📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 দ্রুত পঠন

📄 দ্রুত পঠন


আপনি পুরো বইটি খুব দ্রুত একবার চোখ বুলিয়ে যেতে পারেন। এভাবে প্রতিটা অধ্যায় সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে যাবেন, কোন অধ্যায়ে কী আছে, কোনটা গুরুত্বপূর্ণ টপিক—এসবের ব্যাপারে পরিচিতি লাভ করবেন। একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিজের জীবনে প্রয়োগ করার ব্যাপারেও অনুপ্রেরণা পাবেন। এ পদ্ধতিটা মূলত তাদের জন্য, যারা বইয়ের মূল বক্তব্যটা সংক্ষেপে জানতে চান কিন্তু বিস্তারিত পড়ার সময় নেই।

আপনি পুরো বইটি খুব দ্রুত একবার চোখ বুলিয়ে যেতে পারেন। এভাবে প্রতিটা অধ্যায় সম্পর্কে একটি ধারণা পেয়ে যাবেন, কোন অধ্যায়ে কী আছে, কোনটা গুরুত্বপূর্ণ টপিক—এসবের ব্যাপারে পরিচিতি লাভ করবেন। একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো নিজের জীবনে প্রয়োগ করার ব্যাপারেও অনুপ্রেরণা পাবেন। এ পদ্ধতিটা মূলত তাদের জন্য, যারা বইয়ের মূল বক্তব্যটা সংক্ষেপে জানতে চান কিন্তু বিস্তারিত পড়ার সময় নেই।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 বিস্তারিত অধ্যয়ন

📄 বিস্তারিত অধ্যয়ন


বিস্তারিত অধ্যয়ন বলতে বোঝানো হচ্ছে—বইয়ের প্রতিটা বাক্যকে অনুধাবন করে পড়া, আয়ত্ত করা, ভালোভাবে বোঝা এবং কীভাবে নিজের জীবনে কাজে লাগাতে হবে—সেটা জেনে নেওয়া। এভাবে পড়াটা অনেক ধীরগতির বটে কিন্তু এতে পরিবর্তন আসবে দ্রুত।

নোট নেওয়াটা বিস্তারিত অধ্যয়নের একটি অংশ। এ নোট নেওয়া অনেক রকমের হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো দাগিয়ে রাখা অথবা প্রাসঙ্গিক কোনো বক্তব্যের সারাংশ টাইপ করা অথবা লিখে রাখা। আবার এর অর্থ হতে পারে—এ বইয়ের ‘যা যা করব' বিভাগটা ভালোভাবে পড়া এবং সেখানে উল্লিখিত প্রতিটা কাজ ঠিকমতো করা। এ পদ্ধতিতে-যা পড়েছেন তা দীর্ঘ সময় ধরে মনে থাকে, গভীর অনুধাবন তৈরি হয় এবং যা পড়েছেন, তা প্রয়োগ করার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

বিস্তারিত অধ্যয়ন বলতে বোঝানো হচ্ছে—বইয়ের প্রতিটা বাক্যকে অনুধাবন করে পড়া, আয়ত্ত করা, ভালোভাবে বোঝা এবং কীভাবে নিজের জীবনে কাজে লাগাতে হবে—সেটা জেনে নেওয়া। এভাবে পড়াটা অনেক ধীরগতির বটে কিন্তু এতে পরিবর্তন আসবে দ্রুত।

নোট নেওয়াটা বিস্তারিত অধ্যয়নের একটি অংশ। এ নোট নেওয়া অনেক রকমের হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো দাগিয়ে রাখা অথবা প্রাসঙ্গিক কোনো বক্তব্যের সারাংশ টাইপ করা অথবা লিখে রাখা। আবার এর অর্থ হতে পারে—এ বইয়ের ‘যা যা করব' বিভাগটা ভালোভাবে পড়া এবং সেখানে উল্লিখিত প্রতিটা কাজ ঠিকমতো করা। এ পদ্ধতিতে-যা পড়েছেন তা দীর্ঘ সময় ধরে মনে থাকে, গভীর অনুধাবন তৈরি হয় এবং যা পড়েছেন, তা প্রয়োগ করার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 কর্ম পরিকল্পনা

📄 কর্ম পরিকল্পনা


এ বইটি পড়ার তৃতীয় পদ্ধতি হলো-প্রতি অধ্যায়ের শেষে যুক্ত 'যা যা করব' অংশটা মনযোগ দিয়ে পড়া এবং সেগুলো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা। এ অংশটা মূলত প্রতিটি অধ্যায়ের মূল কথাগুলোর সারাংশ; পাশাপাশি কীভাবে বাস্তবে কাজে লাগাতে হবে, সে ব্যাপারে ব্যাবহারিক উপদেশ সংবলিত।

পড়ার এ পদ্ধতিটা বাস্তবায়নের দিকে বেশি নজর দেয়। যদি আপনি বিস্তারিত জানতে না চান এবং শুধু মূল বিষয়গুলোই জেনে নিয়ে প্রয়োগ করার ব্যাপারে আগ্রহী হন, তা হলে আপনার কাজ হবে 'যা যা করব' অংশটা দিয়ে শুরু করা। এ ছাড়া বইয়ের শেষের দিকে টাইম ম্যানেজমেন্ট টিপস অধ্যায়টা আপনার কাজে লাগতে পারে।

এ বইটি পড়ার তৃতীয় পদ্ধতি হলো-প্রতি অধ্যায়ের শেষে যুক্ত 'যা যা করব' অংশটা মনযোগ দিয়ে পড়া এবং সেগুলো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা। এ অংশটা মূলত প্রতিটি অধ্যায়ের মূল কথাগুলোর সারাংশ; পাশাপাশি কীভাবে বাস্তবে কাজে লাগাতে হবে, সে ব্যাপারে ব্যাবহারিক উপদেশ সংবলিত।

পড়ার এ পদ্ধতিটা বাস্তবায়নের দিকে বেশি নজর দেয়। যদি আপনি বিস্তারিত জানতে না চান এবং শুধু মূল বিষয়গুলোই জেনে নিয়ে প্রয়োগ করার ব্যাপারে আগ্রহী হন, তা হলে আপনার কাজ হবে 'যা যা করব' অংশটা দিয়ে শুরু করা। এ ছাড়া বইয়ের শেষের দিকে টাইম ম্যানেজমেন্ট টিপস অধ্যায়টা আপনার কাজে লাগতে পারে।

📘 টাইম ম্যানেজমেন্ট 📄 বেছে বেছে পড়া

📄 বেছে বেছে পড়া


বইয়ের কিছু অধ্যায় অন্য কারো চেয়ে আপনার জীবনের সাথে বেশি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি ওই অধ্যায়গুলো আগে পড়তে পারেন তারপর বাকি অধ্যায়গুলো। এমন কোনো ধরা-বাঁধা নিয়ম নেই যে, আপনাকে শুরু থেকেই পড়তে হবে।

বইয়ের কিছু অধ্যায় অন্য কারো চেয়ে আপনার জীবনের সাথে বেশি প্রাসঙ্গিক হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি ওই অধ্যায়গুলো আগে পড়তে পারেন তারপর বাকি অধ্যায়গুলো। এমন কোনো ধরা-বাঁধা নিয়ম নেই যে, আপনাকে শুরু থেকেই পড়তে হবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px