📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 নারীদের জন্য বিশেষ তদবীর

📄 নারীদের জন্য বিশেষ তদবীর


(১) প্রসব বেদনা: কোন মহিলার প্রসব বেদনা উঠলে কাগজের টুকরায় এই আয়াতটি লিখে এটাকে পাক কাপড়ে পেছিয়ে মহিলার বাম রানে বেঁধে দেবে। দ্রুত সন্তান প্রসব হয়ে যাবে।
وَالْقَتْ مَا فِيهَا وَتَخَلَّتْ وَأَذِنَتْ لِرَبِّهَا وَحُقَّتْ اهيا شراهيا
(২) হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলবী (রহঃ) বলেন, আমাকে একজন অতি নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি বলেছেন যে, যদি কোন মহিলার সন্তান প্রসবের পর জীবিত না থাকে তাহলে আজওয়াইন (উগ্রগন্ধ লতাবিশেষের বীজ) ও গোল মরিচ নিয়ে সোমবার দুপুর সময় ৪০ বার সূরা শামস পড়বে। প্রত্যেক বার আগে ও পরে দরূদ পাঠ করবে। অতঃপর আমলের দিন থেকে শিশুর দুধ ছাড়ানো পর্যন্ত প্রতি দিন খাবে। ইনশাআল্লাহ এই মহিলার সন্তান স্বাভাবিক জীবন লাভ করবে।

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 শিশুদের হিফাযতের জন্য

📄 শিশুদের হিফাযতের জন্য


(১) হযরত রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিম্নে উল্লেখিত দু'আটি পাঠ করে হযরত হাসান ও হযরত হুসাইন (রাযিঃ) এর শরীরের উপর দম দিতেন এবং তিনি বলতেন যে, তোমাদের দাদা হযরত ইবরাহীম, ইসমাঈল এবং হযরত ইসহাক (আঃ) ও এই দুআ পাঠ করতেন। -মুসলিম শরীফ
আমাদের পূর্বসূরী বুযুর্গদের মধ্যে হযরত মাওলানা আবদুল আযীয ও মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক (রহঃ) শিশুদের হেফাযতের জন্য শুধু এই দুআটিই লিখে দিতেন। এই দুআটি যদি কাগজে লিখে শিশুর গলায় বেঁধে দেওয়া হয় তাহলে আল্লাহ চাহেন তো শিশু সর্বদিক থেকে নিরাপদ থাকবে।
দু'আটি এই
(১) بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ - أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ كُلِّهَا مِنْ شَرِّ مَا بسم خَلَقَ بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ وَلَا حَولَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ
(২) বদ নযেরর জন্য শুরু ও শেষে দরূদ শরীফসহ নিম্নোক্ত আয়াত পাঠ করে শিশুর উপর দম করবে।
(২) وَإِنْ يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا اليَذُ لِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَا سَمِعُوا الَّذِكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونَ وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِينَ -

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 বদ নযর থেকে আত্মরক্ষার তদবীর

📄 বদ নযর থেকে আত্মরক্ষার তদবীর


رَأَى شَيْئًا عَنْ حَكِيمِ بْنِ حِزَامٍ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا رَ يُعْجِبُهُ فَخَافَ أَنْ يَعِينَهُ قَالَ اللَّهُمَّ بَارِكْ فِيهِ وَلَا أَخِيرُهُ .
হাকীম ইবনে হেযাম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন জিনিস দেখতেন এবং এটা তাঁর নিকট খুব ভাল লাগত, তখন তাঁর ভয় হত যে, পাছে আবার বদ নযর লেগে না যায়। তাই তিনি বলতেন, আয় আল্লাহ! আপনি এতে বরকত দান করুন এবং এটাকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করুন। -মুসলিম শরীফ
হাদীসের সুপ্রসিদ্ধ গ্রন্থ সুনানে নাসায়ী ও ইবনে মাজায় হযরত সাহল ইবনে হুনাইফ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ আঁ-হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যখন তোমাদের কেউ নিজের মধ্যে, নিজের মালের মধ্যে বা অপর কোন মুসলমান ভায়ের মধ্যে এমন কোন জিনিস দেখ, যা তার খুবই পছন্দ হয় তখন তার মধ্যে বরকতের জন্য দুআ করা উচিত। কেননা, নযর লাগার বিষয়টি খুবই সত্য।
উপরোক্ত দুইটি পবিত্র বাণী থাকার পর নযর লাগার ব্যাপারে কোন প্রকার শুবা সন্দেহ ও সংশয়ের অবকাশ নাই। নযর লাগার বিষয়টি কোন কল্পকাহিনী বা রূপকথা নয়। বরং এটা একটা অতি বাস্তব ব্যাপার।
অধুনা দেহতত্ত্ববিদগণও এই সত্যটি স্বীকার করে নিয়েছেন। বস্তুতঃ হ্যাফনাটিজমের ভিত্তিই চোখের আকর্ষণ শক্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
হুযুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নযর লাগার মন্দ প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য যে দুআ শিক্ষা দিয়েছেন, চিন্তা করে দেখুন তা কত সংক্ষিপ্ত ও ব্যাপক অর্থবোধক।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00