📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 আল্লাহ এবং তোমার ইচ্ছা প্রসঙ্গে

📄 আল্লাহ এবং তোমার ইচ্ছা প্রসঙ্গে


আল্লাহর এবং তোমার ইচ্ছা-এই উক্তি প্রসঙ্গে
عَنْ قُتَيْلَةَ : أَنَّ يَهُودِيًا أَتَى النَّبِيَّ ﷺ فَقَالَ: إِنَّكُمْ تُشْرِكُونَ تَقُولُونَ: مَا شَاءَ اللَّهُ وَشِئْتَ، وَتَقُولُونَ: وَالْكَعْبَةِ، فَأَمَرَهُمْ النَّبِيُّ ﷺ إِذَا أَرَادُوا أَنْ يَحْلِفُوا أَنْ يَقُولُوا: وَرَبِّ الْكَعْبَةِ وَأَن يَقُولُوا: مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ شِئْتَ))
কুতাইলা থেকে বর্ণিত যে, জনৈক ইয়াহুদী নবী করীম -এর নিকট এসে বললো, তোমরা তো শির্ক করো। তোমরা বলো, যা আল্লাহ এবং অমুক ইচ্ছা করে। আর তোমরা বলো, কা'বার কসম। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ লোকদের নির্দেশ দিলেন যে, "তোমরা যখন শপথ গ্রহণের ইচ্ছা করবে, তখন বলবে, কা'বার রবের কসম, আর বলবে, আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন, অতঃপর তঅমুক।” (ইমাম নাসায়ী হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি সহীহ বলেছেন।
وله أيضا عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَجُلًا قَالَ لِلنَّبِيِّ ﷺ مَا شَاءَ اللَّهُ وَشِئْتَ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ : (( ( ( أَجَعَلْتَنِي لِلَّهِ نِدًا؟ بَلْ مَا شَاءَ اللَّهُ وَحْدَهُ ))
নাসায়ী শরীফে ইবনে আব্বাস থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহকে বললো, আল্লাহ এবং আপনি যা ইচ্ছা করেন। তখন তিনি রাসূলুল্লাহ বললেন, “তুমি আমাকে তো আল্লাহর শরীক বানিয়ে দিলে? বরং কেবল আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন।”
ولابن ماجة، عَنْ طُفَيْلِ بْنِ أَخِي عَائِشَةَ لِأُمَّهَا، قَالَ: رَأَيْتُ كَأَنِّي أَتَيْتُ عَلَى نَفَرٍ مِنَ الْيَهُودِ، قلت: إِنَّكُمْ أَنْتُمْ الْقَوْمُ لَوْلَا أَنَّكُمْ تَزْعُمُونَ أَنَّ عُزَيْرًا ابْنُ اللَّهِ، قَالُوا: وَأَنْتُمْ الْقَوْمُ لَوْلَا أَنَّكُمْ تَقُولُونَ مَا شَاءَ اللَّهُ وَشَاءَ مُحَمَّدٌ، ثُمَّ مَرَرْتُ بِنَفَرٍ مِنْ النَّصَارَى فَقُلْتُ: إِنَّكُمْ أَنْتُمْ الْقَوْمُ لَوْلَا أَنَّكُمْ تَقُولُونَ الْمَسِيحُ ابْنُ اللَّهِ، قَالُوا: وَإِنَّكُمْ أَنْتُمْ الْقَوْمُ لَوْلَا أَنَّكُمْ تَقُولُونَ مَا شَاءَ اللَّهُ وَمَا شَاءَ مُحَمَّدٌ، فَلَمَّا أَصْبَحْتُ أَخْبَرْتُ بِهَا مَنْ أَخْبَرْتُ، ثُمَّ أَتَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ فَأَخْبَرْتُهُ، فَقَالَ: (( هَلْ أَخْبَرْتَ بِهَا أَحَدًا ؟ )) قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ (( أَمَّا بعد، إِنَّ طُفَيْلًا رَأَى رُؤْيَا فَأَخْبَرَ بِهَا مَنْ أَخْبَرَ مِنْكُمْ، وَإِنَّكُمْ قُلْتُمْ كَلِمَةٌ كَانَ يَمْنُعُنِي كَذَا وَكَذَا أَنْ أَنْهَاكُمْ عَنْهَا، فَلَا تَقُولُوا مَا شَاءَ اللَّهُ وَمَا شَاءَ مُحَمَّدٌ، وَلَكِنْ قُولُوا: مَا شَاءَ اللَّهُ وَحْدَهُ))
অর্থাৎ, ইবনে মাজাহ শরীফে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা)র বৈপিত্রীয় ভাই তুফাইল থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি স্বপ্নে দেখলাম, আমি যেন ইয়াহুদীদের এক দলের নিকটে গেলাম। আমি তাদেরকে বললাম, তোমরা উত্তম জাতি, যদি তোমরা 'উযায়ের' আল্লাহর পুত্র, এই কথা না বলতে। তখন তারা বললো, তোমরাও উত্তম জাতি, যদি তোমরা আল্লাহ এবং মুহাম্মাদ যা ইচ্ছা করেন, এ কথা না বলতে। অতঃপর খ্রীষ্টানদের এক দলের নিকটে গেলাম। তাদেরকে বললাম, তোমরা উত্তম জাতি, যদি তোমরা মাসীহ আল্লাহর পুত্র, এ কথা না বলতে। তখন তারা বললো, তোমরাও উত্তম জাতি, যদি তোমরা আল্লাহ এবং মুহাম্মাদ যা ইচ্ছা করেন, এ কথা না বলতে। যখন সকালে উঠলাম, তখন এই খবর যাকে দিতে পারলাম, দিলাম। অতঃপর নবী করীম -এর নিকটে উপস্থিত হয়ে এই খবর দিলাম। তিনি বললেন, তুমি কি এই খবর কাউকে দিয়েছো? আমি বললাম, হ্যাঁ. (তুফাইল) বলেন, অতঃপর তিনি আল্লাহর প্রশংসা এবং তাঁর গুণকীর্তন করলেন। তারপর বললেন, কথা হচ্ছে, তুফাইল একটি স্বপ্ন দেখেছে, যার খবর তোমাদের মধ্যে যাকে সম্ভব হয়েছে দিয়েছে। তোমরা এমন কথা বলো, যা থেকে আমি তোমাদের নিষেধ করবো মনে করি, কিন্তু এই কারণে করতে পারি নি। কাজেই তোমরা এ কথা বলো না যে, আল্লাহ এবং মুহাম্মাদ যা ইচ্ছা করেন। বরং বলবে, কেবল আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন.'
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. ছোট শির্ক সম্পর্কে ইয়াহুদীদের অবগতি। ২. প্রবৃত্তির আবির্ভাবের সময় মানুষের বিচার-বিবেচনা করা উচিত।
৩. রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বাণী, “তোমরা কি আমাকে আল্লাহর শরীক স্থাপন করেছো?” তবে তার অবস্থা কি হতে পারে যে (নবী করীম ﷺ কে সম্বোধন ক'রে) বলে, হে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ, আপনি ব্যতীত আমার কোন আশ্রয় নেই।
৪. এই ধরনের কথা-বার্তা বড় শির্কের আওতায় পড়ে না। কারণ, রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, "এই এই কারণে আমি মানা করতে পারি না."
৫. সত্য স্বপ্ন অহীর প্রকারের অন্তর্ভুক্ত।
৬. সত্য স্বপ্ন কোন কোন শরীয়তী বিধানের কারণও হয়।

📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 সময়কে গালি দিলে সে গালি আল্লাহকেই দেওয়া হয়

📄 সময়কে গালি দিলে সে গালি আল্লাহকেই দেওয়া হয়


যে সময়কে গালি দিলো সে আল্লাহকে কষ্ট দিলো
আল্লাহ তা'য়ালা বলেন,
وَقَالُوا مَا هِيَ إِلَّا حَيَاتُنَا الدُّنْيَا نَمُوتُ وَنَحْيَا وَمَا يُهْلِكُنَا إِلَّا الدَّهْرُ [الجاثية : ٢٤]
অর্থাৎ, “তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই তো শেষ; আমরা মরি ও বাঁচি মহাকালই আমাদেরকে ধ্বংস করে।” (সূরা জাসিয়াঃ ২৪)
وفي الصحيح عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ الله عَنِ النَّبِي ﷺ قَالَ: ((قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: يُؤْذِينِي ابْنُ آدَمَ ، يَسُبُّ الدَّهْرَ ، وَأَنَا الدَّهْرُ ، أَقَلِّبُ اللَّيْلَ وَالنَّهَارَ)) وفي رواية: ((لَا تَسُبُّوا الدَّهْرَ فَإِنَّ اللَّهَ هُوَ الدَّهْرُ))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা নবী করীম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "আল্লাহ তা'য়ালা বলেন, আদম সন্তান যুগকে গালি দিয়ে আমাকে কষ্ট দেয়, অথচ আমিই যুগ (এর বিবর্তনকারী), আমিই দিবা-রাত্রির আবর্তন করে থাকি.” অন্য বর্ণনায় এসেছে, "তোমরা যুগকে গালি দিও না। কারণ, আল্লাহই যুগের বিবর্তনকারী'
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. যুগকে গালি দেওয়া নিষেধ। ২. তা আল্লাহকে গালি দেওয়া বলে অভিহিত করা। ৩. 'আল্লাহই যুগ' এই কথাটির ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা। ৪. কখনো আন্তরিক উদ্দেশ্য না থাকলেও তা গালিতে পরিণত হয়।
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ যে যুগকে গালি দিলো, সে আল্লাহকে গালি দিলো। যুগকে গালি দেওয়ার ব্যাপক চাল-চলন জাহেলী যুগে ছিলো। আর তাদের এই চাল-চলনের অনুসরণ করলো, অনেক দুর্বল এবং বুদ্ধি ও বিবেকহীন লোকেরা। যখনই তারা যুগকে তাদের উদ্দেশ্যের প্রতিকুল পায়, তখনই তারা তাকে গালি দেয়, কখনো লা'নতও করে। আর এটা দ্বীনের দুর্বলতা, বিবেকহীনতা এবং অত্যধিক মুর্খতা থেকে সৃষ্টি হয়। যুগের কোন কিছুই করার শক্তি নেই, কেননা, যুগ অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও প্রচালিত। তাতে সংঘটিত হেরফের মহা পরাক্রমশালী ও কৌশলীর পরিচালনার আওতাতেই হয়। তাই (যুগকে গালি দিলে ও দোষারোপ করলে) প্রকৃতপক্ষে গালি ও দোষারোপ তার পরিচালক ও নিয়ন্ত্রণকারীর উপর বর্তায়, আর এতে দ্বীন কমে, বিবেক-বুদ্ধিও হ্রাস পায়, মুসীবত খুব বৃদ্ধি পায় এবং বিপদ এলে, তা খুব বড় মনে হয়, ফলে অপরিহার্য সবরের দরজা বন্ধ হয়ে যায়। আর এটাই হলো তাওহীদ পরিপন্থী জিনিস, তবে যে মু'মিন সে জানে যে, যাবতীয় হেরফের ও অদলবদল আল্লাহর ফয়সালা, তাঁর নির্ধারিত ভাগ্য এবং তাঁর কৌশলের ভিত্তিতে হয়। তাই যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কর্তৃক দূষিত নয়, সেও তার দোষ বর্ণনা করে না। বরং সে আল্লাহর পরিচালনায় সন্তুষ্ট এবং তাঁর নির্দেশের সামনে নিজেকে নত করে দেয়, আর এরই দ্বারা তার তাওহীদ পূর্ণতা লাভ করে এবং সে নিজেও পূর্ণ প্রশান্তি লাভ করে।

📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 ‘ক্বাযিউল ক্বুযাত’ নামকরণ

📄 ‘ক্বাযিউল ক্বুযাত’ নামকরণ


কাযীউল কুযাত ইত্যাদি নামকরণ প্রসঙ্গে
في الصحيح عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ له عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: ((إِنَّ أَخْنَعَ اسْمِ عِنْدَ اللَّهِ، رَجُلٌ تَسَمَّى مَلِكَ الْأَمْلَاكِ، لَا مَالِكَ إِلَّا اللَّهُ) قَالَ سُفْيَانُ : مِثْلُ شَاهَانٌ شاه. وفي رواية: ((أَغْيَظُ رَجُلٍ عَلَى اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَخْبَتُهُ وَأَغْيَظُهُ عَلَيْهِ رَجُلٍ كَانَ يُسَمَّى مَلِكَ الْأَمْلَاكِ))
অর্থাৎ, সহী হাদীসে আবূ হুরাইরা নবী করীম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন, "আল্লাহর নিকট সব থেকে নিকৃষ্ট নাম ঐ ব্যক্তির নাম, যার 'মালিকুল আমলাক' রাজ্যসমূহের রাজা নামে নামকরণ করা হয়। অথচ আল্লাহ ব্যতীত কোন বাদশাহ নেই." সুফিয়ান সাওরী বলেন, যেমন, 'শাহানশাহ' সম্রাটের সম্রাট নাম রাখা।
অন্য বর্ণনায় এসেছে, 'কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তিই সব চেয়ে বেশী আল্লাহর রোষের শিকার হবে এবং তাঁর নিকট নিকৃষ্টতর গণ্য হবে, যে রাজাধিরাজ নাম ধারণ করে.'
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. রাজ্যসমূহের রাজা নামকরণ নিষেধ, ২. এই ধরনের অর্থ বিশিষ্ট নামও নিষেধ. ৩. এই ব্যাপারে এবং তার অনুরূপ ব্যাপারে যে কঠোরতা, তা নিয়ে বিবেক-বুদ্ধি খাটাতে হবে, যদিও অন্তরে নামের অর্থের নিয়ত হয় না. ৪. এ কথা বুঝে নেওয়া দরকার যে, এই ধরনের উপাধি আল্লাহর জন্যই নির্দিষ্ট।
ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণঃ এই অধ্যায় হলো পূর্বে উল্লিখিত অধ্যায়েরই শাখা, অর্থাৎ, অপরিহার্য কর্তব্য হলো, নিয়তে, কথায় ও কাজে আল্লাহর শরীক স্থাপন না করা, সুতরাং কারো এমন নাম রাখা যাবে না, যাতে আল্লাহর নামসমূহে ও তাঁর গুণাবলীতে কোন প্রকারের শরীক হওয়া স্থাপিত হয়ে যায়, যেমন, কাযীউল কুযাত (সমস্ত বিচারকের বিচারক), রাজ্যসমূহের রাজা প্রভৃতি নামকরণ, অনুরূপ হাকেমুল হুক্কাম (সমস্ত জজের জজ) অথবা আবুল হাকাম (জজের বাপ) ইত্যাদি নামকরণ থেকেও বাঁচতে হবে। এ সবই হচ্ছে তাওহীদ, আল্লাহর নামসমূহ ও তাঁর গুণাবলীর, সংরক্ষণ এবং শির্কের প্রবেশ পথ বন্ধ করার জন্য। যেন এমন কথা উচ্চারিত না হয়, যাতে শির্ক প্রবেশের আশঙ্কা থাকে এবং আল্লাহর বৈশিষ্ট্য ও তাঁর অধিকারের কোন কিছুতে কারো শরীক হওয়ার ধারণা সৃষ্টি হয়।

📘 তাওহিদের সরল ভাষ্য > 📄 আল্লাহর নামের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা

📄 আল্লাহর নামের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা


মহান আল্লাহর নামসমূহের সম্মান ক'রে নাম পরিবর্তন করা
عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ: أَنَّهُ كَانَ يُكَنَّى أَبَا الحَكَمِ، فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ ﷺ: ((إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَكَمُ وَإِلَيْهِ الْحُكْمُ ، فَلِمَ تُكَنَّى أَبَا الْحَكَمِ ؟ فَقُلْتُ: إِنَّ قَوْمِي إِذَا اخْتَلَفُوا فِي شَيْءٍ أَتَوْنِي فَحَكَمْتُ بَيْنَهُمْ ، فَرَضِيَ كِلَا الْفَرِيقَيْنِ، فَقَالَ: ((مَا أَحْسَنَ مِنْ هَذَا، فَمَا لَكَ مِنْ الْوُلْدِ ؟ )) قَالَ لِي شُرَيْحٌ، وَمُسْلِمٌ، وَعَبْدُ اللَّهِ، قَالَ: ((فَمَنْ أَكْبَرُهُمْ ؟ قُلْتُ : شُرَيْحٌ، قَالَ : فَأَنْتَ أَبُو شُرَيْح)) رواه أبو داود
আবূ শুরাইহ থেকে বর্ণিত যে, তার তাপর নাম ছিলো আবুল হাকাম (জজের বাপ)। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে বললেন, "আল্লাহই তো বিচারপতি এবং তিনিই বিচারের মালিক।” তখন তিনি (শুরাইহ) বললেন, আমার জাতি যখন কোন বিষয়ে বিবাদে লিপ্ত হয়, তখন তারা আমার কাছে ফয়সালা করতে আসে। আমি তাদের ফয়সালা করে দিলে, উভয় দল সন্তুষ্ট হয়ে যায়, তখন তিনি ﷺ বললেন, "এটা তো অতি উত্তম জিনিস, তোমার সন্তানাদি কয়টি?” তিনি (শুরাইহ) বললেন, শুরাইহ, মুসলিম এবং আব্দুল্লাহ, তিনি ﷺ বললেন, "তাদের মধ্যে বড় কে?” বললেন, শুরাইহ, তখন আল্লাহর রাসূল ﷺ বললেন, "তাহলে তোমার ডাক নাম হলে, আবু শুরাইহ." (আবু দাউদ)
কতিপয় মসলা জানা গেলো ১. আল্লাহর নামসমূহ এবং তাঁর গুণাবলীর মর্যাদা দেওয়া, যদিও তার অর্থ লক্ষ্য না হয়। ২. আল্লাহর নামের সম্মানার্থে নাম পরিবর্তন করা। ৩. অপর নামের জন্য বড় ছেলেকে নির্বাচন করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00