📄 মধুর বৈশিষ্ট্যাবলী
প্রাচীন এবং আধুনিক সকল প্রকার চিকিৎসা শাস্ত্রে মধুর সীমাহীন ফায়দা এবং উপকারিতায় একমত। এমন কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নাই, যার মধ্যে মধুর উপকারিতা স্বীকার করাই হয় না।
মধুর উপকারিতা সংক্ষেপে নিম্নরূপ:
মধু পেট পরিষ্কার করে, লালা ও কুষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে, বৃদ্ধ ও শ্লেষ্মা (কাশি) প্রধান মেজাজের লোকদের জন্য খুবই উপকারী। আর ঠান্ডা প্রকৃতির রোগীর জন্যও ফলদায়ক।
চোখে লাগালে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। চোখের যন্ত্রণা নিরাময় হয়। মধু ব্যবহারে দাঁত পরিষ্কার ও চমকদার হয় এবং দাঁতকে শক্ত করে। ঔষধের সাথে সাথে মধু উত্তম খাদ্য এবং পানীয়ও বটে।
উল্লেখিত এ সকল উপকার ছাড়াও মধুর একটি উত্তম বৈশিষ্ট্য হল, এটা সব ধরনের ক্ষতিকর দিক থেকে মুক্ত। মধুর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই। এটাই একমাত্র বস্তু যা খোদায়ী ও মানবীয় উভয়বিদ চিকিৎসায় শরীর ও রূহের খোরাক। -তিব্বে নববীঃ কৃত আল্লামা ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ)
📄 মধুর উপকারিতা
প্রাচীন এবং আধুনিক সকল প্রকার চিকিৎসা শাস্ত্রে মধুর সীমাহীন ফায়দা এবং উপকারিতায় একমত। এমন কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নাই, যার মধ্যে মধুর উপকারিতা স্বীকার করাই হয় না।
মধুর উপকারিতা সংক্ষেপে নিম্নরূপ: মধু পেট পরিষ্কার করে, লালা ও কুষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে, বৃদ্ধ ও শ্লেষ্মা (কাশি) প্রধান মেজাজের লোকদের জন্য খুবই উপকারী। আর ঠান্ডা প্রকৃতির রোগীর জন্যও ফলদায়ক।
চোখে লাগালে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। চোখের যন্ত্রণা নিরাময় হয়। মধু ব্যবহারে দাঁত পরিষ্কার ও চমকদার হয় এবং দাঁতকে শক্ত করে। ঔষধের সাথে সাথে মধু উত্তম খাদ্য এবং পানীয়ও বটে।
উল্লেখিত এ সকল উপকার ছাড়াও মধুর একটি উত্তম বৈশিষ্ট্য হল, এটা সব ধরনের ক্ষতিকর দিক থেকে মুক্ত। মধুর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই। এটাই একমাত্র বস্তু যা খোদায়ী ও মানবীয় উভয়বিদ চিকিৎসায় শরীর ও রূহের খোরাক। -তিব্বে নববীঃ কৃত আল্লামা ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ)
📄 সিনা বা সোনামুখী গাছের পাতা একটি উত্তম জুলাব
সিনা এক প্রসিদ্ধ ঔষধ। ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতিতে এটা প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সিনা পূর্বকালে যে পরিমাণ ব্যবহৃত হত আজও ঠিক সে পরিমাণই ব্যবহার হচ্ছে। এটা আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে "সেন্যায় মাককী" নামে সুপরিচিত। ইংরেজীতে বলা হয় সেন্যা বা সোনামুখী গাছ। সিনা পবিত্র হিজাযে অধিক জন্মে থাকে। দুই আড়াই শো বছর পূর্বে এই উপমহাদেশে এর উৎপাদন শুরু হয় এবং বর্তমানেও তা প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হচ্ছে।
সিনার পাতা মেহদী পাতার মত এবং ফল চেপ্টা ধরনের। এর আশ্চর্য্যজনক বৈশিষ্ট্য হল, এটা ত্রিমিশ্রণ অর্থাৎ শ্লেষ্মা (কাশি), পিত্তরস ও পাগলামী নাশক। সিনা একটি শক্তিশালী জুলাবেরও কাজ দেয়। মস্তিষ্ক থেকে শ্লেষ্মাও পরিষ্কার করে থাকে।
সিনা সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মূল্যবান ইরশাদ লক্ষ্যণীয়।
হযরত আসমা বিনতে উমাইস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি জুলাবের জন্য কি ব্যবহার কর? তিনি শিবরমের নাম বললেন। তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ
حَارٌ حَارٌ
"এটাতো খুবই গরম।" অতঃপর হযরত আসমা (রাযিঃ) পুনরায় আরয করলেন:
اِسْتَمْشَيْتُ بِالسَّنَاءِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ أَنَّ شَيْئًا كَانَ فِيهِ الشَّفَاءُ مِنَ الْمَوْتِ لَكَانَ فِي السَّنَاءِ
"আমি সিনা দ্বারা জুলাব নেই। তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি কোন জিনিসের দ্বারা মৃত্যু থেকে রক্ষা পাওয়া যেত তবে তা সিনার দ্বারা পাওয়া যেত।"
📄 সিনা সকল রোগের প্রতিষেধক
"হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
لَوْ أَنَّ شَيْئًا كَانَ فِيهِ الشَّفَاءُ مِنَ الْمَوْتِ لَكَانَ فِي السَّنَاءِ
"যদি কোন প্রতিষেধকের মধ্যে মৃত্যু থেকে নিরাময় থাকত তবে তা সিনার মধ্যে থাকত।"
অতঃপর তিনি ইরশাদ করেন-
عَلَيْكُمْ بِالسَّنَاءِ فَإِنَّهُمَا شِفَاءُ مِنْ كُلِّ دَاءٍ إِلَّا السَّامَ .
"তোমরা অবশ্যই সিনা ব্যবহার করবে, কেননা এটা মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের শেফা দানকারী মহৌষধ।"
উম্মি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মূল্যবান বাণীর আলোকে ডাক্তারী পরীক্ষা নিরীক্ষা লক্ষ্য করুন, দেখবেন তা অক্ষরে অক্ষরে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মূল্যবান বাণীর সমর্থন করেছে।
সিনা সর্ব রোগের প্রতিষেধক। এটা মস্তিষ্ক পরিষ্কার করে, কোমর ব্যথা- ফ্লুরিসি বা পার্শ্ব বেদনা, নিউমোনিয়া, উরুর উপরাংশের ব্যথা, গিটবাত, এবং পালা জ্বরে তা ব্যবহৃত হয়। সিনা ক্রিমিনাশক। পূর্ণ মাথা ব্যথা, মাথার এক পার্শ্বের ব্যথা এবং মৃগী রোগের জন্য উপকারী। এটা বিষাক্ত নয় এবং এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই। -মুফরাদাতঃ পৃষ্ঠা: ২২৪
সিনা অনেক প্রকারের হয়ে থাকে। প্রসিদ্ধ প্রকারগুলি হল- সিনায়ে মাক্কী বা হেজাজী, সিনায়ে রোমী, সিনায়ে মিসরী, সিনায়ে আসকারী এবং সিনায়ে হিন্দী। সিনার আরও একটি প্রকার আছে, যা সর্বত্র পাওয়া যায়। এটা রক্ত পরিষ্কার করে, কোনী নূখা ও শ্বাস কষ্টের জন্য উপকারী। সিনা চোখের পর্দা কাটে এবং শুল বেদনা দূর করে। সিনা আজো বিভিন্ন পন্থায় শত শত রোগের ঔষধ হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে।