📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 প্রতি মাসে তিনবার মধু পান

📄 প্রতি মাসে তিনবার মধু পান


মধুকে আরবীতে "আসাল” ফার্সী ভাষায় অঙ্গবীন, বাংলায় মধু, গুজরাটিভাষায় মাকদাহ, হিন্দীতে মাথী এবং ইংরেজীতে হানি (Honey) বলে। রং হিসেবে মধু দু' প্রকার হয়ে থাকে। লাল এবং সাদা কিছুটা হলুদের দিকে ধাবিত।
হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মধুর অনেক প্রশংসা করেছেন। এখানে বিশেষভাবে নিম্নোক্ত হাদীসটির উপর চিন্তা করুন।
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ لَعِقَ الْعَسَلَ ثَلْثَ غَدَوَاتٍ فِي كُلِّ شَهْرٍ لَمْ يُصِبْهُ عَظِيمٌ مِّنَ الْبَلَاءِ
"হযরত আবূ হুরাইরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি মাসে তিনদিন সকাল বেলায় মধু চেটে সেবন করবে তার কোন কঠিন রোগ ব্যাধি হবে না।" -মিশকাতুল মাসাবীহ, সুনানে ইবনে মাজাহ
আজ আধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কিত গবেষণার মাধ্যমেও এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে, মধু অগণিত রোগের ঔষধ। এর মধ্যে ভিটামিন এ, বি, সি, প্রচুর পরিমাণ বিদ্যমান। মধু কুষ্ঠ কাঠিণ্য দূরকারী, বাতের ব্যথা উপশমকারী এবং দুর্গন্ধ দূরকারী। মধু শরীর ও ফসফুসকে শক্তিশালী করে এবং রুচি বৃদ্ধি করে ও শক্তিসামর্থ স্থায়ী করে। কাশি, হাঁপানী, এবং ঠান্ডা রোগের জন্য মধু বিশেষভাবে উপকারী। মুখের পক্ষাঘাত (যে রোগে মুখ অবশ হয়ে যায়) ও শরীরের পক্ষাঘাত রোগের প্রতিষেধক। মধু রক্ত পরিশোধনকারী এবং মানসিক রোগের জন্যও উপকারী। এটা চক্ষুরোগ ও দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির মহৌষধ।
-মুফরাদাত, খাওয়াসসুল আদবিয়্যা পৃষ্ঠাঃ ২৪৩

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 মধুর বৈশিষ্ট্যাবলী

📄 মধুর বৈশিষ্ট্যাবলী


প্রাচীন এবং আধুনিক সকল প্রকার চিকিৎসা শাস্ত্রে মধুর সীমাহীন ফায়দা এবং উপকারিতায় একমত। এমন কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নাই, যার মধ্যে মধুর উপকারিতা স্বীকার করাই হয় না।
মধুর উপকারিতা সংক্ষেপে নিম্নরূপ:
মধু পেট পরিষ্কার করে, লালা ও কুষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে, বৃদ্ধ ও শ্লেষ্মা (কাশি) প্রধান মেজাজের লোকদের জন্য খুবই উপকারী। আর ঠান্ডা প্রকৃতির রোগীর জন্যও ফলদায়ক।
চোখে লাগালে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। চোখের যন্ত্রণা নিরাময় হয়। মধু ব্যবহারে দাঁত পরিষ্কার ও চমকদার হয় এবং দাঁতকে শক্ত করে। ঔষধের সাথে সাথে মধু উত্তম খাদ্য এবং পানীয়ও বটে।
উল্লেখিত এ সকল উপকার ছাড়াও মধুর একটি উত্তম বৈশিষ্ট্য হল, এটা সব ধরনের ক্ষতিকর দিক থেকে মুক্ত। মধুর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই। এটাই একমাত্র বস্তু যা খোদায়ী ও মানবীয় উভয়বিদ চিকিৎসায় শরীর ও রূহের খোরাক। -তিব্বে নববীঃ কৃত আল্লামা ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ)

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 মধুর উপকারিতা

📄 মধুর উপকারিতা


প্রাচীন এবং আধুনিক সকল প্রকার চিকিৎসা শাস্ত্রে মধুর সীমাহীন ফায়দা এবং উপকারিতায় একমত। এমন কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নাই, যার মধ্যে মধুর উপকারিতা স্বীকার করাই হয় না।
মধুর উপকারিতা সংক্ষেপে নিম্নরূপ: মধু পেট পরিষ্কার করে, লালা ও কুষ্ঠকাঠিণ্য দূর করে, বৃদ্ধ ও শ্লেষ্মা (কাশি) প্রধান মেজাজের লোকদের জন্য খুবই উপকারী। আর ঠান্ডা প্রকৃতির রোগীর জন্যও ফলদায়ক।
চোখে লাগালে দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়। চোখের যন্ত্রণা নিরাময় হয়। মধু ব্যবহারে দাঁত পরিষ্কার ও চমকদার হয় এবং দাঁতকে শক্ত করে। ঔষধের সাথে সাথে মধু উত্তম খাদ্য এবং পানীয়ও বটে।
উল্লেখিত এ সকল উপকার ছাড়াও মধুর একটি উত্তম বৈশিষ্ট্য হল, এটা সব ধরনের ক্ষতিকর দিক থেকে মুক্ত। মধুর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই। এটাই একমাত্র বস্তু যা খোদায়ী ও মানবীয় উভয়বিদ চিকিৎসায় শরীর ও রূহের খোরাক। -তিব্বে নববীঃ কৃত আল্লামা ইবনে কাইয়্যিম (রহঃ)

📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 সিনা বা সোনামুখী গাছের পাতা একটি উত্তম জুলাব

📄 সিনা বা সোনামুখী গাছের পাতা একটি উত্তম জুলাব


সিনা এক প্রসিদ্ধ ঔষধ। ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতিতে এটা প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সিনা পূর্বকালে যে পরিমাণ ব্যবহৃত হত আজও ঠিক সে পরিমাণই ব্যবহার হচ্ছে। এটা আমাদের দেশে ব্যাপকভাবে "সেন্যায় মাককী" নামে সুপরিচিত। ইংরেজীতে বলা হয় সেন্যা বা সোনামুখী গাছ। সিনা পবিত্র হিজাযে অধিক জন্মে থাকে। দুই আড়াই শো বছর পূর্বে এই উপমহাদেশে এর উৎপাদন শুরু হয় এবং বর্তমানেও তা প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হচ্ছে।
সিনার পাতা মেহদী পাতার মত এবং ফল চেপ্টা ধরনের। এর আশ্চর্য্যজনক বৈশিষ্ট্য হল, এটা ত্রিমিশ্রণ অর্থাৎ শ্লেষ্মা (কাশি), পিত্তরস ও পাগলামী নাশক। সিনা একটি শক্তিশালী জুলাবেরও কাজ দেয়। মস্তিষ্ক থেকে শ্লেষ্মাও পরিষ্কার করে থাকে।
সিনা সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মূল্যবান ইরশাদ লক্ষ্যণীয়।
হযরত আসমা বিনতে উমাইস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি জুলাবের জন্য কি ব্যবহার কর? তিনি শিবরমের নাম বললেন। তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ
حَارٌ حَارٌ
"এটাতো খুবই গরম।" অতঃপর হযরত আসমা (রাযিঃ) পুনরায় আরয করলেন:
اِسْتَمْشَيْتُ بِالسَّنَاءِ، فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ أَنَّ شَيْئًا كَانَ فِيهِ الشَّفَاءُ مِنَ الْمَوْتِ لَكَانَ فِي السَّنَاءِ
"আমি সিনা দ্বারা জুলাব নেই। তখন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি কোন জিনিসের দ্বারা মৃত্যু থেকে রক্ষা পাওয়া যেত তবে তা সিনার দ্বারা পাওয়া যেত।"

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00