📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 সুরমা দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়

📄 সুরমা দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়


আধুনিক ফ্যাশনের যুগে চোখে সুরমা লাগানো প্রাচীনত্বের নিদর্শন হয়ে গেছে। পক্ষান্তরে বিভিন্ন প্রকারের পাউডার, ক্রীম, পালিশ ও অন্যান্য প্রসাধনী এত অধিকহারে ব্যবহার করা হচ্ছে যে, তাতে মানুষের চেহারা সুরতই বদলে যায়। অথচ এগুলির বেশীর ভাগই এমন যা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ চামড়া এবং সৃষ্টিগত রঙ, রূপ ও সৌন্দর্যকে এমনভাবে বিনষ্ট করে দেয় যে, অনেক ক্ষেত্রে মানুষের গঠনই বিকৃত হয়ে যায়।
এবার আসুন! মানবতার প্রতি অনুগ্রহশীল বিশ্ব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুরমা সম্পর্কিত মহামূল্যবান বাণী পাঠ করুন।
হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন-
سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ عَلَيْكُمْ بِالْإِثْمِدِ عِنْدَ النَّوْمِ فَإِنَّهُ يَجْلُو الْبَصَرَ وَيُنْبِتُ الشَّعْرَ .
"আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ কথা বলতে শুনেছি যে, তোমরা ঘুমানোর আগে অবশ্যই চোখে সুরমা লাগিও। কেননা, নিঃসন্দেহে সুরমা দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে ও চুল গজায়।" -মুসতাদরাক, ইবনে মাজাহ
সুরমা শুধুমাত্র একটি ফ্যাশন বা সৌন্দর্যের ব্যাপারই নয়। বরং এর মধ্যে উপকারিতাও রয়েছে। এখানে বিভিন্ন কৃত্রিম বস্তুর দ্বারা সংমিশ্রিত বাজারী সুরমার কথা বলা হয় নাই। বরং সম্পূর্ণ নির্ভেজাল সুরমা সম্পর্কেই বলা হয়েছে যে, ঘুমানোর পূর্বে চোখে সুরমা লাগানোর অভ্যাস করে নাও। এতে চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। দৃষ্টি শক্তিশালী হয়। চুল গজায়। দামী ঔষধ পত্রের দ্বারা তোমরা যা পেতে চাও কুদরতী সুরমার দ্বারা তোমরা তা বিনা মূল্যেই পেয়ে যাবে। আর সৌন্দর্য তো এমনিতেই হাসিল হবে।
কত সৌভাগ্যশীল সেইসব পুরুষ ও নারী, যারা সুন্নত মনে করে এবং প্রিয় নবীর আদেশ পালনার্থে চোখে সুরমা ব্যবহার করে দৃষ্টির প্রখরতা বৃদ্ধি ও সওয়াবের ভান্ডার সমৃদ্ধ করছে।
সুরমা কিভাবে লাগাবে? হুযুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই বার ডান চোখে ও দুই বার বাম চোখে সুরমা লাগাতেন। অতঃপর একবার কাঠিতে সুরমা নিয়ে উভয় চোখে লাগাতেন। এভাবে সংখ্যার মধ্যে বেজোড় হয়ে যেত। তিনি বেজোড় সংখ্যা খুবই পছন্দ করতেন।

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 কুস্ত্ (কুড় বা আগর কাঠ) গলনালীর আবদ্ধতা ও গলগন্ড রোগের চিকিৎসা

📄 কুস্ত্ (কুড় বা আগর কাঠ) গলনালীর আবদ্ধতা ও গলগন্ড রোগের চিকিৎসা


কুস্ত বা আগর কাঠকে ফারসীতে কুস্তাহ এবং হিন্দীতে গোঠ বলা হয়; আর এর ইংরেজী নাম হলো কাস্টাস্ রোট (Castus Root)। এ কুস্ত দুইপ্রকার। একটা হলো কুস্তে বাহরী বা সাদা কুসত্ এবং অন্যটি হলো কুস্তে হিন্দী (কুস্তে আসওয়াদ বা কালো গোঠ)। স্বাদের দিক থেকেও কুস্ত দুইপ্রকার। একটা কুস্তে হালুয়ে বা মিষ্টি কুস্ত। অন্যটি কুস্তে মুররা বা তিক্ত কুস্ত। মূলত: কুস্তের স্বাদ যে শুধু তিক্ত বা মিষ্ট তা নয় বরং এর প্রতিক্রিয়া (Action) বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
তিক্ত গোঠ বিষাক্ত হয়ে থাকে। এটা খাওয়া যায় না, শুধু মাত্র বাহ্যিক প্রয়োগ অর্থাৎ প্রলেপ, মালিশ, ইত্যাদি রূপে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এ ঔষধটি পাকস্থলীর বায়ু ও ওয়ারাম বা ফোলা ব্যাধি নিরাময় করে। তাছাড়া শরীরের প্রধান প্রধান অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শক্তিশালী করে এবং খেঁচুনী (পেশী সংকোচন) রোগ দূর করে। হাঁপানী, এজমা, নিউমোনিয়া, শ্লেষ্মা (কফ) রোগের জন্যও বিশেষ উপকারী। -কিতাবুল মুফরাদাত খাওয়াসসুল আদবিয়া: পৃঃ ২৮৪
মিষ্টি গোঠের শিকড় সুঘ্রাণযুক্ত হয়। এটা শরীরের প্রধান অঙ্গসমূহ তথা হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক, যকৃৎ, অন্ডকোষ ইত্যাদির জন্য শক্তিবর্ধক। এছাড়া অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকেও শক্তিশালী করে। মস্তিষ্ক জনিত রোগ, প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত, "লাকোয়া" বা মুখের অর্ধাঙ্গ ও কম্পন রোগের (এ রোগে হাত পা কাঁপতে থাকে) জন্যও বিশেষ উপকারী। খাওয়াসুল আদোবিয়া: পৃঃ ২৮৫
কুস্তের উপকারীতা সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বর্ণনা লক্ষ্য করুন।
عَنْ أَنَسٍ رَضِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تُعَذِّبُوا -١ صُبْيَانَكُمْ بِالْغَمْرِ مِنَ الْغَدَارَةِ وَعَلَيْكُمْ بِالْقِسْطِ .
(১) "হযরত আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমাদের বাচ্চাদের গলগ্রহ হলে গন্ডদেশ মালিশ করে ও দাবিয়ে কষ্ট দিও না। বরং তোমরা কুস্ত ব্যবহার কর।" -বুখারী, মুসলিম
عَنْ أَمْ قَيْسٍ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى مَا تَدْعُونَ أَوْلَادَكُنَّ بِهَذَا الْخِلَاقِ عَلَيْكُنَّ بِهَذَا الْعُودِ الْهِنْدِي .
(২) "হযরত উম্মে কায়েস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা তোমাদের বাচ্চাদের গলা মালিশ করে ও দাবিয়ে (এমন) কঠিন চিকিৎসা কেন করছ? তোমাদের হিন্দী উদ বা কুস্ত ব্যবহার করা উচিত।" -বুখারী, মুসলিম
সুনানে ইবনে মাজাহ এবং মুসতাদরাকে হাকেম নামক কিতাবদ্বয়ে হযরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) কর্তৃক একটি দীর্ঘ হাদীস বর্ণিত আছে, "একদা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিঃ)-এর ঘরে তাশরীফ নিয়ে যান। এ সময় হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিঃ)-এর নিকট একটি শিশু ছিল। সে গলনালির আবদ্ধতা জনিত রোগে খুবই কাতর ছিল। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কুস্তে হিন্দী নামক ঔষুধ ব্যবহারের পরামর্শ দিলেন। হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাযিঃ) নবী করীম (সাঃ)-এর পরামর্শানুযায়ী ঔষধ করায় শিশুটি আরোগ্য লাভ করে।"

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 কুস্ত্ ইত্যাদি দ্বারা নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা

📄 কুস্ত্ ইত্যাদি দ্বারা নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা


কুস্ত সম্পর্কিত ব্যাখ্যা ও-এর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে চিকিৎসকগণের (ইউনানী মতে) অভিমত আমরা এ অধ্যায়ে পূর্বে যথাসম্ভব বিস্তারিত বর্ণনা করেছি। এখানে আখেরী নবী হুযুর (সাঃ)-এর আরো দুটি হাদীস উদ্ধৃত করা হচ্ছে।
إِنَّ أَمْثَلَ مَا تَدَ اوَيْتُم بِهِ الْحِجَامَةُ وَالْقُسْطُ الْبَحْرِي
(১) "নবী করীম (সাঃ) ইরশাদ করেছেন, তোমরা যেসব জিনিস দিয়ে চিকিৎসা করে থাক তার মধ্যে সর্বোত্তম ব্যবস্থা হলো হাজামত বা সিংগা লাগানো ও কুস্ত বাহরী।" -বুখারী, মুসলিম
দ্বিতীয় হাদীসের বর্ণনাকারী নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুপ্রসিদ্ধ সাহাবী হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম (রাযিঃ) বলেনঃ
أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَتَدَاوَى مِنْ ذَاتِ الْجَنَبِ بِالْقُسْطِ الْبَحْرِي وَالَّزَيتِ
(২) "নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে কুস্তে বাহরী এবং জায়তুন তৈল দ্বারা নিউমোনিয়া রোগের চিকিৎসা করার নির্দেশ দিয়েছেন।" -মুসতাদরেকে হাকেম, তিরমিযী শরীফ
হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম (রাযিঃ) বর্ণনা করেন:
ان النبي صلى الله عليه وسلم كان ينعت الزيت والورس من ذات الجنب
অর্থাৎ "নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিউমোনিয়া রোগের প্রতিষেধক হিসাবে” যায়তুন ও ওয়ারসের খুব প্রশংসা করতেন।" -তিরমিযী
মনে হয় নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিউমোনিয়ার চিকিৎসার জন্যে কুস্তে বাহরী (গোঠ), জায়তুন ও ওয়ারস নির্বাচন করেছেন।
তাই আমাদের চিকিৎসকগণের উচিত উপরোক্ত ঔষধাবলীর মাধ্যমে চিকিৎসার ভিত্তি স্থির করা এবং গবেষণা ও অনুসন্ধানের দ্বার উন্মুক্ত রাখা, যাতে বিশ্বের রোগক্লিষ্ট মানব জাতির নিশ্চিত সুচিকিৎসা সম্ভব হয়।

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 কালোজিরা সর্ব রোগের ঔষধ

📄 কালোজিরা সর্ব রোগের ঔষধ


কালোজিরাকে ফার্সীতে শোনিজ, আরবীতে হাব্বাতুস সাওদা এবং ইংরেজীতে ব্লাক কিউমিন (black cumin) বলা হয়। যার চারাগাছগুলি দেখতে অনেকটা ছোঁঁপ (গুয়ামুরী)-এর চারাগাছ সদৃশ। ডাল-পালা চিকন চিকন, ফলগুলি লম্বাটে কালো এবং শ্বাস সাদা বর্ণ হয়। কালোজিরা সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী অবিস্মরণীয়ঃ
"হযরত আবূ সালামাহ (রাযিঃ) হযরত আবূ হুরাইরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন:
عَلَيْكُمْ بِهَذِهِ الْحَبَّةِ السَّوْدَاء فَإِنَّ فِيهَا شِفَاءٌ مِّنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ وَالسَّامُ الْمَوْتُ .
"তোমরা এই কালোজিরা ব্যবহার করবে, কেননা এতে একমাত্র মৃত্যু রোগ ব্যতীত সর্বরোগের শেফা (আরোগ্য) রয়েছে। হাদীসে উল্লেখিত সাম-এর অর্থ মৃত্যু।" -বুখারী ও মুসলিম
দ্বিতীয় রেওয়ায়াতের ভাষা হলো:
إِنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ فِي الْحَبَّةِ السُّودَاءِ شِفَاءٌ مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ السَّامُ الْمُوتُ.
"তিনি (হযরত আবূ সালামাহ (রাযিঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন কালোজিরা একমাত্র সাম বা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের মহৌষধ। ইবনে শিহাব (রহঃ) বলেন, এখানে "সাম" দ্বারা মৃত্যুকে বুঝানো হয়েছে।" -মিশকাতুল মাসাবীহ
বিস্ময়াভিভূত ইউনানী মতের অভিজ্ঞ চিকিৎসকগণ নবীয়ে উম্মী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র বাণীর সত্যতার স্বাক্ষ্য এভাবে দিয়েছেন যে, "কালোজিরা ঠান্ডা জাতীয় ব্যাধি-সর্দি, কফ, কাশি ইত্যাদির জন্য অত্যন্ত উপকারী।
পক্ষাঘাত (প্যারালাইসীস) ও কম্পন রোগে কালোজিরার তৈল মালিশ করলে আশ্চর্যজনক ফল পাওয়া যায়। কালোজিরা যৌন ব্যাধি ও স্নায়ুবিক দুর্বলতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য অতি উৎকৃষ্ট ঔষধ। সর্দি, কাশি, বুকের ব্যথা, পাকস্থলীতে বায়ু সঞ্চয় (অম্লপিত্ত) শুলবেদনা ও প্রসূতী রোগে অত্যধিক উপকারী। ব্রুনের জন্যও উত্তম ঔষধ। এবং এতে শ্লেষ্মা, পুরাতন জ্বর, মূত্রথলির পাথর ও পান্ডুরোগ (কামিলা, জন্ডিস) আরোগ্য লাভ করে। তাছাড়া এটা মুদরে হায়েজ, বা অধিক ঋতু স্রাব, মুদরে বাওল মাত্রাতিরিক্ত পেশাব প্রতিরোধক ও ক্রিমিনাশক। -কিতাবুল মুফরাদাত: খাওয়াসসুল আদোবিয়া: ২৭৯
হযরত কাতাদাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত আছে, প্রতিদিন ২১টি কালোজিরার ১টি পুটলি তৈরী করে পানিতে ভিজাবে এবং পুটলির পানির ফোঁটা এ নিয়মে নাশারন্দ্রে ব্যবহার করবে-
প্রথমবার ডান নাশারন্দ্রে ২ ফোঁটা এবং বাম নাশারন্দ্রে ১ ফোঁটা। দ্বিতীয়বার বাম নাশারন্দ্রে ২ফোঁটা এবং ডান নাশারন্দ্রে ১ ফোঁটা। তৃতীয় বার ডান নাশারন্দ্রে ২ ফোঁটা ও বাম নাশারন্দ্রে ১ ফোঁটা। -তিরমিযী, বুখারী, মুসলিম
হযরত আনাস (রাযিঃ) বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন রোগ-যন্ত্রণা খুব বেশী কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা নিয়ে খাবে অতঃপর পানি ও মধু সেবন করবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00