📄 গুনাহগারের জন্য প্রশান্তির বাণী
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُdْرِي، رضى الله عنه - عَنِ النبي صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَدْخُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، وَأَهْلُ النَّارِ النَّارَ، ثُمَّ يَقُولُ الله تَعَالَى أَخْرِجُوا مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ. فَيُخْرَجُونَ مِنْهَا قَدِ اسْوَدُّوا فَيُلْقَوْنَ فِي نَهَرِ الْحَيَا - أَوِ الْحَيَاةِ، شَكٍّ مَالِكُ - فَيَنْبُتُونَ كَمَا تَنْبُتُ الْحِبَةُ فِي جَانِبِ السَّيْلِ، أَلَمْ تَرَ أَنَّهَا تَخْرُجُ صَفْرَاءَ مُلْتَوِيَةً " . قَالَ وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَمْرُو " الْحَيَاةِ ". وَقَالَ " خَرْدَلٍ مِنْ خَيْرٍ .
আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত-নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জান্নাতবাসী জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের বলবেন, যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান আছে, তাকে জাহান্নাম হতে বের করে আনো। তারপর তাদের জাহান্নাম হতে এমন অবস্থায় বের করা হবে যে, তারা (পুড়ে) কালো হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের বৃষ্টিতে বা হায়াতের [বর্ণনাকারী মালিক (রহ) শব্দ দুটির কোনটি এ সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন] নদীতে নিক্ষেপ করা হবে। ফলে তারা সতেজ হয়ে উঠবে, যেমন নদীর তীরে ঘাসের বীজ গজিয়ে উঠে। তুমি কি দেখতে পাও না সেগুলো কেমন হলুদ বর্ণের হয় ও ঘন হয়ে গজায়? (উহাইব রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমর রাহিমাহুল্লাহ আমাদের কাছে حیا-এর স্থলে ১৪০ خردل من خير ৪ خردل من ايمان حياة করেছেন। ১৪১)
টিকাঃ
১৪১: মুসলিম ১/৮২ হাঃ ১৮৪
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُdْرِي، رضى الله عنه - عَنِ النبي صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَدْخُلُ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، وَأَهْلُ النَّارِ النَّارَ، ثُمَّ يَقُولُ الله تَعَالَى أَخْرِجُوا مَنْ كَانَ فِي قَلْبِهِ مِثْقَالُ حَبَّةٍ مِنْ خَرْدَلٍ مِنْ إِيمَانٍ. فَيُخْرَجُونَ مِنْهَا قَدِ اسْوَدُّوا فَيُلْقَوْنَ فِي نَهَرِ الْحَيَا - أَوِ الْحَيَاةِ، شَكٍّ مَالِكُ - فَيَنْبُتُونَ كَمَا تَنْبُتُ الْحِبَةُ فِي جَانِبِ السَّيْلِ، أَلَمْ تَرَ أَنَّهَا تَخْرُجُ صَفْرَاءَ مُلْتَوِيَةً " . قَالَ وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا عَمْرُو " الْحَيَاةِ ". وَقَالَ " خَرْدَلٍ مِنْ خَيْرٍ .
আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত-নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জান্নাতবাসী জান্নাতে এবং জাহান্নামীরা জাহান্নামে প্রবেশ করবে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের বলবেন, যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমাণও ঈমান আছে, তাকে জাহান্নাম হতে বের করে আনো। তারপর তাদের জাহান্নাম হতে এমন অবস্থায় বের করা হবে যে, তারা (পুড়ে) কালো হয়ে গেছে। অতঃপর তাদের বৃষ্টিতে বা হায়াতের [বর্ণনাকারী মালিক (রহ) শব্দ দুটির কোনটি এ সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন] নদীতে নিক্ষেপ করা হবে। ফলে তারা সতেজ হয়ে উঠবে, যেমন নদীর তীরে ঘাসের বীজ গজিয়ে উঠে। তুমি কি দেখতে পাও না সেগুলো কেমন হলুদ বর্ণের হয় ও ঘন হয়ে গজায়? (উহাইব রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমর রাহিমাহুল্লাহ আমাদের কাছে حیا-এর স্থলে ১৪০ خردل من خير ৪ خردل من ايمان حياة করেছেন। ১৪১)
টিকাঃ
১৪১: মুসলিম ১/৮২ হাঃ ১৮৪
📄 অজান্তে মু’মিনের আমল বিনষ্ট হবার ভয়
ইবরাহিম তায়মিয় রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমার আমলের সঙ্গে যখন আমার কথা তুলনা করি, তখন আশঙ্কা হয়, আমি না মিথ্যাবাদী হই। ইবনু আবু মুলায়কা রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এমন ত্রিশজন সাহাবিকে পেয়েছি, যারা সকলেই নিজেদের সম্পর্কে নিফাকের ভয় করতেন। তারা কেউ এ কথা বলতেন না যে, তিনি জিবরিল আলাইহিস সালাম ও মিকাইল আলাইহিস সালাম-এর তুল্য ঈমানের অধিকারী। হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত। নিফাকের ভয় মুমিনই করে থাকে। আর কেবল মুনাফিকই তা থেকে নিশ্চিত থাকে। তওবা না করে পরস্পর লড়াই করা ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে সতর্ক থাকা। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَ لَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوْا وَهُمْ يَعْلَمُوْنَ.
এবং তারা (মুত্তাকিরা) যা করে ফেলে, জেনে-শুনে তার পুনরাবৃত্তি করে না। [সুরা আল ইমরান, আয়াত: ১৩৫]
সমাপ্ত
ইবরাহিম তায়মিয় রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমার আমলের সঙ্গে যখন আমার কথা তুলনা করি, তখন আশঙ্কা হয়, আমি না মিথ্যাবাদী হই। ইবনু আবু মুলায়কা রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এমন ত্রিশজন সাহাবিকে পেয়েছি, যারা সকলেই নিজেদের সম্পর্কে নিফাকের ভয় করতেন। তারা কেউ এ কথা বলতেন না যে, তিনি জিবরিল আলাইহিস সালাম ও মিকাইল আলাইহিস সালাম-এর তুল্য ঈমানের অধিকারী। হাসান বসরি রাহিমাহুল্লাহ হতে বর্ণিত। নিফাকের ভয় মুমিনই করে থাকে। আর কেবল মুনাফিকই তা থেকে নিশ্চিত থাকে। তওবা না করে পরস্পর লড়াই করা ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে সতর্ক থাকা। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেন-
وَ لَمْ يُصِرُّوا عَلَى مَا فَعَلُوْا وَهُمْ يَعْلَمُوْنَ.
এবং তারা (মুত্তাকিরা) যা করে ফেলে, জেনে-শুনে তার পুনরাবৃত্তি করে না। [সুরা আল ইমরান, আয়াত: ১৩৫]
সমাপ্ত