📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া

📄 ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া


দা'ওয়াহ ইসলামের একেবারে মৌলিক একটি বিষয়। প্রতিটি মুসলিম দা'ওয়ার এ কাজে অংশ নিতে পারে। নিজে একজন ভালো মুসলিম হয়ে, আমাদের কাজগুলোতে ইসলামের ছাপ রেখে আমরা সবার কাছে ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারি। বন্ধুদের, সহকর্মীদের এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ইসলামের মূল কথাগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে দা'ওয়াহ দেওয়া যায়। এভাবে দা'ওয়াহ যখন আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে পড়ে, তখন আমরা সময়কে ঠিকভাবে ব্যবহার করার আরেকটা কারণ হাতে পেয়ে যাই।

দা'ওয়াহ ইসলামের একেবারে মৌলিক একটি বিষয়। প্রতিটি মুসলিম দা'ওয়ার এ কাজে অংশ নিতে পারে। নিজে একজন ভালো মুসলিম হয়ে, আমাদের কাজগুলোতে ইসলামের ছাপ রেখে আমরা সবার কাছে ইসলামের বার্তা ছড়িয়ে দিতে পারি। বন্ধুদের, সহকর্মীদের এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে ইসলামের মূল কথাগুলো তুলে ধরার মাধ্যমে দা'ওয়াহ দেওয়া যায়। এভাবে দা'ওয়াহ যখন আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে পড়ে, তখন আমরা সময়কে ঠিকভাবে ব্যবহার করার আরেকটা কারণ হাতে পেয়ে যাই।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করা

📄 ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করা


আল্লাহর দেওয়া বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের জীবনযাপনও করা সম্ভব হবে না। তাই ইসলামের মৌলিক জ্ঞানার্জন করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য আবশ্যক। আর এ জ্ঞান ধীরে ধীরে বাড়ানোর চেষ্টাও করে যেতে হবে। এভাবে আমরা আরেকটা লক্ষ্য পেয়ে গেলাম, যাকে কেন্দ্র করে আমরা টাইম ম্যানেজমেন্ট করব। কারণ, সময়কে ভালোভাবে গুছিয়ে না নিলে ধারাবাহিক ইসলামি জ্ঞানার্জন সম্ভব না।

তাই স্পষ্টতই টাইম ম্যানেজমেন্ট একজন মুসলিমের জীবনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। আরও একটি লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, ইসলামে 'ইবাদাতের সাথে জড়িত কাজগুলো নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরেই করতে হয়। যেমন, দিনে পাঁচবার নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে সালাত আদায় করতে হয়। এভাবে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক বার সালাত আদায়ের অভ্যাস একজন ব্যক্তির মাঝে টাইম ম্যানেজমেন্টের একটি বোধ তৈরি করে। সাওম আর হাজ্জ দুটিই বছরের নির্দিষ্ট দুটো মাসের জন্য নির্দিষ্ট। এর ফলে বছরের কোন মাসে আমরা আছি, এটা জানাটা সহজ হয়ে যায়। আবার যাকাতও বার্ষিক একটি বিষয়, তথা সময়ের সাথে জড়িত। অতএব, বোঝা যাচ্ছে সময় আমাদের ধর্মে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার, তাই সময়ের সঠিক ব্যবহার করা খুবই দরকারি। জীবনের উদ্দেশ্য ঠিক করা এবং সে উদ্দেশ্যে পৌঁছানোর জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করা টাইম ম্যানেজমেন্টের প্রথম ধাপ।

আল্লাহর দেওয়া বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের জীবনযাপনও করা সম্ভব হবে না। তাই ইসলামের মৌলিক জ্ঞানার্জন করা প্রতিটি মুসলিমের জন্য আবশ্যক। আর এ জ্ঞান ধীরে ধীরে বাড়ানোর চেষ্টাও করে যেতে হবে। এভাবে আমরা আরেকটা লক্ষ্য পেয়ে গেলাম, যাকে কেন্দ্র করে আমরা টাইম ম্যানেজমেন্ট করব। কারণ, সময়কে ভালোভাবে গুছিয়ে না নিলে ধারাবাহিক ইসলামি জ্ঞানার্জন সম্ভব না।

তাই স্পষ্টতই টাইম ম্যানেজমেন্ট একজন মুসলিমের জীবনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। আরও একটি লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, ইসলামে 'ইবাদাতের সাথে জড়িত কাজগুলো নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরেই করতে হয়। যেমন, দিনে পাঁচবার নির্দিষ্ট একটি সময়ের মধ্যে সালাত আদায় করতে হয়। এভাবে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক বার সালাত আদায়ের অভ্যাস একজন ব্যক্তির মাঝে টাইম ম্যানেজমেন্টের একটি বোধ তৈরি করে। সাওম আর হাজ্জ দুটিই বছরের নির্দিষ্ট দুটো মাসের জন্য নির্দিষ্ট। এর ফলে বছরের কোন মাসে আমরা আছি, এটা জানাটা সহজ হয়ে যায়। আবার যাকাতও বার্ষিক একটি বিষয়, তথা সময়ের সাথে জড়িত। অতএব, বোঝা যাচ্ছে সময় আমাদের ধর্মে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার, তাই সময়ের সঠিক ব্যবহার করা খুবই দরকারি। জীবনের উদ্দেশ্য ঠিক করা এবং সে উদ্দেশ্যে পৌঁছানোর জন্য ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করা টাইম ম্যানেজমেন্টের প্রথম ধাপ।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 জীবনের লক্ষ্যগুলো যেমন হওয়া উচিত

📄 জীবনের লক্ষ্যগুলো যেমন হওয়া উচিত


এখন আপনার জীবনের উদ্দেশ্য আপনি জানেন। এই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য এরপর আপনাকে কিছু ব্যক্তিগত লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। এ লক্ষ্যগুলো হতে হবে আপনার নিজস্ব প্রতিভা, ভালো লাগা এবং দক্ষতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আপনার জীবনে এ লক্ষ্যগুলো যাতে এমন একটি পথ তৈরি করে নেয়, যা আপনার কাছেও ভালো লাগে এবং আল্লাহকেও সন্তুষ্ট করে।

লক্ষ্য ঠিক করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্য যাদের পরিষ্কার তাদের জীবনযাপন হয় গোছানো। তারা আগেভাগে ঘুম থেকে জেগে ওঠে, সদাপ্রস্তুত ও উদ্যমী থাকে, আর প্রতিটি নতুন সকাল তাদের জন্য সম্ভাবনাময়। তারা হাসিখুশি হয় এবং তাদের জীবনে পরিপূর্ণতা অনুভব করে। কারণ, তাদের একটি গন্তব্য আছে। তাদের আত্মবিশ্বাস থাকে প্রবল, কারণ তারা মহৎ কিছুর জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

যে লক্ষ্যই ঠিক করুন না কেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে দক্ষ হতে হবে। কিন্তু এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে। যেমন, আপনি যদি ভালো লিখতে পারেন, তা হলে বই কিংবা প্রবন্ধ লেখাকে আপনার লক্ষ্য বানিয়ে নিন। যদি ব্যবসায় আপনার আগ্রহ থাকে, তা হলে এমন কিছু ব্যবসায়িক প্রকল্পের উদ্যোগ নিন, যা মানুষের উপকারে আসবে। যদি বাচ্চা-কাচ্চাদের সঙ্গ উপভোগ করেন, তা হলে শিক্ষকতা করতে পারেন। প্রথমে নিজের প্রতিভাটা খুঁজে বের করুন। এরপর সে প্রতিভা কাজে লাগানোর মতো মহৎ কোনো লক্ষ্য বেছে নিন।

যখন বলার মতো কিছু লক্ষ্য থাকে, জীবনও বদলাতে শুরু করে। সবকিছুই বেশ গোছানো এবং অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। সকালে জেগে ওঠার পর হাহাকার জাগে না বরং আশান্বিত হয়ে ওঠার আলোক উদ্ভাসিত হয়। এই ছোট একটি পরিবর্তন বিশাল এক আত্মবিশ্বাসের জন্ম দেয়, কারণ তখন জীবনযাপনে একটি গতি জন্মায়।

একটি ভালো লক্ষ্য নৈরাশ্যবাদীদের কাছে অসম্ভব আর আশাবাদীদের কাছে সহজ মনে হয়। ভালো লক্ষ্য দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনার ব্যাপার, রাতারাতি অর্জন করে ফেলার মতো কিছু নয়। এর জন্য দরকার অন্তর্দৃষ্টি, কল্পনা করার ক্ষমতা এবং আশাবাদী দৃষ্টি দিয়ে দূর ভবিষ্যতে তাকানোর মতো মানসিকতা। এর ফল পেতে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে জীবনের অসংখ্য বছর, দিন ও মাস। তবু এর জন্য শ্রম দেওয়া অথবা এর পেছনে জীবনভর লেগে থাকাটা অনর্থক হবে না।

লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য অধিকাংশ সেল্ফ-হেল্প বই-ই S.M.A.R.T ফর্মুলা দিয়ে থাকে। এটা সহজ কিন্তু কার্যকরী। লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য বিবেচ্য পাঁচটা মূল বিষয়ের কথা S.M.A.R.T ফর্মুলাতে আছে। তাই এই বইয়েও আমরা একই মডেল ব্যবহার করব।

এখন আপনার জীবনের উদ্দেশ্য আপনি জানেন। এই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য এরপর আপনাকে কিছু ব্যক্তিগত লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। এ লক্ষ্যগুলো হতে হবে আপনার নিজস্ব প্রতিভা, ভালো লাগা এবং দক্ষতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। আপনার জীবনে এ লক্ষ্যগুলো যাতে এমন একটি পথ তৈরি করে নেয়, যা আপনার কাছেও ভালো লাগে এবং আল্লাহকেও সন্তুষ্ট করে।

লক্ষ্য ঠিক করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্য যাদের পরিষ্কার তাদের জীবনযাপন হয় গোছানো। তারা আগেভাগে ঘুম থেকে জেগে ওঠে, সদাপ্রস্তুত ও উদ্যমী থাকে, আর প্রতিটি নতুন সকাল তাদের জন্য সম্ভাবনাময়। তারা হাসিখুশি হয় এবং তাদের জীবনে পরিপূর্ণতা অনুভব করে। কারণ, তাদের একটি গন্তব্য আছে। তাদের আত্মবিশ্বাস থাকে প্রবল, কারণ তারা মহৎ কিছুর জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

যে লক্ষ্যই ঠিক করুন না কেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে দক্ষ হতে হবে। কিন্তু এরচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে। যেমন, আপনি যদি ভালো লিখতে পারেন, তা হলে বই কিংবা প্রবন্ধ লেখাকে আপনার লক্ষ্য বানিয়ে নিন। যদি ব্যবসায় আপনার আগ্রহ থাকে, তা হলে এমন কিছু ব্যবসায়িক প্রকল্পের উদ্যোগ নিন, যা মানুষের উপকারে আসবে। যদি বাচ্চা-কাচ্চাদের সঙ্গ উপভোগ করেন, তা হলে শিক্ষকতা করতে পারেন। প্রথমে নিজের প্রতিভাটা খুঁজে বের করুন। এরপর সে প্রতিভা কাজে লাগানোর মতো মহৎ কোনো লক্ষ্য বেছে নিন।

যখন বলার মতো কিছু লক্ষ্য থাকে, জীবনও বদলাতে শুরু করে। সবকিছুই বেশ গোছানো এবং অর্থপূর্ণ হয়ে ওঠে। সকালে জেগে ওঠার পর হাহাকার জাগে না বরং আশান্বিত হয়ে ওঠার আলোক উদ্ভাসিত হয়। এই ছোট একটি পরিবর্তন বিশাল এক আত্মবিশ্বাসের জন্ম দেয়, কারণ তখন জীবনযাপনে একটি গতি জন্মায়।

একটি ভালো লক্ষ্য নৈরাশ্যবাদীদের কাছে অসম্ভব আর আশাবাদীদের কাছে সহজ মনে হয়। ভালো লক্ষ্য দীর্ঘস্থায়ী পরিকল্পনার ব্যাপার, রাতারাতি অর্জন করে ফেলার মতো কিছু নয়। এর জন্য দরকার অন্তর্দৃষ্টি, কল্পনা করার ক্ষমতা এবং আশাবাদী দৃষ্টি দিয়ে দূর ভবিষ্যতে তাকানোর মতো মানসিকতা। এর ফল পেতে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে জীবনের অসংখ্য বছর, দিন ও মাস। তবু এর জন্য শ্রম দেওয়া অথবা এর পেছনে জীবনভর লেগে থাকাটা অনর্থক হবে না।

লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য অধিকাংশ সেল্ফ-হেল্প বই-ই S.M.A.R.T ফর্মুলা দিয়ে থাকে। এটা সহজ কিন্তু কার্যকরী। লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য বিবেচ্য পাঁচটা মূল বিষয়ের কথা S.M.A.R.T ফর্মুলাতে আছে। তাই এই বইয়েও আমরা একই মডেল ব্যবহার করব।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 একটি S.M.A.R.T লক্ষ্য সেটাই, যা :

📄 একটি S.M.A.R.T লক্ষ্য সেটাই, যা :


Specific (সুনির্দিষ্ট): লক্ষ্যটা অস্পষ্ট হওয়া উচিত না। এটা হতে হবে একেবারে সুনির্দিষ্ট, যাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়া যায়। "আমি একজন লেখক হতে চাই” একটি অস্পষ্ট লক্ষ্য; কিন্তু "আমি ইসলামি পরিপ্রেক্ষিতে আত্মবিশ্বাসের ওপর একটি বই লিখতে চাই"—খুব সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য।

Measurable (পরিমাপযোগ্য): লক্ষ্যটাকে এমন হতে হবে যাতে এর অগ্রগতির হিসাব রাখতে পারা যায়। লক্ষ্য পূরণের কতটুকু কাছাকাছি বা দূরে আছেন এটা যেন আন্দাজ করা যায়। ব্যাপারটা আসলে অতটা সহজ না। একে তো দীর্ঘস্থায়ী, তার ওপর পরিমাপ করার মতো কোনো একক নেই। তাই গন্তব্যের কাছাকাছি না দূরে আছেন, এটা জানা সহজ না। পরিমাপযোগ্য লক্ষ্যের একটি উদাহরণ হতে পারে—প্রতিদিন সাড়ে তিন পৃষ্ঠা লিখে মাসে একশ পৃষ্ঠার লক্ষ্যে পৌঁছানো।

Attainable (অর্জনযোগ্য): এর মানে লক্ষ্যটা যেন নাগালের মধ্যে হয়। আপনি একটি মাল্টি মিলিয়ন ডলারের ইসলামিক সেন্টার গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এর জন্য আপনার সঞ্চয়ে কিছুই নেই। তা হলে এ লক্ষ্যটা আর অর্জনযোগ্য থাকল না। এসব লক্ষ্য হয় ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখতে হবে অথবা একটু সাজিয়ে গুছিয়ে আরও অর্জনযোগ্য বানাতে হবে।

Realistic (বাস্তবসম্মত): যে লক্ষ্যটা ঠিক করেছেন, সেটা করার সক্ষমতা এবং সদিচ্ছা দুটোই থাকতে হবে। আপনি যেখানে লেখালেখির কাজটিই পছন্দ করেন না, সেখানে ৫০০ পৃষ্ঠার বই লেখার লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা অবাস্তব। আপনাকে জানতে হবে আপনি কীসে দক্ষ, কোন কোন জায়গায় আপনি ছাড় দিতে পারবেন। এরপর লক্ষ্যটাকে সেভাবে ঠিক করে নিতে হবে।

Timely (সময়মাফিক): সবশেষে, লক্ষ্য পূরণের জন্য সময়সীমা থাকতে হবে। কোনো সময়সীমা না থাকলে আপনি কাজ করার জন্য তাড়া অনুভব করবেন না। “কোনো একদিন আমি ৩০০ পৃষ্ঠার একটি বই লিখব” কথাটা আসলে নিরর্থক। আগামী তিন মাসে প্রতিদিন চার পৃষ্ঠা করে একটি বই লিখার লক্ষ্য হলো সময়মাফিক। এভাবে লক্ষ্য ঠিক করলে কাজ করার একটি তাড়া অনুভব করবেন, যেটা এমনিতে হতো না।

এই পাঁচটি বৈশিষ্ট্য আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য পূরণের জন্য একটি কর্মধারা ঠিক করে দেয়, যা অনুসরণ করে লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত করা যায়। যেকোনো লক্ষ্য ঠিক করার সময় সেটিকে এ পাঁচটা বৈশিষ্ট্যের সাথে একেবারে খাপ খাইয়ে নিতে হবে, যাতে করে শেষমেশ একটি দৃঢ় কর্মপরিকল্পনা গড়ে ওঠে。

একটি S.M.A.R.T লক্ষ্য থাকা মানে আপনার কাছে এমন কিছু একটি আছে, যাকে ঘিরে আপনি আপনার দিনগুলো সাজাতে পারবেন। যেমন আপনার লক্ষ্য যদি হয় একটি বই লেখা, তা হলে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে তিন পৃষ্ঠা লিখতে পারেন আপনি। আর এটাই কার্যকর টাইম ম্যানেজমেন্ট।

কারণ, আপনি জানেন আপনি কী অর্জন করতে চান। এখন আপনার প্রতিদিনকার কাজগুলো আবর্তিত হচ্ছে আরও বড় লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে। লক্ষ্যহীন, ভবঘুরে ব্যস্ততা নয়, বরং একটি সাজানো-গোছানো ছোটাছুটি।

Specific (সুনির্দিষ্ট): লক্ষ্যটা অস্পষ্ট হওয়া উচিত না। এটা হতে হবে একেবারে সুনির্দিষ্ট, যাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়া যায়। "আমি একজন লেখক হতে চাই” একটি অস্পষ্ট লক্ষ্য; কিন্তু "আমি ইসলামি পরিপ্রেক্ষিতে আত্মবিশ্বাসের ওপর একটি বই লিখতে চাই"—খুব সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য।

Measurable (পরিমাপযোগ্য): লক্ষ্যটাকে এমন হতে হবে যাতে এর অগ্রগতির হিসাব রাখতে পারা যায়। লক্ষ্য পূরণের কতটুকু কাছাকাছি বা দূরে আছেন এটা যেন আন্দাজ করা যায়। ব্যাপারটা আসলে অতটা সহজ না। একে তো দীর্ঘস্থায়ী, তার ওপর পরিমাপ করার মতো কোনো একক নেই। তাই গন্তব্যের কাছাকাছি না দূরে আছেন, এটা জানা সহজ না। পরিমাপযোগ্য লক্ষ্যের একটি উদাহরণ হতে পারে—প্রতিদিন সাড়ে তিন পৃষ্ঠা লিখে মাসে একশ পৃষ্ঠার লক্ষ্যে পৌঁছানো।

Attainable (অর্জনযোগ্য): এর মানে লক্ষ্যটা যেন নাগালের মধ্যে হয়। আপনি একটি মাল্টি মিলিয়ন ডলারের ইসলামিক সেন্টার গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু এর জন্য আপনার সঞ্চয়ে কিছুই নেই। তা হলে এ লক্ষ্যটা আর অর্জনযোগ্য থাকল না। এসব লক্ষ্য হয় ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখতে হবে অথবা একটু সাজিয়ে গুছিয়ে আরও অর্জনযোগ্য বানাতে হবে।

Realistic (বাস্তবসম্মত): যে লক্ষ্যটা ঠিক করেছেন, সেটা করার সক্ষমতা এবং সদিচ্ছা দুটোই থাকতে হবে। আপনি যেখানে লেখালেখির কাজটিই পছন্দ করেন না, সেখানে ৫০০ পৃষ্ঠার বই লেখার লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা অবাস্তব। আপনাকে জানতে হবে আপনি কীসে দক্ষ, কোন কোন জায়গায় আপনি ছাড় দিতে পারবেন। এরপর লক্ষ্যটাকে সেভাবে ঠিক করে নিতে হবে।

Timely (সময়মাফিক): সবশেষে, লক্ষ্য পূরণের জন্য সময়সীমা থাকতে হবে। কোনো সময়সীমা না থাকলে আপনি কাজ করার জন্য তাড়া অনুভব করবেন না। “কোনো একদিন আমি ৩০০ পৃষ্ঠার একটি বই লিখব” কথাটা আসলে নিরর্থক। আগামী তিন মাসে প্রতিদিন চার পৃষ্ঠা করে একটি বই লিখার লক্ষ্য হলো সময়মাফিক। এভাবে লক্ষ্য ঠিক করলে কাজ করার একটি তাড়া অনুভব করবেন, যেটা এমনিতে হতো না।

এই পাঁচটি বৈশিষ্ট্য আমাদের লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করে। এ বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষ্য পূরণের জন্য একটি কর্মধারা ঠিক করে দেয়, যা অনুসরণ করে লক্ষ্য অর্জন নিশ্চিত করা যায়। যেকোনো লক্ষ্য ঠিক করার সময় সেটিকে এ পাঁচটা বৈশিষ্ট্যের সাথে একেবারে খাপ খাইয়ে নিতে হবে, যাতে করে শেষমেশ একটি দৃঢ় কর্মপরিকল্পনা গড়ে ওঠে।

একটি S.M.A.R.T লক্ষ্য থাকা মানে আপনার কাছে এমন কিছু একটি আছে, যাকে ঘিরে আপনি আপনার দিনগুলো সাজাতে পারবেন। যেমন আপনার লক্ষ্য যদি হয় একটি বই লেখা, তা হলে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে তিন পৃষ্ঠা লিখতে পারেন আপনি। আর এটাই কার্যকর টাইম ম্যানেজমেন্ট।

কারণ, আপনি জানেন আপনি কী অর্জন করতে চান। এখন আপনার প্রতিদিনকার কাজগুলো আবর্তিত হচ্ছে আরও বড় লক্ষ্যকে কেন্দ্র করে। লক্ষ্যহীন, ভবঘুরে ব্যস্ততা নয়, বরং একটি সাজানো-গোছানো ছোটাছুটি।

ফন্ট সাইজ
15px
17px