📄 অন্যের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া
একজন মু'মিন নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তার ভাইয়ের জন্যও শুধু তা পছন্দ করে, তা নয়; বরং তাকে নিজের ওপর অগ্রাধিকারও দেয়। চরিত্রের এ অত্যুজ্জ্বল গুণকে আত্মত্যাগ (إيثار) বলা হয়। এর অর্থ হলো- নিজের কল্যাণ ও মঙ্গলের ওপর অন্যের কল্যাণ ও মঙ্গলচিন্তাকে অগ্রাধিকার দেবে। নিজের প্রয়োজনকে মুলতবী রেখে অন্যের প্রয়োজন মেটাবে। নিজে কষ্ট স্বীকার করে অন্যকে আরাম দেবে। নিজে ক্ষুধার্ত থেকে অন্যের ক্ষুন্নিবৃত্তি করবে। নিজের জন্য প্রয়োজন হলে স্বভাব-বিরুদ্ধ জিনিস মেনে নেবে; কিন্তু স্বীয় ভাইয়ের অন্ত রকে যথাসম্ভব অপ্রীতিকর অবস্থা থেকে রক্ষা করবে।
আত্মত্যাগ হচ্ছে একটি উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, এর দ্বারা মানব-মন সম্প্রসারিত হয়, আর মনের সম্প্রসারণের ফলে মানুষ সংকীর্ণতা ও কার্পণ্য থেকে মুক্তি লাভ করে।৩৩৮ তবে এ আত্মত্যাগ সকলের কাছ থেকে আশা করা যায় না। কারণ, এর ভিত্তিমূলে কোনো অধিকার বা কর্তব্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়নি। এ আত্মত্যাগ সর্বপ্রথম প্রয়োজন-সীমার মধ্যে হওয়া উচিত। তারপর আরাম- আয়েশের ক্ষেত্রে এবং সর্বশেষ রুচি ও পছন্দের ক্ষেত্রে। এ সর্বশেষ বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ যেহেতু স্বভাবতই বিভিন্ন প্রকৃতির, তাই তাদের চাহিদা ও পছন্দও বিভিন্ন রূপ। এরূপ অবস্থায় প্রতিটি মানুষই যদি তার চাহিদা ও পছন্দের ওপর অনড় হয়ে থাকে, তা হলে মানব-সম্পর্ক ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যেতে বাধ্য। পক্ষান্তরে সে যদি অন্যের রুচি, পছন্দ, ঝোঁক-প্রবণতাকে অগ্রাধিকার দিতে শিখে, তা হলে অত্যন্ত চমৎকার ও হৃদতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠতে পারে।
এ আত্মত্যাগেরই উচ্চতর পর্যায় হচ্ছে, নিজে অভাব-অনটন ও দূরবস্থার মধ্যে থেকে আপন ভাইয়ের প্রয়োজনকে নিজের প্রয়োজনের চাইতে অগ্রাধিকার দেয়া। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণের জীবনে এ ধরনের বহু ঘটনার নযীর পাওয়া যায়। পবিত্র কোরআনে তাঁদের এ মহত্তম গুণটির প্রশংসা করে বলা হয়েছে- وَيُؤْثِرُونَ عَلَى أَنْفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَة - "এবং তারা নিজের ওপর অন্যের (প্রয়োজনকে) অগ্রাধিকার দেয়, যদিও তারা নিজেরা অভাব-অনটনের মধ্যে রয়েছে।”৩৩৯
বস্তুত নিজেদের অভাব অনটন সত্ত্বেও আনসারগণ (রা.) যেভাবে অভ্যাগত মুহাজির ভাইদের অভ্যর্থনা করেছেন এবং নিজেদের মধ্যে তাঁদেরকে স্থান দিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উপর্যুক্ত আয়াতের শানে নুযূল হিসেবে আবূ তালহা আল-আনসারী (রা.)-এর একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনা থেকে আত্মত্যাগের একটি চমৎকার উদাহরণ পাওয়া যায়। আবূ হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
'একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একজন ক্ষুধার্ত লোক এলো। তখন তাঁর গৃহে কোনো খাবার ছিলো না। তিনি বললেন, যে ব্যক্তি আজ রাতে এ লোকটিকে মেহমান হিসেবে রাখবে, আল্লাহ তার প্রতি করুণা বর্ষণ করবেন। আবূ তালহা (রা.) লোকটিকে নিজের ঘরে নিয়ে গেলেন। কিন্তু ঘরে গিয়ে স্ত্রীর কাছ থেকে জানতে পারলেন যে, ঘরে শুধু মেহমানের পেট ভরার মতো খাবারই আছে। তিনি বললেন, ছেলেমেয়েদের খাইয়ে বাতি নিভিয়ে দাও। আমরা উভয়ে সারা রাত অভুক্ত থাকবো। অবশ্য মেহমান বোঝতে পারবে যে, আমরাও খাচ্ছি। অবশেষে তাঁরা তা-ই করলেন। সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমাতে হাযির হলে তিনি বললেন, ضَحِكَ اللَّهُ اللَّيْلَةَ أَوْ عَحِبَ "مِنْ فَعَالِكُمَا -"আল্লাহ তা'আলা তোমাদের এ সদাচরণে অত্যন্ত খুশি হয়েছেন। এরপর উপর্যুক্ত আয়াতটি নাযিল হয়। ৩৪০
এ তো হচ্ছে আর্থিক অনটনের মধ্যে আত্মত্যাগের দৃষ্টান্ত। কিন্তু এর চাইতেও চমৎকার ঘটনা হচ্ছে ইয়ারমুক যুদ্ধের, যাকে আত্মত্যাগের চরম পরাকাষ্ঠা বলা যায়। ঘটনাটি হলো- যুদ্ধের ময়দানে কয়েকজন মুজাহিদ শত্রুদের আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন এবং তাঁরা পানি পানি বলে চিৎকার করছিলেন। এমন সময় প্রথমে একজন আহত মুজাহিদের নিকট পানি নিয়ে যাওয়া হলো। ঠিক সে মুহূর্তে নিকট থেকে অপর একজন লোকের আর্তনাদ শোনা গেলো। প্রথম লোকটি বললেন, ঐ লোকটির কাছে আগে নিয়ে যাও। দ্বিতীয় লোকটির কাছে গিয়ে পৌঁছলে আবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলো এবং সে মুমূর্ষাবস্থায়ও লোকটি নিজের সঙ্গীর প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিলেন। এভাবে ষষ্ঠ ব্যক্তি পর্যন্ত একই অবস্থার পুনরাবৃত্তি ঘটলো এবং প্রত্যেকেই নিজের ওপর অন্যের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিতে লাগলেন। কিন্তু ষষ্ঠ ব্যক্তির কাছে গিয়ে দেখা গেলো তার জীবনপ্রদীপ ইতিমধ্যে নিভে গেছে। এভাবে প্রথম লোকটির কাছে ফিরে আসতে আসতে একে একে সবারই জীবনাবসান হলো এবং তাঁদের কারো পানি পান করার সুযোগ হলো না। ৩৪১
আত্মত্যাগের অন্য একটি অর্থ হচ্ছে, নিজে অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের জিনিসে তুষ্ট থাকা এবং নিজের সাথীকে উৎকৃষ্ট জিনিস দান করা। বর্ণিত আছে, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম একটি জঙ্গলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি দুটি মিসওয়াক কাটলেন। তার একটি ছিলো সোজা এবং অপরটি বাঁকা। তাঁর সাথে একজন সাহাবী ছিলেন। তিনি সোজা মিসওয়াকটি তাঁকে দিলেন এবং বাঁকাটি নিজে রাখলেন। সাহাবী বললেন, يا رسول الله كنت والله أحق بالمستقيم مني -"ইয়া রাসূলাল্লাহ! আল্লাহর কসম! সোজাটিই আপনার জন্য বেশি প্রযোজ্য হবে।' তিনি বললেন,
ما من صاحب يصحب صاحبا ولو ساعة من النهار إلا سئل عن صحبته هل أقام فيها حق الله أم أضاعه.
'কেউ যদি কোনো ব্যক্তির সাথে দিনের এক ঘণ্টা পরিমাণও সংশ্রব রাখে, তবে কিয়ামাতের দিন তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে, এ লোকটি কি সংশ্রবকালীন আল্লাহর হাক্ক আদায়ের প্রতি লক্ষ্য রেখেছে কিংবা তাকে নষ্ট করেছে?৩৪২
এ হাদীসে আত্মত্যাগ যে সংশ্রবেরও একটি অধিকার, তার প্রতিই ইশারা করা হয়েছে।
টিকাঃ
৩৩৭. বুখারী, আস-সাহীহ, (কিতাব: আল-ঈমান), হা. নং: ১৩; মুসলিম, আস-সাহীহ, (কিতাব: আল- ঈমান), হা. নং: ১৮০
৩৩৮. প্রত্যেক ধর্মেই নাফসের পরিশুদ্ধি ও উন্নতির জন্য নিজের স্বার্থ ত্যাগের কথা বলা হয়েছে। যেমন- সনাতন হিন্দুধর্মে 'ত্যাগবাদ' একটি শ্রেষ্ঠ দর্শন। কৈবল্য উপনিষদের (১/২-৩) শ্লোকে এবং নারায়ণ উপনিষদের (১২/১৪-১৫) শ্লোকে বলা হয়েছে যে, " কেবলমাত্র ত্যাগের দ্বারাই অমৃতত্ত্ব বা মোক্ষ লাভ করা যায়। ত্যাগের মাধ্যমে যে পরম আনন্দ লাভ হয়, তার নাম দেয়া হয়েছে 'ভূমানন্দ লাভ'।" সনাতন হিন্দু ধর্ম মনে করে, নিজস্ব স্বার্থ ত্যাগের দ্বারা চিত্ত সম্প্রসারিত হয়, আর 'চিত্ত সম্প্রসারণ' মানুষকে ক্ষুদ্র ও সংকীর্ণ গণ্ডি থেকে মুক্তি দিয়ে এক সুবিশাল ক্ষেত্রের সন্ধান দেয়। 'ভূমানন্দ' লাভ করা মোক্ষ লাভেরর জন্য অপরিহার্য। (ভবেশ রায়, সনাতন হিন্দুধর্ম কী এবং কেন, পৃ.৪৭)
৩৩৯. আল কোরআন, সূরা আল-হাশর, ৫৯: ৯
৩৪০. বুখারী, আস-সাহীহ, (কিতাব: ফাদা'য়িলুস সাহাবাহ), হা. নং: ৩৫৮৭, (কিতাব: আত-তাফসীর), হা. নং: ৪৬০৭; মুসলিম, আস-সাহীহ, (কিতাব: আল-আশরিবাহ), হা. নং: ৫৪৮১
৩৪১. ওয়াকিদী, ফুতূহুশ শাম, খ. ১, পৃ. ২৭-৮; ইবনু কাসীর, আল-বিদায়াতু..., খ. ৭, পৃ. ১৫
৩৪২. গাযালী, ইহয়া, খ. ২, পৃ. ১৭৪ ও বিদয়াতুল হিদায়াহ, পৃ. ২৩; আবু তালিব আল-মাক্কী, কুতুল কুলুব, খ. ২, পৃ. ৩৮৭, ৩৯৪ এ হাদীসের কোনো ভিত্তি আমি খোঁজে পাই নি।
📄 প্রীতি ও হাস্যোজ্জ্বল মুখে মেলামেশা করা
চরিত্রের একটি সুন্দর ও আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো- মানুষের সাথে হাসোজ্জ্বল চেহারা নিয়ে মেলামেশা করা। উল্লেখ্য যে, পারস্পরিক সাক্ষাতের সময় একদিকে যেমন অপ্রিয় ভাষণ, ঠাট্টা-বিদ্রূপ, উপহাস ইত্যাদির মাধ্যমে কারো মনে কষ্ট দেয়া উচিত নয়, অন্যদিকে সাক্ষাতের ধরন থেকেই যাতে ভালোবাসার আবেগটা প্রকাশ পায়, তেমনিভাবে সাক্ষাত করা উচিত। এ সম্পর্কে পবিত্র হাদীসে বহু নির্দেশনা রয়েছে। সাক্ষাতের একটি ধরন হলো- সাক্ষাতের সময় রূঢ়তা, কঠোরতা, তাচ্ছিল্য ও নির্লিপ্ততা ইত্যাদি পীড়াদায়ক ও হৃদয়বিদারক আচরণের পরিবর্তে নম্রতা, শিষ্টতা, সৌজন্য ও প্রিয় ভাষণের পরিচয় দিতে হবে। আর একটি ধরন হলো- হাস্যোজ্জ্বল মুখে সাক্ষাত করা এবং দেখা হওয়া মাত্রই মুচকি হাসি দেওয়া। এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, لا تَحْقِرَنَّ مِنَ الْمَعْرُوفِ شَيْئًا وَلَوْ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بوجه طلق. "কোনো ভালো কাজকেই কিছুমাত্রও তুচ্ছ জ্ঞান করো না, যদি তা আপন ভাইয়ের সাথে তোমার হাস্যোজ্জ্বল চেহারা নিয়ে সাক্ষাত করাও হয়। "৩৪৩ অন্য হাদীসে বলা হয়েছে, كُلُّ مَعْرُوفِ صَدَقَةٌ وَإِنَّ مِنْ الْمَعْرُوفِ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ বুজেहি ত্বলক্ব - "প্রত্যেক ভালো কাজই এক একটি সাদাকাহ। আপন ভাইয়ের সাথে হাস্যোজ্জ্বল চেহারা নিয়ে সাক্ষাত করাও একটি ভালো কাজ। "৩৪৪
তাচ্ছিল্য ও নির্লিপ্ততার সাথে নয়; বরং আগ্রহ ও মনোযোগসহকারে সাক্ষাত করা চাই এবং এ সাক্ষাতকার যে আন্তরিক খুশির তাগিদেই করা হচ্ছে এ কথা অন্যের কাছে প্রকাশ পেতে হবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে সাহাবীগণ (রা.) বলেন, তিনি কারো প্রতি মনোযোগ প্রদান করলে সমগ্র দেহ-মন দিয়েই করতেন। ওয়াসিলা ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাসজিদের ভেতরে বসেছিলেন। এমনি সময়ে সেখানে একটি লোক এলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম নড়েচড়ে ওঠলেন। লোকটি বললো, يَا رَسُولَ اللَّهُ إِنَّ فِي الْمَكَانِ سَعَةٌ -"ইয়া রাসূলাল্লাহ, যথেষ্ট জায়গা আছে।" তিনি বললেন, إِنْ لِلْمُسْلِمٍ حَقًّا إِذَا رَآهُ أَخُوهُ أَنْ يَتَزَحْزَحَ لَهُ “মুসলিমের অধিকার হচ্ছে এই যে, তার ভাই যখন তাকে দেখবে, তখন তার জন্য সে একটু নড়েচড়ে বসবে।”৩৪৫ উম্মুল মু'মিনীন 'আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার যায়িদ ইবনু হারিসাহ (রা.) মাদীনায় আসলেন। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার ঘরে ছিলেন। সে এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মুলাকাত করার জন্য বাহির থেকে দরজায় খটখট আওয়ায দেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম কাপড় না বেঁধে শুধু টানতে টানতেই বাইরে বেরিয়ে পড়েন। আল্লাহর কসম! আমি না এর আগে, আর না এর পরে তাঁকে এমনি অবস্থায় কখনো দেখেছি। তিনি ভালোবাসার আতিশয্যে যায়িদের গলা জড়িয়ে ধরেন এবং তাঁকে চুম্বন করেন। ৩৪৬ অনুরূপভাবে যখন জা'ফার ইবনু আবী তালিব (রা.) হাবশা থেকে ফিরে আসেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর গলা জড়িয়ে ধরে কপালে চুম্বন করেন। ৩৪৭ 'ইকরামাহ (রা.) ইবনু আবী জাহল যখন তাঁর খিদমাতে গিয়ে হাযির হন, তখন তিনি দাঁড়িয়ে তাঁর গলা জড়িয়ে ধরেন এবং তিন তিন বার বললেন ! مرحبا بالراكب المهاجر - "হিজরাতকারী আরোহীকে স্বাগতম!"৩৪৮
টিকাঃ
৩৪৩. মুসলিম, আস-সাহীহ, (কিতাব: আল-বির...), হা. নং: ৬৮৫৭; আহমাদ, আল-মুসনাদ, হা. নং: ২১৫১৯
৩৪৪. তিরমিযী, আস-সুনান, (কিতাব: আল-বির...), হা. নং: ১৯৭০; আহমাদ, আল-মুসনাদ, হা. নং: ১৪৭০৯
৩৪৫. বাইহাকী, শু'আবুল ঈমান, (৬১: কিয়ামুল মার'য়ি লি-সাহিবিহি..), হা. নং: ৮৫৩৪ হাদীসটি সূত্রগত দিক থেকে দুর্বল। (আলবানী, সাহীহু ও দা'ঈফুল জামি'ইস সাগীর, খ. ১১, পৃ. ২২৪, হা. নং: ৪৭৭৭)
৩৪৬. তিরমিযী, আস-সুনান, (কিতাব: আল-ইস্তি'যান), হা. নং: ২৭৩২
৩৪৭. আবু ইয়া'লা, আল-মুসনাদ, হা. নং: ১৮৭৬
৩৪৮. তিরমিযী, আস-সুনান, (কিতাব: আল-ইস্তি'যান), হা. নং: ২৭৩৫; হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, (কিতাব: মা'আরিফুস সাহাবাহ), হা. নং: ৫০৫৯; তাবারানী, আল-মু'জামুল কাবীর, হা. নং: ১০২১, ১০২২