📄 একটি S.M.A.R.T লক্ষ্য সেটাই, যা :
Specific (সুনির্দিষ্ট): লক্ষ্যটা অস্পষ্ট হওয়া উচিত না। এটা হতে হবে একেবারে সুনির্দিষ্ট, যাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়া যায়। "আমি একজন লেখক হতে চাই” একটি অস্পষ্ট লক্ষ্য; কিন্তু "আমি ইসলামি পরিপ্রেক্ষিতে আত্মবিশ্বাসের ওপর একটি বই লিখতে চাই"—খুব সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য।
Measurable (পরিমাপযোগ্য): লক্ষ্যটাকে এমন হতে হবে যাতে এর অগ্রগতির হিসাব রাখতে পারা যায়। লক্ষ্য পূরণের কতটুকু কাছাকাছি বা দূরে আছেন এটা যেন আন্দাজ করা যায়। ব্যাপারটা আসলে অতটা সহজ না। একে তো দীর্ঘস্থায়ী, তার ওপর পরিমাপ করার মতো কোনো একক নেই। তাই গন্তব্যের কাছাকাছি না দূরে আছেন, এটা জানা সহজ না। পরিমাপযোগ্য লক্ষ্যের একটি উদাহরণ হতে পারে—প্রতিদিন সাড়ে তিন পৃষ্ঠা লিখে মাসে একশ পৃষ্ঠার লক্ষ্যে পৌঁছানো।
Attainable (অর্জনযোগ্য): এর মানে লক্ষ্যটা যেন নাগালের মধ্যে হয়। আপনি একটি মাল্টি মিলিয়ন ডলারের ইসলামিক সেন্টার গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এর জন্য আপনার সঞ্চয়ে কিছুই নেই। তা হলে এ লক্ষ্যটা আর অর্জনযোগ্য থাকল না। এসব লক্ষ্য হয় ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখতে হবে অথবা একটু সাজিয়ে গুছিয়ে আরও অর্জনযোগ্য বানাতে হবে।
Realistic (বাস্তবসম্মত): যে লক্ষ্যটা ঠিক করেছেন, সেটা করার সক্ষমতা এবং সদিচ্ছা দুটোই থাকতে হবে। আপনি যেখানে লেখালেখির কাজটিই পছন্দ করেন না, সেখানে ৫০০ পৃষ্ঠার বই লেখার লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা অবাস্তব। আপনাকে জানতে হবে আপনি কীসে দক্ষ, কোন কোন জায়গায় আপনি ছাড় দিতে পারবেন। এরপর লক্ষ্যটাকে সেভাবে ঠিক করে নিতে হবে।
Timely (সময়মাফিক): সবশেষে, লক্ষ্য পূরণের জন্য সময়সীমা থাকতে হবে। কোনো সময়সীমা না থাকলে আপনি কাজ করার জন্য তাড়া অনুভব করবেন না। “কোনো একদিন আমি ৩০০ পৃষ্ঠার একটি বই লিখব” কথাটা আসলে নিরর্থক। আগামী তিন মাসে প্রতিদিন চার পৃষ্ঠা করে একটি বই লিখার লক্ষ্য হলো সময়মাফিক। এভাবে লক্ষ্য ঠিক করলে কাজ করার একটি তাড়া অনুভব করবেন, যেটা এমনিতে হতো না।
এই পাঁচটি বৈশিষ্ট্য আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য পূরণের জন্য একটি কর্মধারা ঠিক করে দেয়, যা অনুসরণ করে লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত করা যায়। যেকোনো লক্ষ্য ঠিক করার সময় সেটিকে এ পাঁচটা বৈশিষ্ট্যের সাথে একেবারে খাপ খাইয়ে নিতে হবে, যাতে করে শেষমেশ একটি দৃঢ় কর্মপরিকল্পনা গড়ে ওঠে。
একটি S.M.A.R.T লক্ষ্য থাকা মানে আপনার কাছে এমন কিছু একটি আছে, যাকে ঘিরে আপনি আপনার দিনগুলো সাজাতে পারবেন। যেমন আপনার লক্ষ্য যদি হয় একটি বই লেখা, তা হলে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে তিন পৃষ্ঠা লিখতে পারেন আপনি। আর এটাই কার্যকর টাইম ম্যানেজমেন্ট।
কারণ, আপনি জানেন আপনি কী অর্জন করতে চান। এখন আপনার প্রতিদিনকার কাজগুলো আবর্তিত হচ্ছে আরও বড় লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে। লক্ষ্যহীন, ভবঘুরে ব্যস্ততা নয়, বরং একটি সাজানো-গোছানো ছোটাছুটি।
Specific (সুনির্দিষ্ট): লক্ষ্যটা অস্পষ্ট হওয়া উচিত না। এটা হতে হবে একেবারে সুনির্দিষ্ট, যাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়া যায়। "আমি একজন লেখক হতে চাই” একটি অস্পষ্ট লক্ষ্য; কিন্তু "আমি ইসলামি পরিপ্রেক্ষিতে আত্মবিশ্বাসের ওপর একটি বই লিখতে চাই"—খুব সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য।
Measurable (পরিমাপযোগ্য): লক্ষ্যটাকে এমন হতে হবে যাতে এর অগ্রগতির হিসাব রাখতে পারা যায়। লক্ষ্য পূরণের কতটুকু কাছাকাছি বা দূরে আছেন এটা যেন আন্দাজ করা যায়। ব্যাপারটা আসলে অতটা সহজ না। একে তো দীর্ঘস্থায়ী, তার ওপর পরিমাপ করার মতো কোনো একক নেই। তাই গন্তব্যের কাছাকাছি না দূরে আছেন, এটা জানা সহজ না। পরিমাপযোগ্য লক্ষ্যের একটি উদাহরণ হতে পারে—প্রতিদিন সাড়ে তিন পৃষ্ঠা লিখে মাসে একশ পৃষ্ঠার লক্ষ্যে পৌঁছানো।
Attainable (অর্জনযোগ্য): এর মানে লক্ষ্যটা যেন নাগালের মধ্যে হয়। আপনি একটি মাল্টি মিলিয়ন ডলারের ইসলামিক সেন্টার গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এর জন্য আপনার সঞ্চয়ে কিছুই নেই। তা হলে এ লক্ষ্যটা আর অর্জনযোগ্য থাকল না। এসব লক্ষ্য হয় ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখতে হবে অথবা একটু সাজিয়ে গুছিয়ে আরও অর্জনযোগ্য বানাতে হবে।
Realistic (বাস্তবসম্মত): যে লক্ষ্যটা ঠিক করেছেন, সেটা করার সক্ষমতা এবং সদিচ্ছা দুটোই থাকতে হবে। আপনি যেখানে লেখালেখির কাজটিই পছন্দ করেন না, সেখানে ৫০০ পৃষ্ঠার বই লেখার লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা অবাস্তব। আপনাকে জানতে হবে আপনি কীসে দক্ষ, কোন কোন জায়গায় আপনি ছাড় দিতে পারবেন। এরপর লক্ষ্যটাকে সেভাবে ঠিক করে নিতে হবে।
Timely (সময়মাফিক): সবশেষে, লক্ষ্য পূরণের জন্য সময়সীমা থাকতে হবে। কোনো সময়সীমা না থাকলে আপনি কাজ করার জন্য তাড়া অনুভব করবেন না। “কোনো একদিন আমি ৩০০ পৃষ্ঠার একটি বই লিখব” কথাটা আসলে নিরর্থক। আগামী তিন মাসে প্রতিদিন চার পৃষ্ঠা করে একটি বই লিখার লক্ষ্য হলো সময়মাফিক। এভাবে লক্ষ্য ঠিক করলে কাজ করার একটি তাড়া অনুভব করবেন, যেটা এমনিতে হতো না।
এই পাঁচটি বৈশিষ্ট্য আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য পূরণের জন্য একটি কর্মধারা ঠিক করে দেয়, যা অনুসরণ করে লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত করা যায়। যেকোনো লক্ষ্য ঠিক করার সময় সেটিকে এ পাঁচটা বৈশিষ্ট্যের সাথে একেবারে খাপ খাইয়ে নিতে হবে, যাতে করে শেষমেশ একটি দৃঢ় কর্মপরিকল্পনা গড়ে ওঠে।
একটি S.M.A.R.T লক্ষ্য থাকা মানে আপনার কাছে এমন কিছু একটি আছে, যাকে ঘিরে আপনি আপনার দিনগুলো সাজাতে পারবেন। যেমন আপনার লক্ষ্য যদি হয় একটি বই লেখা, তা হলে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে তিন পৃষ্ঠা লিখতে পারেন আপনি। আর এটাই কার্যকর টাইম ম্যানেজমেন্ট।
কারণ, আপনি জানেন আপনি কী অর্জন করতে চান। এখন আপনার প্রতিদিনকার কাজগুলো আবর্তিত হচ্ছে আরও বড় লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে। লক্ষ্যহীন, ভবঘুরে ব্যস্ততা নয়, বরং একটি সাজানো-গোছানো ছোটাছুটি।