📄 যাঞ্জাবীল (শুকনা আদা)
আল্লাহ তা'আলা সূরা দাহার- এ জান্নাতবাসীদেরকে যে সকল পানীয় দেওয়া হবে সেগুলির আলোচনা প্রসঙ্গে যাঞ্জাবীল কে একটি অনন্য নিআমত হিসাবে উল্লেখ করেছেন। ইরশাদ হচ্ছে:
وَيُسْقُونَ فِيهَا كَأْسًا كَانَ مِزَاجُهَا زَنجَبِيلاً
"তাদেরকে সেখানে পান করানো হবে যানজাবীল মিশ্রিত পানপাত্র।" -সূরা দাহারঃ আয়াতঃ ১৭
📄 যাইতুন
পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় যাইতুন ও এর তৈল এর উল্লেখ হয়েছে। সূরা ত্বীনে যাইতুন-এর কসম খেয়ে বলা হয়েছে-কসম ত্বীন ও যাইতুনের। সূরা আবাসায় মানুষের বিভিন্ন প্রকার খাদ্য দ্রব্যের আলোচনায় যাইতুন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইরশাদ হচ্ছেঃ
فَلْيَنْظُرِ الْإِنْسَانُ إِلَى طَعَامِهِ وَزَيْتُونَا وَنَخْلًا
"মানুষ তার খাদ্যের প্রতি লক্ষ্য করুক, আমি তাদের জন্য উৎপন্ন করেছি যাইতুন ও খর্জুর।” -সূরা আবাসাঃ আয়াতঃ ২৪-২৮
সূরা নূর-এ যাইতুন বৃক্ষকে বলা হয়েছে "শাজারাতিম মুবারাকা” বা বরকতময় বৃক্ষ। -সূরা নূরঃ আয়াতঃ ২৫
এছাড়া সূরা আবাসা, সূরা নাহল এবং সূরা আনআমেও যাইতুনের আলোচনা এসেছে।
📄 শহদ বা মধু
সর্বশেষ আসমানী গ্রন্থ কুরআন মজীদে মধু এবং মধুমক্ষিকার কথাও কয়েক বার উল্লেখিত হয়েছে। বরং পবিত্র কুরআনের চৌদ্দ পারার ১৬টি রুকু সম্বলিত একটি স্বতন্ত্র সূরার নামই 'সূরা নাহল' বা মধুমক্ষিকার সূরা নামে নামকরণ করা হয়েছে। এই সূরার ৬৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন যে, এবং আপনার প্রতিপালক মধুমক্ষিকার প্রতি এই আদেশ দিলেন যে, পর্বতগাত্রে এবং উঁচু বৃক্ষের ডালে তোমরা গৃহ তৈরী কর।" -সূরা নাহলঃ আয়াতঃ ৬৮
অতঃপর মধু সম্পর্কে ইরশাদ করেনঃ
يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفُ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءُ لِلنَّاسِ
"আল্লাহ তা'আলা এই মধুমক্ষিকার পেট থেকে এমন পানীয় বের করেন যার রঙ হয় বিভিন্ন। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।" -সূরা নাহলঃ আয়াতঃ ৬৯
আল্লাহ তা'আলা সূরা মুহাম্মদ-এ জান্নাতে মধুর নহরের সুসংবাদ দান করেছেন। ইরশাদ হচ্ছেঃ
وَأَنْهَارُ مِنْ عَسَلٍ مُّصَفَّى
"জান্নাতে স্বচ্ছ মধুর نহর প্রবাহিত হবে।" -সূরা মুহাম্মদ : আয়াত : ১৫-৪৭
📄 কিত্বর বা তামা
আল্লাহ রাব্বুল আ'লামীন হযরত সুলাইমান (আঃ)-এর প্রতি স্বীয় নিআমত সমূহের আলোচনা প্রসঙ্গে বিশেষভাবে তামার উল্লেখ করে ইরশাদ করেছেন যে,
وَأَسَلْنَا لَهُ عَيْنَ الْقِطْرِ
"আমি সুলাইমানের জন্য তামার প্রস্রবণ প্রবাহিত করেছিলাম।" -সূরা সাবাঃ আয়াত : ১২