📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 রোগ-ব্যাধি ও ক্ষতিগ্রস্ততার প্রতিকার

📄 রোগ-ব্যাধি ও ক্ষতিগ্রস্ততার প্রতিকার


হযরত আবূ হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিত: একদা রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথাও যাচ্ছিলেন। এসময় একজন ভগ্ন হৃদয় জীর্ণশীর্ণ ব্যক্তির উপর তাঁর দৃষ্টি পড়ল। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার এ অবস্থা কি করে হল? লোকটি বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ! রোগ-ব্যাধি ও ক্ষয় ক্ষতির কারণে আমার এ অবস্থা হয়েছে। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি কি তোমাকে এমন কালিমা শিখিয়ে দেবনা যা তোমার রোগ ও ক্ষয়-ক্ষতি দূর করতে পারে?
হাদীসের বর্ণনাকারী হযরত আবূ হুরাইরা (রাযিঃ) বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার অনুরোধে এ আয়াত আমাকে শিখিয়ে দেনঃ
تَوَكَّلْتُ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذُ وَلَدًا وَلَمْ يَكُن لَّهُ شَرِيكَ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ يَكُن لَّهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبْرَهُ تَكْبِيرًا
অর্থাৎ "আমি সেই মহান সত্তার উপর ভরসা রাখি, যিনি জীবিত, যার মৃত্যু নাই, এবং সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি না কোন সন্তান রাখেন, না তাঁর সার্বভৌমত্বে কোন শরীক আছে এবং দুর্দশাগ্রস্ত হন না, যে কারণে তাঁর কোন সাহায্যকারীর প্রয়োজন হতে পারে। সুতরাং সসম্ভ্রমে তাঁর মাহাত্ম্য বর্ণনা করুন।" সূরা বনী ইসরাইল: আয়াত ১১১

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 চিন্তা ও পেরেশানীর প্রতিকার

📄 চিন্তা ও পেরেশানীর প্রতিকার


হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রহঃ) বলেন, রাসূল পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন চিন্তা ও পেরেশানী দেখা দিলে তিনি এই দুআ করতেন:
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيتُ
অর্থাৎ “হে চিরঞ্জীব, হে চিরন্তন! তোমার অনন্ত রহমতের অছিলায় প্রার্থনা করছি।" হাকেম, তিরমিযী শরীফ

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 দুআ ইউনুস (আঃ)

📄 দুআ ইউনুস (আঃ)


হযরত সাআদ ইবনে আবী ওয়াককাস (রাযিঃ) রেওয়ায়াত করেন যে, আঁ-হযরত সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, হযরত ইউনুস (আঃ) মাছের পেটে এই দুআ পাঠ করেছিলেন:
لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَنَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّلِمِينَ
"আপনি ছাড়া কোন মাবুদ নাই। আপনি পাক ও পবিত্র। নিশ্চয় আমি যুলুম করেছি।"
এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই দুআ কি হযরত ইউনুস (আঃ)-এর জন্যই খাছ ছিল, না সাধারণ মুমিনদের জন্যেও এই দুআ প্রযোজ্য? হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি আল্লাহ তাআলার এই আয়াত শুননি?
فَنَجَّيْنَهُ مِنَ الْغَمِّ وَكَذَلِكَ تُنْجِي الْمُؤْمِنِينَ
"আমি তাঁর (হযরত ইউনুস (আঃ)-এর দুআ কবুল করেছি ও তাঁকে এই কঠিন অবস্থা থেকে মুক্তি দিয়েছি এবং আমি এভাবেই মুমিনদেরকে মুক্তি দেই।"

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 মনোবেদনা ও অস্থিরতার প্রতিকার

📄 মনোবেদনা ও অস্থিরতার প্রতিকার


মানুষ স্বভাগতভাবেই অত্যন্ত দুর্বল ও স্পর্শকাতর। তার সকল প্রকার শক্তি সামর্থের পরও সে এতো দুর্বলচিত্ত যে সামান্য বিষয়ই তাকে বেদনাক্লিষ্ট ও ব্যাকুল করে তোলে। তবে আল্লাহ তা'আলার খাস বান্দাগণ বড় বড় অঘটন দুর্ঘটনার পরও ভগ্নহৃদয় ও ব্যাকুল হয়ে যান না। আমাদের সম্মানিত বুযুর্গগণ এই মনোবেদনা ও চিত্তের অস্থিরতা দূর করার বিভিন্ন দুআর তালীম দিয়েছেন। স্বয়ং রাসূল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত আছে যে, এরূপ মনোবেদনার কোন কারণ ঘটলে নিম্নোক্ত দুআ পড়ে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করবে। - বুখারী শরীফ
দুআটি এই- لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ رَبُّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَلَمِينَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ عِبَادِكَ حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ -
হযরত আবূ হুরাইরা (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মনের দুঃখ-কষ্ট ও অস্থিরতা দূর করার জন্য এই দুআ শিক্ষা দিয়েছেন:
تَوَكَّلْتُ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ وَالْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذُ وَلَدًا وَلَمْ يَكُن لَّهُ شَرِيكَ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبِّرُهُ تَكْبِيرًا -

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00