'সাপ্তাহিক পরিকল্পনা পদ্ধতি'। এ পদ্ধতির কথা জানতে পারি স্টিফেন কভের '7 Habits of Highly Effective People' বই থেকে। টানা দুই বছর, ২০১৪ সাল পর্যন্ত এ পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলাম। পদ্ধতিটি আমার জন্য খুব কার্যকরী ছিল। সবকিছু ঠিকঠাকমতো ব্যবস্থা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ সেরে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। সাপ্তাহিক পরিকল্পনা পদ্ধতির মূল কথা হলো, সপ্তাহের সাতটি দিনের প্রতিটা ঘণ্টার কাজের একটি লিস্ট করে রাখা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px