📄 সময়কে গালি দিলে সে গালি আল্লাহকেই দেওয়া হয়
যে সময়কে গালি দিলো সে আল্লাহকে কষ্ট দিলো
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ [الجاثية : ٢٤]
অর্থাৎ, “তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই তো শেষ; আমরা মরি ও বাঁচি মহাকালই আমাদেরকে ধ্বংস করে।” (সূরা জাসিয়াঃ ২৪)
وفي الصحيح عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ الله عَنِ النَّبِي ﷺ قَالَ: ((قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: يُؤْذِينِي ابْنُ آدَمَ ، يَسُبُّ الدَّهْرَ ، وَأَنَا الدَّهْرُ ، أَقَلِّبُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ)) وفي رواية: ((لَا تَسُبُّوا الدَّهْرَ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা নবী করীম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "আল্লাহ তা'য়ালা বলেন, আদম সন্তান যুগকে গালি দিয়ে আমাকে কষ্ট দেয়, অথচ আমিই যুগ (এর বিবর্তনকারী), আমিই দিবা-রাত্রির আবর্তন করে থাকি.” অন্য বর্ণনায় এসেছে, "তোমরা যুগকে গালি দিও না। কারণ, আল্লাহই যুগের বিবর্তনকারী'
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. যুগকে গালি দেওয়া নিষেধ। ২. তা আল্লাহকে গালি দেওয়া বলে অভিহিত করা। ৩. 'আল্লাহই যুগ' এই কথাটির ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা। ৪. কখনো আন্তরিক উদ্দেশ্য না থাকলেও তা গালিতে পরিণত হয়।
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ যে যুগকে গালি দিলো, সে আল্লাহকে গালি দিলো। যুগকে গালি দেওয়ার ব্যাপক চাল-চলন জাহেলী যুগে ছিলো। আর তাদের এই চাল-চলনের অনুসরণ করলো, অনেক দুর্বল এবং বুদ্ধি ও বিবেকহীন লোকেরা। যখনই তারা যুগকে তাদের উদ্দেশ্যের প্রতিকুল পায়, তখনই তারা তাকে গালি দেয়, কখনো লা'নতও করে। আর এটা দ্বীনের দুর্বলতা, বিবেকহীনতা এবং অত্যধিক মুর্খতা থেকে সৃষ্টি হয়। যুগের কোন কিছুই করার শক্তি নেই, কেননা, যুগ অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও প্রচালিত। তাতে সংঘটিত হেরফের মহা পরাক্রমশালী ও কৌশলীর পরিচালনার আওতাতেই হয়। তাই (যুগকে গালি দিলে ও দোষারোপ করলে) প্রকৃতপক্ষে গালি ও দোষারোপ তার পরিচালক ও নিয়ন্ত্রণকারীর উপর বর্তায়, আর এতে দ্বীন কমে, বিবেক-বুদ্ধিও হ্রাস পায়, মুসীবত খুব বৃদ্ধি পায় এবং বিপদ এলে, তা খুব বড় মনে হয়, ফলে অপরিহার্য সবরের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। আর এটাই হলো তাওহীদ পরিপন্থী জিনিস, তবে যে মু'মিন সে জানে যে, যাবতীয় হেরফের ও অদলবদল আল্লাহর ফয়সালা, তাঁর নির্ধারিত ভাগ্য এবং তাঁর কৌশলের ভিত্তিতে হয়। তাই যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কর্তৃক দূষিত নয়, সেও তার দোষ বর্ণনা করে না। বরং সে আল্লাহর পরিচালনায় সন্তুষ্ট এবং তাঁর নির্দেশের সামনে নিজেকে নত করে দেয়, আর এরই দ্বারা তার তাওহীদ পূর্ণতা লাভ করে এবং সে নিজেও পূর্ণ প্রশান্তি লাভ করে।
📄 ‘ক্বাযিউল ক্বুযাত’ নামকরণ
কাযীউল কুযাত ইত্যাদি নামকরণ প্রসঙ্গে
في الصحيح عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ له عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: ((إِنَّ أَخْنَعَ اسْمِ عِنْدَ اللَّهِ، رَجُلٌ تَسَمَّى مَلِكَ الْأَمْلَاكِ، لَا مَالِكَ إِلَّا اللَّهُ) قَالَ سُفْيَانُ : مِثْلُ شَاهَانٌ شاه. وفي رواية: ((أَغْيَظُ رَجُلٍ عَلَى اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَخْبَتُهُ وَأَغْيَظُهُ عَلَيْهِ رَجُلٍ كَانَ يُسَمَّى مَلِكَ الْأَمْلَاكِ))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা নবী করীম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, "আল্লাহর নিকট সব থেকে নিকৃষ্ট নাম ঐ ব্যক্তির নাম, যার 'মালিকুল আমলাক' রাজ্যসমূহের রাজা নামে নামকরণ করা হয়। অথচ আল্লাহ ব্যতীত কোন বাদশাহ নেই." সুফিয়ান সাওরী বলেন, যেমন, 'শাহানশাহ' সম্রাটের সম্রাট নাম রাখা।
অন্য বর্ণনায় এসেছে, 'কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তিই সব চেয়ে বেশী আল্লাহর রোষের শিকার হবে এবং তাঁর নিকট নিকৃষ্টতর গণ্য হবে, যে রাজাধিরাজ নাম ধারণ করে.'
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. রাজ্যসমূহের রাজা নামকরণ নিষেধ, ২. এই ধরনের অর্থ বিশিষ্ট নামও নিষেধ. ৩. এই ব্যাপারে এবং তার অনুরূপ ব্যাপারে যে কঠোরতা, তা নিয়ে বিবেক-বুদ্ধি খাটাতে হবে, যদিও অন্তরে নামের অর্থের নিয়ত হয় না. ৪. এ কথা বুঝে নেওয়া দরকার যে, এই ধরনের উপাধি আল্লাহর জন্যই নির্দিষ্ট।
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ এই অধ্যায় হলো পূর্বে উল্লিখিত অধ্যায়েরই শাখা, অর্থাৎ, অপরিহার্য কর্তব্য হলো, নিয়তে, কথায় ও কাজে আল্লাহর শরীক স্থাপন না করা, সুতরাং কারো এমন নাম রাখা যাবে না, যাতে আল্লাহর নামসমূহে ও তাঁর গুণাবলীতে কোন প্রকারের শরীক হওয়া স্থাপিত হয়ে যায়, যেমন, কাযীউল কুযাত (সমস্ত বিচারকের বিচারক), রাজ্যসমূহের রাজা প্রভৃতি নামকরণ, অনুরূপ হাকেমুল হুক্কাম (সমস্ত জজের জজ) অথবা আবুল হাকাম (জজের বাপ) ইত্যাদি নামকরণ থেকেও বাঁচতে হবে। এ সবই হচ্ছে তাওহীদ, আল্লাহর নামসমূহ ও তাঁর গুণাবলীর, সংরক্ষণ এবং শির্কের প্রবেশ পথ বন্ধ করার জন্য। যেন এমন কথা উচ্চারিত না হয়, যাতে শির্ক প্রবেশের আশঙ্কা থাকে এবং আল্লাহর বৈশিষ্ট্য ও তাঁর অধিকারের কোন কিছুতে কারো শরীক হওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়।
📄 আল্লাহর নামের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা
মহান আল্লাহর নামসমূহের সম্মান ক'রে নাম পরিবর্তন করা
عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ: أَنَّهُ كَانَ يُكَنَّى أَبَا الحَكَمِ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ: ((إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَكَمُ وَإِلَيْهِ الْحُكْمُ ، فَلِمَ تُكَنَّى أَبَا الْحَكَمِ ؟ فَقُلْتُ: إِنَّ قَوْمِي إِذَا اخْتَلَفُوا فِي شَيْءٍ أَتَوْنِي فَحَكَمْتُ بَيْنَهُمْ ، فَرَضِيَ كِلَا الْفَرِيقَيْنِ، فَقَالَ: ((مَا أَحْسَنَ مِنْ هَذَا، فَمَا لَكَ مِنْ الْوُلْدِ ؟ )) قَالَ لِي شُرَيْحٌ، وَمُسْلِمٌ، وَعَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: ((فَمَنْ أَكْبَرُهُمْ ؟ قُلْتُ : شُرَيْحٌ، قَالَ : فَأَنْتَ أَبُو شُرَيْح)) رواه أبو داود
আবূ শুরাইহ থেকে বর্ণিত যে, তার তাপর নাম ছিলো আবুল হাকাম (জজের বাপ)। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে বললেন, "আল্লাহই তো বিচারপতি এবং তিনিই বিচারের মালিক।” তখন তিনি (শুরাইহ) বললেন, আমার জাতি যখন কোন বিষয়ে বিবাদে লিপ্ত হয়, তখন তারা আমার কাছে ফয়সালা করতে আসে। আমি তাদের ফয়সালা করে দিলে, উভয় দল সন্তুষ্ট হয়ে যায়, তখন তিনি ﷺ বললেন, "এটা তো অতি উত্তম জিনিস, তোমার সন্তানাদি কয়টি?” তিনি (শুরাইহ) বললেন, শুরাইহ, মুসলিম এবং আব্দুল্লাহ, তিনি ﷺ বললেন, "তাদের মধ্যে বড় কে?” বললেন, শুরাইহ, তখন আল্লাহর রাসূল ﷺ বললেন, "তাহলে তোমার ডাক নাম হলে, আবু শুরাইহ." (আবু দাউদ)
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. আল্লাহর নামসমূহ এবং তাঁর গুণাবলীর মর্যাদা দেওয়া, যদিও তার অর্থ লক্ষ্য না হয়। ২. আল্লাহর নামের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা। ৩. অপর নামের জন্য বড় ছেলেকে নির্বাচন করা।
📄 আল্লাহর যিকর, রাসূল ও কুরআনের সাথে বিদ্রূপ করা
যে আল্লাহর যিক্র বিশিষ্ট কোন কিছুর সাথে অথবা কুরআন কিংবা রাসূলের সাথে বিদ্রূপ করে
মহান আল্লাহ বলেন, وَلَئِنْ سَأَلْتَهُمْ لَيَقُولُنَّ إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ )
অর্থাৎ, “আর যদি তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করো, তবে তারা বলবে, আমরা তো কথার কথা বলছিলাম এবং কৌতুক করছিলাম.” (সূরা তাওবাঃ ৬৫)
عَنِ ابْنِ عُمَرَ وَمُحَمَّدُ بن كَعْبٍ وَ زَيْدُ بن أَسْلَمَ وَقَتَادَهُ، دَخَلَ حَدِيثُ بَعْضِهِمْ فِي بَعْضٍ : (( أَنَّهُ قَالَ رَجُلٌ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ : مَا رَأَيْنَا مِثْلَ قُرَّائِنَا هَؤُلَاءِ. أَرْغَب بُطُوْناً، وَلَا أَكْذَبَ السُناً، وَلَا أَجْبَن عِنْدَ اللَّقَاءِ، يَعْنِي رَسُولَ اللهِ ﷺ وَأَصْحَابَهُ القُرَّاءَ، فَقَالَ لَهُ عَوْفُ بْنِ مَالِكٍ كَذَبْتَ، وَلَكِنَّكَ مُنَافِقٌ، لَأُخْبِرَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ ، فَذَهَبَ عَوْفٌ إِلَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ لِيُخْبِرَهُ، فَوَجَدَ الْقُرْآنَ قَدْ سَبَقَهُ، فَجَاءَ ذَلِكَ الرَّجُلُ إِلَى رَسُولِ اللهِ ، وَقَدِ ارْتَحَلَ وَرَكِبَ نَاقَتَهُ. فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَتَحَدَّثُ حَدِيثَ الرَّكْبِ نَقْطَعُ بِهِ عَنَاءَ الطَّرِيقِ، قَالَ ابْنُ عُمَرَ، كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَيْهِ مَتَعَلَّقاً بِنَسْعَةِ نَاقَةِ رَسُوْلِ اللَّهِ ، وَإِنَّ الحِجَارَةَ تَنْكُبُ رِجْلَيْهِ، وَهُوَ يَقُوْلُ : إِنَّمَا كُنَّا نَخُوضُ وَنَلْعَبُ. فَيَقُوْلُ لَهُ رَسُولُ اللهِ ﷺ : ﴿ أَبِاللهِ وَآيَاتِهِ وَرَسُولِهِ كُنتُمْ تَسْتَهْزِئُونَ مَا يَلْتَفِتُ إِلَيْهِ وَمَا يَزِيدُهُ ))
অর্থাৎ, ইবনে উমর, মুহাম্মাদ ইবন কাআ'ব, যায়েদ ইবনে আসলাম এবং ক্বাতাদাহ থেকে বণিত তাঁদের পরস্পরের কথায় মিলও আছে যে, তাবুক যুদ্ধের দিন এক ব্যক্তি এই কথা-বার্তা বলতে লাগলো যে, আমাদের এই ক্বারীদের মত বড় পেটওয়ালা, কথার বড় মিথ্যুক এবং যুদ্ধের সময় অত্যধিক ভীরু আর কাউকে দেখি নি.
তার লক্ষ্য ছিলো রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং তাঁর ক্বারী সাহাবীগণ, তখন আউফ ইবনে মালিক তাকে বললো, তুমি মিথ্যুক এবং মুনাফেক. আমি অবশ্যই এ কথা রাসূলুল্লাহকে জানাবো, অতঃপর আউফ এই খবর দেওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ-এর নিকট গেলেন, কিন্তু তাঁর পূর্বেই কুরআন রাসূলুল্লাহকে এ খবর জানিয়ে দিয়েছে, উক্ত ব্যক্তিও তার উল্টার উপর সাওয়ার হয়ে রাসূলুল্লাহ-এর নিকট এসে বলতে লাগলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা পথ অতিক্রম করার জন্য আপসে হাসি ঠাট্টা এবং সাওয়ারের কথা-বার্তা বলছিলাম.
ইবনে উমার বলেন, আমি যেন তার দিকে তাকিয়ে আছি যে, কেমন করে সে রাসূলুল্লাহ-এর উল্টার রসির সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে কথা বলছে, আর পাথর উড়ে উড়ে তার পাকে স্পর্শ করছিলো. সে বলছিলো, আমরা হাসি-ঠাট্টা করছিলাম, তখন রাসূলুল্লাহ তাকে লক্ষ্য করে বললেন, "তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর নির্দশনসমূহ এবং তাঁর রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করছো.” আর এই অবস্থায় তিনি সেই মুনাফেকের দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপও করেন নি এবং তাঁর উল্লিখিত কথার অধিকও কিছু বলেন নি.”
কতিপয় মসলা জানা গেলো
১. বড় বিষয় হলো, যে ব্যক্তি কুরআন ইত্যাদির সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করবে, সে কাফের।
২. এটাই আয়াতের ব্যাখ্যা যে, যারই কার্যকলাপ এ রকম হবে, সে কাফের,
৩. চুগলী করা এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিমিত্তে নসীহত করার মধ্যে পার্থক্য।
৪. কোন কোন ওজর-আপত্তি এমনও হয়, যা গ্রহণ করা উচিত নয়।
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ আল্লাহ অথবা কুরআন কিংবা রাসূলের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হলো, পূর্ণ ঈমান বিরোধী এবং দ্বীন থেকে বহিষ্কারকারী জিনিস। কারণ, দ্বীনের মূল হলো, আল্লাহ, তাঁর গ্রন্থসমূহ এবং তাঁর রাসূলগণের উপর ঈমান আনা। আর এ সবের সম্মান প্রদর্শনও ঈমানের অন্তর্ভুক্ত। আর এ কথা সুবিদিত যে, উল্লিখিত বিষয়গুলোর সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা নিছক কুফ্রীর থেকেও সাংঘাতিক, কারণ, এতে কুফরীর সাথে সাথে তুচ্ছ ও ঘৃণ্য মনে করাও বিদ্যমান। কেননা, কাফেররা দুই প্রকারের হয় (১) অগ্রাহ্যকারী (২) অগ্রাহ্যকারী ও তর্ককারী) যে অগ্রাহ্যের সাথে সাথে তর্ক ও প্রতিবাদও করে, সে হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে সংগ্রামকারী। আল্লাহ, তাঁর দ্বীন এবং তাঁর রাসূল সম্পর্কে কটুক্তিকারী, আর এটাই হলো, জঘন্য কুফরী ও বড় ফ্যাসাদ। আর দ্বীনের কোন কিছুর সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা হলো এই প্রকারের জিনিস।