📘 তিব্বে নববী বিশ্ব নবীর চিকিৎসা বিধান > 📄 দাগ দেওয়া একটা অপছন্দনীয় চিকিৎসা

📄 দাগ দেওয়া একটা অপছন্দনীয় চিকিৎসা


আদি যুগে লোহা গরম করে দাগ দিয়ে অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসা করা হতো। এখনও কোন কোন এলাকায় এ প্রথা প্রচলিত আছে। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করাকে একেবারেই অপছন্দ করতেন।
হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রাযি) বর্ণনা করেনঃ
نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْكَيِّ
"হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোহা দ্বারা দাগ লাগাতে নিষেধ করেছেন "-মুসতাদরাক
অপর এক সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ (রাযি) থেকে বর্ণিত আছে, একবার এক আনসারীর মারাত্মক অসুখ হলে তাকে দাগ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হয়ে এ ব্যাপারে অনুমতি প্রার্থনা করলে হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পুনরায় অনুমতি চাওয়া হলেও হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুখ ফিরিয়ে নিলেন, এভাবে তিনবার অনুমতি চাওয়ার পর হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদি তোমার ইচ্ছা হয় তবে পাথর দিয়ে দাগ লাগিয়ে দাও।
এতদ্ব্যতীত এ সম্পর্কে আরও দু'তিনটি রেওয়ায়াত বিদ্যমান রয়েছে যার মাধ্যমে দাগ লাগানো হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট অপছন্দনীয় ছিল তাই সুস্পষ্ট হয়েছে।
হযরত মুগিরা ইবনে শুবা (রাযি) থেকে বর্ণিত:
مَنْ : اكْتَوَى أَوْ اسْتَرْقَى فَقَدْ بَرِئَ مِنَ التَّوَكَّلِ .
"যে ব্যক্তি দাগ লাগাল অথবা ঝাড়ফুঁক দ্বারা চিকিৎসা করল সে (যেন) আল্লাহর উপর ভরসা করা ছেড়ে দিল।" -তিরমিযী
মূলতঃ গরম লোহার দ্বারা দাগ লাগালে যে কষ্ট ও ব্যথা হয় এটা ছেড়ে দিলেও এর দ্বারা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চেহারা ও আকৃতির যে পরিবর্তন হয়, এটাই এই পদ্ধতি ক্ষতিকর প্রমাণিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00