📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে ক্ষমা করে দাও বলা

📄 হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে ক্ষমা করে দাও বলা


হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে আমাকে ক্ষমা করে দাও, এ কথা প্রসঙ্গে
في الصحيح عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ لله أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ: ((لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ، لِيَعْزِمُ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّ اللَّهَ لَا مُكْرِهَ لَهُ )) والمسلم : (( وَلْيُعَظُمُ الرَّغْبَةَ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يَتَعَاظَمُهُ شَيْءٌ أَعْطَاهُ))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ যেন এ কথা না বলে যে, হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে আমাকে ক্ষমা করে দাও. তোমার ইচ্ছা হলে আমার উপর রহম করো, বরং তাকে আল্লাহর নিকট দৃঢ়তার সাথে চাইতে হবে. কেননা, আল্লাহকে কেউ বাধ্য করতে পারে না.” আর মুসলিম শরীফে আছে, "আল্লাহর নিকট মানুষের খুব বেশী চাওয়ার আগ্রহ থাকা উচিত, কারণ, তিনি যা কিছুই দিবেন, কোনটাই তাঁর নিকট বড় নয়.'
ব্যখ্যা-বিশ্লেষণঃ
যাবতীয় বিষয় আল্লাহর ইচ্ছা-ইরাদার উপর নির্ভরশীল হলেও দ্বীনি ব্যাপারে যেমন, রহমত ও ক্ষমা কামনা এবং দ্বীনের সাহায্যকারী পার্থিব বিষয়ে যেমন, নিরাপত্তা ও রুজি ইত্যাদি চাওয়ার ব্যাপারে বান্দাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সে যেন তার প্রতিপালকের নিকট দৃঢ়তা ও নিশ্চয়তার সাথে তা চায়. আর এই চাওয়াই হলো মুখ্য ইবাদত ও তার মগজ, আর ইচ্ছার-ইরাদার সাথে না জড়িয়ে দৃঢ়তার সাথে না চাওয়া পর্যন্ত এটা (ইবাদত) পূরণ হবে না. কেননা, (বান্দাকে) এর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এতে কেবল কল্যাণ রয়েছে, কোন ক্ষতি নেই, আর আল্লাহ কোন জিনিসকে বড় মনে করেন না।
এতে এই চাওয়া এবং নির্দিষ্ট করে কোন এমন কিছু চাওয়ার মধ্যে পার্থক্য সূচিত হয়ে গেলো, যার উদ্দেশ্য ও উপকার বাস্তবায়িত হয় না। আবার এটাও নিশ্চয়তার সাথে বলা যায় না যে, তা পেলে বান্দার জন্য কল্যাণকর হবে। তাই বান্দা তার প্রতিপালকের নিকট চাইবে এবং তার জন্য কোন্টা বেশী ভাল তার নির্বাচন তার রবের উপর ছেড়ে দিবে। যেমন প্রমাণিত এই দুআ পড়া,
اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتْ الحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتْ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي))
অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখো, যদি জীবনই আমার জন্য উত্তম হয়। আর আমাকে মৃত্যু দান করো, যদি মনে করো যে মৃত্যুই আমার জন্য শ্রেয়।” অনুরূপ ইস্তিখারা বা কল্যাণ কামনার দুআ পাঠ করা। ক্ষতিহীনতা এমন উপকারী জিনিস কামনা করার মধ্যে, যার উপকার সুবিদিত এবং যা প্রার্থনাকারী (ইচ্ছা-ইরাদার সাথে) না জুড়িয়ে দৃঢ়তার সাথে কামনা করে এবং ঐ জিনিসের চাওয়ার মধ্যে, যার পরিণাম সম্পর্কে বান্দা অজ্ঞ, যার ক্ষতির দিক বেশী, না উপকারের দিক বেশী, তাও সে জানে না বলে, তার নির্বাচন তার সেই রবের উপর ছেড়ে দেয়, যাঁর জ্ঞান, কুদরত এবং রহমত ও দয়া প্রত্যেক জিনিসকে পরিব্যাপ্ত, বড় সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, যা জেনে নেওয়া দরকার।

হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে আমাকে ক্ষমা করে দাও, এ কথা প্রসঙ্গে
في الصحيح عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ لله أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ: ((لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ، لِيَعْزِمُ الْمَسْأَلَةَ فَإِنَّ اللَّهَ لَا مُكْرِهَ لَهُ )) والمسلم : (( وَلْيُعَظُمُ الرَّغْبَةَ فَإِنَّ اللَّهَ لَا يَتَعَاظَمُهُ شَيْءٌ أَعْطَاهُ))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ যেন এ কথা না বলে যে, হে আল্লাহ! তোমার ইচ্ছা হলে আমাকে ক্ষমা করে দাও. তোমার ইচ্ছা হলে আমার উপর রহম করো, বরং তাকে আল্লাহর নিকট দৃঢ়তার সাথে চাইতে হবে. কেননা, আল্লাহকে কেউ বাধ্য করতে পারে না.” আর মুসলিম শরীফে আছে, "আল্লাহর নিকট মানুষের খুব বেশী চাওয়ার আগ্রহ থাকা উচিত, কারণ, তিনি যা কিছুই দিবেন, কোনটাই তাঁর নিকট বড় নয়.'
ব্যখ্যা-বিশ্লেষণঃ
যাবতীয় বিষয় আল্লাহর ইচ্ছা-ইরাদার উপর নির্ভরশীল হলেও দ্বীনি ব্যাপারে যেমন, রহমত ও ক্ষমা কামনা এবং দ্বীনের সাহায্যকারী পার্থিব বিষয়ে যেমন, নিরাপত্তা ও রুজি ইত্যাদি চাওয়ার ব্যাপারে বান্দাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সে যেন তার প্রতিপালকের নিকট দৃঢ়তা ও নিশ্চয়তার সাথে তা চায়. আর এই চাওয়াই হলো মুখ্য ইবাদত ও তার মগজ, আর ইচ্ছার-ইরাদার সাথে না জড়িয়ে দৃঢ়তার সাথে না চাওয়া পর্যন্ত এটা (ইবাদত) পূরণ হবে না. কেননা, (বান্দাকে) এর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এতে কেবল কল্যাণ রয়েছে, কোন ক্ষতি নেই, আর আল্লাহ কোন জিনিসকে বড় মনে করেন না।
এতে এই চাওয়া এবং নির্দিষ্ট করে কোন এমন কিছু চাওয়ার মধ্যে পার্থক্য সূচিত হয়ে গেলো, যার উদ্দেশ্য ও উপকার বাস্তবায়িত হয় না। আবার এটাও নিশ্চয়তার সাথে বলা যায় না যে, তা পেলে বান্দার জন্য কল্যাণকর হবে। তাই বান্দা তার প্রতিপালকের নিকট চাইবে এবং তার জন্য কোন্টা বেশী ভাল তার নির্বাচন তার রবের উপর ছেড়ে দিবে। যেমন প্রমাণিত এই দুআ পড়া,
اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتْ الحَيَاةُ خَيْرًا لِي، وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتْ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي))
অর্থাৎ, “হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখো, যদি জীবনই আমার জন্য উত্তম হয়। আর আমাকে মৃত্যু দান করো, যদি মনে করো যে মৃত্যুই আমার জন্য শ্রেয়।” অনুরূপ ইস্তিখারা বা কল্যাণ কামনার দুআ পাঠ করা। ক্ষতিহীনতা এমন উপকারী জিনিস কামনা করার মধ্যে, যার উপকার সুবিদিত এবং যা প্রার্থনাকারী (ইচ্ছা-ইরাদার সাথে) না জুড়িয়ে দৃঢ়তার সাথে কামনা করে এবং ঐ জিনিসের চাওয়ার মধ্যে, যার পরিণাম সম্পর্কে বান্দা অজ্ঞ, যার ক্ষতির দিক বেশী, না উপকারের দিক বেশী, তাও সে জানে না বলে, তার নির্বাচন তার সেই রবের উপর ছেড়ে দেয়, যাঁর জ্ঞান, কুদরত এবং রহমত ও দয়া প্রত্যেক জিনিসকে পরিব্যাপ্ত, বড় সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে, যা জেনে নেওয়া দরকার।

📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 আমার দাস ও দাসী বলা

📄 আমার দাস ও দাসী বলা


আমার দাস এবং আমার দাসী বলবে না
فِي الصَّحِيحِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ: ((لَا يَقُلْ أَحَدُكُمْ أَطْعِمْ رَبَّكَ، وَضَى رَبَّكَ، وَلْيَقُلْ : سَيِّدِي مَوْلَايَ، وَلَا يَقُلْ أَحَدُكُمْ عَبْدِي أَمَتِي، وَلْيَقُلْ: فَتَايَ وَفَتَاتِي وَغُلَامِي))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ যেন এইরূপ না বলে, তোমার রব্বকে আহার করাও, তোমার রব্বকে অযু করাও, বরং বলবে, আমার সর্দার ও নেতা, আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন না বলে, আমার দাস ও আমার দাসী। বরং বলবে, আমার যুবক-যুবতী এবং আমার চাকর।”
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. আমার দাস ও দাসী বলা নিষেধ।
২. চাকর তার মুনিবকে আমার রব্ব বলবে না এবং তাকেও বলা যাবে না যে, তোমার রব্বকে আহার করাও।
৩. অপরকে আমার মুনিব ও আমার সর্দার বলা শিক্ষা দেওয়া।
৪. এখানে আসল উদ্দেশ্যের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে, আর তা হলো, ভাষা প্রয়োগের ক্ষেত্রে তাওহীদের শিক্ষা প্রদান।
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ বান্দার আমার দাস ও দাসী বলার পরিবর্তে, আমার যুবক ও যুবতী বলা, মুস্তাহাবের পর্যায় পড়ে আর এটা অন্য নিষিদ্ধ ধারণা সৃষ্টি হতে পারে এমন শব্দ থেকে বাঁচার জন্য, যদিও তা অনেক দূর থেকেও হয়। তবে এটা হারাম নয়, বরং এটা সুন্দর শব্দকে নিষিদ্ধ ধারণা সৃষ্টি সৃষ্টি হতে পারে এমন কথা থেকে পূর্ণরূপে সংরক্ষণ করার মাধ্যমে আদব শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, কেননা, কথা ও শব্দের মধ্যে আদব বজায় রাখা হলো, পূর্ণ তাওহীদের দলীল, বিশেষ করে এই ধরনের শব্দ, যাতে অন্য ধারণা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভানা বেশী।

আমার দাস এবং আমার দাসী বলবে না
فِي الصَّحِيحِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ: ((لَا يَقُلْ أَحَدُكُمْ أَطْعِمْ رَبَّكَ، وَضَى رَبَّكَ، وَلْيَقُلْ : سَيِّدِي مَوْلَايَ، وَلَا يَقُلْ أَحَدُكُمْ عَبْدِي أَمَتِي، وَلْيَقُلْ: فَتَايَ وَفَتَاتِي وَغُلَامِي))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে কেউ যেন এইরূপ না বলে, তোমার রব্বকে আহার করাও, তোমার রব্বকে অযু করাও, বরং বলবে, আমার সর্দার ও নেতা, আর তোমাদের মধ্যে কেউ যেন না বলে, আমার দাস ও আমার দাসী। বরং বলবে, আমার যুবক-যুবতী এবং আমার চাকর।”
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. আমার দাস ও দাসী বলা নিষেধ।
২. চাকর তার মুনিবকে আমার রব্ব বলবে না এবং তাকেও বলা যাবে না যে, তোমার রব্বকে আহার করাও।
৩. অপরকে আমার মুনিব ও আমার সর্দার বলা শিক্ষা দেওয়া।
৪. এখানে আসল উদ্দেশ্যের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে, আর তা হলো, ভাষা প্রয়োগের ক্ষেত্রে তাওহীদের শিক্ষা প্রদান।
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ বান্দার আমার দাস ও দাসী বলার পরিবর্তে, আমার যুবক ও যুবতী বলা, মুস্তাহাবের পর্যায় পড়ে আর এটা অন্য নিষিদ্ধ ধারণা সৃষ্টি হতে পারে এমন শব্দ থেকে বাঁচার জন্য, যদিও তা অনেক দূর থেকেও হয়। তবে এটা হারাম নয়, বরং এটা সুন্দর শব্দকে নিষিদ্ধ ধারণা সৃষ্টি সৃষ্টি হতে পারে এমন কথা থেকে পূর্ণরূপে সংরক্ষণ করার মাধ্যমে আদব শিক্ষা দেওয়া হয়েছে, কেননা, কথা ও শব্দের মধ্যে আদব বজায় রাখা হলো, পূর্ণ তাওহীদের দলীল, বিশেষ করে এই ধরনের শব্দ, যাতে অন্য ধারণা সৃষ্টি হওয়ার সম্ভানা বেশী।

📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 আল্লাহর নিকট চাইলে প্রত্যাখ্যাত হয় না

📄 আল্লাহর নিকট চাইলে প্রত্যাখ্যাত হয় না


যে আল্লাহর নিকট চায়, সে প্রত্যাখ্যাত হয় না
عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ ((سَأَلَ بِاللَّهِ فَأَعْطُوهُ، وَمَنْ اسْتَعَاذَ بِالله فَأَعِيذُوهُ، وَمَنْ دَعَاكُمْ فَأَجِيبُوهُ، وَمَنْ صَنَعَ إِلَيْكُمْ مَعْرُوفًا فَكَافِثُوهُ، فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا مَا تُكَافِئُونَهُ فَادْعُوا لَهُ حَتَّى تَرَوْا أَنَّكُمْ قَدْ كَافَأْتُمُوهُ)) رواه أبو داود والنسائي بسند صحيح
অর্থাৎ, ইবনে উমার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে চায়, তাকে দাও। যে আল্লাহর ওয়াস্তে তোমাদের আশ্রয় কামনা করে, তাকে আশ্রয় দাও। যে তোমাদের নিকট আবেদন করে, তার আবেদনে সাড়া দাও যে তোমাদের জন্য ভাল করে, তোমরা তার প্রতিদান দাও, যদি তোমাদের নিকট প্রতিদান দেওয়ার মত কিছু না থাকে, তবে তার জন্য এমনভাবে দুআ করো যাতে তোমাদের মনে হয় যে, তোমরা তার প্রতিদান দিতে পেরেছো।” হাদীসটি ইমাম আবূ দাউদ ও নাসায়ী সহী সনদে বর্ণনা করেছেন।
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. আল্লাহর নামে আশ্রয় কামনা করলে, আশ্রয় দেওয়া। ২. যে আল্লাহর নামে চায়, তাকে দেওয়া। ৩. আবেদন রাখলে, তা কবুল করা। ৪. ভাল কাজের প্রতিদান দেওয়া। ৫. সে দুআ দিয়ে প্রতিদান দিবে, যার কাছে অন্য কিছু নেই। ৬. রাসূলের বাণী, "যেন তোমাদের মনে হয় যে, তোমরা প্রতিদান দিতে পেরেছো।”
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ এই অধ্যায়ের লক্ষ্য হলো সেই ব্যক্তি, যার নিকট চাওয়া হয়। অর্থাৎ, কেউ যদি কোন মানুষের নিকট সর্বোচ্চ ও সুমহান অসীলা ধরে চায়, যেমন, আল্লাহর অসীলায়, তাহলে আল্লাহর সম্মান ও মর্যাদার দিকে লক্ষ্য রেখে এবং তার যে ভাই এই বড় মাধ্যম ধরে চেয়েছে, তার অধিকারকে আদায় করে তাকে দেওয়া উচিত।

যে আল্লাহর নিকট চায়, সে প্রত্যাখ্যাত হয় না
عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ ((سَأَلَ بِاللَّهِ فَأَعْطُوهُ، وَمَنْ اسْتَعَاذَ بِالله فَأَعِيذُوهُ، وَمَنْ دَعَاكُمْ فَأَجِيبُوهُ، وَمَنْ صَنَعَ إِلَيْكُمْ مَعْرُوفًا فَكَافِثُوهُ، فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا مَا تُكَافِئُونَهُ فَادْعُوا لَهُ حَتَّى تَرَوْا أَنَّكُمْ قَدْ كَافَأْتُمُوهُ)) رواه أبو داود والنسائي بسند صحيح
অর্থাৎ, ইবনে উমার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে চায়, তাকে দাও। যে আল্লাহর ওয়াস্তে তোমাদের আশ্রয় কামনা করে, তাকে আশ্রয় দাও। যে তোমাদের নিকট আবেদন করে, তার আবেদনে সাড়া দাও যে তোমাদের জন্য ভাল করে, তোমরা তার প্রতিদান দাও, যদি তোমাদের নিকট প্রতিদান দেওয়ার মত কিছু না থাকে, তবে তার জন্য এমনভাবে দুআ করো যাতে তোমাদের মনে হয় যে, তোমরা তার প্রতিদান দিতে পেরেছো।” হাদীসটি ইমাম আবূ দাউদ ও নাসায়ী সহী সনদে বর্ণনা করেছেন।
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. আল্লাহর নামে আশ্রয় কামনা করলে, আশ্রয় দেওয়া। ২. যে আল্লাহর নামে চায়, তাকে দেওয়া। ৩. আবেদন রাখলে, তা কবুল করা। ৪. ভাল কাজের প্রতিদান দেওয়া। ৫. সে দুআ দিয়ে প্রতিদান দিবে, যার কাছে অন্য কিছু নেই। ৬. রাসূলের বাণী, "যেন তোমাদের মনে হয় যে, তোমরা প্রতিদান দিতে পেরেছো।”
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ এই অধ্যায়ের লক্ষ্য হলো সেই ব্যক্তি, যার নিকট চাওয়া হয়। অর্থাৎ, কেউ যদি কোন মানুষের নিকট সর্বোচ্চ ও সুমহান অসীলা ধরে চায়, যেমন, আল্লাহর অসীলায়, তাহলে আল্লাহর সম্মান ও মর্যাদার দিকে লক্ষ্য রেখে এবং তার যে ভাই এই বড় মাধ্যম ধরে চেয়েছে, তার অধিকারকে আদায় করে তাকে দেওয়া উচিত।

📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 আল্লাহর মুখমণ্ডলের দোহাই দিয়ে কেবল জান্নাত চাওয়া

📄 আল্লাহর মুখমণ্ডলের দোহাই দিয়ে কেবল জান্নাত চাওয়া


আল্লাহর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু চাওয়া যায় না
عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: (( لَا يُسْأَلُ بِوَجْهِ اللَّهِ إِلَّا الْجَنَّةَ )) رواه أبو داود
অর্থাৎ, জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "আল্লাহর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু চাওয়া যায় না।” (আবূ দাউদ)
কতিপয় মসলা জানা গেলো
১. আল্লাহর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে আসল লক্ষিত বস্তু ব্যতীত অন্য কিছু চাওয়া নিষেধ।
২. আল্লাহর ‘অজহ’ (মুখমন্ডল) এর প্রমাণ,
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ এই অধ্যায়ের লক্ষ্য হলো সেই ব্যক্তি, যে চায়, তাঁর কর্তব্য হলো, আল্লাহর নামসমূহ ও তাঁর গুণাবলীর সম্মান প্রদর্শন করবে, তাঁর দোহাই দিয়ে দুনিয়ার কোন কিছু চাইবে না। বরং তাঁর দোহাই দিয়ে কেবল অত্যধিক প্রয়োজনীয় জিনিস এবং মহান লক্ষণীয় বস্তুই কামনা করবে। আর তা হলো, জান্নাত এবং তার চিরন্তন সম্পদ। আর কামনা করবে প্রতিপালকের সন্তুষ্টি, তাঁর মুখমন্ডলের দর্শন এবং তাঁর সাথে কথাপোকথনের দ্বারা তৃপ্তি গ্রহণ। এই মূল্যবান সম্পদই আল্লাহর দোহাই দিয়ে কামনা করা যায়। আর পার্থিব জীবনের নগণ্য জিনিস যদিও বান্দা তাঁর প্রতিপালকের নিকটই তা কামনা করতে চায়, তবুও তা তাঁর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে কামনা করবে না।

আল্লাহর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু চাওয়া যায় না
عَنْ جَابِرٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ: (( لَا يُسْأَلُ بِوَجْهِ اللَّهِ إِلَّا الْجَنَّةَ )) رواه أبو داود
অর্থাৎ, জাবির থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "আল্লাহর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে জান্নাত ব্যতীত অন্য কিছু চাওয়া যায় না।” (আবূ দাউদ)
কতিপয় মসলা জানা গেলো
১. আল্লাহর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে আসল লক্ষিত বস্তু ব্যতীত অন্য কিছু চাওয়া নিষেধ।
২. আল্লাহর ‘অজহ’ (মুখমন্ডল) এর প্রমাণ,
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ এই অধ্যায়ের লক্ষ্য হলো সেই ব্যক্তি, যে চায়, তাঁর কর্তব্য হলো, আল্লাহর নামসমূহ ও তাঁর গুণাবলীর সম্মান প্রদর্শন করবে, তাঁর দোহাই দিয়ে দুনিয়ার কোন কিছু চাইবে না। বরং তাঁর দোহাই দিয়ে কেবল অত্যধিক প্রয়োজনীয় জিনিস এবং মহান লক্ষণীয় বস্তুই কামনা করবে। আর তা হলো, জান্নাত এবং তার চিরন্তন সম্পদ। আর কামনা করবে প্রতিপালকের সন্তুষ্টি, তাঁর মুখমন্ডলের দর্শন এবং তাঁর সাথে কথাপোকথনের দ্বারা তৃপ্তি গ্রহণ। এই মূল্যবান সম্পদই আল্লাহর দোহাই দিয়ে কামনা করা যায়। আর পার্থিব জীবনের নগণ্য জিনিস যদিও বান্দা তাঁর প্রতিপালকের নিকটই তা কামনা করতে চায়, তবুও তা তাঁর মুখমন্ডলের দোহাই দিয়ে কামনা করবে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00